ফেব্রুয়ারি
২৭

যে মৃত্যুর রং নেই...

সময় ০৫:৪২:০২

Photobucket
সময়টা এরশাদ সরকারের মৃত্যুঘন্টা বাজার সময়। বাংলাদেশের অস্থিত্ব শেক্সপীয়ারয়ীয় TO BE OR NOT TO BE'র মত অবস্থা। হরতাল, বোমা আর লাশের উপর ভর করে গণতন্ত্রের পাগলা ঘোড়া কোন আস্তাবলে রওয়ানা হয়েছে তার নির্দেশনা স্বয়ং ঈশ্বরের কাছেও ছিল কিনা সন্দেহ। ‘স্বৈরাচার খেদাও-দেশ বাঁচাও‘, রাজনীতির নাট্যমঞ্চে জনপ্রিয় এ নাটক দাঁনা বেধে উঠ্‌ছে কেবল। 'এক ফুল দু’মালি' ধাচের এ নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র নায়ক মিঃ গণতন্ত্র, দেশনেত্রী ও জণনেত্রী নামের দুই নায়িকা আর ভিলেন এরশাদ হোসেন নামের স্বঘোষিত কবি। ত্রিভূজ দেশপ্রেমের এ কাহিনীতে চূড়ান্ত ক্লাইমেক্স হিসাবে আবির্ভূত হয় ম্যাংগো পিপল নামের পার্শ্ব চরিত্রের লাশ। লাশের প্রত্যাশায় চাতকের মত অপেক্ষায় থাকে নাটকের তিন পক্ষ। ফার্মগেটে লাশ পরেছে দু’টা। উড়ন্ত বাঁজপাখীর গতিতে দৌঁড়ে গেল সাবাই। লীগ দাবী করল একটা লাশ তাদের, একই লাশের দ্বিতীয় দাবিদার হয়ে দৃশ্যপটে হাজির হল দল। ভিআইপি রোড আর বংগবন্ধু রোডে উৎকণ্ঠার শেষ নেই। লাশের মালিকানা হারানোর ভয়ে তটস্থ নায়িকার সেবাদাসের দল। ...

  • ১৭টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
২৫

দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া...আল্‌বুকেরকে, নিউ মেক্সিকো।

সময় ০৮:৫৯:২৫

Photobucket
এ লেখাটার সূত্রপাত মূলত বাংলাদেশ হতে আসা একটা ফোন কল। অনেক দিন পর পরিচিত এক বন্ধুর সাথে কথা বলছিলাম। ইদানিং কোন্‌ শহরে বাস করছি জানতে চাইলে উত্তরে বল্‌লাম নিউ মেক্সিকো অংগরাজ্যের আল্‌বুকেরকে শহরে। ভূগোল নিয়ে মাথা ঘামানোর মত অতিরিক্ত সময় বন্ধুর হাতে নেই, তাই বিষয়টার উপর তার জ্ঞানও সীমিত। নিউ মেক্সিকো শব্দটা শুনতেই ধরে নিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেশী দেশ মেক্সিকোতে বাস করছি আমি। ইমিগ্রেশন সমস্যার কারণে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছি কিনা জানতে চাইল সে। এ ধরনের বিভ্রান্তিমূলক প্রশ্ন এই প্রথম ছিলনা, তাই বন্ধুকে বেনিফিট অব ডাউট দিয়ে বিস্তারিত বর্ণনা করতে বাধ্য হলাম । মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো অংগরাজ্যের উপর ব্লগ পাঠকদের সম্যক ধারণা দিতেই এ লেখা। যুক্তরাষ্ট্রের বাকি ৪৯টা অংগ্রারাজ্য হতে এ অংগরাজ্যের সার্বিক চিত্র একটু ভিন্ন, যা ইতিহাস-ভূগোল প্রিয় পাঠকদের জানতে ভাল লাগবে।

এ অংগরাজ্যের অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলে। এখানে আদিবাসী আমেরিকানদের বাস শত শত ...

  • ১৮টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
২৪

২২শে ফেব্রুয়ারী, চাঁদের অন্যপিঠ...

সময় ০৯:৩৫:৩৬

Photobucket
Photobucket
দু’দিনও পার হয়নি ২১শে ফেব্রুয়ারীর মহা আয়োজন হতে। বাতাসে কান পাতলে দিনটার রেশ এখনো শোনা যাবে নিশ্চয়। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা বাংলাদেশীরা দিনটা কোথায়, কিভাবে পালন করেছে তার খবর মিডিয়াতে জোয়াড়ের মত আসা শুরু হয়েছে কেবল। এশিয়া হতে ইউরোপ, অষ্ট্রেলিয়ায় হতে আমেরিকা, আফ্রিকা হতে লাতিন আমেরিকা, ভাগ্য একজন বাংলাদেশীকে জন্মভূমি হতে যতদূরেই ঠেলে দিক না কেন ২১শে ফেব্রুয়ারীকে বুকের গভীরে লালন করেই সে ঘুরে বেড়ায় পৃথিবীর বিভিন্ন বন্দরে। বাংলাদেশে দিনটা পালনের ব্যাপ্তিও প্রতি বছর জয় করছে নতুন নতুন উচ্চতা। ২১শে ফেব্রুয়ারী দেশের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অংগনে ভাবাবেগের যে জোয়ার নিয়ে আসে তা খুব কাছ হতে লক্ষ্য করলে মনে হবে এই বোধহয় সে মহেন্দ্রক্ষন উপস্থিত, যাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ খুঁজে পেতে যাচ্ছে তার কাংখিত ঠিকানা। জাতিকে ভাষা প্রেমের ভাবাবেগে ভাসাতে কবি সাহিত্যিকরাও এ মাসে সৃষ্টির করেন নিজদের সেরা সাহিত্য ...

  • ১৬টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
২২

একজন আমিন সাহেবের গল্প...(কারিগরী ত্রুটির কারনে রি-পোষ্ট করতে হল)

সময় ১০:০৮:০৬

আমিন সাহেব নামের একজনের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে চাই আপনাদের। ভয় পাবেন না, উনি দু’হাত, দু’পা আর ঘাড়ের উপর মাথাওয়ালা সাধারণ একজন মানুষ মাত্র। ঘটা করে পরিচয় না করালে এই আমিন সাহেবকে হয়ত দেখেও না দেখার ভান করতেন, চিনেও না চেনার তাগাদা অনুভব করতেন। কারণ গোটা বাংলাদেশ জুড়েই এখন আমিন সাহবদের মেলা। আমিন সাহেবের সাথে পরিচয় ৭১’এর আগে। শ্রেফ আমিন নামেই চিনতাম উনাকে। ৭১’এর সিড়ি ডিংগিয়ে পাড়ার বখাটে যুবক আমিন কবে কার কাছে থেকে সাহেব উপাধি পেয়েছিল তার দিন ক্ষণ কেউ মনে রাখেনি।

পাকিদের বোমার ছোবলে দাউ দাউ করে জ্বলছিল আমাদের শহর। আগুনের দাবানল নেভানোর চাইতে মানুষ হঠাৎ করেই বেশী উৎসাহী হয়ে পরল বাজার বন্দর, ব্যবসা বানিজ্য লুটতরাজে। বখে যাওয়া আমিন ও তার জোয়ান দুই ভাই সামনে হতে নেত্রীত্ব দেয় ঐ দিনের ভয়াবহতায়। দিনান্তে সর্বগ্রাসী আগুনের লেলিহান শিখা নেভানো সম্ভব হলেও আমিন & ব্রাদার্সের সর্বগ্রাসী লিপ্সা নেভানোর মত যথেষ্ট পানি পাওয়া যায়নি মেঘনা নদীর মোহনায়। ন’মাস ধরে পাকি বাহিনী ও তাদের দোসরদের প্রত্যক্ষ মদদে আমিন পরিবার একে একে গ্রাস করে নেয় সংখ্যালঘুদের ব্যবসা-বানিজ্য, বসত বাড়ি সহ ...

  • ৬টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
২১

মধ্যরাতের নাটক, স্থান শহীদ মিনার...

সময় ০৭:৫০:১৩

Photobucket
২১শে ফেব্রুয়ারী মধ্যরাতে এ নাটক মঞ্চস্থ হয় প্রতি বছর। ক্ষমতাসীন দলের নেত্রী প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকলে হাতী ঘোড়া বাঘ ভাল্লুক সাজিয়ে আলোকিত করতে আসেন শহীদ মিনার। দন্তহীন বাঘ ভল্লুক পরিবেষ্টিত ক্ষমতাহারা দলের নেত্রী আসেন কিছুক্ষন পর । টিভি, রেডিও সহ ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার শত শত সাংবাদিক প্রচার মাধ্যমের সর্বশেষ প্রযুক্তি নিয়ে চাতকের মত অপেক্ষায় থাকেন নেত্রীদ্বয়ের আগমনে। সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে উনারা আসনে। ফ্লাশ লাইটের আলোয় ঝলমল করে উঠে শহীদ মিনারের পাদদেশ। পাতি-চামচা, উপ-চামচা আর ছটাক-চামচার দল বাঁদরের মত লাফালাফি শুরু করে দেয় নেত্রীদ্বয়ের কাছাকাছি যাওয়ার। শহীদ মিনারে নেত্রী শ্রদ্বাঞ্জলী দিচ্ছেন, এমন একটা বিরল মুহুর্তে নেত্রীর সাথে ছবি তোলাকে জীবন মরণ চ্যালেঞ্জ হিসাবে নেয় চামচার দল ! এ যেন ক্ষমতার রাজনীতিতে অপরিচ্ছেদ্য অংশ। হয়ত এর উপর নির্বাচনী মনোনয়ন সহ নির্ভর করে অনেক কিছু। অথচ উপলক্ষটা ৫২’র ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্বা নিবেদন। উপরের ছবিটা কি তাই বলে?

২১শে ...

  • ৩৯টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
২০

৫২'র পাকি বনাম আজকের পাকি, তফাৎটা কোথায়?

সময় ০৫:৫৪:৩৩

Photobucket
ফাল্গুনের মৌঁ মৌঁ গন্ধে ভাষা দিবস পালনের সময় এখন। সংগত কারনে জাতির বিবেক এ মুহুর্তে ইতিহাসমূখী। ২১শে ফেব্রুয়ারীর প্রাক্কালে এ ধরনের খবর খুব একটা বাতাস পাবে বলে মনে হয়না। খবরগুলো জাতীয় দৈনিকে নিয়মিত প্রকাশ হচ্ছে, আমরা পড়ছি এবং স্বাভাবিক খবর হিসাবে হজম করছি বিনা প্রশ্নে।

খবর ১) সূত্র দৈনিক প্রথম আলো: চট্টগ্রাম মহানগরের চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) একটি ব্যাংক হিসাবে গত পাঁচ মাসে প্রায় সাড়ে আট লাখ টাকা জমা হয়েছে। এই ওসি বাংলা সিনেমার ঢাসুম ঢিসুম মার্কা ওসি কিনা এ ব্যপারে পত্রিকাটি বিস্তারিত কিছু জানায়নি। তবে মজার খবর হল ওসি একজন মহিলা এবং উনার নাম রওশান আরা বেগম। মাসে ১৫ হাজার টাকা বেতনের একজন ওসি কি করে পাঁচ মাসে সাড়ে আট লাখ টাকা জমা করলেন এ প্রশ্নের উত্তরে জনাবা ওসি যা বল্‌লেন তাও বেশ চমকপ্রদঃ ‘আমি পরিচিত লোকজনের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে ব্যাংকে জমা রাখি। এ টাকা আমার মেয়ে ও তার স্বামীর জন্য লন্ডন পাঠাতে হয়।’ ওসি রওশন আরা আরও বলেন, ‘আমার মেয়ে ব্যারিস্টারি পড়ে। তার জন্য প্রতি ...

  • ২৭টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
১৭

আসুন স্বাগত জানাই নাম পরিবর্তনের রাজনীতিকে!

সময় ০৮:০১:৪১

ধারণাটা আগের একটা লেখাতেও প্রকাশ করেছিলাম, কাজ হয়নি, পাঠকদের গেলানো যায়নি যেভাবে চাইছিলাম। স্থান, কাল ও চাহিদার কথা ভেবে নতুন করে পানি ঢালতে সাহষ করছি পুরানো বোতলে। ব্যাপারটা দেশের সমসাময়িক রাজনীতিতে নাম বদলের পালাগান নিয়ে। আগের সরকারের মত এ সরকারও ভাল করে ডানা মেলার আগেই গাইতে শুরু করে দিল সেই পরিচিত গান, "এ দেশের যা কিছু সব আমার পিতার, এতদিন যারা ভোগ-দখল করে আসছিল এবার তাদের বিদায়ের পালা"। শোনা যায় বিদায় তালিকা হতে কবর পর্যন্ত রেহাই পাচ্ছেনা। পালাগানের শুরুটা রাস্তাঘাট, হাসপাতাল, গরুরহাট ও খেলার মাঠের মত ইন্‌সিগনিফিকেন্ট স্থাপনাগুলো দিয়ে শুরু যা গণশৌচাগার পর্যন্ত গড়াতে বিশেষ লজ্জা ও সময় লাগেনি। যেহেতু দেশের সর্বোচ্চ আদালত শাষনতন্ত্রের ৫ম সংশোধনী অবৈধ ঘোষনা করেছে, তাই অবৈধ হয়ে গেছে বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের শাষনামল ছাড়া বাকি সব শাষনামল। সুতরাং তালিকা করে অবৈধ ঘোষনা করে হল ’অবৈধ’ শাষনের নেতা-নেত্রীর নামে জাতীয় স্থাপনা সমূহের নামকরন। এর আগেও একই পালাগান গেয়ে জনৈকা স্ত্রী ঘোষনা দিয়েছিলেন, ‘এ দেশের যা কিছু আছে সবই আমার স্বামীর, অবৈধ ভোগ দখলকারীদের এবার উৎখাতের পালা‘। বলতে ...

  • ৩৪টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
১৫

আমাকে বাঁশ দিলে আমিও বাঁশ দিমু, ক্ষতি কি!

সময় ০৫:১৬:৩০

Photobucket
এই বাঁশ দেয়া দেয়ির সাথে যতটা না লেনদেন প্রসংগ জড়িত তার চেয়ে বেশী জড়িত একটা কুরুচীপূর্ণ ইংগিত। আশাকরি ভাষার মাসে এমন একটা ইংগিতের ব্যবচ্ছেদ না করলেও পাঠকরা বুঝতে পারবেন আমি কি বলতে চাচ্ছি। দুনিয়াতে ভাল মানুষের কমতি নেই, আবার খারাপ মানুষের সংখ্যাও যে নেহায়েত কম তা বলা যাবেনা। কত মানুষের কত রকম জীবন কাহিনী পড়লাম, একমাত্র যীশু খ্রীষ্টের কাহিনীতেই পেলাম মনুষ্য চরিত্রের এ দিকটা, ’ তোমার এক গালে কেউ চড় মারলে আরেক গাল বাড়িয়ে দাও চড়ের জন্যে’। চড় মারামারির এ অধ্যায়কে বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় বিচার করলে অতিমানবীয় মনে হতে বাধ্য। আপনি আমাকে বাঁশ দিলেন, আমিও আপনাকে বাঁশ দিমু, আমাদের রাজনীতিতে এ ধরনের সমীকরন পানির মত সহজ। অর্থনীতির ভাষায় যাকে বলে বার্টার চুক্তি, অর্থাৎ পন্য বিনিময়। রাশিয়া সহ সমাজতান্ত্রিক দুনিয়ার বেশ ক’টা দেশের সাথে বাংলাদেশের এ ধরনের চুক্তি অনেকদিন স্থায়ী ছিল পারস্পরিক স্বার্থের কারণে। তবে এ ধরনের বিনিময়ে বাঁশের মত পন্য অর্ন্তভূক্ত ছিল কিনা তার পক্ষে ছাড়পত্র দেয়ার মত ...

  • ২২টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
১০

ছাত্র রাজনীতি, চাঁদের অন্যপিঠ...

সময় ০৫:১৫:৪৫

Photobucket
লাইজু আমার দূর সম্পর্কের আত্মীয়। ৯০ দশকের প্রথম দিকে অপ্রয়োজনীয় একটা বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রী নেয়ার জন্যে ভর্তি হয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে। ভোলার লালমোহনে মা-বাবার আদরে বেড়ে উঠা টগবগে তরুন, রাজনীতির সাথে কোনদিনই সম্পৃক্ত ছিলনা। চাক্‌রী উপলক্ষে আমিও তখন রাজশাহীতে। লাইজুর সাথে দেখা করতে বিশ্ববিদ্যালয় হলে যাওয়া হত মাঝে মধ্যে। প্রথম দর্শনে না হলেও দ্বিতীয়বার হতেই লক্ষ্য করি লাইজুর রাজনৈতিক মেরুকরন। শেষপর্যন্ত নিজেই স্বীকার করল ছাত্র মৈত্রীর সদস্য সে। অবসর পেলেই লাইজুর ক্যম্পাসে ঘুরে বেড়াতাম প্রথমত চমৎকার একটা প্যানোরমার লোভে, দ্বিতীয়ত বিদেশে ফেলে আসা নিজের ছাত্রজীবনকে মনে করার এ ছিল চমৎকার জায়গা। এভাবেই কেটে গেল একটা বছর। চৈত্রের ভ্যপসা গরম রাজশাহীতে কতটা ভয়াবহ কেবল ভুক্তভোগীদেরই জানার কথা। এমনি এক দুপুরে হাজির হলাম লাইজুর হলে। মাবুদ-ই-ইলাহী! লাইজুর রুম বলতে কোন কিছু অবশিষ্ট দেখলামনা। দরজা জানালা গড়াগড়ি খাচ্ছে মাটিতে, রুমের বিছানাপত্রের উপর বয়ে গেছে কালবৈশাখী ঝড়। চারদিকে ভাল করে ...

  • ২৬টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
০৯

ডেইটলাইন রাজশাহী!

সময় ২০:২৬:০৫


একজন ছাত্রের শেষ ঠিকানা ম্যনহোল হওয়ার কথা ছিলনা!! আমাদের মাঝে ফিরে আসুক মানবতা!

ঘটনার প্রেক্ষাপটঃ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবিরের হামলায় নিহত ছাত্রলীগ কর্মীর লাশ উদ্ধার: পুলিশসহ আহত ৫০

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবিরের হামলায় নিহত এক ছাত্রলীগ কর্মীর লাশ আজ মঙ্গলবার ভোরে উদ্ধার করা হয়। তাঁর নাম ফারুক হোসেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন। ছাত্রশিবিরের হামলায় গত সোমবার রাত থেকে আজ মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এ সময় মুহুর্মুহু গুলির শব্দে ক্যাম্পাস প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। দফায় দফায় চলা সংঘর্ষে আহত হয় পুলিশসহ ছাত্রলীগ ও ছাত্রশিবিরের প্রায় অর্ধশত নেতাকর্মী। হামলার সময় শিবির ক্যাডাররা ছাত্রলীগ কর্মী বাদশা, রুহুল আমিন ও ফিরোজের পায়ের রগ কেটে দেয়। আহতদের মধ্যে ১০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। গুরুতর আহত হয়েছেন ছাত্রলীগ কর্মী ফিরোজ, শফিউল্লাহ, লুত্ফর রহমান, তৌফিক, রুহুল আমিন, নিজাম, নাদিম, বাদশাহ, জনি, আসাদ, কাওসারসহ আরও অনেকে। আহতদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ নগরের বিভিন্ন ক্লিনিকে ...

  • ২২টি মন্তব্য

প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা ১২১৫