লাশ শাহ্রিয়ারকে নিয়ে এ লেখা...
এ ধরনের একটা লেখা এ মুহুর্তে এপ্রোপ্রিয়েট হবে কিনা ভেবে পাচ্ছিনা। কিন্তূ ওয়াচ্ডগী করতে গিয়ে সময় ও বাস্তবতার সাথে সমঝোতা করতেও কোথায় যেন বাধে। যাদের জন্যে লেখাটা বদহজমের কারণ হবে অনুরোধ করব একটু ধৈর্য্য ধরতে। ব্লগ মানেই মনের মত লেখার আসর, এমনটা হলে এ মাধ্যমের মূল আকর্ষনটাই হয়ত কমে যাবে। পড়তে চাইলে মনট শক্ত করুন এবং পড়ুন। না চাইলে ধন্যবাদ।
পাঁচ খুনীর ফাঁসি নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় অব্যাহত রয়েছে, এবং তা বেশকিছু দিন চলবে তাতে সন্দেহ নেই। ফাঁসির আবেগ অংশটুকু তিথিয়ে আসলে আসবে এর বিচারিক প্রসংগ এবং এ নিয়ে বিশেষজ্ঞদের বহুমূখী পান্ডিত্য চলতে থাকবে বহুদিন ধরে। তবে আওয়ামী সরকার ক্ষমতাসীন থাকাবস্থায় এ নিয়ে ব্যতিক্রমধর্মী কোন হৈ চৈ হবে এমনটা মনে করার কোন কারণ দেখছিনা। আমাদের দেশটাই এরকম, ক্ষমতা কথা বলে! ’ক্রাইম & পানিশমেন্ট’ উপন্যাসে লেখক ফেওদর দস্তায়ভ্সস্কি বলেছেন, একজন খুনীর মূল শাস্তিটা আসে জেল-হাজত, ফাঁসি হতে নয়, বরং তার ভেতরের অর্ন্তজ্বালা হতে। সদ্য ঝুলা পাঁচ আসামী ফাঁসিমঞ্চে যাওয়ার আগ পর্য্যন্ত ১৩ বছর হতে ২ বছর পর্য্যন্ত জেলের ঘানি টেনে গেছেন। নিজেরা না বল্লেও সন্দেহ নেই প্রতিদিন জ্বলেছেন মৃত্যু যন্ত্রণায়। ফাঁসি এক অর্থে তাদের জন্যে ছিল মুক্তি, যা বরন করা কষ্টের হলেও মুক্তি দিয়েছে প্রতিদিনের মৃত্যু-আতংক হতে।
প্রতিটা মানুষের জীবনই একটা পাঠশালার মত। এখানে কেউ ভাল পড়াশুনা করে, কেউবা মন্দের পূঁজারী হয়ে পা বাড়ায় পাপের পথে। সাড়া জীবন জেনে এসেছি মৃত্যু মানুষকে সবকিছুর উর্ধ্বে নিয়ে যায় এবং তার ইহ জনমের কৃতকর্মের মালিকানা চলে যায় সৃষ্টিকর্তার দরবারে। শেখ মুজিব হত্যা মামলার পাঁচ আসামীও এর ব্যতিক্রম ছিল বলে মনে করিনা। এরা পাঁপ করেছিল এবং ইহজগতে যতটা শাস্তি পাওয়ার তার সবটুকুই পেয়ে গেছে। প্রসংগটা টানছি একটা বিশেষ কারণে। ফাঁসিপর্ব সমাধা পূর্বক পাঁচ আসামীর লাশ জেলখানা হতে স্ব স্ব ঠিকানায় পাঠানোর পথে অনুষ্ঠিত হতে দেখলাম অদ্ভূত এক দৃশ্য। জুঁতা ছুড়ে মারা হচ্ছে লাশ বহনকারী গাড়ির দিকে, বৃষ্টির মত ছুটছে থু থু! শুনেছিলাম সেন্ট্রাল আফ্রিকার বাদশাহ Jean-Bédel Bokassa নিজ ভৃত্যদের জবাই করে তাদের মাংস দিয়ে তরকারী খেতে খুব পছন্দ করতেন। সে সময় আমরা পার হয়ে এসেছি। আজকের দুনিয়ায় এ ধরনের কাজ অপরাধ হিসাবে বিবেচিত হবে এবং এর জন্যে আর্ন্তজাতিক সম্প্রদায় নিশ্চিত করেছে প্রয়োজনীয় শাস্তি। মৃত লাশের দিকে জুতা ছুঁড়ে মারার ভেতর বোকাসার পৈচাশিকতারই যেন ছায়া যেন দেখতে পেলাম। মানুষ হিসাবে আমরা কি এতটাই নির্মম হয়ে গেছি যে একটা লাশকেও শাস্তি দিতে হবে? হয়ত অনেকে বলবেন এই এরাই তো শেখ মুজিব এবং উনার পরিবারের লাশের প্রতি সামন্যতম অনুকম্পা দেখায়নি। মিথ্যা নয়, কিন্তূ ওরা এমনটা করেছিল বলেই তো ফাঁসিতে ঝুলেছে। তা হলে ওদের আর আমাদের মধ্যে পার্থক্যটাই বা রইল কোথায়? কর্নেল শাহরিয়ার রশিদের জানাযায় হাজির ছিলেন এমন একজনের সূত্র হতে জানতে পারলাম মৃত্যুর পর বেচারার চোখ, হূৎপিন্ড, কিডনী সহ পূনঃব্যবহারযোগ্য সব অংগপ্রত্যংগ খুলে রাখা হয়েছিল ঢাকাতেই। যে গাড়িতে লাশ পরিবহন করে হয়েছে তাতে বইছিল রক্তের নদী, সদ্য জবাই করা মাছের মত লাশ এপাশ ওপাশ করছিল গাড়িতে। জানাজা সহ লাশের স্বাভাবিক গোসলেও নাকি বাধা দেয়া হয়েছিল। সবই শোনা কথা, হতে পারে অনেকটা অতিরঞ্জিত। কিন্তূ একেবারে উড়িয়ে দেয়ার মত সূত্র ছিলনা, তাই রটানো কথা সবাটাই অসত্য ছিল মেনে নিতে পারছিনা। আমার এ মমতা জীবিত শাহরিয়ারের জন্যে নয়, বরং লাশ শাহরিয়ারের জন্যে।
খুঁন ও খুঁনী, এগুলো কোন সভ্য সমাজের এলিমেন্ট হতে পারেনা। তবু এগুলোর সাথে আমাদের মোকাবেলা হয়, এবং সমাজকে এসব হতে মুক্ত রাখতে ফাঁসির মত চরম শাস্তিকেও আমাদের স্বাগত জানাতে হয়। ১৯৭৫’এ ঘটিত পাপের শাস্তি ২০১০ সালও যে লম্বা সময় নয়, তার প্রমান হয়ে গেল সাম্প্রতিক ফাঁসি। এ ফাঁসি ভবিষৎ পাপের জন্যে শিক্ষা হয়ে থাকবে, এ জন্যেই দেশে দেশে কাজ করে আইন ও বিচার ব্যবস্থা। ১৯৭৫’এর শেখ মুজিব হত্যা রাজনৈতিক হত্যা হলেও এর বিচার পর্ব রাজনৈতিক হওয়ার কথা নয়। কিন্তূ ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এটাকে রাজনৈতিক পর্ব বানিয়ে এ হতে ফায়দালুটার চিরন্তন ধারাতেই ফিরে যাচ্ছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। ফারুখ রশীদেদের ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলিয়েছে বলেই আমাদের বিচার ব্যবস্থাকে স্বাধীন-সার্বভৌম বলে যারা লাইসেন্স দিচ্ছেন তাদেরকে আগামী নির্বাচন পর্য্যন্ত ধৈর্য্য ধরার অনুরোধ করব । ক্ষমতার পালাবদলই অনেক প্রশ্নের উত্তর দেবে। আসুন অপেক্ষা করি সে দিনটা পর্য্যন্ত।
লেখক ওয়াচডগ
- ওয়াচডগ -এর ব্লগ
- ৫৩ টি মন্তব্য
- ৩১ জানুয়ারি ২০১০, ০৭:৪৭
- বিবিধ
প্রিন্ট করুন
- ৫৩ টি মন্তব্য
-
পদ্ম৩১ জানুয়ারি ২০১০, ০৮:১৪
আমি সে দৃশ্য দেখিনি! তবে আবেগের ভারে ন্যুজ্য মানুষ অনেক অনুচিৎ কাজই খুব সহজে করে ফেলে!
রাজনীতির ব্যাপার আমি আসলে এত বুঝিও না! -
সুমিন শাওন৩১ জানুয়ারি ২০১০, ০৮:২৯
’ক্রাইম & পানিশমেন্ট’ উপন্যাসে লেখক ফেওদর দস্তায়ভ্সস্কি বলেছেন, একজন খুনীর মূল শাস্তিটা আসে জেল-হাজত, ফাঁসি হতে নয়, বরং তার ভেতরের অর্ন্তজ্বালা হতে,,' -
নিমফুল৩১ জানুয়ারি ২০১০, ০৮:৪৪
আপনার লেখাটা প্রশংসার দাবী রাখে। বর্বরতা আর মনুষত্বের পার্থক্য তো কেবল মানুষই করতে পারে....কিন্তু কারা সেই মানুষ! -
লুবনা৩১ জানুয়ারি ২০১০, ১১:৫৮
ওয়াচডগ পাথর যুগে হলেতো এদের বহু আগেই ফাসি বা গুলি করে মেরে ফেলা হতো, এক বিংশ শতাব্দি দেখেই এই আইনের তাদের ফাসি হয়েছে। -
সাইদুর রহমান চৌধুরী৩১ জানুয়ারি ২০১০, ০৯:১১
আমাদের এই ব্লগেই একজন ব্লগার দাবী করেছিলেন ফাসির পর খুনিদের দেহ যেন কবর দিতে দেয়া না হয়, আমি তাকে প্রশ্ন করেছিলাম কেন? খুনিরা জাতির পিতাকে খুন না করে অন্য কাউকে খুন করলে কি আপনি একই দাবী করতেন? তিনি আমার প্রশ্নের জবাব দেননি।
আনন্দ অবশ্যই সবাই করবে, কিন্তু এই পৈশাচিক উল্লাস অনেক অপ্রিয় কথা মনে পড়িয়ে দেয়।
-
প্রান্তিক৩১ জানুয়ারি ২০১০, ০৯:৩২
"কখনোই কারও মৃত্যুতে 'আলহামদুলিল্লাহ' বলা ঠিক না।"
"বক্তব্যের সাথে একমত।"
-
লুবনা৩১ জানুয়ারি ২০১০, ০৯:৪৩
ভাই আমরা তো দেখছি খুব অন্যায় করেছি সেদিন অনেক গুলো পোস্ট দিয়ে, ৫জন ববর্র খুনির ফাসিতে আলহামদুলিল্লাহ বলেছি অন্যায় হয়ে গিয়েছে, আর তারা যখন সবাই মেরে ফুর্তি করেছে তখন আপনি বা আপনার পরিবার কি করেছেন?? চোখের পানি ফেলা ছাড়া, আর এদের বিচারের ফাসির পরে আলহামদুলিল্লাহ কেনো বলা হলো, কারণ এই একটা বিচার করতে ৩৪বছরের বেশী সময় লেগেছ, যার পরিবারের কেউ হত্যা হয় সেই বুঝে কষ্ট কি, আর সেই খুনির ফাসি হলে আলহামদুলিল্লাহ বলা হয় কারণ এতে আল্রাহ শুকরিয়া আদায় করা হয়। -
লুবনা৩১ জানুয়ারি ২০১০, ০৯:৩৮
এই দেশে স্বাধীনতা লাভের জন্য শেখ মুজিব এর বড় অবদান সবাই জানে,আর এরাই সেই বঙ।বঙ্গ বন্ধুর পরবিারের সবাইকে হত্যা করলো, মহিলা, গর্ভবতী নারী আর শিশু যখন এদের হাত থেকে রেহাই পায়নি স্বাভাবিক মানুষের মাঝে এদের ঘৃণাটাই বেশী, তাই এভাবেই তাদের প্রতি বাংলাদেশ যতোদিন থাকবে জাতি ততোদিনই ঘৃণা দেখিয়ে যাবে, এই ঘৃণারই বর্হিপ্রকাশ কিন্তু জুতা ছুড়ে মারা বা থুথু দেয়া। এখানে একজন ব্যাক্তিকে নয় এই দেশের একজন শ্রেষ্ঠ সন্তানের খুনির লাশে জুতো মারা হয়েছে । এটা দোষের কিছু বলে আমি মনে করি না। এই খুনিদের পাপের কারনে আপনি বোধ হয় স্কলারশিপটাও পান না, আপনি তো না হয় সেদিন লিখেছিলেন আরো যারা অনেক কিছু থেকে বঞ্চিত হয়েছে তাদের অনেকেই প্রকাশ করতে পারেননি। আমি ওই জায়গায় থাকলে আমিও এ ভাবেই ক্ষোভ দেখাতাম, খুন করার পরে তো তাদের কোন অনুশোচনা ছিলো না ছিলো দাম্ভিকতা, এই দাম্ভিকদের লঅশের প্রতি কি ঘৃণা দেখানো অন্যায় কিছু, জীবিত অবস্থায় কেউ প্রকাশ্যে দেখাতে পারেনি অনেক কারণে, তাই তাদের লাশের প্রতি দেখাচ্ছে। এখানে একটা ইমোশন কাজ করছে যে ইমোশন তাদের লাশের চেয়েও অনেব বেশী মূল্যবান, জাতি আবার এই ক্ষোভ প্রকাশ করে বুঝিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের উপরে আর কারো দ্বারা যতোবারই অত্যাচার হবে জাতি তাদের বরাবরই ঘৃণা করবে।ভালো থাকবেন, তাদের লাশের প্রতি সহানূভুতি না দেখিয়ে ঘৃণা দেখান এতে অনন্তত আপনি বা আমি মানসিক শান্তি পাবো। -
রিয়াদ৩১ জানুয়ারি ২০১০, ১০:০৭
@ লুবনা ম্যাডাম। আপনার সব কথার সাথে একমত হলেও "জাতি" কথাটার সাথে আমি একমত না। এখানে আওয়ামীলীগের সমর্থক ছাড়া কাউকে দেখা যায়নি। বিএনপি, জামায়াত এরাও তো জাতির অংশ কিন্তু এদের কেউ মন্তব্য পর্যন্ত করেনি। সব দেশে জাতির জনকদের পরিপূর্ণভাবে মূল্যায়ন করা হয়। আমার ছোট জ্ঞানে জানি যে, আমাদের জাতির জনক হত্যাকান্ডের পর পুরোদেশে একটা টু শব্দ হয়নি। আওয়ামীলীগ ছাড়া কেউ হত্যাকান্ডের বিচারেরও উদ্যেগ নেয়নি। -
লুবনা৩১ জানুয়ারি ২০১০, ১১:০৯
রিয়াদ স্যার, আপনি এখানে আওয়ামী কে টেনে আনছেন কেনো?? বিএনপি বা জামায়াত এরা কেনইবা এই হত্যাকান্ডের বিচার চাইবে?? এখানেইতো রাজনিকিদের হীনমন্যতার পরিচয় দেয়। বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার কি শুধু আওয়ামী সাপোর্টাদের ছিলো তাহলে আপনি ভুল বললেন আমি কোন দলকে সাপোর্ট করিনা, আমি শুধু জানি যাকে হত্যা করা হয়েছে এই ব্যাক্তির জন্য এই বাংলাদেশ, এই মুজিবের কারণে আমি আপনি বাংলাধেম নামক আমাদের নিজের দেশ পেয়েছি। আর জামায়াত এর নামটা এখানে লিখে আরকটা ঘৃণার কথা লিখলেন।
আপনার সাথে আমি তর্কে যাবো না, আপনি যা বুঝেন বুঝেন আমারটা আমার থাক। -
েলাপা৩১ জানুয়ারি ২০১০, ১১:২২
লুবনা আপু আপনাকেই বলছি............
সেদিন আমিও আলহামদুলিল্লাহ বলেছিলাম। এতে দোষের কিছুই ছিলনা। তবে আমি আলহামদুলিল্লাহ বলেছিলাম বিচার হওয়ার জন্য ওদের মৃত্যুর জন্য নয় !! যতই খুনী হোক সে কামে বা নামে মুসলিম। কোন মুসলিমের মৃত্যুতে কোন মুসলিম আলহামদুলিল্লাহ বলতে পারেনা। এটা করা চরম গুণাহ-র কাজ। এখানে কোরআন-হাদীস চর্চা করবনা বলেই উদ্ধৃত করলাম না।
তাছাড়া একটা মানুষের বিচার হওয়ার পর যখন সে লাশ, সে যতই ঘৃণিত হোক না কেন , লাশের সাথে কোন ক্ষোভ বা ঘৃণা জড়িত থাকেনা। ঘৃণাটা শেষ হয়ে যায় তার প্রাণবায়ু ফুরাবার পর। আপনি নিরপেক্ষভাবে নিজের মনকে প্রশ্ন করুন, কাজটা আমরা কি করেছি!!!
তাছাড়া সেদিন আমিও একটি লিখা দিয়েছিলাম, **** আমাদের দায় **** নামে। আমার বিন্দু পরিমাণও ওদের প্রতি দরদ নেই বা ছিলওনা । কিন্তু সত্য বলতে কি যখন বিভিন্ন চ্যানেলের খবরে দেখলাম ** আপনার ভাষায় আমাদের আবেগের ** বহির্প্রকাশ, আমি সত্যি আমার ব্লগ থেকে ঐ লিখাটা মুছে ফেলতে চেয়েছিলাম। আমার ঘৃণা জন্মেছিল তখন ওদের উপর যারা লাশে জুতা মারে ও থুথু ফেলে।
আবেগের দাম অবশ্যয়ই আছে, তবে এমন উগ্র আবেগের দাম কতটুকু বলবেন কি??
এই আবেগকে একমাত্র গোড়া ( মিলিটান্ট) আওয়ামীলীগ ছাড়া, ধর্ম বলেন আর জাতিই বলেন, কেউ সমর্থন করেনা। আমি কমপক্ষে একশত মানুষের সাথে কথা বলেছি ( বিশ্বাস করুন, যারা সরাসরি কোন রাজনীতি করেনা, যখন যাকে ভাল মনে করে তাকেই ভোট দেয়। বলতে চাচ্ছি যেসব ভোটের উপর চেপেই ক্ষমতার রদবদল হয়) তাদের শতকরা ৯০ শতাংশই ঐ নেক্কার কাজটিকে সমর্থন করেনি।
আর আপনি জাতির কথা বলেন.........কোন জাতি ? বাঙালি জাতি না আওয়ামীলীগ জাতি ??
মনে রাখবেন, বাংলাদেশে রাজনীতি করে অর্থাৎ একটু একটু রাজনীতির ভাব আছে এমন মানুষের সংখ্যা ৪০/৫০% বেশি নয়। তারা বিভিন্ন দলে বিভক্ত। আর বাকি মানুষ নির্বাচন আসলে পছন্দের প্রার্থী কিংবা আগেরবার ক্ষমতায় গিয়ে যারা ন্যাক্কারজনক কাজ করছে এমন প্রার্থীদের বিরুদ্ধে ভোট দেন।
** জাতি ** খুশি হয়েছে। তা মানতে পারলামনা।
আরেকটা তথ্য আপনার জানার জন্য.......
জাতির জনকের মৃত্যুর পরও কিন্তু অনেকে আলহামদুলিল্লাহ বলেছিল......!!!
(এটা আমার শোনা কথা....আপনিও আমার বয়সি হলে কোন মুরুব্বী শ্রেণীর মানুষের কাছে শোনে দেখুন, এমন জঘণ্য কাজ ঘটেছিল কিনা ?)
তারাও মুক্তিযুদ্ধ করেছে, সরাসরি অস্ত্র হাতে নিয়ে। তারা কিন্তু কোন দলের নয়। সব দলেই তারা আছে। সুবিধাভোগী শ্রেণী। তারা বাঙালী জাতি নয় ?? অস্বীকার করতে পারবেন???
পারবেন না ?? কারণ তাদের শিকড় আপনার আমাদের চেয়ে অনেক গভীরে......হয়ত আপনাকে বুঝাতে পারলাম না।
ভাল থাকুন। সুস্থ থাকুন।
বিশেষ কথা .... কথাগুলো আপনাকে আঘাত করতে বলেনি। আঘাত পেলে ক্ষমা করবেন। আমরা ব্লগে সবাইতো সবার বন্ধু , আমরা মনের কথা তো একজনের কাছে একজন বলে মন হালকা করতেই পারি তাইনা? -
নাসরীন জুবায়ের৩১ জানুয়ারি ২০১০, ০৯:৪৭
আমি মনে করি, এদের বিচার আরও অনেক আগে হওয়া দরকার ছিলো। এখন এরা যে বয়সে এসে এই স্বাস্হি পেলো তাতে কি লাভ হলো? এরা এমনি তেই আগামী ৩/৪/৫ বছরে বার্ধ্ক্য জনিত কারনে মরে যেতো। মাঝখান থেকে এদের এই পাপের পানিশমেন্ট বয়ে বেড়াবে এদের পরিবার!!! যারা কোন অন্যায় করে নি। এই সব খুনিদের পরিবার কোন অন্যায় না করেই দিনের পর দিন লজ্বায় মরবে। -
রিয়াদ৩১ জানুয়ারি ২০১০, ১০:০২
@ আপনার প্রতিটা কথাই appreciate করি। আর যারা এই জুতো মারা, থুথু দেয়ার কাজ করেছে আবেগের বশেই করেছে। এদের ৯৩%-ই জানেনা কেন বঙ্গবন্ধু সপরিবারে খুন হয়েছিল! যাদের ফাসীর রায় হয়েছে তারাই কি জড়িত ছিল? না আন্তর্জাতিকভাবে সুপরিকল্পিত একটি হত্যাকান্ড এটি।
আর হত্যাকান্ড কোন সমাধান বয়ে আনেনা। এভাবে সব হত্যাকান্ডের বিচার হওয়া উচিত। সাথে সাথে আসল রহস্য মানে ব্যাকগ্রাউন্ড চক্রান্তকারীদের মুখোশও খুলে দেওয়া উচিত। -
কীর্তনখোলা৩১ জানুয়ারি ২০১০, ১১:০৮
আমাদের দূর্ভাগ্য যে আমরা যেকোন ইস্যুতেই দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ি! যেকোন ইস্যুরই দুই ধরণের ব্যাখ্যা আমরা হাজির করি। লীগপন্থী ব্যাখ্যা ও দলপন্থী ব্যাখ্যা।
মৃতদেহের অবমাননা অবশ্যই নিন্দনীয়।
শেখ মুজিবের ঘাতকদের ফাঁসিতে যারা কষ্ট পেয়েছেন এবং বলেছেন ওঁরাতো অনেকদিন ধরেই জেলে পচেছে, ওঁদের অনেক আত্মশুদ্ধি হয়েছে (!) তাদের জন্য বলছি....
খুন করে ঘাতকেরা যখন আস্ফালন করে বেরিয়েছে বিশটি বছর ধরে তখন কি তাদের ভুলেও এই চিন্তা এসেছিল যে তারা যা করেছে সেটা অন্যায়?
আরেকটি কথা, ওঁরাতো শুধু শেখ মুজিবের (যাকে নিয়ে হয়তো কারো কারো এলার্জী আছে) ঘাতক ছিল না, ওঁরা খুন করেছিল শিশু রাসেলকে, ওঁরা খুন করেছিল সদ্য বিবাহিতা সুলতানা কামালকে, রোজী জামালকে, অন্ত্বসত্ত্বা বেগম মণিকেও! যারা ওঁদেরকে বীর বলে তাদের কাছে প্রশ্ন, এইসব অসহায় নারী, শিশু হত্যাকারী কিভাবে বীর বলে বিবেচিত হয়? -
মিনহাজ আহমেদ৩১ জানুয়ারি ২০১০, ১১:২৭
এখন যদি গজবের কারণে ভূমিকম্পে প্রায় ৫০ লাখ লোক মারা যায় ঢাকা শহরে তাহলে কাকে খুনী বলবো।
-
কবিরনি৩১ জানুয়ারি ২০১০, ১১:৪৪
যা করা হয়েছে ঠিকই হয়েছে। বরং আমি মনে করি তাদের সবার সামনে ফায়ারিং স্কোয়াডে মারা উচিত ছিল। আর জেলে রাখলে যে সমস্যা হত হয়ত আরেক সরকার ক্ষমতা দখল করে একটা আইন পাশ করে তাদের খালাশ দিয়ে দিত পারত। -
সজল শর্মা৩১ জানুয়ারি ২০১০, ১২:০০
মানুষ আবেগের বশে এসব করেছে। যদিও মৃত্যুর পরে প্রাণহীন দেহের কোন মূল্যই নেই। কিন্তু মনের অদম্য আবেগের কাছে নীতিকথা মানায় না। নীতিকথা একমাত্র মনীষীদের ঝুলিতেই থাকে সুখ,দুঃখ যেকোন পরিস্থিতিতে। যারা সুখে ও দুঃখে অবিচল থাকে, তাদের স্থিতপ্রজ্ঞ বলা হয়। সবাই স্থিতপ্রজ্ঞ নয়। সাধারণ মানুষ প্রতিশোধ পরায়ন। আর এই কারণেই শাস্তিব্যবস্থা। শাস্তিব্যবস্থা এই জন্য নয় যে কেউ ভাল হয়ে যাবে শাস্তিব্যবস্থার ভয়ে। তাহলে আর অপরাধই থাকত না। যে আমার ক্ষতি করেছে, একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে আমি তার সেই ক্ষিতিই চাইবো। আর আমি যদি মহামানব হয়ে যাই তাহলে ক্ষতি না চেয়ে ক্ষমা করে দেব। মহামানব হাতে গোনা কয়েকজন থাকেন। সবাই নয়। খুনীরা যে ক্ষতি দেশের করেছে, তার জন্য দেশের মানুষ যদি এরকম করে তা মহামানবীয় নীতিতে যতই দোষের হোক না কেন; সাধারণ মানবীয় নীতিতে দোষ নয়। তাই খুনীদের শাস্তিতে কেউ আলহামদুলিল্লাহ বললে, কেউ খুশী হলে, কেউ মিষ্টি বিতরণ করলে, কেউ জুতা বা থুথু ছুড়ে মারলে তাকে দোষের কাতারে ফেলা যায় না। এটা সাধারণ মানবীয় গুণ মাত্র। যেকোন প্রাণী মাত্রই এই গুণ থাকে। আর নিউটনীয় সূত্রে গেলে তো- ৩য় সুত্রের এক মানবীয় দর্শন এখানেই পাওয়া যাবে। প্রত্যেক মানুষ একেকজন বিচারক হয়ে দাঁড়ায় জাতীয় কোন ইস্যুতে। কিন্তু এই বিচার সাধারণে হাতের বাইরে ছিল। তাই তাদের সামনে যখন কিঞ্চিত সুযোগ পেয়েছে- তারা বিচারে বিলম্ব করেনি যা বিচার ব্যবস্থায় হয়েছিল। এদেরকে জীবিত নিয়ে গেলেও এরকম বিচারই হত যদি সাধারণ মানুষকে সুযোগ দেওয়া হত। কিন্তু সে সুযোগ তো আর দেওয়া যায় না। তাই অন্তসারশূন্য বিচার মানুষ করে ফেলেছে প্রাণহীন দেহের সাথে।
আমি জানি, আমি বুঝি- মানবতার উচ্চতম রীতি ও নীতিতে এটা ভুল; এটা অসভ্যতা। যা শুধু স্বর্গীয় বিধানেই পাওয়া যায়। এটা প্লেটোর প্রথম দেওয়া সেই রাষ্ট্রব্যবস্থার সাথে তুল্য যা সর্গেই সম্ভব। কিন্তু এর ভাল শিক্ষাও আছে। অপরাধী জীবিত এবং মৃত; উভয় অবস্থাতেই ঘৃণ্য। আর কীর্তির বিচারে গেলে সেই নীতিতেও তা।
নোটঃ আশাকরি আমার কথাগুলো কেউ রাজনৈতিক মতবাদে নিয়ে কেউ যাবে না। এখানে কোন দলীয় কথা বলা হয়নি। আমিও সেদিন ৭১ এর চেতনার মত "জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু" বলেছি; "জয় বাংলাদেশ" বলেছি। যদিও আমাদের ক্ষীণ দৃষ্টিতে তা আওইয়ামীলীগের; তবে আমি এখন পর্যন্ত কোন দলের খাতায় নাম লেখাইনি। রাজনীতি থেকে দূরে থাকতে রাজনীতিহীন সেনানিবাস কলেজ আর পরিশেষে প্রবাস বেছে নিয়েছি। ভবিষ্যতে হয়তো দেশের সেবায় যেকোন এক মতবাদে মতবাদী হব- যে নীতির সাথে নিজের সর্বাধিক নীতির মিল হয়ে যাবে। -
সজল শর্মা৩১ জানুয়ারি ২০১০, ১২:০৭
আরেকটি কথা; সেদিন দেখলাম- ফাঁসীর খবর শুনে অনেকে পোস্টে মাইনাস দিচ্ছে। অপরাধের পক্ষ নিয়ে কথা বলা এমন মানসিকতার মানুষ দেখে সত্যিই অবাক হয়েছি। শেখ মুজিবের সাথে রাজনৈতিক শত্রুতা আছে। আর সেই কারণে যদি কেউ ভেবে থাকে উনাকে হত্যা করা পাপ হয়নি- তাদের সেই কথার দিকে না গিয়ে শুধুমাত্র শেখ মুজিবের বিষিয়টিকে সরিয়ে রাখলাম। কিন্তু যে নারী এবং সাধারণ মানুষরা প্রাণ দিয়েছে; যে শিশু প্রাণ দিয়েছে, আরও নিরপরাধ কিছু মানুষ প্রাণ দিয়েছে- দেশের নাগরিক হিসেবে তারাও সুবিচার পাওয়ার কথা রাষ্ট্রের কাছ থেকে। আর সব সাধারণ মানুষের এখানে কোন মতভেদ থাকার যুক্তি দেখি না। হ্যাঁ- রাজনৈতিক আক্রোশে শেখ মুজিবের বেলায় থাকতে পারে আর পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি এবং বহমান ইতিহাস তাই বলে। দেশের নাগরিক হিসেবে কেউ যখন এর বিচার পেয়েছে সেখানে মতভেদ আসা কি ধরণের মানসিকতার পরিচয় বহন করে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। -
চারুমান্নান৩১ জানুয়ারি ২০১০, ১২:১৪
ভাই ওয়াচডগ, শুধু ব্লগের আবহাওয়া নষ্ট করছেন কেন:! :! খুব মানব দরদী মনে হচ্ছে:! :! এই বিষয় নিয়ে,
মানবতার কথা বলবেন না:! :! আর জুতা মারার কথা বলছেন, সেতো মানুষের ক্ষোভ:! :! :! -
লুবনা৩১ জানুয়ারি ২০১০, ১১:৫৬
ভাই ওয়াচডগ, এই তিনদিনে তো এটাও শুনছি এদের ফাসি দেয়া ঠিক হয়নি, আসলেই ফাসি দেয়া ঠিক হয়নি, আরে কি হয়েছে একটা পরিবার হত্যা হয়েছে তো তা ও আবার শেখ মুজিবকে, আরে এই লোক কি করেছে এই দেশের জন্য কিছুই না, যখন নিজের পরিবারের কাউকে এভাবে মেরে ফেলা হয় তখন এই আমরা পারলে সেই খুনিকে জ্যান্ত পুতে ফেলি, পারলে তখনই তার ফাসি দেই বা নিজেরাই মেলে ফেলি। এদের লাশের উপরে ধুধু দেয়া জঘন্য কাজ হয়েছে তারা জংলি, আবার কেউ কেউ ধর্মকে টানছেন, আপনারা কি বলবেন এরা নিজেরা যখন পুরো পরিবারকে হত্যা করে দাম্ভিকের সাথে বলে বেড়াতে লাগলো তারাই খুনি, তাদের এই কাজ করা ঠিক হয়েছে, তখন কই ছিলো আমাদের এই মানুষ রা, পৃথিবীর কোন ধর্মে হত্যাকে সর্মথন করেছে।
এতো মায়া লাশের উপরে আপনাদের পারলে এটা আইন করে নিষিদ্ধ করে দিন। আর কথায় কথায় সবাই আওয়ামীলীগকে টানছে কেনো এটাই বুঝছি না, মুজিব কি শুধু আওযামীর নেতা ছিলো, তার পুরো পরিবার কি আওয়ামী লীগের ই লোক ছিলো, আরে ভাবুন না কেনো সে আমার বা আপনার পরিবারের কোন সদস্য ছিলো, কিছু সাধারন জনগন ছিলো, বাংলাদেশের মানুষ ছিলো।
মানুষ এখন আর ক্ষোভ আর ঘৃণাও জানাতে পারবে না, এথানেও রাজনিতি বা ধর্মকে টেনে আনছে,আর আমিও এক ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চার মতো আপনাদের সাথে এই নিয়ে তর্ক করছি।
লোপা জাতি বলতে কি বোঝেন আপনি??? একজন দেখলাম লিখেছেন "বিএনপি, জামায়াত এরাও তো জাতির অংশ কিন্তু এদের কেউ মন্তব্য পর্যন্ত করেনি। সব দেশে জাতির জনকদের পরিপূর্ণভাবে মূল্যায়ন করা হয়। আমার ছোট জ্ঞানে জানি যে, আমাদের জাতির জনক হত্যাকান্ডের পর পুরোদেশে একটা টু শব্দ হয়নি। আওয়ামীলীগ ছাড়া কেউ হত্যাকান্ডের বিচারেরও উদ্যেগ নেয়নি।"এরা জাতির অংশ অবশ্যই কিন্তু এরা তো জাতির চেয়ে রাজনিতিকে বেশী টানছে, আর জামায়াতের নাম লিখতে যে আপনার ঘৃনা লাগলো না দেখে একটু অবাক হলাম্আপনি কি বলবেন শেখ মুজিবকে মারা পরে অনেকেই চুপ ছিলো কারণ তখন দেশের অবস্থা নাজুক ছিলো, কিন্তু অন্তর থেকে কয়টা মানুষ কাদেনি খুজে দেখাতে পারবেন না।
লোপা, আর জাতি বলতে পুরো দেশকে আমি বুঝিয়েছি, বুঝিয়েছি সাধারন মানুষকে কোন দলের সদস্যদের না। কারণ কোন দলই কখনো অন্য দলের কিছু হোক চাইবে না বা চায় ও না, আর এই তথাকথিত দল তা আওয়ামী বা বিএনপি বা অন্য দল হোক এরা স্বার্থ ছাড়া কিছূ বুঝে না, আর আমরা না আমার মতো সাধারন জনতা মনে করি যার জন্য এই দেশ পেয়েছি তার খুনিদের লাশে ধুধু দেয়া কোন অন্যায় কাজ নয়।।এটা শুধু ঘৃণা দেখানো তাদের প্রতি।। -
দখিনো হাওয়া০১ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ০৪:২০
***‘’To Whom It May Concern’’****
সম্মানিত আনন্দিত ব্লগারগন, ফাসির পুরো ঘটনাটা পড়েছেন কি? পত্রিকায় পড়ে দেখতে পারেন। মানুষের ফাসি হচ্ছে! মানুষ মারা যাচ্ছে! এগুলো দেখে/শুনে যে আনন্দ করতে পারে তার মেন্টালিটি আর একজন খুনির মেন্টালিটিতে আমি কোন পার্থক্য দেখি না।৩৫ বছর আগে কিছু মানুষকে হত্যা করা হয়েছে(ধরে নেই, হিউম্যান বিয়িং নট শেখ মুজিব) সেটা নিয়ে আরো কিছু মৃত্যুতে উল্লাস করতে হবে? মৃত্যুর বিচার হয়েছে, জেনে ভালো লাগলো, তাই বলে মিস্টি, জুতা, আল্লাহর কাছে শুকরিয়া দেটস ব্রুটাল -
ফাতেমা আবেদীন নাজলা০১ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ০৪:২৬
মানুষের সাথে মানুষের বিরোধ, নরদেহ কেনো?
বিচারের রায়কে স্বাগতম জানাচ্ছি।
তবে ঘৃনা ও প্রতিহিংসার এই বিরুপ প্রকাশ যেনো আমাদের সংস্কৃতি না হয়। -
বহুরুপি০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০, ০২:২৮
‘পাপকে ঘৃনা কর, পাপীকে নয়’ এটাও একটা বিখ্যাত উক্তি। মানলাম আমরা এই ৫ পাপীকেও ঘৃনা করি, কিন্তু তাই বলে লাশের প্রতি এই অশ্রদ্ধা ? সত্যিই সেলুকাস, কি বিচিত্র আমরা !
আমার নিজের বাবার মুখে শোনা যে ’৭৫-এর ঘটনার পরদিন বাদ জুম্মা (দিনটি ছিল শুক্রবার) খোদ বায়তুল মোকাররম মসজিদে মিষ্টি বিতরন করা হয়েছিল, মানুষ রাস্তায় নেমে উল্লাস প্রকাশ করেছিলো...হায় আমরা কত বেহায়া, অভিশপ্ত জাতি !! :! :!
এই অভিশপ্ত জাতির চেতনা এখনও মধ্যযুগীয়, এখনো গ্রামে-গঞ্জে বিচারের নামে প্রহসন নাটক দেখে উল্লসিত হয় আম-জনতা। এখনো লাশের গন্ধে মৌ মৌ আমার ক্যাম্পাস...আর এসেম্বলীতে দাঁড়িয়ে আমরা গাই- “আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি...” সত্যিই সেলুকাস, কি বিচিত্র এই দেশ, কি বিচিত্র এই জাতি !!
:! :q :i
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক