ফেব্রুয়ারি
০২
হায়রে সোনা! এখানেও ভেজাল!!!

একটি প্রতারণার গল্পঃ
উপরের ছবিটি উচ্ছ্বাসের, গৌরবের। তখন পর্যন্ত তাই ছিল। কিন্তু একটু পর যখন নিচের ছবিটি বের হলো, তখন সব মিলিয়ে এটা জাতীয় লজ্জা। মহিলা সাইক্লিস্ট চিনবাই মারমা সোনা জিততে অসদুপায় অবলম্বন করেছেন; একটি মোটরসাইকেল আরোহীরা হাত ধরে টেনে তাঁকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করেছেন। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁর পদক গেছে আর এই প্রতারণায় দেশের ক্রীড়াঙ্গনের কপালে লেগেছে লজ্জার কালি।
সূত্রঃ দৈনিক কালের কন্ঠ

Phonetic
এই লজ্জা কোথায় রাখা হবে
সব জায়গায় ভেজাল, এরাই বা বাদ যাবে কেন?
এই লজ্জা মিউজিয়ামে রাখবে
মিউজিয়ামে রক্ষিত লজ্জা! মন্দ না!!
সত্য, তিন সত্য!!!
সব সম্ভবের দেশ বাংলাদেশ!!!
আমার খুব প্রিয় ফুটবলার
কেমন আছেন ?
আমার খুব প্রিয় ফুটবলার Maradon- এর কথা মনে পড়ে গেল
কেমন আছেন ?
আছি এক প্রকার। যেদিন ম্যারাডোনা হাতে গোল দিয়ে ঈশ্বরের দোহাই দিয়েছিল সেদিন ঘটনাক্রমে আমি লন্ডনেই ছিলাম। ট্যবলয়েডগুলোর টর্পেডো টাইপের হেডিং এখনো চোখের সামনে ভাসে।
আপনি আছেন কেমন?
এই তো যাচ্ছে আপনাদের দোয়াতে। তবে ব্যস্ততার জন্য আপনাদের সাথে ব্লগিং করা হচ্ছে না।
ভালো থাকুন।
আমি নিজেও এক ধরনের ক্লান্তিতে আক্রান্ত। ব্লগিং বিরক্তিকর লাগছে।
হায়রে লজ্জা
লজ্জা বললে হয়ত কম বলা হবে!
চিনবাই মারমকে আমরা খুব শীঘ্রই রাজনৈতিক অঙ্গনে দেখার আশা রাখি!!
দেখার বিষয় কোন ক্যাম্পে যোগ দেয়!
এমন ঘটনা শতাব্দীতে একবারই ঘটে! স্বাক্ষী হয়ে নিজকে ধন্য করুন!
ইয়াহুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুু
লজ্জায় মাথা হেট হয়ে আসে!
শরম পাইলাম
আমাদের চামড়া বোধহয় আরও মোটা করতে হবে!
বড়ই শরম কি বাত। শরমে আমি গামছায় মুখ ঢেকে আছি।
সামনে দেশে গেলে ভাল দেখে ঝালকাঠির একটা গামছা নিয়ে আসতে হবে! কখন কোন লজ্জা এসে হানা দেয় বুঝা মুস্কিল।
এখানেও ধরা পড়লাম
কোথাও আর বাকি রইলনা!
আজকের ডিজিটাল যুগে এ রকম এনালগ কাম কি চলে.......
!!!!!!!!
শালা, পাগল কোথাকার......
কার মাথায় যে বুদ্বিটা জন্ম নিয়েছিল বুঝা মুস্কিল। আগে পিছে টিভি ক্যামেরা নিয়ে এ ধরনের অপকর্ম?
জাস্ট ,ধইরা মাইর......।আর কিছু না.......
এদের মারিলেও এরা মরেনা!
এই অবাক হওয়াটাই আমাদের সমাজে স্বাভাবিক হয়ে আসছে!