নির্বাচন ২০০৮ ও আমাদের ভবিষ্যত: 'A Secular Plan' (প্রথম পর্ব)
ফরহাদ মজহারের 'নির্বাচন, ধর্মনিরপেক্ষতা ও দক্ষিণ এশিয়ায় মার্কিন সমরনীতি' শিরোনামে প্রকাশিত লেখাটি পড়লাম। সত্যি কথা বলতে কি একজন বাংলাদেশী মুসলিম হিসেবে আতংকিত হয়েছি। আমাদের রাজনৈতিকরা আমাদের দেশের জন্য খারাপ এটা আমরা সবাই জানি। আবার এদের ভেতরে 'আওয়ামীলিগ' নামের দলটি ইসলামের জন্য ক্ষতিকর এটাও জানি। কিন্তু কতটুকু ক্ষতিকর হতে পারে সেটা বুঝতে হলে ইসলাম সম্পর্কে অবশ্যই সচেতন হতে হয়। সাধারন গরু খাওয়া মুসলিমরা এর গুরুত্ব বুঝতে বরাবরের মত্ই অক্ষম হবে বলে আমি মনে করি। এবং নিজেকে আমি একজন গরু খাওয়া মুসলিম মনে করি না। আওয়ামীলিগের 'A Secular Plan' জানতে পেরে তাই বাংলাদেশের ইসলাম ও প্রাকটিসিং মুসলিমদের ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তিত!!
--
যারা লেখাটি এখনো পড়েননি তাদের জন্য ইউনিকোডে পড়ার উপযোগী করে ব্যাক্তিগত ব্লগে রেখেছি। পড়ে দেখতে পারেন।
লিংক: http://trivuz.com/blog/?p=175
--
যাই হোক, শেখ হাসিনা পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় আওয়ামীলিগের 'A Secular Plan' সম্পর্কে সবটুকু প্রকাশ করেননি। তবে যতটুকু প্রকাশ করেছেন তাতে অনেকগুলো প্রশ্ন ও সন্দেহ জেগেছে মনে। প্রথম পর্বে তেমনি একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করছি-
মাদ্রাসা ছাত্র ও সেনাবাহিনী
সজীব ওয়াজেদ জয় ও কার্ল জে সিওভাক্কো (Carl J. Ciovacco) কতৃক প্রকাশিত নিবন্ধে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভেতর থেকে ইসলামি ভূত তাড়াবেন একটি পরিকল্পনা হাজির করেছেন। তারা দাবী করেছেন সেনাবাহিনী ভর্তি হয়ে যাচ্ছে মাদ্রাসার ছাত্রে। যদিও এর সাপক্ষে তারা শক্তিশালী কোন উৎস বা রেফারেন্স দিতে পারেননি। তবে ফরহাদ মজহারের সাথে আমিও এই বিষয়ে একমত যে 'মাদ্রাসার ছাত্ররা যদি সেনাবাহিনীর নির্ধারিত পরীক্ষায় পাশ করে তাহলে আপত্তিটা কীসের? মাদ্রাসার ছাত্র বলেই কি আপত্তি?'
কিছুদিন আগে আমরা দেখলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি লবি মাদ্রাসা ছাত্রদের ওখানে ভর্তির সুযোগ বন্ধ করে দিয়েছেন। যদিও আমি সেবার মাদ্রাসা ছাত্রদের সুযোগ বন্ধ করার বিষয়টিকে ভিন্নদৃষ্টিতে দেখার চেষ্টা করেছি.. উম্মু আবদুল্লাহ ব্লগে এই বিষয়ক আমার আগের মন্তব্যগুলো পাওয়া যাবে। সেবার আমার বিরক্তিটা আমাদের ইসলামী শক্তিগুলোর উপরে ছিলো। কিন্তু একথাও ঠিক যে মাদ্রাসার ছাত্র যদি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির কঠিন পরিক্ষায় পাশ করতে পারে তাহলে তাদের সেখানে ঢুকতে দেয়া হবে না কেন? এমন তো না যে মাদ্রাসার ছাত্রদের জন্য আলাদা কোন কোটা বা ভর্তি সিস্টেম আছে! আসলে মূল বিষয়টা হচ্ছে মাদ্রাসায় ইসলাম শিক্ষা দেয়া হয়, আর ইসলামকে যেমন ভাবেই হোক এই বাংলাদেশ থেকে নির্মূল করতে হবে। 'A Secular Plan' এর প্রাথমিক প্রস্তুতির একটা অংশ হিসেবে এটাকে দেখা যায়.. কারণ ইসলাম বিদ্বেষী সেক্যুলাররা এই ঘোষণায় আনন্দিত!
আবার সেনা বাহিনীর প্রসঙ্গে ফিরে আসি। হাসিনা পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় এবং ইরাক ও সৌদি আরবে মার্কিন সেনাদায়িত্ব পালন করা মার্কিন সেনা কর্মকর্তা কার্ল জে সিওভাক্কো (Carl J. Ciovacco) মিলে আবিষ্কার করেছেন সেনাবাহিনী মাদ্রাসার ছাত্রদের দ্বারা ভর্তি হয়ে যাচ্ছে। তাদের এই আবিষ্কারের স্বপক্ষে কোন রেফারেন্স নেই। থাকার কারণও নেই.. কারণ একজন সিভিল হিসেবে সেনাবাহিনীর তথ্য তাঁর জানার কথা নয়। কিন্তু এখানে একটি বিষয় লক্ষ রাখতে হবে যে সজীব ওয়াজেদ জয় সেনাপ্রধান মইন ইউ আহমেদের সঙ্গে দেখা করেছেন এবং তাঁর লেখায় পরিষ্কার যে তিনি সেনাপ্রধান মইন ইউ আহমেদকে পছন্দই করেছেন।
মাদ্রাসা শিক্ষা নিয়ে আমরা যত কথাই বলি না কেন মাদ্রাসা শিক্ষা এদেশের দরিদ্রশ্রেণীর শিক্ষার অভাব মেটাতে একটা বিশাল ভূমিকা রাখছে। সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়া মানুষের তালিকায় আমাদের দেশের দরিদ্র ও নিন্ম আয়ের শ্রেণীর মানুষজনের সংখ্যাই বেশী। সুতরাং সেনাবাহিনীর একটা উল্লেখযোগ্য অংশ মাদ্রাসা থেকে গিয়ে থাকতেও পারে। মাদ্রাসা থেকে গিয়ে কেউ সেনাবাহিনীর নির্ধারিত পরিক্ষায় পাশ করলে তাদের নিতে আপত্তিটা কোথায়? লজিক্যালি কোন আপত্তি থাকার কথা নয়.. তাহলে বুঝা যাচ্ছে আপত্তি সৃষ্টি করতে হবে.. আপত্তি সৃষ্টি করার পদ্ধতিটা কেমন হতে পারে?
কিছুদিন আগে আমাদের এখানে লালনের কাল্পনিক মূর্তি ভাঙা নিয়ে সেনাবাহিনীর দিকে আঙুল তোলা হয়েছে। প্রচারণাটা এমন ভাবে করা হয়েছে যে সেনাবাহিনী তথাকথিত মুসলিম মৌলবাদীদের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। অথচ ঐ মূর্তি সরানোর জন্য কোন ইসলামী শক্তি চাপপ্রয়োগ করেনি। এমনকি অনেকে দাবী করেছেন হাজীদেরও এটা নিয়ে কোন দাবী ছিলো না। যদিও মূর্তি সরানোর বিষয়টা বিতর্কে রুপ পাওয়ার পর ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা প্রাসঙ্গিক ভাবেই মূর্তি সংস্কৃতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন। কিন্তু প্রাথমিক বিতর্কটা কেন এবং কিভাবে সৃষ্টি হলো? অত:পর কারা লাভবান হলো সেনাবাহিনীকে তথাকথিত মৌলবাদী প্রমাণ করে? সবগুলো বিষয় নিয়ে নতুন করে আমাদের ভাবতে হবে....
একই সাথে এই দেশ তথাকথিত মৌলবাদীদের আস্তানা হিসেবে প্রামাণের আওয়ামী প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে আমরা আরো কতরকম সাজানো ঘটনা দেখতে পাবো তা নিয়েও ভাবা যেতে পারে...
...(চলবে)...
--
যারা লেখাটি এখনো পড়েননি তাদের জন্য ইউনিকোডে পড়ার উপযোগী করে ব্যাক্তিগত ব্লগে রেখেছি। পড়ে দেখতে পারেন।
লিংক: http://trivuz.com/blog/?p=175
--
যাই হোক, শেখ হাসিনা পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় আওয়ামীলিগের 'A Secular Plan' সম্পর্কে সবটুকু প্রকাশ করেননি। তবে যতটুকু প্রকাশ করেছেন তাতে অনেকগুলো প্রশ্ন ও সন্দেহ জেগেছে মনে। প্রথম পর্বে তেমনি একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করছি-
মাদ্রাসা ছাত্র ও সেনাবাহিনী
সজীব ওয়াজেদ জয় ও কার্ল জে সিওভাক্কো (Carl J. Ciovacco) কতৃক প্রকাশিত নিবন্ধে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভেতর থেকে ইসলামি ভূত তাড়াবেন একটি পরিকল্পনা হাজির করেছেন। তারা দাবী করেছেন সেনাবাহিনী ভর্তি হয়ে যাচ্ছে মাদ্রাসার ছাত্রে। যদিও এর সাপক্ষে তারা শক্তিশালী কোন উৎস বা রেফারেন্স দিতে পারেননি। তবে ফরহাদ মজহারের সাথে আমিও এই বিষয়ে একমত যে 'মাদ্রাসার ছাত্ররা যদি সেনাবাহিনীর নির্ধারিত পরীক্ষায় পাশ করে তাহলে আপত্তিটা কীসের? মাদ্রাসার ছাত্র বলেই কি আপত্তি?'
কিছুদিন আগে আমরা দেখলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি লবি মাদ্রাসা ছাত্রদের ওখানে ভর্তির সুযোগ বন্ধ করে দিয়েছেন। যদিও আমি সেবার মাদ্রাসা ছাত্রদের সুযোগ বন্ধ করার বিষয়টিকে ভিন্নদৃষ্টিতে দেখার চেষ্টা করেছি.. উম্মু আবদুল্লাহ ব্লগে এই বিষয়ক আমার আগের মন্তব্যগুলো পাওয়া যাবে। সেবার আমার বিরক্তিটা আমাদের ইসলামী শক্তিগুলোর উপরে ছিলো। কিন্তু একথাও ঠিক যে মাদ্রাসার ছাত্র যদি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির কঠিন পরিক্ষায় পাশ করতে পারে তাহলে তাদের সেখানে ঢুকতে দেয়া হবে না কেন? এমন তো না যে মাদ্রাসার ছাত্রদের জন্য আলাদা কোন কোটা বা ভর্তি সিস্টেম আছে! আসলে মূল বিষয়টা হচ্ছে মাদ্রাসায় ইসলাম শিক্ষা দেয়া হয়, আর ইসলামকে যেমন ভাবেই হোক এই বাংলাদেশ থেকে নির্মূল করতে হবে। 'A Secular Plan' এর প্রাথমিক প্রস্তুতির একটা অংশ হিসেবে এটাকে দেখা যায়.. কারণ ইসলাম বিদ্বেষী সেক্যুলাররা এই ঘোষণায় আনন্দিত!
আবার সেনা বাহিনীর প্রসঙ্গে ফিরে আসি। হাসিনা পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় এবং ইরাক ও সৌদি আরবে মার্কিন সেনাদায়িত্ব পালন করা মার্কিন সেনা কর্মকর্তা কার্ল জে সিওভাক্কো (Carl J. Ciovacco) মিলে আবিষ্কার করেছেন সেনাবাহিনী মাদ্রাসার ছাত্রদের দ্বারা ভর্তি হয়ে যাচ্ছে। তাদের এই আবিষ্কারের স্বপক্ষে কোন রেফারেন্স নেই। থাকার কারণও নেই.. কারণ একজন সিভিল হিসেবে সেনাবাহিনীর তথ্য তাঁর জানার কথা নয়। কিন্তু এখানে একটি বিষয় লক্ষ রাখতে হবে যে সজীব ওয়াজেদ জয় সেনাপ্রধান মইন ইউ আহমেদের সঙ্গে দেখা করেছেন এবং তাঁর লেখায় পরিষ্কার যে তিনি সেনাপ্রধান মইন ইউ আহমেদকে পছন্দই করেছেন।
মাদ্রাসা শিক্ষা নিয়ে আমরা যত কথাই বলি না কেন মাদ্রাসা শিক্ষা এদেশের দরিদ্রশ্রেণীর শিক্ষার অভাব মেটাতে একটা বিশাল ভূমিকা রাখছে। সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়া মানুষের তালিকায় আমাদের দেশের দরিদ্র ও নিন্ম আয়ের শ্রেণীর মানুষজনের সংখ্যাই বেশী। সুতরাং সেনাবাহিনীর একটা উল্লেখযোগ্য অংশ মাদ্রাসা থেকে গিয়ে থাকতেও পারে। মাদ্রাসা থেকে গিয়ে কেউ সেনাবাহিনীর নির্ধারিত পরিক্ষায় পাশ করলে তাদের নিতে আপত্তিটা কোথায়? লজিক্যালি কোন আপত্তি থাকার কথা নয়.. তাহলে বুঝা যাচ্ছে আপত্তি সৃষ্টি করতে হবে.. আপত্তি সৃষ্টি করার পদ্ধতিটা কেমন হতে পারে?
কিছুদিন আগে আমাদের এখানে লালনের কাল্পনিক মূর্তি ভাঙা নিয়ে সেনাবাহিনীর দিকে আঙুল তোলা হয়েছে। প্রচারণাটা এমন ভাবে করা হয়েছে যে সেনাবাহিনী তথাকথিত মুসলিম মৌলবাদীদের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। অথচ ঐ মূর্তি সরানোর জন্য কোন ইসলামী শক্তি চাপপ্রয়োগ করেনি। এমনকি অনেকে দাবী করেছেন হাজীদেরও এটা নিয়ে কোন দাবী ছিলো না। যদিও মূর্তি সরানোর বিষয়টা বিতর্কে রুপ পাওয়ার পর ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা প্রাসঙ্গিক ভাবেই মূর্তি সংস্কৃতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন। কিন্তু প্রাথমিক বিতর্কটা কেন এবং কিভাবে সৃষ্টি হলো? অত:পর কারা লাভবান হলো সেনাবাহিনীকে তথাকথিত মৌলবাদী প্রমাণ করে? সবগুলো বিষয় নিয়ে নতুন করে আমাদের ভাবতে হবে....
একই সাথে এই দেশ তথাকথিত মৌলবাদীদের আস্তানা হিসেবে প্রামাণের আওয়ামী প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে আমরা আরো কতরকম সাজানো ঘটনা দেখতে পাবো তা নিয়েও ভাবা যেতে পারে...
...(চলবে)...
লেখক ত্রিভুজ
- ত্রিভুজ -এর ব্লগ
- ১৮ টি মন্তব্য
- ২২ নভেম্বর ২০০৮, ০৫:৩৬
- বিবিধ
প্রিন্ট করুন
- ১৮ টি মন্তব্য
-
তানভীর তারেক২২ নভেম্বর ২০০৮, ০৬:৪২
ত্রিভুজ ভাই ,
ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করবোনা আপনাকে।
ভেবে দেখার সময় হয়েছে কাদের আমরা ক্ষমতায় বসাতে যাচ্ছি?
কাদের?:q :q :q -
lenin২২ নভেম্বর ২০০৮, ০৬:৪২
৫০০টি বোমা একসংগে ফাটা এবং বাংলা ভাই, জেএমবি এদের অস্তিত্ব প্রমাণ হবার পরও যদি তথাকথিত মৌলবাদী উত্থান দেখেন তাহলে বলতে হবে আপনি জ্ঞানপাপী। এখানে উল্লেখ্য আমি আপনার বিরোধীতাকারী দলটি অর্থাৎ আওয়ামী লীগের সমর্থক নই। -
তানভীর তারেক২৩ নভেম্বর ২০০৮, ১০:২৪
:! এর পর ও কি বলবেন.? 'A Secular Plan' নামের এদেশে মার্কিন আগ্রসনের পক্ষের লোকেরা দেশের জন্য হুমকি নয়?:q -
lenin২৪ নভেম্বর ২০০৮, ১১:০৮
সেকুলার প্ল্যানটি আমার মাথাব্যাথা নয়। যতোটা জেএমবি এর ৫০০ বোমা, উদীচীর বোমা আরো আরো হত্যাকাণ্ড ঘটে চলেছে। বাংলাদেশকে আফগান করার প্রতিজ্ঞা যারা করেছে তাদের পৃষ্ঠপোষকতা দেবার কোন যুক্তি আমি খুঁজে পাইনা। মাদ্রাসা'র অনগ্রসর শিক্ষাপদ্ধতির পক্ষেই কেন বলতে হবে তারও যুক্তি খুঁজে পাইনা। স্বাধীন মতবাদে চলি এবং কোনোকিছু কারো রক্তচক্ষুকে ভয় করে করিনা। -
ইঊসুফ২২ নভেম্বর ২০০৮, ০৬:৪৬
The Islamists cleverly began growing their numbers within the Army by training for the Army Entrance Exams at madrassas. This madrassa training was necessary because of the relative difficulty associated with passing these exams. The military is attractive because of both its respected status and its high employment opportunities in a country where unemployment ranges from 20 percent to 30 percent for younger males. High demand for military posts has resulted in an entrance exam designed to limit the number of recruits. Before this madrassa Entrance Exam campaign, only 5 percent of military recruits came from madrasses in 2001. By 2006, at the end of the BNP's reign, madrassas supplied nearly 35 percent of the Army recruits. In a country that has seen four military coup d'etats in its short 37 year history, the astronomical growth of Islamists in the military is troubling to say the least'.
ভয়ানক। তবে আমরা এ সম্পর্কে আগেই আঁচ করছি। আপুরা বিদেশ থেকে কি কি প্লান আমদানি করছেন না তা জানলেও কল্পনায় এসেছিল। আমরা যে আরেকটা ইরাক, পাকিস্তান বা আফগানিস্তান হতে যাচ্ছি তা তো স্পষ্ট। এদেশেও যে একটা লাল মসজিদ আবার লাল হবে, তা আমাদের দূর দৃষ্টিতে ধরা পড়ছে। কিয়ামতের আলামতগুলো যেন খুব তাড়াতাড়িই পাওয়া যাচ্ছে। একজন মডারেট মুসলিম হিসেবে আল্লাহর কাছে আমাদের এই সুন্দর দেশের জন্য দু'আ ছাড়া আর কোন কার্যকরী উপায় দেখছি না। আল্লাহ.. তুমি আর কত আমাদের পরীক্ষা করবে.. আমাদের সত্যের উপর টিকে থাকার শক্তি দাও। আমীন।
পোষ্টটার জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া। -
তানভীর তারেক২২ নভেম্বর ২০০৮, ০৭:০২
আরেকটা ইরাক, পাকিস্তান বা আফগানিস্তান হতে না হয় তাই আমাদের সাবধান হতেই হবে এখন থেকেই । মহান আল্লাহতাআলা আমাদের সহায় হউন ।
আমিন। -
শাহরিয়ার_বিডি২২ নভেম্বর ২০০৮, ০৬:৪৮
এই সরকার হঠাৎ হাল ছেড়ে দিলো কেনো বলতে পারেন? আর আওয়ামীলীগ কি আমেরিকার ব্যাকিং পাচ্ছে? হাসিনা দেখলাম কানের ডাক্তার দেখানোর পরই আমেরিকান এক দাদাকে কদমবুচি করতে গেছে। -
তানভীর তারেক২২ নভেম্বর ২০০৮, ০৭:০৮
"স্বাধীনতা অর্জন এর চেয়েও স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন"
কথাটা হাড়ে হাড়ে টের পাবার সময় হয়েছে বোধহয়.
:i -
রউফ২৩ নভেম্বর ২০০৮, ০৪:২০
হুম ভাল ষড়যন্ত্র চলছে
তবে এটা ভুলে গেলে চলবেনা যে বাংলাদেশ কার বাপ দাদার সম্পত্তি নয়
স্বদেশের সার্বভৌম রক্ষায় সর্বোচ্চ ত্যাগ করার অভ্যাস এ জাতির আছে তা ভুলে গেলে তা হবে মারাত্মক ভুল
আর সকল সংগ্রামের সময়ই একটি পক্ষ দেশ বিরধী কাজে লিপ্ত থাকবে এই সত্যও ইতিহাস প্রমানিত -
জামান২৩ নভেম্বর ২০০৮, ০৭:২০
লেনিন এর মন্তব্যের সাথে পুর্ণ সহমত পোষন করে আমার জিগ্গাসা বিদেশী শক্তির চাইতে তো দেশি উগ্রসাম্প্রদায়ীক শক্তির সম্ভাবনাই বেশি -
আবূসামীহা২৩ নভেম্বর ২০০৮, ১০:৩০
ছেলে বাংলাদেশি বাবার হলেও এখন জামাই আমেরিকানদের এবং নাগরিকও এখন সেদেশের। তাদের পরিকল্পনাই হচ্ছে এদেশে যাতে শান্তি ও সমৃদ্ধি কখনো না আসে।
দেশের মানুষকে সচেতন করার কাজের দরকার অনেক বেশী। কিন্তু.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।। -
আলিফ মাহমুদ২৩ নভেম্বর ২০০৮, ১১:৩৪
জয় এই কাজগুলি ঠিক করতেছে না। দেশের বাইরে বসে দেশের নামে কুৎসা রটানোর এই রোগ তার মায়েরও আছে। রক্তের দোষ। -
ফজলে এলাহি২৬ নভেম্বর ২০০৮, ০২:০১
কার্ল জে সিওভাক্কোরা যাদের ভরসা, তাদের উপর এদেশের জনগণ ভরসা করবে বলে আমরা মনে করি না।
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক