ফেব্রুয়ারি
০৫

আবু বকরের আসল খুনী...

সময় ১৩:৩৮:৫০

Photobucket
আবু বকরের পিতার কাছে সন্তান আবু বকর কি ততটাই প্রিয় ছিলনা যতটা আমাদের প্রধানমন্ত্রীর কাছে উনার পিতা? নাকি জাতির পিতার মৃত্যু বাকি সব মৃত্যুর চাইতে আলাদা? অধিক শোকাবহ? অধিক গুরুত্বপূর্ণ? ১৯৭৫ সালে শেখ মুজিব হত্যাও সংঘটিত হয়েছিল রাতের আধারে, অত্যন্ত কাপুরুষচীত কায়দায়। আবু বকরকেও একই ভাবে রাতের আধারে খুন করা হল। প্রশ্ন উঠ্‌ছে কে বা কারা খুন করল আবু বকরকে? এখানে সম্ভাব্য আসামী দুইজন; এক, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের অংগ সংগঠন ছাত্রলীগের জংগী নেত্রীবৃন্দ, দুই, প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রীসভার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ধীন পুলিশ। এক সপ্তাহও হয়নি আইনী প্রক্রিয়া শেষে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলানো হয়েছে ’৭৫এর খুনীদের। আইনী শাষনের জয় হয়েছে এমন একটা উপলব্ধি হতে মানুষ শোকরানা আদায় করেছে, বিচার ব্যবস্থাকে শ্রদ্বা জানিয়েছে, অতি উৎসাহী কেউ আবার মৃতদেহের প্রতি জুতাও ছুড়ে মেরেছে। এ সবই হয়েছে গণতন্ত্রের নামে, আইনী শাষনের ছায়াতলে। স্বাধীন ও স্বচ্ছ বিচার ব্যবস্থাকে সন্মান জানিয়েই জানতে চাই, আবু বকরের পিতা যদি ...

  • ১৫টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
০৫

অলি বার বার ফিরে যায়, অলি বার বার ফিরে আসে...

সময় ০৬:০১:৩৪

গলার আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে, সন্দেহ নেই খুব শীঘ্র পায়ের আওয়াজও পাওয়া যাবে। এমনটা হতে বাধ্য, কারণ ৯০দিন ঘনিয়ে আসতে পারে যে! যাদের জানা নেই তাঁদের কানে কানে বলছি, ৯০ দিন পার হয়ে গেলে বেতন-ভাতা, হাতখরচ, পকেট খরচ, তেল খরচ ও যাবতীয় খরচ সহ আস্ত সদস্যপদই বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা আছে। শুল্কমুক্ত গাড়ির গন্ধে সংসদের বাতাস যখন মৌ মৌ করছে সময়মতই উনারা বুঝতে পারলেন নিজদের ভেতর কাইজ্জা বিবাদ করলে 'জনগণের স্বার্থ' রক্ষা করা সম্ভব হবেনা! অবলা এই জনগণের কথা ভেবেই ফিরে আসার সিদ্বান্ত নিলেন শেষ পর্যন্ত। জনগণের চোখ ও শ্রবন যন্ত্রে বেশ কিছু ত্রুটি ছিল, চাইলেও তাদের দেখতে ও শুনতে অসূবিধা হচ্ছিল পেছনের সাড়িতে বসে মহামান্যরা কি বলছেন। দাবি জানালেন সামনে আসন দেয়ার। মনে হচ্ছে চিকিৎসা শেষে ১৫কোটি মানুষের ৩০কোটি চোখ ও ৩০কোটি কান এখন সূস্থ, বিশেষ কোন অসূবিধা ছাড়াই তাঁরা এখন দেখতে পাবে পেছনের সাড়ির চাঁদ বদনগুলো।

দুই ইয়াতিমের জননী, তিন তিন বারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী, ৪কোটি টাকার ইয়াতিমী ফান্ড নিয়ে আদালতী ফ্যসাদে জড়িয়ে আছেন। দেশীয় ইয়াতমদের জন্যে বিদেশী খয়রাতী এনে অনেক বছর কাটিয়ে দেয়ার পর বুঝতে পারলেন, ...

  • ১৬টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
০৪

ড্রাগ, সুন্দরী আর সাগর পারের দেশ কলোম্বিয়ায় - ৪র্থ পর্ব

সময় ১৩:২৩:২৫

Photobucket
এই এক উট্‌কো ঝামেলার কারনে বিদেশ ভ্রমন অনেক সময় চরম বিরক্তির উদ্রেক করে। ব্যাপারটা প্রথমবারের মত কটু হয়ে ধরা পরে ওসাকা হয়ে জাপান ঢুকার পথে। সিডনী হয়ে লস এঞ্জেলস্‌ যাচ্ছি। ওসাকায় ১৮ ঘন্টার ব্রেক। এয়ারপোর্টে এত লম্বা সময় কাটিয়ে প্রায় ১৩ ঘন্টা আকাশ ভ্রমন স্বাস্থ্যের উপর দিয়ে যাবে, তাই সিদ্বান্ত নিলাম শহরেই কাটিয়ে যাব সময়টা। জাপানে এই প্রথম, তাই এক ঢিলে দুই পাখী মারার লোভটাও কাজ করল ভেতরে ভেতরে। ইমিগ্রেশন কাউন্টারে অষ্ট্রলিয়ান পাসপোর্টটা জমা দিতেই সন্দেহের মধ্যরাত নেমে এল খুদে চোখের জাপানী অফিসারের জন্যে। সম্ভাব্য সব এংগেল হতে পাসপোর্টাকে যাচাই বাছাই করেও কিছু পেলনা, শেষমেশ আশ্রয় নিল প্রযুক্তির। সময় গড়িয়ে যাচ্ছে, লাইনের বাকি অষ্ট্রেলিয়ানরা পার হয়ে গেল ২/১ মিনিট সময় ব্যায় করে। ভেতরে ততক্ষনে অজগর সাপের তর্জন গর্জন শুরু হয়ে গেছে আমার। ধৈর্য্যের শেষ সীমায় গিয়ে প্রচন্ড ক্ষোভে জানতে চাইলাম সমস্যাটা কোথায়, আমার চামড়ায় না পাসপোর্টে? ছোট চোখ দুটো বেশ কিছুটা বড় করেই তাকাল আমার দিকে, ’দিস ইজ আওয়ার ...

  • ২৭টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
০৪

ছাত্রলীগের আবু বকর, আবু বকরের ছাত্রলীগ!

সময় ০৩:২৭:১৫

Photobucket
নিন্দা, প্রতিবাদ ও শোকবানীর ঢেউয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ভাসতে দেখা যায়নি অনেকদিন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ১৮মাস বন্ধ থাকার পর আর্ন্তদলীয় কোন্দলে অস্ত্র ও পেশী প্রদশর্নীর পাশাপাশি রক্তও ঝরছিল একটু আধটু। এ বিবেচনায় আবু বকরই বোধহয় প্রথম লাশ। পরি পরি করেও পরছিলনা, আহত, মারাত্মক আহত, পংগুত্বের মাঝেই সীমাবদ্ব ছিল লাশের দৌঁড়। কিন্তূ পূর্ণাংগ লাশ যে পরতে যাচ্ছে এ ব্যাপারে কারও কোন সন্দেহ ছিলনা। আবু বকর সে অপেক্ষায় ইতি টেনে নতুন করে জানিয়ে দিয়ে গেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসব একেবারেই ডালভাত। ক্যাম্পাসের রাজনীতিকে যারা ঐতিয্যের ডান্ডায় বেধে ঝান্ড হিসাবে মূল্যায়ন করেন, তাদের কাছে আবু বকরের লাশ কেন এতটা রাগের, ক্ষোভের বুঝার কোন উপায় নেই। বাংলাদেশের রাজনীতিতে লাশ একটি অতিমূল্যবান ও এফেক্টিভ ফ্যক্টর, আমাদের অতীত ইতিহাস কি তাই বলেনা? মৃত আবু বকর এ বিবেচনায় নিজকে আনলাকি ভাবতে পারেন, কারণ উনার লাশ আর্ন্তদলীয় কোন্দলের লাশ, যা আন্দোলন দাঁনা বেধে উঠার লাশ হিসাবে কাজ করতে পারবে না।

রাজনৈতিক লাশ নিয়ে বিগত ...

  • ৩৭টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
০২

হায়রে সোনা! এখানেও ভেজাল!!!

সময় ০৪:২৪:৪২

Photobucket
একটি প্রতারণার গল্পঃ
উপরের ছবিটি উচ্ছ্বাসের, গৌরবের। তখন পর্যন্ত তাই ছিল। কিন্তু একটু পর যখন নিচের ছবিটি বের হলো, তখন সব মিলিয়ে এটা জাতীয় লজ্জা। মহিলা সাইক্লিস্ট চিনবাই মারমা সোনা জিততে অসদুপায় অবলম্বন করেছেন; একটি মোটরসাইকেল আরোহীরা হাত ধরে টেনে তাঁকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করেছেন। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁর পদক গেছে আর এই প্রতারণায় দেশের ক্রীড়াঙ্গনের কপালে লেগেছে লজ্জার কালি।

সূত্রঃ দৈনিক কালের ...

  • ৩৩টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
০২

একজন আবুল হোসেনের আবুলীয় কাহিনী!

সময় ০২:৪১:৪৩

Photobucket
দিন তারিখ মনে রাখার অভ্যাস নেই, তাই ঘটনার তারিখটা (এমনকি সন) চাইলেও মনে করতে পারছিনা। অষ্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট দল বিশ্বচ্যম্পিয়নের মুকুট নিয়ে সবেমাত্র দেশে ফিরেছে। দেশটার ক্রিকেট পাগল প্রধানমন্ত্রী জন হাওয়ার্ড সিদ্বান্ত নিলেন জাতীয় বীরদের এই বীরত্বকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পুরস্কৃত করতে হবে। কোন এক রোববার, সরকারী ছুটির দিন, সিডনীর ডার্লিং হারবারে নিমন্ত্রন জানানো হল শহরের ক্রিকেটপ্রেমী বাসিন্দাদের। ওরা এল, সংখ্যায় হাজার হাজার। হরেক রকম পোশাক, হাতে বাহারী রংয়ের ফেষ্টুন সহ অনেকে এল সপরিবারে। ক্রিকেটারদের আনা হল হুড খোলা গাড়িতে করে। চারদিকে বীয়ারের ফোয়ারা বয়ে গেল, কনফেটির বন্যায় ভেসে গেল ডালিং হারবার, অক্সফোর্ড ষ্ট্রীট সহ শহরের মূল রাস্তাগুলো। অজিরা নাচলো, গাইলো, পাশাপাশি খেলোয়াড়দের বেধে ফেলল ভালবাসার র্নিভেজাল বন্ধনে। পার্টি শেষে যে যার ঘরে ফিরে গেল, সোমবার সকাল হওয়ার আগেই রাস্তাঘাট পরিস্কার করে মুছে ফেলা হল আগের দিনের চিন্‌হ।

স্থান মাদারীপুরের কালকিনি নামের ছোট্ট একটা শহর। সময় গভীর রাত। ...

  • ১৭টি মন্তব্য

জানুয়ারি
৩১

লাশ শাহ্‌রিয়ারকে নিয়ে এ লেখা...

সময় ০৭:৪৮:০৯

Photobucket
এ ধরনের একটা লেখা এ মুহুর্তে এপ্রোপ্রিয়েট হবে কিনা ভেবে পাচ্ছিনা। কিন্তূ ওয়াচ্‌ডগী করতে গিয়ে সময় ও বাস্তবতার সাথে সমঝোতা করতেও কোথায় যেন বাধে। যাদের জন্যে লেখাটা বদহজমের কারণ হবে অনুরোধ করব একটু ধৈর্য্য ধরতে। ব্লগ মানেই মনের মত লেখার আসর, এমনটা হলে এ মাধ্যমের মূল আকর্ষনটাই হয়ত কমে যাবে। পড়তে চাইলে মনট শক্ত করুন এবং পড়ুন। না চাইলে ধন্যবাদ।

পাঁচ খুনীর ফাঁসি নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় অব্যাহত রয়েছে, এবং তা বেশকিছু দিন চলবে তাতে সন্দেহ নেই। ফাঁসির আবেগ অংশটুকু তিথিয়ে আসলে আসবে এর বিচারিক প্রসংগ এবং এ নিয়ে বিশেষজ্ঞদের বহুমূখী পান্ডিত্য চলতে থাকবে বহুদিন ধরে। তবে আওয়ামী সরকার ক্ষমতাসীন থাকাবস্থায় এ নিয়ে ব্যতিক্রমধর্মী কোন হৈ চৈ হবে এমনটা মনে করার কোন কারণ দেখছিনা। আমাদের দেশটাই এরকম, ক্ষমতা কথা বলে! ’ক্রাইম & পানিশমেন্ট’ উপন্যাসে লেখক ফেওদর দস্তায়ভ্‌সস্কি বলেছেন, একজন খুনীর মূল শাস্তিটা আসে জেল-হাজত, ফাঁসি হতে নয়, বরং তার ভেতরের অর্ন্তজ্বালা হতে। সদ্য ঝুলা পাঁচ আসামী ফাঁসিমঞ্চে যাওয়ার আগ ...

  • ৫৩টি মন্তব্য

জানুয়ারি
৩০

মিষ্টি পাগল স্বদেশী!

সময় ০৭:৫৩:২৯

Photobucket
পেটপুরে মিষ্টি খাওয়া হয়না অনেকদিন। কলেজ জীবনে পলটন মোড় হতে নিউমার্কেটগামী বাসটা ধরে ঢাকা কলেজের সামনে নামতেই হাতের ডানে পরত মরণচাঁদ মিষ্টান্ন ভান্ডারটা। প্রিয় জায়গাটায় ঢুঁ মারতে শনি মংগলবারের প্রয়োজন হতনা। সকালের নাস্তাতেও মিষ্টি যোগ করতাম অনেকটা বাধ্য হয়ে। বিদেশে মিষ্টি পাওয়া যায়না এমন একটা তথ্য দিয়ে পাঠকদের বিভ্রান্ত করতে চাইনা, কিন্তূ মাছির ভন ভন সূরে কোলাহলপূর্ণ ময়রার দোকানে বসে মিষ্টি খাওয়ার ভেতর কি যে তৃপ্তি তা কি আর বিদেশের ছিমছাম, সাহেবী কায়দায় মিষ্টি খাওয়ার ভেতর পাওয়া যায়! এ জন্যেই বোধহয় যথেষ্ট খেলেও বিদেশী মিষ্টিতে পেটপুরেনা!

দেশের এই মিষ্টি কালচারটাকে খুব মিস করি। শিশুর জন্ম, সন্তানের পরীক্ষা পাশ, চাকরীতে প্রমোশন, বিয়ের কথাবার্তা; উপলক্ষ ছাড়াও সময় অসময় মিষ্টি আদান-প্রদান আমাদের সমাজে একটি স্বীকৃত কালচার, যার শেকড় টানলে আমাদের হয়ত ফিরে যেতে হবে হাজার বছর আগে। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বদলেছে মিষ্টির প্রয়োজনীয়তা, গ্রহনযোগ্যতা ও এর ব্যবহার। গত কয়েক দশকে মিষ্টির রাজত্ব কতটা ...

  • ১১টি মন্তব্য

জানুয়ারি
৩০

এ কলংক হতেও আমাদের মুক্তি প্রয়োজন!

সময় ০২:০৫:৩১

এ পাঁপ ঐতিহাসিক পাঁপ নয়, এ পাঁপ নিত্যদিনের। এ ঘটছে বাংলাদেশের অলি-গলি, রাজপথ, খেঁত-খামার সহ সর্বত্র। ঐতিহাসিক দায়বদ্বতা হতে মুক্তি পাওয়া সম্পূর্ন হলে আমরা আশাকরব এ পাঁপ হতেও মুক্তি দিতে সরকার এগিয়ে আসবে। এ দাবি সময়ের দাবি, বাস্তবতার দাবি।
Photobucket
স্থানঃ রাজধানীর খিঁলগাও এলাকা। ভিক্টিমঃ নারী রিক্সাযাত্রী।
Photobucket
মোমেন্ট অব ক্লাইমেক্স! ছিনিয়ে নিচ্ছে যা কিছু নেয়ার।
Photobucket
মিশন এক্মপ্লিশড্‌! আজ দু'জনার দু'টি পথ ওগো দু'টি দিকে গেছে বেঁকে...
Photobucket
নামের বড়াই কর নাকো নাম দিয়ে কি হয়, নামের মাঝে পাবে নাকো সবার পরিচয়... ওরা আমাদেরই দু'জন!
খিলগাঁও ফ্লাইওভারের ওপর থেকে ছবিগুলো তুলেছেন ফটো এজেন্সি ম্যাপের আলোকচিত্রী বশীর আহমেদ।
সূত্রঃ http://priyo.com/photo/34687.html
Disclaimer: বানান ভুল হয়ে থাকলে ...

  • ১১টি মন্তব্য

জানুয়ারি
২৮

স্মৃতির মনিকোঠায় ১৯৭৫

সময় ০৪:১৯:১৩

Photobucket
১৯৭৫ সালের আগষ্ট মাস। ভাষা কোর্স সমাপ্ত করে ইউক্রেনের আজব সাগরের তীরে ছোট্ট একটা রিসোর্টে ছুটি কাটাচ্ছি আমরা। তিনদিকে গহীন জংগল, সামনে আজব সাগরের নীলাভ ঢেউ, আর চারদিকে স্বল্প বসনা তরুনীদের উদ্দাম চলাফেরা। সব মিলে স্বপ্ন রাজ্যের নৈসর্গিক পরিবেশ। সদ্য মায়ের কোল খালি করে আসা ক’জন বাংলাদেশী আমরা, চেহারায় কৈশোর আর তারুন্যের সন্ধিক্ষনের ছোয়া। দিনের প্রায় সবটাই কাটিয়ে দেই সাগরের নোনা জলে, বিকেল হলেই হাতছানি দেয় নৈশ জীবনের রংগীন উদ্দামতা। দারুচিনি দ্বীপের মত এমন একটা বিচ্ছিন্ন লোকালয় হতে জননী জন্মভূমি কত হাজার মাইল দূরে ছিল তা হিসাব করার মত সময় আর ধৈর্য্য কোনটাই ছিলনা আমাদের। আমরা এসেছি গেল বছরের ক্লান্তি ধূয়ে আরও একটা বছরের জন্যে তৈরী হতে।

দেশী বিদেশী মিলিয়ে আরও বেশ কিছু ছাত্র আমাদের মতই ছুটি কাটাচ্ছিলো রিসোর্ট এলাকায়। বিভিন্ন ইভেন্টে আর্ন্তদেশীয় প্রতিযোগীতাও ছিল আমাদের ছুটির রুটিনে। এমনই এক ইভেন্টে দৌঁড়াতে গিয়ে পায়ের গোড়ালি মচকে ফেলে আমাদের এক বন্ধু। এম্বুলেন্স এসে তাঁকে নিয়ে যেতে ...

  • ২১টি মন্তব্য

প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা ১২১৫