স্বপ্ন দেখবো বলে

মার্চ
০৪

আমার বেলা যে যায় সাঝবেলাতে তোমার সুরে সুরে সুর মেলাতে

সময় ১৭:৪৩:৩৯

দিন গুলো এত দ্রুত পার হয়ে যাচ্ছে,বুঝে ওঠার আগেই সকাল কখন দুপুর বিকেল হয়ে আবার নতুন দিন চলে আসছে টের পাচ্ছিনা।আমার মেয়ে-তার বয়স আজ ২৮ দিন।এতটুকু একটা মানুষযে এভাবে আমার সমস্ত সময় আর মনযোগ দখল করে রাখবে আমার ধারনা ছিলোনা।প্রতিদিন নতুন করে তাকে দেখছি,জানছি,ভালবাসছি। ভেবেছিলাম একটু সামলে নিয়ে বন্ধুদের খবর দিব।আমার বোন “জলকন্যা” তার অনেক আগেই আমার কাজ টা করে দিয়েছে।আমি হসপিটালে থাকা অবস্থায় খবর পেয়েছি, জলকন্যার পোস্ট এ রাশি রাশি শুভেচ্ছা বার্তা অপেক্ষা করছে আমার আর আমার মেয়ের জন্যে।
সময়ের অভাবে নিয়মিত আসতে পারিনি,কখনো তেমন করে লিখিনি কখনো,সবাই কেমন আছে, কেমন চলছে ব্লগ জানা হয়নি অনেক অনেকদিন।আমার স্মৃতি ঝাপসা হয়ে যাওয়াটাই কাংক্ষিত ছিল।বিপরিতে আমি আবারো একবার আমার না দেখা, খুব চেনা,খুব আপন ব্লগবন্ধুদের ভালবাসায় সিক্ত হলাম।সবার কাছে আমার মেয়ে “মাহদিয়া”র জন্য দোয়া প্রার্থনা রইলো।ভাল থাকুক ব্লগ,সুস্থ বাতাসে আনন্দ উচ্ছলতায় কাটুক প্রতিটি ক্ষন।দেখা হবে ...

  • ২৮টি মন্তব্য

সেপ্টেম্বর
০৬

এলোমেলো কথা কিছু

সময় ০৮:৪৬:৫০

অনেক অনেকদিন পর প্রিয় ব্লগের পাতায় হাজির হলাম।দেড় দুইমাস খুব বড় সময় না হয়তো।কিন্তু নিজের খুব আপন ভুবন থেকে দূরে থাকার জন্য অবশ্যি এটা মহাকাল ই বলা যায়।আমার অন্তত মনে হচ্ছে মহাকাল পেরিয়ে গেছে আমার ব্লগের পাতাটা খুলিনা।ব্লগে নাম এন্ট্রি করার পর এতবড় সময় কখনো মনে হয় লগইন না করে থাকিনি।কিভাবে যে চারটা মাস গেলো জানিনা।
বাংলাদেশে যাবার সময় খুব এক্সাইটেড ছিলাম।আমি যাবার ২/৩ দিন পর ছিল ২য় ব্লগার মিট আপ ছিলো।এটা দেশে ফিরে আমার জন্য একটা বোনাস উপহার।চিন্তাও করিনি এত সহজে একসাথে সবার সাথে দেখা হবার সুযোগ হবে।
আর বিশাল লিস্ট করেছিলাম তেতুলিয়া থেকে টেকনাফ।ভেবেছিলাম এইবার একহাত নিবো সৌম্য,রাব্বি,মাহমুদ ভাই সহ সবার সাথে- যারা আমাদের শুধু লোভ দেখায়।কিছু কারনে সেটা আর সেভাবে হলোনা।কি আর করা।তবুও কিছু না করেই দিনগুলো কিভাবে কেটে গেল জানিনা।আসলেই জানিনা।একসময় আবিস্কার করলাম, আমার যাবার সময় হয়ে এসেছে।

পৌছেছি আরো তিন সপ্তাহ আগে।এসে আবার সব গুছিয়ে নিতে সময় লেগে গেল।আর সাথে এক অদ্ভুত শুন্যতা সাথে করে নিয়ে এসেছি।কিসের কি শুন্যতা- ডেফিনেশন জানিনা।কেমন যেন অকারন কাজে ব্যস্ত হয়ে ...

  • ৩৯টি মন্তব্য

জুন
১১

এই জ্যৈষ্ঠে..রাঙ্গামাটি

সময় ১২:১৬:১৮


লাল পাহাড়ের দেশে লো..রাঙ্গামাটির পথে লো, ইধাক তোকে মানাইছে না রে…………
(সবার জন্য ছবি ব্লগ আর ভ্রমন পিপাসুদের জন্য লোভনীয় পোস্ট…
সৌম্য আর রাব্বীর জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপনমূলক ……
মাহমুদ ভাই গং এর জন্য খাই দাই এর ছবি
টুরের ডিটেল পরে দিচ্ছি্……।আপাতত ছবি দেখেন…)









  • ৫৭টি মন্তব্য

জুন
০১

অন্তরীক্ষে

সময় ১২:১৯:২৫




শুন্যে বসে নক্ষত্রের রাত যে এত সুন্দর! আমার জানা ছিলোনা।প্লেনের ঘুপচিমত জানালায় গাঢ় নীল আকাশ,প্লেনের ডানার এক অংশ আর দুটি তারা।খুপরিজানালা দিয়ে চারদিকে উকি ঝুকি দিয়ে বুঝলাম মেঘের দুইটা স্তরের মাঝে চলছি আমরা।ঘন ছাই রং মেঘ গুলো নিচে ঘাসের মত বিছানো।এভাবে অনেক টা পথ।অনেকক্ষন এই ফ্রেমে আকাশটা স্থির ছিলো।কখন এক সময় তারাদুটি চোখের আড়াল হয়ে গেলো।বুঝলাম, দিক বদল হয়েছে।এখন দূরে উজ্জ্বল গাঢ় নীল আলোর রেখা।তাহলে কি ওপাশে এখন দিন?আলোর দিকে যাচ্ছি কি? ভোরের আলো? না অন্যকিছু? এই মুহুর্তে আমার ইচ্ছে করছে ককপিটে যেতে।দেখতে,ঠিক সামনে থেকে এভাবে আলোর দিকে ছুটে যেতে কেমন লাগে?



থাক, যেটা সম্ভব না সে টা ভেবে কি লাভ।তারচেয়ে একটু নিজের কথা ভাবি।এই জানালাটার কথা ভাবি।জানালার ফ্রেমে আটকানো আমার অনেক সময়,অনেক ভালোলাগা।যখন যেখানে থেকেছি আমার ঘরের জানালাটা হয়েছে আমার অনেক অনেক আপন।আজকে আমার আর সব ভালোলাগার জানালাগুলোর সাথে এয়ার কানাডার এয়ার বাসের ৩৯ এ এর পাশের এই ছোট্ট ভারী কাচের জানালাটাও যোগ হলো।আমি আর আমার পাশের সিটের ...

  • ৩২টি মন্তব্য

মে
২৪

একটি সন্ধ্যা,একদল বন্ধু ও আমি

সময় ১৫:২৬:৫৮

অদ্ভুত একটা সন্ধ্যা কাটালাম।সবার জন্য ছিলো ২য় মিট আপ আর পুরস্কার বিতরনী, পরিচিত মানুষ আর কিছু নতুন মুখের সাথে পরিচয়। আমার জন্য ছিলো অন্য এক গল্প।সে গল্পটা কোত্থেকে শুরু করব বুঝতে পারছি না।
৩০ এ এপ্রিল যখন তারিখ ঠিক হলো,তখন চিন্তা ও করিনি আমি থাকব।তারপর দেবদা পোস্ট দিলো ১৩ মে করার জন্য।সিদ্ধান্ত হলো ২১ মে অনুষ্ঠান।তখন থেকে আমার অপেক্ষার শুরু।কেমন যেন একটা অনুভুতি।যাদের সাথে দিনরাত গল্প আড্ডা আমার একলা সময় টা জুড়ে ছিলো তাদের অনেকের সাথে দেখা হবে।ঢাকায় আসলাম ১৫ মে।এরপর আবারো পরিবর্তন হয়ে ২৩মে।আরো ২ দিন।অবশেষে শনিবার বিকেল।বাসা থেকে বের হলাম ৫ টায়। কারন দেবুদার শেষ পোস্ট এ আভাস পেয়েছিলাম ৬টার আগে শুরু হচ্ছেনা। তবু অপেক্ষার প্রহর সবসময়ই দীর্ঘ।আমি আর অপেক্ষা করতে পারছিলাম না। পৌছে গেলাম গন্তব্যে পৌনে ৬ টায়।লিফটের দরজা খুলতেই একজন দেখিয়ে দিলেন বা দিকে।দূর থেকেই দেখলাম ঝাকরা চুলের সাথে একটা হাসি মুখ।আমাকে পরিচয় দিলেন, “ আমি মাহবুব মোর্শেদ” আমি হেসে ফেললাম।বললাম, “আমি আপনাকে চিনি।‘সামনে তাকাতেই প্রথমে দেখলাম আরো কিছু পরিচিত মুখ।প্রথম মিট আপ আর পিকনিকের ছবির বদৌলতে অনেক ...

  • ৬৮টি মন্তব্য

মে
১১

কি শিরোনাম দিব

সময় ২১:৩০:৩৬

অতি অধ্যাবসায় করে অবশেষে পারলাম পোস্ট টা দিতে। কখনো আসলো লেখা ছাড়া কখনো গান ছাড়া। ভাবলাম আমার মাথায় যে গান টা কামড়াচ্ছহে ব্লগে যাদের মন ভালো তাদের জন্য দি্ই, যদি তাদের একরু মনটা অকারন খারাপ করা যাউ। আমার উড্্যেশ্য ভালো ছিলোনা তো,,,,তাই এক ধাক্কায় পোস্ট টা থিক মত আসে নাই।
আমার দুই চোখে দুই ...

মে
০৪

অপ্রয়োজনীয় কথা

সময় ১০:০৯:৫৫

১লা মে থেকে ব্লগে আসতে পারছিনা।আমার বাসার ইন্টারনেট কানেকশন আপাতত নাই।ইউনিভার্সিটি ও আপাতত যাওয়া হচ্ছেনা যে ল্যাবে বসে ব্লগিং করব।আজ কে বাতাসে ভেসে বেড়ান এক নেটওয়ার্ক ধবে কানেকটেড হলাম।হয়তো এখনি আবার ডিসকানেক্ট হয়ে যাবে।ইনশাল্লাহ খুব তাড়াতাড়ি আবার আড্ডা দিতে হাজির হব।ভাল থাকবেন সবাই।দোয়া করবেন যেন আমিও ভাল ...

  • ১৮টি মন্তব্য

এপ্রিল
২৭

প্রিয় বই ১; একাত্তরের দিনগুলি(জাহানারা ইমাম)

সময় ০৯:২১:১৮

শ্রদ্ধেয়া জাহানারা ইমামের ব্যক্তিগত ডায়েরীর ১লা মার্চ থেকে ১৭ই ডিসেম্বর পর্যন্ত এই দিনলিপি পাঠক সমাজে খুব ই পরিচিত এক গ্রন্থ।পুস্তাকারে প্রকাশিত এই দিনলিপি কতটা আবেদনময় আর আমাদের মুক্তিযুদ্ধের খন্ডচিত্র তুলে ধরতে কতটা নির্ভর যোগ্য দলিল তা নিয়ে বোধকরি নতুন করে বলার আর কোন অবকাশ নেই, ক্ষেত্রবিশেষে হয়তো প্রয়োজন ও নেই।

আজ লিখছি শুধু নিজের প্রয়োজনে।এই কথাগুলো না বললে আমি হয়তো আর কোন প্রিয় বই নিয়ে লিখতে পারবো না। এটা আমার এই গ্রন্থের প্রতি দ্বায়বদ্দ্ধতা।কখনো কেউ যদি জানতে চায় আমার প্রিয় একটি অন্তত বইয়ের নাম, আমি বলি,
” একাত্তরের দিনগুলি” শ্রদ্ধেয় জননী জাহানারা ইমাম এর দিনলিপি।অথচ এটি একমাত্র গ্রন্থ যা আমি প্রথমবারেই শেষ পাতা পর্যন্ত পড়তে পারিনি।প্রথম বার পড়ার সময় ডায়েরীর ২৯ আগস্ট এসে থেমে গিয়েছিলাম। যখন বাবা আর ছোটভাই জামীর সাথে রুমীকে ধরে নিয়ে গেলো বাসা থেকে। কিশোর বেলায় এই সত্যগল্পের ভাবি ভয়াবহতা কল্পনা করে আমি আর প্বষ্ঠা উল্টাতে পারিনি।আজকে যখন প্রিয় বই নিয়ে লেখার সময় এলো, আবার পড়লাম।
একটি পরিবারের গল্প।একটি সাহসী সচেতন যোদ্ধা পরিবার।যে পরিবারে ছেলে ...

  • ৪৯টি মন্তব্য

এপ্রিল
২২

ডাকার সমস্যা

সময় ১১:৫২:৫৪


“আম্মা” শুনতে সুইট বেশ
একটু যেনো গেঁয়ো,
“আম্মু”- লাগে ভালোই
তবে মডেল টা পুরোনো।

“মাম্মা” “ম-ম” এই যুগের
সবাই এখন বলে
ভাল্লাগেনা কোনোকিছুই
ক’মন হয়ে গেলে।

কি বলে যে ডাকি মা’কে
পাইনা কোনো উপায়
স্মার্ট হব, ভুগছি তাই
ডাকার সমস্যায়।

[এই ছড়াটির ছড়াকার তুষারকন্যা নয়। তুষারকন্যা ছড়াটা পুরোনো কাগজপত্রে খুজে পেয়েছে।ছড়াকার ১২ বছরের একজন বালিকা। সে সময় সে আরো কিছু লিখেছিলো কবিতা, একটা অসম্পূর্ণ গল্প ও। কাউকে দেখায়নি-লজ্জায়।যদি সবাই হাসে!! ২ বছর পর স্কুল বদলে নতুন স্কুলে গেলো, অনেক বড় স্কুল। এখানে বছর শেষে ম্যগাজিন বের হয়। স্বসংকোচে নতুন স্কুলের ম্যগাজিনে দিয়েছিলো। স্কুল ম্যগাজিনে ছাপা ও হলো। তখন ও সে বাসায় এসে বলতে পারেনি, যদিও মা ঠিক খুজে পেয়েছিলো তার মেয়ের একটা লেখা ছাপা হয়েছে। এরপর আর লেখা হয়নি।পুরোনো ডায়রী খুজে পেলে তার লেখাক’টি ব্লগে প্রকাশ হবে ...

  • ৫০টি মন্তব্য
  • মা

এপ্রিল
১৫

সাহায্য চাহিয়া আবেদন।

সময় ১০:৪২:২৫

বরাবর
ব্লগার বন্ধুগন
প্রথম আলো ব্লগ

বিষয়: দুইটি পরামর্শ চাহিয়া আবেদন

শ্রদ্ধেয়/শ্রদ্ধেয়া
বিনীত নিবেদন এই যে, আমার গনকযন্ত্রের নিরাপত্তাকর্মীর যাহাকে আপনারা এন্টিভাইরাস ও এন্টিস্পাই্ও্য়ার নামে চিনেন। উহাদের চাকুরীর মেয়াদ উত্তীর্ণ হইয়াছে।তাহারা আজ অপারগতা জানাইয়াছেন।এহেন অবস্হায় আমার গনকযন্ত্রের জন্য আর একজন সবল,নির্ভীকচিত্ত ও আধুনিক নিরাপত্তাকর্মীর আবশ্যক। এবং একই সাথে বাংলাদেশে প্রচলিত মোবাইল মডেম,উদাহরন স্বরূপ - সিটিসেল জুম:উহাদের আচরন, ক্রয়মূল্য ও ব্যবহারবিধি সংক্রান্ত জ্ঞান ও আবশ্যক।

অতএব,আমি আর কোনো উপায়ান্ত না জানিয়া,আমার উদার ও জ্ঞানী ব্লগারবন্ধুদের স্মরনাপন্ন হইলাম।আপনারা আমাকে বুদ্ধি পরামর্শ দিয়া সাহায্য করিলে কৃতজ্ঞ থাকিব ও আনন্দিত হইবো।

বিনীত নিবেদীকা
আপনাদের একান্ত আপনজন

প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা ১২১৫