এই নির্বাচনে বিজয়ী এবং পরাজিতদের প্রতি একটি ব্লগীয় আহবান।
আর মাঝখানে মাত্র একটি দিন তারপরেই বহুল আলোচিত এবং প্রতীক্ষিত নির্বাচন।মনটা দুরু দুরু করছে নির্বাচন পরবর্তী পরিস্হিতির কথা ভেবে।অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে যেটা দেখা যায় তাহলো নির্বাচনে পরজিত দলের উপর বিজয়ী দলের আক্রমন এবং নানা রকম নির্যাতন।এবারেও সেরকম কিছু ঘটবে কিনা কে জানে?কামনা করছি সেরকম ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না হয়।
অতীতের প্রত্যেক নির্বাচনের সময়ই দেখা গেছে রাজনৈতিক দল গুলো মানুষকে নানারকম আশ্বাসের বানী শোনায় কিন্তু পরবর্তীতে সেটা ভুলে যায়।আমরা এটিরও পুনরাবৃত্তি হোক তা চাই না।আমরা চাই বিজয়ী দল জনগনকে দেয়া আশ্বাসের অন্ততঃ শতকরা ৮০ ভাগ পূরন করবে।
দেশের মানুষের এই মূহুর্ত্যে সবচাইতে বেশী প্রয়োজন অর্থনৈতিক অবস্হার উন্নয়ন।এই বিষয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করার পাশাপাশি প্রয়োজন হরতল ত্যাগ করার।আমরা চাই হরতাল নামক ক্ষতিকর বিষয়টি এদেশ থেকে বিদায় নেবে।
বিজয়ী দলের প্রতি আমাদের আশা তাদের অবস্হান হবে সন্ত্রাস আর দুর্নীতির বিপরীতে।আর যারা পরাজিত হবে বা বিরোধীদলে থাকবে তাদের কার্যকলাপ হবে গঠনমূলক।
আসুন সবাই মিলে আমাদের স্বাধীনতকে সার্থক করি।শান্তিই হোক আমাদের আরাধ্য।

Phonetic
শান্তি চাই।
শান্তিটা আসলে সকলেরই কাম্য।কিন্তু সেটা কি নির্বাচনের পর থাকবে?এটাই প্রশ্ন।
একমত প্রকাশ করছি।
ধন্যবাদ একমত পোষনের জন্য।আসলে সবাই চায় শান্তি আর উন্নতি।
আমি হরতাল নিষিদ্ধ করার বিপক্ষে। তবে হরতাল যেন চাপিয়ে দেওয়া না হয় সেই দিকটা খেয়াল রাখতে হবে।হরতালকে অবশ্যই রেস্পন্সিভ হতে হবে।চাপিয়ে দেওয়া হলে চলবে না।
সামনের ৫ বছরেই ঠিক হয়ে যাবে আসলে কোন দিনই এই দেশটা কে আমরা ঠিক করতে পারব কি না ? কারন সব কথা এবং কাজই করা শেষ।
যাহা লাউ তাহাই কদু

কারণ "আমাদের ২ জোট এর নেত্রীবৃন্দ
লজ্জানিরোধক পানি পান করেছে"
ওদের তো লজ্জানাই
কিন্তু আমরা বাংগালী হুজুগে আর কতদিন থাকবো?
ভাবলে হাসি পায় আমাদের পকেটের টাকা দিয়ে ওরা আজ এস,এস,এফ নিয়ে চলে।
আর আমরা বোকা জাতি! ওদের নামে স্লোগান দেই।
২ জোট ই রাজাকারের বন্ধু
বিশ্বাস না হলে দেখে আসুন ছবিটা নিচের লিঙ্কে
http://prothom-aloblog.com/users/base/tanbirtareq/11
গণতন্ত্রে বিরোধী দলের বিরাট ভূমিকা আছে। বিরোধী দলকে বলা হয়, ছায়া সরকার (Shadow Government).