অনাসৃষ্টি

জানুয়ারি
০৩

সবকিছু হাসির বিষয় নয় ২২০

সময় ২১:৫১:০৭



(১)

শিক্ষকঃরাজু, তোমাকে না বললাম, লাইনের শেষে দাঁড়াতে?
রাজুঃ তাই তো গেছিলাম স্যার কিন্তু সেখানে তো একজন আগে থেকেই দাঁড়িয়ে আছে।
(২)
খোকাঃ মা যিশু কোন পার্টি করতো যে ওকে ল্যাম্পপোস্টে ঝুলিয়ে মারলো?
মাঃ তা তো জানিনে বাবা, তবে যারা কেক খাচ্ছে তাদের জিজ্ঞেস কর।
(৩)
মেয়েঃমা কুমারীর মানে কি?
মাঃকুমিরের আগের পর্ব।
(৪)
লেখকঃআমার গল্পটা ভাল লেগেছে?
প্রকাশকঃআপনার গল্পের একটা শব্দ খুব ভাল লেগেছে।
লেখকঃ কোন শব্দটা?
প্রকাশকঃসমাপ্ত।
(৫)
ছেলেঃ মা, একটা বোরখা কিনে আনলাম, দ্যাখ তো কেমন হয়েছে?
মাঃওমা, তুই বেটাছেলে বোরখা কি করবি, প্রেমট্রেম করছিস না তো বাবা?
ছেলেঃ আরে না,না, প্রেমট্রেম নয়, ভাবছি এবার বোরখা পরে আরমসে লেডিজ স্পেশালে চড়ে অফিস

ডিসেম্বর
১৫

সবকিছু হাসির বিষয় নয় ২১৯

সময় ২১:১৪:১২



(১)
দুজন দোকানদার আলাপ করছিল।
প্রথমজনঃ দাদা আপনি কি করে বুঝতে পারেন, খদ্দের যারা আসে তারা প্রেমিক প্রেমিকা নাকি স্বামী স্ত্রী?
দ্বিতীয়জনঃ একটা জিনিষ লক্ষ্য করলেই ব্যাপারটা বুঝতে পারবে।
প্রথমজনঃ কি সেটা?
দ্বিতীয়জনঃ যারা দরদম না করে চুপচাপ মাল কেনে তারা প্রেমিক প্রেমিকা আর যারা কেবল দরদম করে
আর নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করে তারা স্বামী স্ত্রী!

(২)
স্বামীঃ যুধিষ্টিরও জুয়ো খেলতো, তুমি আমাকে জুয়ো খেলতে বাধা দাও কেন?
স্ত্রীঃঠিক আছে বাধা দেব না, তবে এটাও মনে রেখো দ্রৌপদীর পাঁচজন স্বামী ছিল।

(৩)
সিনেমা হলের সামনে এক সুন্দরী অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে আছে স্বামীর অপেক্ষায়।
এক অত্যুৎসাহী তরুণ তার কাছে গিয়ে বললোঃ মনে হচ্ছে আপনি একটা?
সুন্দরীঃ না ভাই, তোমার ভগনীপতিও সঙ্গে ...

ডিসেম্বর
১৩

কবিতাঃ সময় বিষয়ক

সময় ১০:২১:২১

দুঃখের ছড়ি ঘোরাতে ঘোরাতে
সময় এসে বললোঃ
চাবকে পিঠের ছাল তুলে নেব।
সময় মাঝে সাঝে দুঃখ হয়ে যায়।

সুখের পাপড়ি ওড়াতে ওড়াতে
সময় এসে বলেঃসুবাস ছড়াও।
সময় মাঝেসাঝে ফুল হয়ে যায়।

সময়ের দুঃশাসনে বস্ত্রহরণ হয় মননের
সময়ের সুশাসনে মুক্তগর্ভা হয় যাপিত জীবন।

অপ্রতিরোধ্য সময়ের কাছে
চেতনার আঁকিবুকি কেটে
দ্বীপিত হয় সজাগ ...

ডিসেম্বর
০১

সবকিছু হাসির বিষয় নয় ২১৮

সময় ১৯:১৩:২০



(১)
প্রেমিকাঃ বিয়ের আগে তুমি আমার গায়ে হাত দেবে না একদম।
প্রেমিকঃবিয়ের পরে কি বউয়ের গায়ে হাত তোলা উচিৎ?

(২)
বিচারকঃআপনার অভিযোগ?
মহিলাঃআমার স্বামী আমার উপরে হাত তুলেছিল হুজুর?
বিচারকঃবিশদ বলুন।
মহিলাঃআমার মাথা লক্ষ্য করে চেয়ারটা ছুঁড়েছিলাম, ও সেটা হাত তুলে আটকেছিল, তাই চেয়ারের পায়াটা ভেঙে আমার কপালে লেগে রক্ত ঝরিয়েছে।

(৩)
প্রথম বন্ধুঃ আমি আমার বউয়ের প্রতিটি কথায় হাত তুলি।
দ্বিতীয় বন্ধুঃ তোর বউ কি বলে?
প্রথম বন্ধুঃ হ্যান্ডস ...

নভেম্বর
২৫

সবকিছু হাসির বিষয় নয় ২১৭(বিচ্ছেদ বিষয়ক)

সময় ১৯:৩৮:২৮



(১)
নরেনঃ প্রকাশকে আমি গতকাল অব্দি প্রকৃত বন্ধু বলে ভাবতাম জানিস, কিন্তু আজ আমার তাকে শত্রু
ভাবতে ইচ্ছে করছে।ওর নামে আমি থানায় ডাইরী করবো।
বরেনঃকেন?
নরেনঃ দুমাস আগে ও আমার বউকে নিয়ে পালিয়েছিল। আমি খুশি হয়েছিলাম তাই থানায় ডাইরী করিনি।
বরেনঃতারপর?
নরেনঃ কাল ও আমাকে ফোনে বললো, বউ ফেরত দেবে, তাই ভাবছি ওর নামে থানায় ডাইরী করবো।
(২)
স্বামীঃ দশদিনের এই অফিস ট্যুরে তোমাকে ছাড়া আমার খুব খারাপ লাগবে ডারলিং।
স্ত্রীঃ আমারও খুব খারাপ লাগবে সোনা।

দশদিনের ট্যুর শেষে স্বামী বললোঃ কি গো খুব হাসিখুশি লাগছে যে?
স্ত্রীঃ তোমার বোন এসেছিল বেড়াতে, ওর সাথে গল্পগুজবে দশটা দিন যে কিভাবে কেটে গেল বুঝতে পারলাম না। তা তোমার ট্যুর কেমন হলো?
স্বামীঃ আমি এই ট্যুর খুব এনজয় করেছি।
স্ত্রীঃ কি রকম?
স্বামীঃ তোমার বোন আমার সঙ্গে গেছিলো ...

নভেম্বর
২৫

সবকিছু হাসির বিষয় নয় ২১৬

সময় ১০:২২:৫০



(১)
আদালতে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা চলছে।
বিচারকঃ দেখুন, আমার মনে হচ্ছে, আপনি আপনার স্বামীকে ভুল বুঝেছেন।
অভিযোগকারী মহিলাঃ না হুজুর আমি আমার স্বামীকে কক্ষণো ভুল বুঝি না।
বিচারকঃবারো বছরের দাম্পত্য জীবনে একবারও কি ভুল বোঝেননি?
অভিযোগকারী মহিলাঃ একবার বুঝেছিলাম হুজুর।
বিচারকঃকি রকম?
অভিযোগকারী মহিলাঃ বিয়ের সময় মনে হয়েছিল ওর দাঁতগুলো আসল কিন্তু ফুলশয্যার রাতে কামড়
খেয়ে বুঝতে পারি ওর সব দাঁত বাঁধানো।
(২)
আদালতে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা চলছে।
বিচারকঃআপনি কি কোনদিন আপনার স্বামীর সঙ্গে কোন বিষয়ে একমত হননি?
অভিযোগকারী মহিলাঃ একবার বুঝেছিলাম হুজুর।
বিচারকঃকি রকম?
অভিযোগকারী মহিলাঃ আমাদের ঘরে যখন আগুন লাগে তখন আমারা দুজনে একসঙ্গে জানালা গলে
বাইরে বের হওয়ার চেষ্টা করেছিলাম।

(৩)
আদালতে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা চলছে।
বিচারকঃআপনি কি কোনদিন আপনার স্বামীর ভালমন্দ বিষয়ে চিন্তা করেছেন?
অভিযোগকারী মহিলাঃ একবার করে ছিলাম হুজুর।
বিচারকঃকি রকম?
অভিযোগকারী মহিলাঃআমার ধারণা ছিল আমার স্বামী একটা গাধা। ...

নভেম্বর
২২

সবকিছু হাসির বিষয় নয় ২১৫

সময় ০৯:২১:৩৭


(১)
বাসে এক ভদ্রলোক অনেকক্ষণ ধরে হাঁচি চেপে রাখছিলেন।
তার যখনই হাঁচি আসছিল তখনই তিনি নাক চেপে কোনরকমে হাঁচি বন্ধ করছিলেন।
পাশের সিটে বসে থাকা ভদ্রলোক সেটা লক্ষ্য করে বললেনঃ আপনার হাঁচি আসছে তবু হাসছেন না কেন?
হাঁচিচাপা ভদ্রলোকঃআমার স্ত্রী বলে দিয়েছে,যখন তোমার হাঁচি আসবে, তখন বুঝে নেবে, আমি তোমাকে
মনে করছি বা স্মরণ করছি।তুমি আমার কাছে এসে যাবে।
পাশের সিটের ভদ্রলোকঃতাতে কি হয়েছে?
হাঁচি চাপা ভদ্রলোকঃআমার স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে।

(২)
শাশুড়ির সাথে হবু জামাইয়ের আলাপচারিতা।
শাশুড়িঃ বাবা, আমার দুই মেয়ের মধ্যে, এই ছোটটিই এখন বিয়ের পিঁড়িতে বসার জন্য বেঁচে আছে। বড়টিতো একবছর আগে ভগবানের প্রিয়া হয়ে গেছে।
জামাইঃ তার আত্মার শান্তি কামনা করি।
শাশুড়িঃ তোমার মায়ের আত্মার শান্তি কামনা কর বাছা। আমার বড়মেয়ে মরেনি, প্রতিবেশী ভগবান দাসের
সাথে বাড়ি থেকে ...

নভেম্বর
১৮

সবকিছু হাসির বিষয় নয় ২১৪

সময় ২১:২০:১৩



(১)
স্বামীঃ মেয়েরা চিরকাল পরনির্ভরশীল।
স্ত্রীঃকি রকম?
স্বামীঃ ছেলেবেলায় বাবার উপর,মেয়েবেলায় স্বামীর উপর,আর অবেলায় জামাইয়ের উপর নির্ভরশীল।
স্ত্রীঃপুরুষরাও তো পরগাছা।
স্বামীঃ কি রকম?
স্ত্রীঃছেলেবেলায় মায়ের রান্না,মরদবেলায় বউয়ের রান্না আর ভামবেলায় বৌমা নয় আয়ামার রান্না ছাড়া বাঁচে না।

(২)
প্রশ্নঃপুরুষের চিহ্ন কি?
উত্তরঃ যার সমন্ধে সেই পাড়ার লোকজন বুঝতে পারে না, যে, লোকটা বাড়ির চাকর নাকি মালিক।

(৩)
স্বামীঃ ওগো শুনছো,এই বইটাতে লিখেছে যে,যাদের বাবা মুর্খ হয় তাদের ছেলে বিদ্বান হয় আর যাদের
বাবা বিদ্বান হয় তাদের ছেলে মুর্খ হয়।
স্ত্রীঃ যাক বাবা নিশ্চিন্ত হলাম।
স্বামীঃ কেন?
স্ত্রীঃ তোমার ছেলে বিদ্বান হবে।

নভেম্বর
১৭

সবকিছু হাসির বিষয় নয় ২১৩

সময় ০৯:৫৬:০০


(১)
সেলস ম্যানেজারঃ আমার মনে হয় চক্রবর্তীদের কাছে গাড়ি বিক্রি করার এটাই সবচেয়ে ভাল সময়।
মালিকঃ আপনার এই ধারণার কারণ?
সেলস ম্যানেজারঃ ওদের প্রতিবেশী গতকালই একটা গাড়ি কিনেছে।

(২)

সোমাঃ বুঝলি নুপুর, আমার ছেলে বলেছে, ওর জন্যে মেয়ে দেখতে।
নুপুরঃ তোর কর্তাকে বল,রোয়াকে বসে যেতে, তোকে মানাবে না।

(৩)

আগেঃ পেঁয়াজ কাটতে গিন্নীর চোখে জল আসতো।
এখনঃ পেঁয়াজ কিনতে গিয়ে কর্তার চোখে জল আসে।

(৪)
বাবা তার ছেলেকে অংক শেখাতে কড়া সুরে বললোঃজল মাথার উপর উঁচু হয়ে যাচ্ছে।

তখন তার স্ত্রী বাতরুমে টবে স্নান করছিল। সে বললোঃ ডারলিং,
তুমি কোথা থেকে দেখছো?দরজা তো বন্ধ ...

  • ৮টি মন্তব্য

নভেম্বর
১৬

সবকিছু হাসির বিষয় নয় ২১২

সময় ২১:১৫:৪৪


(১)
--তোমার স্ত্রী কাঁদছে মনে হচ্ছে?
--হ্যাঁ।
--কেন কাঁদছে?
--জানতে চাইনি।
--সেকি,কেন?
--আমি যতবার ওর কান্নার কারণ জানতে চেয়েছি, ততবারই আমাকে দেনায় ডুবতে হয়েছে।

(২)

--কিরে রাতদিন, অত কি ভাবিস?
--ভাবি যদি কোনদিন পৃথিবী থেকে সব বোকা লোক সাফ হয়ে যায়, তাহলে কি হবে?
--তুই বড় স্বার্থপর বুঝলি, সবসময় নিজের চিন্তা করেই মরলি।

(৩)
--গরম আর ঠান্ডার মধ্যে কোনটা তাড়াতাড়ি ছড়িয়ে পড়ে?
--গরম।
--কেন?
--ঠান্ডা সবার গায়ে লেগে যায় তাই ছড়াতে পারে ...

প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা ১২১৫