শুক্রবার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১০, ১৯ ভাদ্র, ১৪১৭ সাইনইন | রেজিস্টার |bangla font problem

ছাত্রলীগের আবু বকর, আবু বকরের ছাত্রলীগ!


নিন্দা, প্রতিবাদ ও শোকবানীর ঢেউয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ভাসতে দেখা যায়নি অনেকদিন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ১৮মাস বন্ধ থাকার পর আর্ন্তদলীয় কোন্দলে অস্ত্র ও পেশী প্রদশর্নীর পাশাপাশি রক্তও ঝরছিল একটু আধটু। এ বিবেচনায় আবু বকরই বোধহয় প্রথম লাশ। পরি পরি করেও পরছিলনা, আহত, মারাত্মক আহত, পংগুত্বের মাঝেই সীমাবদ্ব ছিল লাশের দৌঁড়। কিন্তূ পূর্ণাংগ লাশ যে পরতে যাচ্ছে এ ব্যাপারে কারও কোন সন্দেহ ছিলনা। আবু বকর সে অপেক্ষায় ইতি টেনে নতুন করে জানিয়ে দিয়ে গেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসব একেবারেই ডালভাত। ক্যাম্পাসের রাজনীতিকে যারা ঐতিয্যের ডান্ডায় বেধে ঝান্ড হিসাবে মূল্যায়ন করেন, তাদের কাছে আবু বকরের লাশ কেন এতটা রাগের, ক্ষোভের বুঝার কোন উপায় নেই। বাংলাদেশের রাজনীতিতে লাশ একটি অতিমূল্যবান ও এফেক্টিভ ফ্যক্টর, আমাদের অতীত ইতিহাস কি তাই বলেনা? মৃত আবু বকর এ বিবেচনায় নিজকে আনলাকি ভাবতে পারেন, কারণ উনার লাশ আর্ন্তদলীয় কোন্দলের লাশ, যা আন্দোলন দাঁনা বেধে উঠার লাশ হিসাবে কাজ করতে পারবে না।

রাজনৈতিক লাশ নিয়ে বিগত জোট সরকারের তথ্যমন্ত্রী ব্যরিষ্টার নাজমুল হুদার একটা মূল্যবান মন্তব্য আছে, যা মনে করে শুশীল সমাজ কিছুটা হলেও স্বস্তি পেতে পারেন। ‘সন্ত্রাষীরা নিজদের ভেতর গোলাগুলি করে মরে সরকারের কাজকেই সহজ করে দিয়ে যায়’। হুদা সাহেবের এ ধরনের বেহুদা মন্তব্যে অনেকদিন পর্যন্ত বিমোহিত ছিলাম। কিন্তূ যেদিন শোনলাম উনার দুই কন্যা লন্ডনে মাসিক ২০ লাখ টাকা খরচ করে লেখাপড়া করছেন, বুঝতে বাকি থাকেনা এ ধরনের মন্তব্যের উৎস কোথায়। বলা হচ্ছে মৃত আবু বকর ছিল ইসলামের ইতিহাস বিভাগের মেধাবী ছাত্র ও ছাত্রলীগের ক্যাডার। একটা সত্য খটকা লাগায়, একজন মেধাবী ছাত্র যখন ইসলামের ইতিহাস নিয়ে লেখাপড়া করতে যায় কোনটা তার কাছে বেশী শিক্ষনীয়, ইসলামের শিক্ষা না নেত্রীর তথাকথিত আদর্শ? যদি নেত্রীর আদর্শই মেধা মূল্যায়নের মানদন্ড হয়ে থাকে, তাহলে বুঝতে হবে, হয় আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় কোন গোলমাল আছে, অথবা ইসলামের ইতিহাস একজন মেধাবী ছাত্রকে দলীয় ক্যাডারত্ব হতে দূরে রাখায় কাজ করছেনা। আবু বকরের মৃত্যুকে বিশ্লেষন করতে গেলে এ চ্যাপ্টারটুকু বিবেচনায় আনার জন্যে শুশীল সমাজকে অনুরোধ করব।

আমার নিজের কলেজ ঢাকা কলেজে ক’দিন ধরেই ক্ষমতসীন দলের ছাত্ররা অস্ত্রের মুখে কর্তৃপক্ষকে জিম্মি করে রেখেছে ভর্ত্তি বানিজ্যের কারণে। এ কথা কারও কাছে নতুন তথ্য নয় ঢাকা কলেজে ক্ষমতাসীন দলের ছাত্ররাজনীতির মূল কাজটা কি। নিউ মার্কেট হতে শুরু করে সমগ্র এলাকাজুড়ে চলে চাঁদাবাজির মহোৎসব, বছরে ’আয়’ হয় কোটি কোটি টাকা। এ টাকা হতে নিজেরা ভাগ পায়, উপরওয়ালাদের দিতে হয় মোটা অংকের বখড়া, এবং ভীত গাড়তে হয় ভবিষৎ রাজনীতির পাকা সিঁড়ি। এ সিঁড়ি বেয়ে যাওয়া যায় ক্ষমতার খুব কাছে, নিঃশ্বাষ অনুভব করা যায় স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর। একজন আমানুল্লাহ আমান হতে পারে এর জ্বলন্ত উদাহরন। উপড়ে উঠার এ লড়াই মসৃন হবে এমনটা আশাকরা হবে অন্যায়। কারণ ইসলামের ইতিহাস বিষয়ে ডিগ্রী প্রাপ্তির পর কি ভবিষৎ অপেক্ষা করছিল আবু বকরের জন্যে? যেন তেন একটা চাকরী? মাথা গোজার একটা ঠাই? জন্ম-মৃত্যুর স্বাভাবিক নিশ্চয়তা? কোনটাই না। অথচ ছাত্ররাজনীতির নেত্রীত্ব তাকে এনে দিতে পারত বিত্ত বৈভব্যের প্রাচুর্য, খুলে দিতে পারত ক্ষমতার সোনালী দুঁয়ার। সমসাময়িক রাজনীতির প্রথম সাড়ির ছাত্র ও যুব নেতাদের সারিবদ্বভাবে উলংগ করা গেলে তাদের নেত্রী পূঁজার লেবাস খসে যা বের হবে তা কেবলই টাকা, কেবলই সম্পত্তি আর প্রাচুর্যের ফোয়াড়া।

কথার পেছনে কথা গেঁথে অনেক কথাই বলা যাবে, কিন্তূ তাতে কাজের কাজ কিছু হবে বলে মনে হয়না। দু’দিন পর সব ঠান্ডা হয়ে আসবে, আবু বকরের ঠাঁই হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাশের তালিকায়। আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে কোনভাবেই রাজনীতি হতে রেহাই দেয়ার উপায় নেই কারণ অনেক রাঘব বোয়ালদের স্বার্থ জড়িত এতে। লাল-নীল-সাদা শিক্ষক হতে শুরু করে ক্ষমতার শীর্ষে থাকা প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতাও অনেকাংশে নির্ভর করে ছাত্ররাজনীতির উপর। ’৫২’র ঐতিয্য, ৭১’এর শৌয্য বীর্য্য, স্বৈরতন্ত্র উৎখাতের অধ্যায়, গণতন্ত্র পাহাড়া দেয়ার ঐতিহাসিক দায়িত্ব, এত সব সোনালী অতীত আর বর্তমানকে পদদলিত করে শিক্ষাংগন হতে রাজনীতিকে নির্বাসনে পাঠানো হবে জাতির সাথে ’বেঈমানী’ করা। তাহলে কি আবু বকরদের লাশ ঐতিয্যের কাফনে দাফন করে দায়মুক্তি পাওয়ার সাংস্কৃতি চলতেই থাকবে? হয়ত তাই, কিন্তূ এ ব্যাপারে আমার একটা প্রস্তাব আছে।

হিসাব কষে দেখা গেছে ছাত্র নেতাদের অনেকেরই বয়স চল্লিশের উপর। অনেকে আবার পিতা হতে পিতামহ পর্যন্ত হয়ে গেছেন। আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর তনয় সজীব ওয়াজেদ জয়ের বয়স সে তুলনায় এমন কিছু নয়। আসুন দাবী জানাই প্রধানমন্ত্রীর দরবারে, জয় ওয়াজেদকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পূর্বক ছাত্রলীগের প্রধান বানানো হোক। আমরা দেখতে চাই প্রধানমন্ত্রীর তনয় হাতে কাটা রাইফেল নিয়ে লড়াই করছেন মাতা ও পিতামহের আদর্শ টিকিয়ে রাখার জন্যে। খালেদা জিয়ার দুই সন্তানকে যথাক্রমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা কলেজে ভর্তি করে দায়িত্ব দেয়া হোক ছাত্রদলের। যেহেতু ঐতিয্যের ছাত্র রাজনীতি কিছুতেই আমাদের শিক্ষাংগন হতে দূর করার নয়, তাহলে চলুক সে ঐতিয্য। এবং সে ঐতিয্যের অগ্রদূত হিসাবে সামনে আসুক নেতা-নেত্রীদের সন্তানগন। ভার্জিনিয়ার আয়েশী জীবন শেষ হোক, লন্ডনের ফিউজেটিভ জীবনের সমাপ্তি হোক, আমরা সেনাপতি হিসাবে যোগ্য সেনাদের চাই, আবু বকরদের মত তৃতীয় সাড়ির সেনাপতি নয়।

মৃত আবু বকরের জন্যেও একটা অনুরোধ থাকবে; সৃষ্টিকর্তার বিচার শেষে তুমি স্বর্গ আর নরক যেখানেই যাওনা কেন, ছাত্রলীগের কোন শাখা খুলতে যেওনা ওখানটায়।

NB: বানান ভুলের জন্যে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।
http://amibangladeshi.org/blog/02-03-2010/984.html
৩৭ টি মন্তব্য
kabirony কবিরনি০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ০১:০৪
প্রধানমন্ত্রী'র ছেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ব আর খালেদা জিয়ার ছেলে জগন্নাথে পড়ব কেন? তাদের কি টাকা কম না যোগ্যতা কম। নাকি আপনি বিদেশ এ পড়ালেখা করছেন বইলা হট কানেকশন আছে প্রধানমন্ত্রী'র ছেলের সাথে। তার প্রতি এই ফেভার কেন? জাতি জানতে চাই।
ছাত্র রাজনীতি সন্ত্রাস মুক্ত হোক - এই কামনা ছাড়া আর কিছুই বলার নেই। প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছাত্রলীগ এর ব্যাপারে কি ডিসিশন নেন যাতে এ ধরনের অনাকাঙ্খিত ঘটনা আর না ঘটে সেটাই দেখার বিষয়।
watchdog ওয়াচডগ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ০১:৩৫
বলা হয় প্রধানমন্ত্রীর তনয় কম্পুটার বৈজ্ঞানিক । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিট হবে ভাল। খালেদা জিয়ার দুই সন্তান এদিক হতে লারেলাপ্পা মার্কা। ফেভার আমার জন্যে নয় বরং তাদের সুবিধার্থে।

ছাত্র রাজনীতির কবর হউক, এমনটাই কামনা করছি।
watchdog ওয়াচডগ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ০৪:০৬
দ্রষ্টব্যঃ ভিন্ন সূত্র বলছে ভিন্ন কথা। কেউ বলছে আবু বকর ছিল সাধারন ছাত্র। তদন্ত শেষে সত্য বেরিয়ে আসলে যদি কারও কাছে ক্ষমা চাইতে হয় তাহলে মৃত আবু বকরের কাছেই চাইব, অন্য কারও কাছে নয়!
noorbdh অাব্দুন নূর০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ০৪:০৯
ছাত্ররা আজ রাজনীতি করে না, তারা এখন স্বার্থনীতি নিয়া ব্যস্ত, যার ফল আবু বক্করের লাশ।
সুন্দর লেখার জন্য ধন্যবাদ।
watchdog ওয়াচডগ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ০৮:৫৭
ধন্যবাদ নূর ভাই। আর যাই হোক শিক্ষাংগনের এ অবনতি মেনে নেয়া যায়না কিছুতেই। দলীয় স্বার্থের উর্ধ্বে উঠে আমাদের সবাইকে এর বিরুদ্বে দাড়াতে হবে।
zhsoykot জেড এইচ সৈকত০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ০৬:১৭
এই নোংরা ছাত্ররাজনীতি আর কতকাল দেশকে কলুষিত করবে ভেবে পাইনা ।
watchdog ওয়াচডগ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ০৮:৫৮
যতদিন না আমরা নিজেরা মুখ খুলছি!
asmarshad আ,শ,ম,এরশাদ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ০৬:১৯
গতকাল সকাল সাড়ে নয়টায় আবু বকরের মৃত্যুর খবর ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন তাঁর সহপাঠীসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা। সকাল ১০টা থেকে তাঁরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল ও ভাঙচুর শুরু করেন। পুলিশ বাধা দিলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ে।

একই সময়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে আরেকটি মিছিল বের হয়। ওই মিছিল উপাচার্যের বাসভবনের কাছে গেলে পুলিশের সঙ্গে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইট ছোড়াছুড়ি হয়। মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের কয়েকটি শেল ছোড়ে। একদল ছাত্র বেলা ১১টার দিকে প্রক্টরের কার্যালয় ভাঙচুর করেন। এর পরই কলা ভবনের ভেতরের কলাপসিবল ফটকগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। সংঘর্ষ চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতর দিয়ে গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেয় পুলিশ।

অনেক আতংকের ভীড়ে আরো একটা আতংকের নাম সাধরন ছাত্র--সাধরন মানুষ।

আমরা কি আসলে ক্ষোভ প্রকাশ করতেই অপরাগ? ক্ষোভ প্রকাশের ভাষার নামই কি গাড়ি ভাংচুর? খুব প্রকাশ করার নামই কি রাস্তা অবরুধ? কিছুদিন আগে চট্টগ্রামে ও হয়েছে এই রকম সাধরন ছাত্রদের তান্ডব রোড় একসিডেন্টকে ঘিরে। তাই আমার শংকা কেবল রাজনীতি নয় আমার শংকা আমাদের মগজের দ্বৈন্যতা নিয়ে, আমার শংকা আমাদের টোটাল দেশ প্রেম নিয়ে। কতটুকু আমরা গনতন্ত্রের যোগ্য। কতটুকু মানবিক আমরা?
সাধরন ছাত্রের নামে সাধরনের গাড়ি ভাংগা কেন সেটা আমার মাথায় আসে না।
যখন যে কোন পক্ষকে আমি গাড়ি ভাংতে দেখি এবং ভাংগার পর তাদের চেহারায় কোন অনুতাপের চিহৃ থাকে না তখন আমার কেবল মনে হয় ---আসলে এই গাড়ি ভাঙ্গা মানে -- এস্টাবিলিসমেন্টের বিরুদ্ধে তার বিগত মজ্জাগত ক্ষোভ, নিজের মধ্যবিত্ত অক্ষমতার বিকৃত এক প্রকাশ মনে হয়। মনে হয়না সে সময়ের ঘটনার ক্ষোভ।
watchdog ওয়াচডগ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ০৯:০২
আপনি চীন দেশে বাস করেন, নিশ্চয় স্থানীয় শিক্ষা ব্যবস্থা ও ছাত্রদের সাথে পরিচয় আছে। বলুনতো পৃথিবীর কোন দেশের শিক্ষাংগনে এ ধরনের বর্বরতা বিদ্যমান। আমি নিজে লেখাপড়া করেছি ইউরোপে, পরিচিত হয়েছি পৃথিবীর বহু জাতির বহু ছাত্রদের সাথে। বাংলাদেশের মত এমন আশ্চর্য্য শিক্ষা পরিবেশ দুনিয়ার কোথাও আছে বলে কেউ নিশ্চিত করতে পারেনি। এসব মেনে নেয়া যায়না।

ধন্যবাদ আপনার সুচিন্তিত মন্তব্যের জন্যে।
sayedurchowdhury সাইদুর রহমান চৌধুরী০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ০৬:২৩
sayedurchowdhury সাইদুর রহমান চৌধুরী০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ০৮:৫০
ওয়াচডগ ব্যতিত অন্যদের কিছু বলা নিষেধ!!
watchdog ওয়াচডগ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ০৯:০৪
পলিটিক্যাল ক্রাইম নিয়ে এতবেশী বলে ফেলেছি মাঝে মধ্যে বিরক্তি লাগে। কিন্তূ শিক্ষাংগনে এ ধরনের পরিবেশ দেখলে চুপ করে থাকাটা কষ্টকর। আর যাই হোক, আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে দূরে রাখতে হবে নষ্ট রাজনীতি হতে।
zamanekushay জামান একুশে০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ০৮:৪৯
বিচার শেষে তুমি স্বর্গ আর নরক যেখানেই যাওনা কেন, ছাত্রলীগের কোন শাখা খুলতে যেওনা ওখানটায়।
watchdog ওয়াচডগ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ০৯:০৫
এ লাইনটার উৎস বিদেশী অলিগলিতে দেখা বাংলাদেশী রাজনীতির সেবাদাসদের দেখে!
lubna09 লুবনা০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ০৯:০৫
আমরাও তাই শুনেছি আবু বকর সাধারন ছাত্র ছিলো, টিউশনি করে চলতো, ফাইনালে ১মস্থান পাওয়ার জন্য সে এবার টিউশনিও ছেড়েছিল। আসলে কি জানেন ইউনিভার্সিটিতে কোন ছাত্র গোন্ডগোলে মরলে তাকে নিয়ে টানা হ্যাচরার রাজনীতি শুরু হয়, তাকে দলের কর্মি বানানে উঠে পরে লাগে, একটা ব্রিলিয়্যান্ট ছাত্র মারা গেলো কোন কিছুতে না থেকে, আর যারা পস্তিল নিয়ে প্রকাশ্যে থাকে তারা বীরদর্পে ঘুরে বেড়ায় ক্যাম্পাসে। আর পুলিশের মর্টার সেল ছোড়া বন্ধ করা উচিৎ, বিশেষ করে ক্যাম্পাসে বা হল গুলোতে। এতো নিরিহরাই মরছে বেশী।
watchdog ওয়াচডগ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ০৯:১০
হতে পারে আবু বকর ছিল রাজনৈতিক পরিচয়ের উর্ধ্বে নীরিহ কেউ একজন। তাতে কিন্তূ পলিটিক্যাল ক্রাইমের ম্যাগনিট্যিউড কমেনা। প্রশ্ন হচ্ছে, এভাবে আর কত? জাতীয় রাজনীতি ছাত্রদের জন্যে কেন? পৃথিবীর আর কোথাও কি কোন সমস্যা নেই? তাতে কি ছাত্ররা লেখাপড়া ছেড়ে সমস্যা সমাধানে নেমে যাচ্ছে? কষ্ট হয় এসব মেনে নিতে।

ধন্যবাদ আপনাকে। ভাল থাকুন।
amarkobita আমার কবিতা০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ০৯:০৮
কি বলবো বলে তো কোন লাভ নেই । শুধু আবু বকর এর জন্য দু:খ হচ্ছে । তার পিতা মাতার কথা ভেবে কষ্ট পাচ্ছি ।
watchdog ওয়াচডগ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ০৯:১১
আসলেই কিছু হবেনা। দুদিন গেলেই সব শান্ত হয়ে আসবে। আবু বকর কে ছিল কেউ হয়ত মনে করবেনা except parents.
jaidis জাইদিস০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ০৯:১৪
‍িকছু বলার নেই

রাজনৈ‍িতক দল এর প্রধানকে বল‍িছ আপনার চো‍খে ‍িক পরে না। এ দৃশ্য

শুধু মৃত আবু বক্করের আত্বার মাগফেরাত কামনা কর‍িছ। সাথে স্কুল ছাত্র ৬ বছরের হা‍িমম এর ‍িবদেহী আত্বার মাগফেরাত কামনা কর‍িছ।
watchdog ওয়াচডগ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ০৯:১৮
আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি ও দোয়া করছি ক্যম্পাসে এ ধরনের এটাই যেন শেষ মৃত্যু হয়।
jaidis জাইদিস০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ০৯:২৮
আমার ‍ব্লগে তিন ও আজ ৪ তারিখের একুশের জরিপে ও অংশ নিন। এবং পুরস্কার জিতুন।
watchdog ওয়াচডগ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ১০:১৭
দাওয়াতের জন্যে ধন্যবাদ আপনাকে।
mahafuzkanak মাহাফুজুর রহমান০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ০৯:৩৩
আর কয়টা প্রাণ বলি দিতে হবে আমাদের বোধের দুয়ার খুলতে?ছাত্র রাজনীতি এখনই বন্ধ করতে হবে।
watchdog ওয়াচডগ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ১০:১৮
ছাত্র রাজনীতি বন্ধের দাবিটা বোধহয় উঁচুমহল পর্য্যন্ত পৌঁছায় না।
riyadh রিয়াদ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ১০:৩১
ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য ছাত্ররাজনীতি প্রত্যেকটি বড়/ছোট দলের দরকার। তাই বাংলাদেশের কোন দল চাইবে না ছাত্ররাজনীতি বন্ধ হউক। দলগুলোর নেতা-নেত্রীরা নিজেদের সন্তানকে বিদেশে পাঠিয়ে সন্তানতুল্য ছাত্রদের হাতে টাকা ও অস্ত্র দেয় তাদের স্বার্থে । কলুসিত-পশুর চেয়েও খারাপ আমাদের এই নেতা-নেত্রীরা।
ওয়াচডগ, আপনার লিখাগুলো পড়ে ব্লগের আমরা উহ-আহ ছাড়া কিছু করতে পারিনা। এগুলো ঐ সভ্য নেতা-নেত্রীদের নিকট পৌছানোর দরকার।
আর আল্লাহ আপনার লিখার হাত আরও মজবুত করুক।
watchdog ওয়াচডগ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ১০:৪৮
খুব কঠিন সত্য কথা বলেছেন। এই ছাত্রদের যদি রাজনীতি হতে দূরে রাখা হয় একদিন তারাই অশিক্ষিত/স্বশিক্ষিত নেত্রীদের গলায় দা ধরবে, দুমড়ে মুচড়ে ফেলবে তাদের পারিবারিক রাজত্ব। কঠিন পরকল্পনার মধ্যে দিয়ে বাচিয়ে রাখা হচ্ছে ছাত্র রাজনীতির ক্যান্সার।

ধন্যবাদ আপনাকে। দোয়া করবেন আমার জন্যে।
mp ময়না পাখি০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ১০:৩৮
কিছুই বলার নেই। বলতে গেলে বলা ফুরাবে না।

অনেক দিন পর আপনাকে পড়লাম। অনেক লেখা মিস করেছি। কেমন আছেন?
watchdog ওয়াচডগ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ১০:৫২
আমি ভাল। আশাকরি আপনার অবসর সময়ও ভাল কাটছে। আপনার ব্লগে মাঝে মধ্যে ঢু মেরে নিশ্চিত করতে চেয়েছি আপনার কো-অর্ডিনেট। যাক শেষ পর্য্ন্ত পাওয়া গেল। আশাকরি এখন হতে নিয়মিত হবেন এ আসরে।

কবে ফিরে যাচ্ছেন আগের জায়গায়? - শুভ কামনা রইল।
rajeen রাজিন০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ১১:১৬
এখন এইসব ??? বাচ্চারা মেজর জিয়া আর শেখ মুজিবের লাশ নিয়ে গুতোগুতি করছে, যে দেশের প্রধান নেতাদের মরেও শান্তি নেই সে দেশের প্রতি রহমত বর্ষিত হবার আশা আমরা করি কি করে !!!
watchdog ওয়াচডগ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ০১:২৮
১৫কোটি মানুষের দেশ রহমত ছাড়া যে বাচবেনা!
faruque মুখ ও মুখোশ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ১২:০৬
জানোয়াররে পিঠাইলে বশে আনা যায় ছাত্রলীগকে পারা যায় না
watchdog ওয়াচডগ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ০১:২৮
বড় কঠিন মন্তব্য!!!
tomalmonirul তমাল হক০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ১২:৩৬
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কি সংবাদপত্র পড়েন?:i
watchdog ওয়াচডগ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ০১:২৯
উনি শুধু প্রশংষামূখরীত সংবাদ পড়ে থাকেন বোধহয়!
rumman21 রুম্মান২১০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ১২:৫০
গভীর বেদনা আবু বকরের পরিবারের জন্য যারা স্বপ্ন দেখেছিল একটু স্বচ্ছলতার।
watchdog ওয়াচডগ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ০১:৩২
দুঃখটা এখানেই। মা-বাবা জীবনের সবটুকু সঞ্চয় ব্যায় করে সন্তানকে পাঠান উচ্চ শিক্ষা লাভের জন্যে। সন্তান হয় লাশ নয়ত রাজনীতির সেবাদাস হয়ে ফিরে আসে ঘরে!
bohurupi বহুরুপি০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ০১:৫২
একদা প্রাচ্যের অক্সফোর্ড একদিন বধ্যভূমি হয়ে উঠবে – ভাবতে ভালই লাগছে। পোলাপাইন দে তালি ! :i :i :i

সাম্প্রতিক পোস্ট Star

সাম্প্রতিক মন্তব্যComment