ঈদ এলো ঈদ গেলো
সময় ১০:৩৪:৫৪
ঈদ এলো আবার চলেও গেলো।মাঝখানে রেখে গেল বাড়ী ফেরার সেই দুঃসহ যন্ত্রনাময় স্মৃতি,কিছু আনন্দ কিছু আমেজ আর ফ্রিজ ভর্তি গরু খাসির মাংস।
সবাইকে জানাই ঈদোত্তর ...
ঈদ এলো আবার চলেও গেলো।মাঝখানে রেখে গেল বাড়ী ফেরার সেই দুঃসহ যন্ত্রনাময় স্মৃতি,কিছু আনন্দ কিছু আমেজ আর ফ্রিজ ভর্তি গরু খাসির মাংস।
সবাইকে জানাই ঈদোত্তর ...
আজ জাতীয় টিকা দিবস।পাঁচ বছরের নীচের সকল শিশুকেই টিকা দিতে হবে।আপনার নিজের বা আপনার পরিবারে যদি পাঁচ বছরের নীচে কোন শিশু থাকে টিকা দেওয়ার ব্যবস্হা করুন। শিশুর সুস্হতার জন্যই টিকা দেয়া প্রয়োজন।
ভূলে যাবেননা ...
প্রথম আলো পত্রিকায় সপ্তাহে একটি পাতা নির্ধারিত থাকে বন্ধু সভার জন্য।সেখানে বন্ধু সভার লেখকদের লেখা প্রকাশিত হয়।এর ফলে অনেক নবীন এবং অপেশাদার লেখক সেখানে তাদের ভাবনা গুলো লিপিবদ্ধ করতে উৎসাহিত হন।
মনে হয়,প্রথম আলো ব্লগে যে সকল পোস্ট প্রকাশ হয় সেগুলো নিয়ে প্রতি সপ্তাহে ব্লগ সভা বা অন্য কোন নামে একটি সংকলিত পাতা প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত হলে ভালো হতো।প্রথম আলো ব্লগের অনেক পোস্টই বেশ উন্নত মানের ও চিত্ত হর্ষক।এটি হলে প্রথম আলোর পাঠকরাও ভাল কিছু লেখা উপহার পেতেন।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ভেবে দেখবেন ...
সকাল থেকে বেশ কয়েকবার চেষ্টা করলাম সামহোয়ারইনে ঢোকার জন্য।কিন্ত্ত ব্যর্থ হলাম।এর মধ্যে একবার যা প্রবেশ করতে পারলাম কিন্তু এক পেইজ থেকে অন্য পেইজে যেতে পারিনি।
সবচাইতে আশ্চর্য লাগলো যখন দেখলাম সদস্য লগইন করেছেন মাত্র ৭ জন আর ভিজিটর ৫ বা ৬ জন।প্রথমে ভেবেছিলাম সমস্যাটা আমার পিসিতেই হচ্ছে শুধু।কিন্তু পরে মনে হলো সমস্যাটা সামহোয়ারেরই।
কি কারনে সামহোয়ারে এ রকম হচ্ছে কি জানেন ...
আজকের প্রথম আলোর বিনোদন পাতায় একটি লেখা ছাপা হয়েছে " এক রাতের ভাড়া ১৮ লাখ ডলার" শিরোনামে।সেখানে বলা হয়েছে দুবাইয়ের বহুল আলোচিত আটলান্টিস পাম জুমেরিয়াহ এর সেরা কক্ষটির ভাড়া নাকি প্রতি রাতের জন্য ১৮ লাখ ডলার।
অপর দিকে ইন্ডিয়ার একটি নিউজ লিংকে দেখলাম এ কক্ষটির ভাড়া একরাতের জন্য ১৮ লাখ রুপী।
এখন প্রশ্ন হলো প্রথম আলোর মত স্বনাম ধন্য একটি পত্রিকায় কি ভাবে এরকম একটি ভূল তথ্য ছাপা হলো? রুপীর স্হলে ডলার উল্লেখ করাতে তো মূল্যের বিরাট হেরফের হয়ে যায়।
আমরা কোন তথ্যটি সঠিক হিসেবে মেনে নেব।প্রথম আলোর তথ্যটা না ইন্ডিয়ার নিউজ লিংকের ...
আমাদের চারপাশে শুধু সিন্ডিকেটের ছড়াছড়ি।বিশ্বে যখন দ্রব্যমূল্যের দাম কমছে সেখানে আমাদের দেশে দ্রব্যমূল্য বাড়ছে।কারন নাকি এই সিন্ডিকেট।পেয়াজ,রসূন,আদা ,ভোজ্য তেল সহ অনেক জিনিসের দামই বাড়তির দিকে।আবার আটার ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে,মিলে বিক্রি হচ্ছে যে দামে খুচরা বিক্রয় হচ্ছে তার চেয়ে অনেক বেশী দামে।কারন হিসেবে মিডিয়াতে বলা হচ্ছে সিন্ডিকেটের কথা।এই সিন্ডিকেটের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার কোন উপায় কি নেই?
হায়রে সিন্ডিকেটেই খালি করল আমাদের ...
সরকার বেশ কয়েকদিন হলো তেলের মূল্য কমিয়েছে।কিন্তু এর কোন প্রভাব পড়েনি এদেশের পরিবহন সেক্টরে।আন্তঃ জেলা বাস সার্ভিস সহ কোন রুটেই বাস ভাড়া কমায়নি সংশ্লিষ্টরা।সত্যিই একটি বিচিত্র দেশে বাস করছি আমরা।এদেশে তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষনার আগেই বাস ভাড়া বেড়ে যায়,আবার তেলের দাম কমানোর ঘোষনার অনেক পরেও বাস ভাড়া কমেনা।
মাঝে মাঝে পরিস্হিতি দেখে মনে হয়, সাধারন মানুষকে দুর্দশার মধ্যে নিপতিত করার জন্য এদেশে সবাই বেশ সিদ্ধ হস্ত।তেলের দামের সাথে মিল রেখে বাস ভাড়া কমানোর বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ গুরুত্ব সহকারে দেখলে হয়ত এরকম পরিস্হিতি সৃষ্টি হত ...
ঘটনাটা আজকের।আর ঘটনার শিকার আমি নিজেই।গত কয়েকদিন ধরে জ্বরে ভুগছি।ভেবেছিলাম সেরে যাবে কিন্তু না সারায় গতকাল গেলাম একটি প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজে।মূলতঃ বাসার কাছে হওয়াতে সেখানে যাওয়া।ডাক্তারের চেম্বারে প্রবেশের কিছুক্ষনের মধ্যে রোগের অল্প একটু বনর্না শুনেই টেষ্ট দিয়ে দিলেন ডাক্তার। বাবার পরামর্শে টেষ্ট করালাম অন্য একটি ডায়নোষ্টিক সেন্টারে।টেষ্ট রিপোর্ট নিয়ে আজ যেই প্রাইভেট মেডিক্যালের সেই ডাক্তারের কাছে গেলাম দেখাতে অমনি বাধল গোল।যখনই তিনি দেখলেন টেষ্ট করিয়েছি অন্যখানে অমনি সেই টেষ্ট পর্যবেক্ষন করতে তিনি অস্বীকৃতি জানালেন।বললেন এখানে টেষ্ট না করিয়ে অন্যত্র টেষ্ট করার কারনে তিনি আমাকে কোন ব্যবস্হা পত্র দিতে পারবেন না।যদি আমাকে ব্যবস্হা পত্র দেন তাহলে নাকি তার চাকরী থাকবে না।এও বললেন যেখানে টেষ্ট করিয়েছি সেখানকার ডাক্তার দেখাতে।অগ্রিম ফিস দিয়ে ডাক্তারের চেম্বারের প্রবেশ করেছিলাম ফলশ্রুতিতে সে ফিসের টাকাটাও গচ্ছা গেল আবার অন্যদিকে কোনরকম চিকিৎসা পরামর্শ ছাড়াই ফেরত আসলাম সেখান থেকে।
আমার প্রশ্ন হলো এদেশে চিকিৎসা কেন্দ্র গুলো কি রোগীদের নিয়ে চর দখলের ...
গত দু তিন দিন ধরেই সারাদেশে বাশ গাছের পানি পান করা নিয়ে সাধারন মানুষের মধ্যে চলছে প্রচন্ড তৎপরতা।কোন পীর সাহেব নাকি স্বপ্ন দেখে সবাইকে মনোকামনা পূর্ন করার জন্য বাশ গাছের পানি পান করতে বলেন।তা একজন থেকে আরেকজন হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে সারাদেশে।অনেক লোক এখন রাতের বেলায় ব্যস্ত থাকে বাশ ঝাড় থেকে পানি সংগ্রহে।তবে দিনের বেলায় পানি পাওয়া যায় না।
বস্ত্ততঃপক্ষে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা দরকার।আর বাশ গাছ থেকে পানি বের হওয়ার কোন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা থাকলে তা খুজে বের করা উচিত। অতীতেও এই রকম অনেক গুজব ছড়িয়েছে পরে যে গুলো অসার প্রমানিত ...
Phonetic
Probhat
Inscript
Unijoy
Bijoy
English
Virtual