আল-কায়েদা বনাম বুশ ও জেএমবি বনাম হাসিনা
বাংলাদেশ পর্যবেক্ষন রাজনীতি
সম্প্রতি জেএমবি নামটা খুব বেশী শুনা যাচ্ছে। বিশেষ করে পিলখানার ঘটনার পর থেকে। জেএমবির উত্থান এবং জেএমবি কতৃক সিরিজ বোমা হামলার ঘটনাগুলো এত দ্রুত ঘটেছে যে সবাই হতবাক হয়ে গিয়েছে। এটা দিবালোকের মতই পরিষ্কার যে বাইরের কোন শক্তির সাহায্য ছাড়া জেএমবির মত বড় নেটওয়ার্ক তৈরি হওয়া কোন ভাবেই সম্ভব নয়। কথা হচ্ছে সেই বাইরের শক্তিটা কারা?
জোট সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে জেএমবির সিরিজ বোমা হামলা নি:সন্দেহে জোট সরকারকে বিতর্কিত করেছে। ক্ষতি হয়ে বিএনপি-জামাত জোটের এবং এই ঘটনা থেকে লাভবান হয়েছে তৎকালীন বিরোধীদল তথা আজকের সরকারী দল আওয়ামীলিগ। আওয়ামীলিগ বরাবরই দাবী করে আসছে জেএমবি জোট সরকারের মদদে সৃষ্টি হয়েছে। অথচ এই জেএমবি জোট সরকারকে বিপাকে ফেলা ছাড়া আর তেমন কোন কাজেই আসেনি। জেএমবির সিরিজ বোমা হামলার ঘটনায় বাংলাদেশ ও তৎকালীন সরকারের ইমেজ বহি:বিশ্বে ব্যপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করার পাশাপাশি আওয়ামীলিগের বাংলাদেশ বিরোধী প্রচারনায় ব্যপক রসদ জুগিয়েছে।
জেএমবির নেটওয়ার্ক তৈরিতে যে কোন বিদেশী শক্তি জড়িত সেটা বেশ পরিষ্কার। জেএমবির সিরিজ বোমা হামলার পর তদন্ত করে জানা গেল বোমাগুলো সব ভারতীয় সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করেছে। ভারত এবং আওয়ামীলিগ যৌথ ভাবে দাবী করছে এই নেটওয়ার্কের পেছনে ইসলামী শক্তিগুলো রয়েছে। তাহলে সেই তথাকথিত ইসলামি শক্তি ভারতীয় পুরো গোয়েন্দা সংস্থা ও বিএসএফের দৃষ্টি এড়িয়ে কিভাবে দেশের ভেতরে বোমা হামলার প্রয়োজনীয় বস্তু সরবরাহ করে?
জেএমবির বড় আকারের হামলার পর জোট সরকার খুবই দ্রুত জেএমিবর শীর্ষ নেতাদের ধরে ফেলতে সক্ষম হয়েছে এবং তাদের উপযুক্ত শাস্তি ফাঁসি দেয়া হয়েছে। আমাদের অভ্যন্তরিন গোয়েন্দা সংস্থা ও পুলিশ ও RAB-ই যথেষ্ট ছিলো এই কার্য সমাধা করার জন্য। কিন্তু বর্তমান সরকারের ভাষ্য মতে প্রায় ধ্বংস করে দেয়া এই নেটওয়ার্ক নির্মূল করতে নাকি বিদেশী শক্তির সাহায্য দরকার! দেশের যে সংস্থাগুলো অতীতে সাফল্যের সাথে এদের দমনে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে সমর্থ হয়েছিলো তাদের উপর এই সরকারের ভরসা এত কম কেন? নাকি বাংলাদেশে বিদেশী শক্তির হস্তক্ষেপটাই এখানে মূর্খ্য?
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুই বছরের শাসনামলে জেএমবি নেটওয়ার্ক যেন অনেকটা হাওয়ায় মিলিয়ে গেল। তারপর হঠাৎ করে ঠিক নির্বাচনের কয়েকদিন আগেই জেএমবি ঘোষণা করলো শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে হবে। কেন? জেএমবির নেতাদেরকে তো ফাঁসি দিয়েছিলো জোট সরকার। তারা প্রতিশোধ নিতে চাইলে বিএনপি-জামাত জোটের নেতাদের হত্যার হুমকি দিতে পারে.. তা না করে শেখ হাসিনাকে কেন? তাও আবার ঠিক নির্বাচন মূহুর্তে কেন? মনে পড়ে যায় বুশের বিন-লাদেন জুজুর কথা। বুশ প্রসাশন কোন কুকর্ম করার আগে বা নির্বাচনের আগে আগেই কোত্থেকে বিন লাদেন আবির্ভাব হয়ে একটা ভাষণ মেরে দিতো। মূর্খ বাঙালীর সামনে আমরা সেই পুরানো ট্রিকস আবার নতুন বোতলে দেখলাম মনে হচ্ছে।
আওয়ামীলিগ সরকার গঠনের পর হঠাঃ খুব দ্রুতই দেশের আইন শৃক্ষলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে গেল। আওয়ামী ছাত্র সস্থাগুলো এত ভয়ানক আকারে সন্ত্রাস আর নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে শুরু করলো যে অনেক গোড়া আওয়ামী সমর্থকও বিষয়টাকে সমর্থন দিতে পারলো না। এই সময়ে সরকার দাবী করলো তাদের সরকারের বয়স অল্প.. এত দ্রুত কিভাবে তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করবেন? শান্ত একটা দেশে হঠাৎ করে তাদের সন্ত্রাসীরা যে পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে সেটার জন্য তারা আরো দুই বছর আগের সরকারকে দায়ী করলো। কি হাস্যকর যুক্তি...!
এর ভেতরে ঘটে গেল পিলখানার নির্মম ট্রাজেডি। সরকারের ব্যর্থতা আর সীমাহীন অবহেলা নিয়ে যখন সমালোচনা ওঠতে শুরু করলো ঠিক তখনি আবার জেএমবিকে দরকার হয়ে পড়লো। পিলখানার ঘটনার পর থেকেই আমাদের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ও সাংসদরা ঘটনার দায় জেএমবির উপরে চাপাতে শুরু করলেন। দেশের আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রন করা যাচ্ছে না, দোষ জেএমবির। ছাত্রলীগ ক্রমাগত সন্ত্রাস করে যাচ্ছে, দোষ জেএমবির। পিলখানার ঘটনায় সরকারের ব্যর্থতাও জেএমবির কাঁধে।
আজকে দৈনিক সমকালে 'সরকারকে আলাদা ইসলামী প্রদেশ দিয়ে সমঝোতায় আসতে হবে' শিরোনামে জেএমবির একটি নিউজ এসেছে। সেখানে দেখলাম জেএমবির চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমান্ডার জাবেদ ইকবাল ওরফে মোহাল্ফ্মদ বলেছেন, "জাতীয় সংসদ ভবন, প্রধানমন্পীর কার্যালয়সহ সারাদেশে নিরাপত্তা জোরদার করে জঙ্গি হামলা রোধ করা যাবে না। শায়খ রহমান ও বাংলাভাইসহ অনেক জঙ্গি নেতাকে ফাঁসি দিয়েও জঙ্গিদের দমন করা যায়নি। এখনো প্রশিক্ষিত জঙ্গিরা গোপনে তৎপরতা চালাচ্ছে। জঙ্গিদের জন্য আলাদা প্রদেশ দিয়ে সেখানে ইসলামী আইন চালুসহ বিভিল্পম্ন দাবি মেনে নিয়ে সরকারকে সমঝোতায় বসতে হবে। এজন্য চট্টগ্রাম কারা সুপারের মাধ্যমে রাষ্দ্ব্রপতি ও প্রধানমন্পী বরাবরে তারা চিঠিও পাঠাবেন কয়েকদিনের মধ্যে।"
সৃত্র: http://www.shamokal.com/details.php?nid=106659
নিউজটির দিকে খুব ভাল ভাবে নজর করলেই কয়েকটি বিষয় খুব পরিষ্কার হয়ে ওঠে। লক্ষ্য করুন জেএমবি লিডারের নিজের মুখের বক্তব্য-
জেএমবির বক্তব্য:
ক) "জাতীয় সংসদ ভবন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ সারাদেশে নিরাপত্তা জোরদার করে জঙ্গি হামলা রোধ করা যাবে না।"
প্রাঙ্গিক ভাবনা:
ক.১) জেএমবির যদি জাতীয় সংসদ ভবন ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গুপ্ত হামলার পরিকল্পনাই থাকে তাহলে তারা সেটা এভাবে ফলাও করে প্রচার করতে যাবে কেন? তাদের এই বক্তব্য কি গত কয়েক সপ্তা ধরে সরকারের বক্তব্যগুলোকেই শক্তিশালী করছে না যে সরকার জেএমবি কতৃক আক্রান্ত?
জেএমবির বক্তব্য:
খ) "শায়খ রহমান ও বাংলাভাইসহ অনেক জঙ্গি নেতাকে ফাঁসি দিয়েও জঙ্গিদের দমন করা যায়নি। এখনো প্রশিক্ষিত জঙ্গিরাগোপনে তৎপরতা চালাচ্ছে।".. আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে জাবেদ এসব হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন। প্রায় ১৫ মিনিট ধরে জাবেদ এসব কথা বলেন।
প্রাঙ্গিক ভাবনা:
খ.১) ইসলামী আন্দোলনকারীরা নিজেদের নেতাকে এভাবে 'জঙ্গি নেতা' বলে দাবী করে?
খ.২) জেএমবি গোপনে শক্তি সঞ্চয় করে থাকলে তাদের দমন করা যায়নি বলে অকারণে কেউ এভাবে নিজেদেরই তথ্য প্রকাশ করে?
খ.৩) গোপন তৎপরতার খবর কেউ এভাবে সবার সামনে দাঁড়িয়ে জানিয়ে দেয়?
খ.৪) আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে ১৫ মিনিট ধরে এভাবে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করার বিষয়টি লক্ষ্য করুন।
জাবেদ আদালতকে আরো বলেন, "সারাদেশে যে আতংকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে তা বন্ধ হবে না। "... তার মানে সারাদেশের আইনশৃক্ষলা পরিস্থিতির অবনতি, ছাত্রলীগের সন্ত্রাস, পিলখানার ঘটনা সবকিছুর দায় জেএমবি স্বেচ্ছায় নিজের ঘাড়ে নিয়ে নিলো? আওয়ামীলিগের গত কয়েকসপ্তাহের প্রচারনাগুলোকে হালাল করতে? উল্লেখ্য পিলখানার ঘটনার তদন্তকারীরা দুইদিন আগেও বলেছে এই ঘটনায় তারা জেএমবির সংশ্লিষ্টতা পায়নি। এমতাবস্থায় সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীদের জেএমবি কানেকশন সম্পর্কিত বক্তব্যগুলোকে হালাল করার এর চাইতে আর উৎকৃষ্ট পদ্ধতি কী হতে পারে?
জেএমবি কারা এবং কাদের সুবিধামত কাজ করে যাচ্ছে ও কাদের স্বার্থ রক্ষায় বিভিন্ন বক্তব্য প্রদান করছে তা নিয়ে আমাদের আরো গভীর ভাবে ভাবতে হবে। আমরা চাই ইসলাম ও দেশের জন্য ক্ষতিকর এসব জেএমবি নেটওযার্কের সম্পূর্ন ধ্বংস এবং এরা যাদের স্বার্থে কাজ করে যাচ্ছে তাদের বিচার।



Phonetic
সাহসি লিখা। ধন্যবাদ
দেশ ও জনগণের প্রতি দায়িত্ব হিসেবে লেখাটা দিয়েছি। আমার মতে এই বিষয়টাতে ইসলামী শক্তিগুলো এগিয়ে আসতে পারে। এটা তো আমরা বুঝি যে জেএমবির কাজকর্ম কোন ভাবেই ইসলামিক নয়। এমনকি ইসলামের মৌলিক কোন বিধানই এরা মানে না.... এদের কাজের সাথে ইসলামের কোন কথারই কোন মিল নেই...
তাহলে ইসলামি আন্দোলনের নামে এরা এসব চালাচ্ছে কেন? আর এতে কারা লাভবান হচ্ছে? আর কাদের ক্ষতি হচ্ছে?
দেশ, জনগন ও ইসলামের স্বার্থেই এই জেএমবি নেটওয়ার্কের নির্মূলে আমাদের এগিয়ে আসা উচিত।
শুরু করলাম পড়া।
পড়ে মতামত জানাবেন।
ত্রিভুজ ভাই কতদিন বলছি এসব সত্য নিয়া পোস্ট দিবেন না কারণ অপেক্ষা করেন কিছুক্ষন, দেখেন কত জন এই সত্য গুলারে খোঁড়া যুক্তি দিয়া মিথ্যাবানানোর প্রতিযোগিতায় নামছে।
এখানে সত্য মিথ্যা কিছু দাবী করা হয়নি। কিছু যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে। সেগুলো নিয়ে আলোচনা চলতে পারে যদি কেউ আলোচনায় আগ্রহী হয়।
কিছু লোকের ধারণা

"ইসলামের বিরুদ্ধে বললে Smartness
ইসলামের পক্ষে বললে মৌলবাদী"
কেউ কেউ তো আরো ১ কাঠি সরস " দাড়িওয়ালা দেখলেই মৌলবাদী + রাজাকার "
আরেকটা বিষয় হয়তো লক্ষ্য করেননি... দাড়িওয়ালা দেখলে আজকাল লোকে বোমাবাজ কিনা বুঝার চেষ্টা করে। আমি নিজে অসংখ্য ঘটনা দেখেছি... ইসলাম ও বাংলাদেশ বিরোধী শক্তিগুলো জেএমবি টাইপ গ্রুপ তৈরি করে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে। এই বিষয়ে ব্যপক সচেতনতা দরকার।
ভাই করেছি নিজেই সময়ের অভাবে ১০/১২ দিন শেভ করতে পারিনি। লোকাল বাসে অফিসে আসার সময় অনেকেই দূরে দূরে থাকতো। আবার কেমন যেন তাকাতো ? কাঁধে ১টা ব্যাগ থাকে তো তাই হয় তো । কি বিচিত্র এই দেশের লোক ।
আমি মনে করি, যা হচ্ছে তা হাসিনা সরকারের দিন বদলের ঠেলা।
দেশ ও ইসলামের বিরুদ্ধে যেকোন রাজনীতিই নিন্দনীয়।
ঠিক বলেছেন এক শ্রেণীর লোক ইসলাম এবং দেশকে ধ্বংস করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। পাবলিক জেএমবি মানেই মুসলমানকে বোঝে। কিন্তু আমাদের খতিয়ে দেখা উচিত জেএমবি নামক অক্টোপাসগুলোর আসল উদ্দ্যেশ্য কি?
ইসলামকে ধ্বংসের অপচেষ্টা থেকে রক্ষা করতে এদের প্রতিরোধ করা ছাড়া গতি নাই।
সহমত আপনার সাথে।
ইসলামকে ধ্বংসের অপচেষ্টা থেকে রক্ষা করতে এদের প্রতিরোধ করা ছাড়া গতি নাই। এবং এরা যাদের মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছে তাদের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে জনগণের সচেতন হওয়া উচিত। আমি মনে করি দেশের ইসলামি শক্তিগুলো এক হয়ে এই বিষয়টি নিয়ে কাজ করতে পারে.. বিদেশী কোন শক্তিকে এদেশের স্বাধীনতা আর ইসলাম নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে দেয়া যেতে পারে না..
ইসলামী শক্তি বলতে কি ইসলামী দলগুলো?
শুধু ইসলামী দলগুলো নয় সকল মুসলমানকে এক হতে হবে। এক হয়ে এইসব ধান্ধাবাজীদের সমূলে নিপাত করতে হবে। আমরা জানি ইসলাম শান্তির ধর্ম। মুসলমানদের উচিত ষড়যন্ত্রকারীদের প্রতিহত করে প্রকৃত শান্তি ফিরে আনা।
ধন্যবাদ ত্রিভূজ। আপনার উপস্থাপনা সুন্দর এবং সাবলীল। জঙ্গি নিমূর্লের জন্য:আমাদের Law and order situation strong করতে হবে। সবচেয়ে জরুরি যেটা দরকার সেটা হচ্ছে পারিবারিক এবং সামাজিক ভাবে ওদেরকে বয়কট করতে হবে।
যে শক্তির পেছনে বিশাল বিদেশী বিনিয়োগ আছে সেই শক্তির জন্য রাষ্ট্রযন্ত্রই একা পারবে বলে মনে হয় না। এই বিষয়টিতে দেশের আপামর জনসাধারণের এগিয়ে আসা উচিত। আমি মনে করি ইসলামী শক্তিগুলো এই বিষয়ে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে। পারিবারিক এবং সামাজিক ভাবে ওদেরকে বয়কট করাটাও ভাল আইডিয়্যা।
ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মতামতের জন্য।
সঠিক সময় ঠিক দায়িত্ব পালনের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ দিতে লজ্জা পাচ্ছি কারণ এ দায়িত্ব আমরা কেউ এখন পালন করতে পারে নি। এ জাতীয় বিশ্লেষণ মুলক আরো পোস্ট দেবেন।
ধন্যবাদ সুন্দর সমর। অনেক বিষয় আছে যেগুলোতে দৃষ্টি দেয়া আমার মত একজন ব্যক্তির পক্ষে সম্ভব নয়। আমার উদ্দেশ্য হচ্ছে এই বিষয়ে মানুষের চিন্তা ভাবনাগুলোকে একত্র করা ও তাদের ভাবতে আগ্রহী করা। এই বিষয়টি নিয়ে বিপুল গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। এটাকে হালকা ভাবে দেখার অবকাশ নেই।
ত্রিভুজ ভাই
আপনি জা বেলেছেন , তা গভীর ভাবে ভাবার মত।আপনি জা ইঙ্গিত দিয়েছেন তা আমার মত অনেকে বিলিভ করে ।
মানুষ এখন আর বোকা নেই... কিসের পেছনে কি আছে তা মানুষ ভালই বুঝতে পারে।
সবে তো পরিবর্তনের শুরু , আরো কতো কিছু যে দেখতে হবে আল্লাহ ই জানেন ( ত্রিভুজ ভাই আপনারে ১ টা পি এম পাঠাইছিলাম রাতে জবাবটা কি আশা করতে পারি ? )
দেখে শেষ করার আগেই দেশটা অক্কা পায় কিনা দেখুন.....
(ম্যাসেজ পড়েছি... মেইলে কথা হবে)
ত্রিভুজ ভাই, আল-কায়েদা নিয়ে বুশ যে নাটক বানিয়ে বিশ্ববাসীকে বোকা বানিয়েছে সেরকম আরও অনেক নাটকই আমাদের সামনে মঞ্চস্থ হচ্ছে। আসলে বড় বড় রাজনৈতিক ব্যাক্তিরা আমাদের মত আম পাবলিকদের নিয়ে একধরনের খেলা করে। আমরা তাদের খেলার সনন্জাম। আমরা তাদের খেলার দর্শক। আমরা চিরকালই ব্যবহৃত হয়েছি এবং চিরকালই দর্শক হয়ে দেখেছি। আমাদের এর বেশি কি কিছু করার আছে??
আপনার সাহসী লিখার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
ধন্যবাদ ইমন ভাই। তবে এই খেলটা শুধু অভ্যন্তরিন রাজনৈতিক খেলা না.. এখানে দেশ ও দেশের স্বাধীনতা জড়িত। আওয়ামীলিগ বিএনপি ক্ষমতা নিয়ে দেশের ভেতরে কামড়া-কামড়ি আর দেশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপে পার্থক্য আছে... বিষয়টা খুবই সেনসেটিভ।
রাজনৈতক বিষয়ে কিছু বলতে ইচ্ছে নেই।
১।সেই তথাকথিত ইসলামি শক্তি ভারতীয় পুরো গোয়েন্দা সংস্থা ও বিএসএফের দৃষ্টি এড়িয়ে কিভাবে দেশের ভেতরে বোমা হামলার প্রয়োজনীয় বস্তু সরবরাহ করে?
উত্তর:যে ভাবে যায় ১০ ট্রাক অস্ত্র উলফার কাছে।
২।দেশের যে সংস্থাগুলো অতীতে সাফল্যের সাথে এদের দমনে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে সমর্থ হয়েছিলো তাদের উপর এই সরকারের ভরসা এত কম কেন? নাকি বাংলাদেশে বিদেশী শক্তির হস্তক্ষেপটাই এখানে মূর্খ্য?
উত্তর: কার্যকরী মানে কতটুকু?কুমিল্লায় খালেদার জনসভায় যে হামলার পরিকল্পনা পরে গ্রেফতার এবং খালেদার আভিযোগ ও কি জু জু ?গাজিপুরে থানায় বিষ্ফোরন কি প্রমান করে না এরা নির্মুল হয়নি? কোন দেশ যদি আর্থিক সাহায্য দিয়ে থাকে তাহলে কি অন্যদেশ বা আন্তরজাতিক সাহায্যের প্রয়োজন নেই টাকার উৎস বন্ধের?কুয়েতের একটি এনজিওর এ বিষয়ের জডিত থাকার দায়ে জোট সরকারের আমলেই বন্ধ করা হয় প্রমান সাপেক্ষে।
৩।পিলখানার ঘটনায় সরকারের ব্যর্থতাও জেএমবির কাঁধে।
উত্তর:পিলখানা ঘটনায় সরকার কতটুকু কিভাবে ব্যর্থ সেটা প্রশ্ন সাপেক্ষ। আপনার মন দিয়ে দেখলে ব্যর্থ। হয়ত অনেকের অনেক কিছুর রেফারেন্স দিবেন।সফলতার পক্ষে ও তো বেশীর ভাগের মত থাকতে পারে?
৪।এমতাবস্থায় সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীদের জেএমবি কানেকশন সম্পর্কিত বক্তব্যগুলোকে হালাল করার এর চাইতে আর উৎকৃষ্ট পদ্ধতি কী হতে পারে?
উত্তর:আপনি জেএমবির বক্তব্য ,প্রাঙ্গিক ভাবনা বিশ্লেষনে সুচতুর শব্দে বুঝাতে চাইলেন "আদালতে দেয়া জে এমভির বক্তব্য আপনার চক্ষুশূল সরকারের সাজানো নাটক।
বুশের যেমন সব কিছুতে লাদেন এর গন্ধ পায়,হাসিনা যেমন জে এমভির গন্ধ পায়(আপনার কথা মতে) জামাত যেমন ভারতের গন্ধ পায় তেমনি আপনি ও দেখি সব খারাপের পিছনে হাছিনা বা আওমীলীগের গন্ধ পান।
যাক প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত হাইপোথিসিস মার্কা সুচতুর কুৎসা একপ্রকার গুনাহর কাজ।
জেএমবির কমান্ডারের (জাবেদ ইকবাল )বক্তব্যটিতে আপনার আওয়ামী প্রলেপ দেয়ার ফলে জেএমভি সেই কমন্ডারের বক্তব্যটি হলকা হয়ে নিতে হয়।আপনার উদ্দেশ্য কি তাই?
এরশাদ ভাই, আপনার মন্তব্যর জন্য ধন্যবাদ। তবে আপনি লেখাটা আরেকবার পড়লে মনে হয় আরেকটু পরিষ্কার করে বুঝতে পারতেন।
একটা বিষয় মাথায় রাখুন.. ইসলামী আন্দোলনকারীরা কখনো নিজেদের "জঙ্গী" বলে দাবী করবে না। আর গোপন কর্মকান্ড বিনা কারণে এইভাবে কেউ আদালতে গিয়ে প্রকাশ করে না... এবং আদালতের কিছু নিয়মকানুন আছে.. সেখানে বসে সবার সামনে এভাবে হুমকি ধামকি!
আর পিলখানার ঘটনায় গোয়েন্দারা কোন জঙ্গি কানেকশন এখনো পায়নি.. পেয়েছে শুধু আওয়ামী সাংসদ আর মন্ত্রীরা। তদন্ত ছাড়াই তারা সেই কানেকশন কিভাবে পায়? আর দেশ জুড়ে সৃষ্ট অব্যহত সন্ত্রাস জেএমবির কাজ না.. এটা জেএমবি নিজের কাঁধে কেন নিচ্ছে বলে মনে করেন?
লেখাটায় আরো বহু পয়েন্ট আছে... আপনি আরেকটু ভাল করে পড়ে মন্তব্য করলে খুশি হই।
পিলখানার ঘটনা সর্ম্পকে জানতে এখানে রিপোর্ট টি পড়ুন দয়া করে আগের টি মুছে দিন ত্রিভুজ ভাই
রিপোর্টের লিংকের জন্য ধন্যবাদ তানভীর ভাই। চিন্তা করে দেখুন... জেএমবির ঐ বক্তব্যে তারা নিজেদের উপরে সব দোষ নিয়ে নিতে চাচ্ছে কেন? আবার আমাদের ক্ষমতাসীনরা কিসের ভিত্তিতে এতদিন এত জেএমবি কানেকশন আর রাজনৈতিক কানেকশনের কথা আমাদের শুনালেন?
এই ঘটনার জেএমবি কানেকশন না পাওয়ার খবর পত্রিকায় এসেছে। সেগুলো নিয়ে বিভিন্ন ফোরামে আলোচনাও হয়েছে..
নিচের লিংকটা দেখুন-
পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের তদন্তে এখনো কোনো জঙ্গি কানেকশন পাওয়া যায়নি
“আমরা চাই ইসলাম ও দেশের জন্য ক্ষতিকর এসব জেএমবি নেটওযার্কের সম্পূর্ন ধ্বংস এবং এরা যাদের স্বার্থে কাজ করে যাচ্ছে তাদের বিচার।“
সহমত।
ধন্যবাদ ত্রিভুজ ভাই সাহসী একটি পোষ্টের জন্য।
ধন্যবাদ আরিফ ভাই। আবারো বলি-
“আমরা চাই ইসলাম ও দেশের জন্য ক্ষতিকর এসব জেএমবি নেটওযার্কের সম্পূর্ন ধ্বংস এবং এরা যাদের স্বার্থে কাজ করে যাচ্ছে তাদের বিচার।
তাহলে সব কিছুর হোতা ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্বাচিত এই সরকারের কারসাজি?তাহলে আগে তাদের নির্মুল করতে হবে। তাহলে আসুন আরেকটি নিরবাচনের দাবি তুলি।
আবারো যদি তারা নিরবচিত হয় তাহলে যারা (৫৩% ) এহেন জঘন্য দলকে নিরবাচিত করে তাদের বিরুদ্বে নামে পড়ব আপনাদের মত সচেতন ব্যক্তিদের নেতৃত্ব।
চিন্তায় পড়া গেল..সবাইকে সাবধান হতে হবে..ধন্যবাদ
পড়লাম। আপনার জৈনক দলপতির আদালতে ১৫মিনিট এভাবে বক্তব্য সম্পর্কে চিন্তা ভাবনা প্রশংসনীয়। দেখুন, আমরা পূর্বে এরকম উপরের চাপে পুলিশ কর্তৃক নিরহ মানুষদের আসামি বানানো ও তাদের কাছ থেকে জোড়পূর্বক স্বীকারক্তি সাজানো নাটক বিভিন্ন ভাবে দেখেছি। তাই এখানেও তাকে দিয়ে এমন আত্মঘাতী বক্তব্য দেওয়ানো অসম্ভব নয়। তারা আছে এখনো তা অস্বীকার করি না। তবে তারা আগের মতোন শক্তিশালী যে নেই তা তাদের কর্মকান্ডের মাধ্যমে বোঝা যায়।
অন্য দিকে স্বাধীন বাংলাদেশে আওয়ামীলিগ ভারতের চাপে প্রথম থেকেই ধর্মনিরোপেক্ষতার নামে বাংলাদেশর বাষ্ট্র ধর্ম ইসলামের বিরোধিতা করে আসছে। যদিও তারা কোন দিন সফল হবে না, তবুও তারা থেমে নেই। এদিক দিয়ে চিন্তা করলে তারা নিজেদের ব্যর্থতা বা জড়িত থাকার প্রমান মুছতে সব দায় ভার জঙ্গী নামক ভূতকে দিতে প্রস্তুত।
আপনি যদি খেয়াল করেন আমাদের পিলখানা ঘটনা তবে দেখবেন সরকারের সব মহল জঙ্গী ও স্বাধীনতা বিরোধীদের ঘাড়ে চাপাচ্ছে। কারণ ওদের পক্ষে কথা বলার লোক নেই। অন্য দিকে বানিজ্য মত্রী কিছু দিন আগেও বলেছে ওনার কাছে যথেষ্ট প্রমান আছে জঙ্গী সম্পৃক্তত্তার। এখন মজার বিষয়;
১। ওনার কাছে যদি প্রমান থাকে, তবে কেন তাদের নাম প্রকাশ বা তদন্ত কমেটি কে প্রমানাদি দিয়ে সাহায্য করছে না। আজকে দেখলাম তদন্ত কমিটির আরও তিন মাসের মতো সময় লাগতে পারে।
২। সরকার জঙ্গীদের হাত থাকার কথা বললেও এ পর্যন্ত বেসামরিক ২ জন গ্রেফতারকৃতদের দেখতে পাচ্ছি আওয়ামী নেতা। এবং আজকের বিভিন্ন পত্রিকা মারফত জানলাম সরকার দলীয় দুই জন এম,পি আগেই জানতেন পিলখানা বিদ্রোহের কথা। তাহলে এথেকে প্রমানিত হয় সরকার ক্রমাগত মিথ্যা কথা বলছে জনগনের সাথে।
৩। জঙ্গী নেতা শায়খ রহমান ছিলেন মির্জা আজমের আপন ভগ্নিপতি। এতএব এখানে যে আওয়ামী কোন শক্তির ও যে হাত নেই জঙ্গী উত্থানের তা কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারে না।
তপ্তকাঞ্চন ভাই শিক্ষিত হয়ে।মির্জা আজমের ব্যাপারে যে কথাটি বললেন তা কি ভেবে দেখবেন ? জিয়া সৎ বলে কি তারেক জিয়া সৎ?আমাদের নবীজির চাচা ছিলেন আবু লাহাব তাই বলে..? ঠিক আছে আপনার আদর্শিক বিরূধ আওয়ামীলীগের তাই বলে কুৎসা রটাবেন? বলছিনা ১০০ % আজম সৎ বা জডিত নেই। যে কোন দলে কি ষড়যন্ত্রকারী থাকতে পারে। আমার কথা হচ্ছে যদি সত্যি না হয়ে থাকে তাহলে এটাতে কি আপনার কুৎসাকারী হিসাবে গোনার ভাগি হবেন না?
কোন দলের জন্য কিসের সার্থে আপনি এর দায় ভার নিবেন?তাই আমি সুচতুর লেখনি দিয়ে কাউকে প্রমান ছাড়া ব্লেইম করি না।
২। তোরাব আলী কে সরকার গ্রেফতার করেছে।সরকার যদি ওকে দিয়ে কাজ করায় তাহলে কি গ্রেফতার করত ?সরকারকে এজন্যতো প্রসংশাই প্রাপ্য।আর দলীয় ভাবে না হয়ে ও কেউ কি জডিত থাকতে পারে না, স্ব সার্থে? বাংলাদশের সব লোকই তো কোন না কোন দলের সাথে জডিত।আমার কথা ছিল দলীয় ভাবে বিএনপি বা আওয়ামীলীগ জডিত কিনা? যেহেতু এর উত্তর "না "। তাহলে ষডযন্ত্রকারী যে দলেরি হোক সরকার এর সদিচ্ছা আছে কিনা ?
জেলা উপজেলার আইনশৃ্খংলা কমিটি থেকে র্যাব বাদ কারণ হয়তো এই বেরসিক র্যাব ই তোরাব গংদের গ্রেফতার করেছে।
আমার এই যুক্তিটি যেমন খোঁড়া।তেমন আপনার ৫৩% জনগন যুক্তিটি খোঁড়া। কারন ৯৮লাখ লোক থাকে বিদেশে ৯০% বেশী পুরুষ। এবার ভোটার এর বেশির ভাগই নারী আর এর বেশির ভাগই ভোট দিতে হয় তাই ভোট দেন। যদি ভোট এর মানেই এঁরা বুঝতো তবে এবার না ভোট ০.৪৫ মিলিয়ন না হয়ে ৪.৫ মিলিয়ন হতো আশা করি কিছু উত্তর পেয়েছেন।
এই সব মিছা কথা দেশটারে জংগীরা শেষ কইরা দিলো রে. বিএনপি জামাত জংগী মদদদাতা- বানিচ্য মনতিরী পারুক কান
চমতকার নিরীক্ষাধর্মী লেখা, তবে ত্রিভুজ ভাইয়ের স্বভাবসুলভ একপেশে চিন্তাভাবনায় আচ্ছাদিত এই যা। আমার বক্তব্য হল-
১। এটা এখন মোটামুটি স্পষ্ট যে, কোন একটা কিছু আড়াল করতেই সরকার এখন জংগীদেরকে ব্যবহার করছে। ত্রিভুজ ভাইয়ের সাথে সম্পূর্ণ একমত। এটা একদম বুশ-লাদেন সমাচারের দেশী ভার্সন। হঠাত করে সর্বত্র নিরাপত্তা জোরদার, বানিজ্য মন্ত্রীর শিশুসুলভ ভিত্তিহীন অবান্তর কথন, তদন্ত রিপোর্ট পেশ নিয়ে গরিমশি- এসব কিছুই এই আয়োজনের অংশ বলে মনে হচ্ছে। তবে জাভেদ ইকবালের আদালতের ভাষ্য সম্পর্কে বলতে পারছি না, এ ব্যপারে আপনার এনালাইসিসে যথেষ্ট চিন্তার খোরাক আছে।
২। বাংলাদেশে জংগীবাদের উত্থান অনেক আগে থেকে হলেও, বিএনপি-জামাতের প্রতক্ষ মদদই এদেশে জংগীবাদের ভয়াবহ রূপ ধারণের একমাত্র কারণ। আশা করি, ত্রিভুজ ভাই সে সময়ের পত্র পত্রিকা গুলো ওয়েভ আর্কাইভ ঘেটে আবারও পড়ে নিবেন। ততকালীন কতিপয় মন্ত্রী ও স্থানীয় প্রশাসনের ভুমিকা থেকেই সরকারের এ ব্যপারে ভূমিকা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়। তবে পরে পরিস্থিতি বেশি মাত্রায় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় জোট সরকার পরবর্তীতে বাধ্য হয়েই তাদের নিজের তৈরি এই ফ্রাঙ্কেনস্টাইনকে দমন করতে ততপর হয়।
৩। পিলখানার ঘটনায় আওয়ামী লীগের কোন একটা অংশ সংশ্লিষ্ট থাকলেও, সরকার সরাসরি এ ঘটনায় প্রতক্ষভাবে জড়িত এটা ভাবাটা মনে হয় ঠিক হবে না। কারণ এই ঘটনার ওয়ার্স্ট কেইস সিনারিওতে সামরিক বাহিনীর ক্যু হলে, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হত আওয়ামী লীগ সরকার। নিরংকুশ বিজয়ের এক মাসের মাথায় এরকম কাজ সরকার করবে এটাতে যুক্তি খুঁজে পাওয়াটা খুব কঠিন। ধন্যবাদ শেখ হাসিনা এবং সেনা বাহিনীকে ঠান্ডা মাথায়, সবচে কম ক্ষতিতে, বিনা যুদ্ধে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার জন্য।
৪। একটা মন্তব্য খুব ভাল লাগল। ভারত থেকে বাংলাদেশে জংগীদের জন্য বিষ্ফোরক ঠিক সেভাবেই এসেছে, যেভাবে বাংলাদেশের বিগত জোট সরকার ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রতক্ষ তত্ত্বাবধানে উলফার জন্য দশ ট্রাক (আর কত ট্রাক পার পেয়ে গেছে কে জানে) অস্ত্র এসেছে। কেউ কারও ভাল চায় না- এই হল সমস্যা।
৫। বিডিআর ঘটনাকে কোন এক অজানা কারণে একপাশে সরিয়ে রেখে, দশ ট্রাক-দশ ট্রাক বলে এতদিন চেচামেচী করার পর প্রথম আলো আজকের রিপোর্ট দেখে একটু সস্তি পেলাম। প্রথম আলো বা ডেইলি স্টার ছাড়া অন্য পত্রিকাগুলোকে বিশ্বাস করতে মন সায় দেয় না। তবে প্রথম আলোর রিপোর্টটা পড়ে একটু মর্মাহত হয়েছি। সেখানে বলা হল, বিডিআর ৫নং গেইটের কাছে এক বাসায় আগের দিন মিটিং হয়েছে। কিন্তু কার বাসায় মিটিং হয়েছিল এটা দেশের সবাই জানলেও প্রথম আলো বেমালুম চেপে গেল, সরকার দলীয় দুই সাংসদ যারা আগে থেকেই ঘটনার আভাস পেয়েছিলেন তাদের নামও উল্লেখ করা হল না।
"তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুই বছরের শাসনামলে জেএমবি নেটওয়ার্ক যেন অনেকটা হাওয়ায় মিলিয়ে গেল। তারপর হঠাৎ করে ঠিক নির্বাচনের কয়েকদিন আগেই জেএমবি ঘোষণা করলো শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে হবে। কেন? জেএমবির নেতাদেরকে তো ফাঁসি দিয়েছিলো জোট সরকার। তারা প্রতিশোধ নিতে চাইলে বিএনপি-জামাত জোটের নেতাদের হত্যার হুমকি দিতে পারে.. তা না করে শেখ হাসিনাকে কেন? তাও আবার ঠিক নির্বাচন মূহুর্তে কেন? মনে পড়ে যায় বুশের বিন-লাদেন জুজুর কথা। বুশ প্রসাশন কোন কুকর্ম করার আগে বা নির্বাচনের আগে আগেই কোত্থেকে বিন লাদেন আবির্ভাব হয়ে একটা ভাষণ মেরে দিতো। মূর্খ বাঙালীর সামনে আমরা সেই পুরানো ট্রিকস আবার নতুন বোতলে দেখলাম মনে হচ্ছে।"
ছিঃ
ঘেন্না লাগছে এই দেশের মুর্খ মানুষ গুলার প্রতি
যারা এই সব অযোগ্য লোককে সংসদে পাঠিয়েছে (অনুভুতি প্রকাশ করতে পারছি না )
দেশের মানুষকে মুর্খ বলার কোন মানে নাই। এ বছর ০.৪৫ মিলিয়ন না ভোট পরেছে। সামনে আর ও বেশী হবে। আমি এইটা বুঝলাম না.... না ভোট দেতে মানুষ ্যখন রেডি কোথা থেকে একটা কথা আসল ভোট নষট করার মানে নাই। আশা করি সামনে আমরা সবাই এদের পরত্যাখ্যান করব।