life is elsewhere

জানুয়ারি
১৭

এক তরুন কবির কবিতা: আল ইমরান সিদ্দিকী

সময় ১১:৪১:৫১

কবিতা


তার কবিতাগুলো পড়ার পর আমার মনে হয়, তার সম্পর্কে পাঠকের মোটামুটি একটা ধারণা তৈরী হবে। কবির জন্য সেটাই দরকার; কারো দেয়া ভূমিকা নয়। আর তাই পাঠকের জন্য তার কিছূ কবিতা তোলা থাকলো, এখানে। পাঠক, পড়ে আপনার মন্তব্য জানাতে পারেন:

১.
হালকা সন্ধ্যায় আমি তার ভারী চোখ দেখতে পেলাম

বললাম, 'তোমার মুখেও একদিন গোধুলি নামবে,
লাল টিপ ডুবে যাবে।
তারপর...
তারপর তাকিয়ে দেখি এক্যুরিয়ামের জলে ভেসে থাকা
সাদা বিকিনির তলে ঘোরাফেরা করছে রঙ্গীন মাছের দঙ্গল

সে বললো, 'জীবনে এমন সন্ধ্যা খুব একটা আসেনা, তাই না?'

২.
কালো পাগড়ী খুলে মাপছি তার দৈ্র্ঘ্য-প্রস্হ।কালো পাগড়ীর ভেতর প্লেগের জীবাণু, গোলকিপারের বিষন্নতা,ডান হাতে ধরা একটি পেয়ালাকে ঘিরে গ্রিকদের অহেতুক উল্লাসধ্বনি; এমনকি নষ্ট সিঁদুর সিঁথি,-নারীদের অবিরল পোট্রেট।কতকিছুর পরও সারাদিন উলেন সূ্র্য ছেটায় তার ওম কিংবা ওম্ধ্বনি।আজকের মতো সন্ধ্যা নামছে।অস্তপারে ঝুলে আছে বৃত্তাকারে এতিমখানার লাল দানবাক্স

৩.
যখনি আমি পাখিদের উড়োযাত্রা দেখি ,মনে পড়ে, একসময় পালকে লেখা হতো অজস্র গল্প-কবিতা এবং বুঝি লাল রক্তে গাঁথা পাখির প্রতিটি ...

  • ১১টি মন্তব্য

ডিসেম্বর
২০

এক তরূনের কবিতা: রিয়াদ চৌধুরী

সময় ২১:৪৩:০০

কবিতা


কবিতা লেখার জন্য যে প্রাথমিক প্রস্তুতির প্রয়োজন পড়ে--তা তার আছে। আছে নিজের কবিতা দীর্ঘকাল না কোথাও না ছাপতে দিয়ে একমনে লিখে যাওয়ার কঠিন দৃঢ়তা। এমন সাধনায় যে গাছ বেড়ে উঠতে চায়, তাকে অবশ্যই উৎসাহ দিতে হয়; একাই বেড়ে ওঠার স্বপ্ন দেখাতে হয়। কিন্তু রিয়াদের ক্ষেত্রে দেখলাম, অন্যে তাকে উৎসাহ না দিলে চলে, স্বপ্ন না দেখালেও চলে। নিজের লক্ষে এতটাই অবিচল সে। এখনকার তরুনরা যখন তিন/চারটি কবিতা লেখার পর পত্রিকার সম্পাদকের দুয়ারে হুমড়ি খেয়ে পড়ে, গত পাঁচ/ছয় বছর একটানা লিখে যাওয়ার পরও তার একটি কবিতা সে কোথাও প্রকাশ করেনি। এমন কবিকে সাধুবাদ ছাড়া আর কীই বা দেয়া যায়।

রিয়াদের কিছু কবিতা পাঠকের জন্য থাকলো; ভালো লাগা, মন্দলাগা, ভুলত্রুটি সবাই খোলামনে জানাবেন, আশাকরি।


গাছ

গর্ভ থেকে ঝরে

মানব শিশু যদি

এই উঠোনে তবে

এ উঠোনেই উঠে

মৃত্যু-গাছ এক

যার পাতার রঙ

ঐ শিশুর মত।


প্রতিধ্বনি

যখন প্রান্তর জুড়ে, বরফ শুধু বরফ গলে
নিয়তির আবর্তন কেন্দ্রহীন বৃত্তের মতন
সূর্য থেকে ছুটে এসে মেঘকে বানায়
পৃথিবীর স্থির কেন্দ্রবিন্দু;
বৃষ্টি হয়, বৃষ্টি পড়ে, যখনও ...

  • ১২টি মন্তব্য

নভেম্বর
১১

উমবার্তো একো: অসৌন্দর্য কী?

সময় ১০:৫৫:৫৭

অনুবাদ থেকে

প্রতিটি শতাব্দীতেই শিল্পী ও দার্শনিকেরা সৌন্দর্যের নানারকম সংজ্ঞা দিয়েছেন। সেই কাজের জন্য তারা ধন্যবাদার্হ যে, এর ফলে সৌন্দর্যের ইতিহাস পর্যায়ক্রমিকভাবে সুগঠিত হয়েছে। কিন্তু অসুন্দর’-এর নিয়ে তাদের তেমন কিছু বলতে দেখা যায়নি। অধিকাংশক্ষেত্রে, অসুন্দরকে সুন্দরের বিপরীত বলেই ভেবে নিয়েছেন তারা। একারণেই অসুন্দর বিষয়ে ক্ষীণাংঙ্গী আকারেরও কোনো গবেষণা পাওয়া যাবে না।

অসৌন্দর্যের যে ইতিহাস, তার সাথে সৌন্দর্যের ইতিহাসের বেশ কিছু চরিত্রগত মিল আছে। প্রথমত, আমরা ধরে নিতে পারি যে, জনমানুষের যে রূচি, তার সাথে ঐ সময়কালের শিল্পীরূচির কিছু সাদৃশ্য আছে। পৃথিবীর বাইরে থেকে কোনো ব্যাক্তি যদি সমসাময়িক আর্ট গ্যাল্যারীগুলো ঘুরে দেখতে এসে প্রথমেই মুখোমুখি হন পিকাসোর আঁকা কোনো নারী-মুখের এবং তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা দর্শকেরা যদি সেটাকেই প্রশংসা করেন সুন্দর বলে, তবে পিকাসোর আকা নারীদের মতোই হবে পৃথিবীর সুন্দরী নারীরা- এমন একটি বিভ্রম তার মনে গেথে যাবে। কিন্তু তিনি যদি অন্য কোনো ফ্যাশন শো-তো কিংবা মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগীতা দেখে থাকেন, তাহলে তার মনে জায়গা করে নেয়া সৌন্দর্যের সংজ্ঞাটি ...

  • ৮টি মন্তব্য

নভেম্বর
০৯

সাক্ষাৎকার:উমবার্তো একো

সময় ১৩:৩১:৫০

সাক্ষাৎকার


[উমবার্তো একো একাধারে অধ্যাপক, ঔপন্যাসিক এবং ভাষাবিজ্ঞানী। অন লিটারেচার, ফুকো-স পেন্ডুলাম, দ্য নেম অফ দ্য রোজ তার বিশ্বখ্যাত গ্রন্থগুলোর অন্যতম। কিছুদিন আগে নিউইয়র্ক টাইমসের ম্যাগাজিনে তিনি একটি সাক্ষাৎকার দেন। তার এই সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন ডেবরাহ সলমন। ২৫ ডিসেম্বর ২০০৭ এ এই সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়। ]


যদিও আপনার সবচেয়ে বড় পরিচিতি “দ্য নেম অফ দ্য রোজ” উপন্যাসের জন্য তারপরও আমরা জানি, আপনার করা রাজনীতি বিষয়ক মন্তব্যগুলোও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। রাজনীতি বিষয়ক লেখাগুলো নিয়ে আপনার বই “টার্নিং ব্যাক দ্য ক্লক” এ আপনি পাঠকদের ‘মিডিয়া পপুলিজম’ বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলেছেন। আপনি আমাদের বলবেন, এই ‘মিডিয়া পপুলিজম’ জিনিসটা কী?

মিডিয়া পপুলিজম হলো শুধু মিডিয়ার কল্যানে কোন একজন মানুষের অস্বাভাবিক দ্রুততায় জনমানুষের কাছে পৌছে যাওয়া। একজন রাজনীতিবিদ, যিনি মিডিয়াকে কুক্ষিগত করে রেখেছেন তিনি অতি সহজেই সাধারণ মানুষের কাছে পৌছে যেতে পারেন। এমনকি, তিনি পার্লামেন্টকে এড়িয়ে গিয়ে বা অগ্রাহ্য করে অর্থাৎ মানুষের জন্য কোন কাজ না করে ও সরাসরি জনমানুষের কাছে পৌছে যেতে পারেন।

নভেম্বর
০৭

এস এম এস দিয়ে গানের বিচার হয় কীভাবে?

সময় ২১:৩৮:৩৪

প্রতিদিন একটি রূমাল

রিয়ালিটি শো নামে একধরনের শো এখন মিডিয়ায় খুব জনপ্রিয়। এই রিয়ালিটি শো-র একটা হল গানের প্রতিযোগীতা। কিছু প্রতিযোগী বেছে আনা হয়, ১৮ থেকে ২০ টি সিরিয়ালে (সাধারণত) এদেরকে ভোটের (এসএমএস এর) মাধ্যমে করে তোলা হয় 'সেরা কণ্ঠ' কিংবা সেরা গায়ক। বিরাট একটা পুরষ্কারও দেয়া হয় তাদের, দশ লাখ থেকে যার মূল্যমান কোথাও কোথাও এক কোটি টাকা পযর্ন্ত।

এখন প্রশ্ন হলো, গানের যে প্রতিযোগীতাগুলো হয়, তাতে কী করে এটা সম্ভব, একজন তরুন বা তরুনী ১৮/২০ সপ্তাহের মধ্যে প্লেব্যাক গাওয়ার মতো বা রেকর্ডিং স্টুডিওতে গিয়ে গান গাওয়ার মতো যোগ্য হয়ে ওঠেন? আজ পর্যন্ত যত বিখ্যাত গায়কের কথা শুনেছি, যাদের গান আমরা পয়সা খরচ করে কিনে শুনি, তাদের কারোর এমন সাড়ে চার বা পাঁচ মাসে সম্পূর্ন গায়ক তো দূরের কথা আধা-গায়ক হয়ে ওঠারও কোনো রেকর্ড নেই। এদের একেকজনের সাধনা দশকের পর দশক।

আরেকটা ব্যাপার, গায়কদের মধ্যে কেউ বেশি এসএমএস পেলে সেই যে বড় গায়ক, তা কী করে নিশ্চিত হওয়া যাবে? গানের সাথে এসএমএসের সম্পর্কটা কী? সম্পর্কটা কি এরকম, যে গায়ক সবচেয়ে বেশি এসএমএস পেয়ে ঐ চ্যানেল বা ফোন কোম্পানীগুলোকে লাভবান করতে পারেন, ...

নভেম্বর
০৬

উনারা দেশে ফেরেন আর যন্ত্রনা পোহাতে হয় আমাদের।

সময় ১১:৫৫:০৯

টায়ারতন্ত্র

দেশে ফিরবেন ভালো কথা, কিন্তু ঢাকা শহরের রাস্তা জুড়ে ১০ লাখ মানুষ জোগাড় করে তার মাঝ দিয়ে হাততালি পেতে পেতে ঘরে ফেরার ব্যবস্থা করার কী দরকার। এসবে সম্মতি দেবারইবা কী দরকার। এসব দেখলে আমি খুব সাধারণ একটা প্রশ্নের মুখামুখি হই: আমাদের শীর্ষ নেত্রীরা কী জানেন না, কী করে এই মানুষগুলোকে জোগাড় করা হয়? রাজনীতি করে, এমন একটা বাচ্চা ছেলেও জানে একটা মিছিলে গেলে পঞ্চাশ/ষাট টাকা পাওয়া যায়। অথচ আমাদের নেতানেত্রীরা সেটা জানেন না- এটাই কী বিশ্বাস করতে হবে! আর জেনে থাকলে এই ভাড়া করা মানুষদের সম্বর্ধনা উনারা গ্রহন করেন কীভাবে?

এত বড় নেতা, অথচ আরো কিছু দিক নির্বিকার উনাদের ভুলে যেতে দেখি। শুধু একটি দিকই আজ বলি: এয়ারপোর্ট থেকে সুধাসদন পর্যন্ত যে বিশাল পথ, তাতে ১০ লাখ মানুষ যদি শুধু রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকেন(মিছিল,মিটিং বাদই দিলাম) তাহলে কী পরিমাণ যানজট তৈরী হতে পারে, জীবনযাত্রা, এমনকী পায়ে হেটে চলাচল কতটা থমকে যেতে পারে--এই ধারনাটাওকি নেই? উনারা কি হাওয়ার মধ্যে থেকে রাজনীতি করেন?

আসলে তারা সবই জানেন এবং দীর্ঘ সময় ধরে যে রাজৈনতিক মোসাহেবতন্ত্র তৈরী করেছেন,
তাতো যে কোনও মূল্যে বহাল ...

  • ১৮টি মন্তব্য

নভেম্বর
০৫

রাইসু ভাইয়ের দেয়া পোস্টগুলিতে 'প্রথম আলো' বিদ্বেষ এত প্রবল কেন?

সময় ১৩:১৩:১৮

ব্যক্তিত্ব যত সব ভন্ডামি

আমার মনে হয়, এই ব্যাপারে পাঠকদের একটা সমাধানে আসা উচিৎ। উনি বাংলাদেশের আর কিছুর মধ্যেই কোনো ম্যানিপুলেশন, ভড়ং দেখেন না; যতটা দেখেন প্রথম আলোর মধ্যে। এখন প্রথম আলোর মধ্যে সেই ভন্ডামি আছে কি নাই, সেটা এই পোস্টের জিজ্ঞাস্য না। জিজ্ঞাস্য, রাইসু ভাই প্রথম আলো ছাড়া কি আর কোনো মিডিয়ার কোনো খুঁজে পান না? নাকি পেলেও সেটাকে নজরে আনতে চান না/আনেন না। এই ব্যাপারগুলো পরিষ্কার হওয়া উচিৎ।

তিনি যখন প্রথম আলোয় ছিলেন, তখন এসব বলেননি কেন? চাকরির ভয় ছিল? এখন যদি প্রথম আলোয় থাকতেন, তিনিও তো 'বদলে যাওয়া'র ব্যাপার লেজিটিমেটই করতেন(কারণ, যখন প্রথম আলোতে ছিলেন, তখনতো নিশ্চুপই ছিলেন)। একটা জায়গায় চাকরি করার সময় চুপ করে থাকবেন আর ছেড়ে দিলে, পরে ফিরে আসতে চাইলে, সর্বোপরি তখন আবার ঐ প্রতিষ্ঠানে ঢুকতে ব্যর্থ হলে ২৪ ঘন্টা সেটার বিরুদ্ধে নিয়ে নানা কথা বলবেন, এটা খুবই অনৈতিক।

তাঁর এই অবস্থানটা পাঠক হিশেবে আমাদের সবার কাছে পরিষ্কার হওয়া ...

নভেম্বর
০১

হজ ফ্লাইট 'উদ্বোধন' করার কী আছে অথবা একটা 'উদ্বোধন মন্ত্রনালয়' খুললে কেমন হয়?

সময় ১৩:৪৩:১৫

যত সব ভন্ডামি

হজ করতে যাবেন হাজীরা, টাকা পয়সাও তাদেরই। সরকার যে প্লেন ভাড়া করে বা সরবরাহ করে, তাতে সে লস ও দেয় না। সৌদিতে গিয়ে হাজীরা পয়সা দিয়েই ভাড়া থাকেন। সব খরচই তাঁদের।

তাহলে দাঁড়ালো, হাজীরাই যেখানে নিজেদের জন্য সবকিছু করলেন, সেখানে হজ ফ্লাইট উদ্বোধনের কী আছে। পয়সা দিচ্ছেন, যাচ্ছেন। রাষ্ট্রতো এমন কিছু করেনি যে, রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা লাগবে।

শুধু হজ ফ্লাইটই না, এমন অনেক উদাহরন আছে।

কিন্তু দেখলাম, প্রধান উপদেষ্টাকে যেতে হলো উদ্বোধন করতে। উনি সেখানে গেলে আর কারা কারা সেখানে যাবে, সেটা তো বোঝাই যায়। এইযে এতগুলো গুরুত্বপূর্ন লোকের উদ্বোধনের জন্য গিয়ে এত অফিস সময় নষ্ট হচ্ছে, আমার প্রশ্ন, উনাদের কি অফিসে কোন কাজ নাই? নাকি উদ্বোধনই একটা কাজ?

যদি অন্যান্য গুরুত্বপূর্ন কাজ ফেলে উদ্বোধনই একটা কাজ হয়ে থাকে, তাহলে একটা উদ্বোধন মন্ত্রনালয় খুললে কেমন হয়? ঐ মন্ত্রীর আর কোনো কাজ থাকবে না, উদ্বোন করা ছাড়া!

  • ১১টি মন্তব্য

অক্টোবর
৩১

ভাষ্কর্য নিয়া আজ আমি প্রথম ভাবলাম।

সময় ২২:৪৫:০৫

সময়,সমাজ

ভাষ্কর্য নিয়া আজ আমি প্রথম ভাবলাম। মানে, ঐ যে ভাষ্কর্য , যেটা মোল্লারা ভাঙ্গলেন, ঐটা আর কি। এতদিন ভাবনা আইল না তার কিছূ কারণও লিষ্টি করলাম:

১.যেই দেশে ইসলামিস্টরা এত শক্তিশালী যে, উনাগো সমর্থন নিয়া সরকার গঠন করতে হয়- সেই দেশে ভাষ্কর্যগুলা যে এতদিন পর্যন্ত টিক্কা আছে, সেটাই বড় কথা।

২.এই ভাষ্কর্য যারা বানাইলেন, তারা কী এমন ভাষ্কর্য বানাইলেন যে, ১৫/২০ মিনিটের মধ্যে এটা ভাঙ্গা সম্ভব হইলো। টেকনিক্যালি তো এটা সম্ভব না। তাইলে কি ঐটা ভাঙ্গার জন্যই বানানো হইছিলো? (এটা কিন্তু 'সচেতন শিল্পী সমাজ' ওয়ালারা বলতেছেন। )

৩.আমরা একটা অনির্বাচিত সরকারের অধীনে আছি। উনারা যেমন ইচ্ছা থাকলেও হাসিনা-খালেদারে আটকাইয়া রাখতে পারেন না,তেমনি মোল্লাগোরেও আটকাইতে পারেন না। সেই ইচ্ছাও নাই।

এখন কী করতে হইবো :

১.প্রতিস্থাপন বা আবার বানানোর দরকারটা কি? বরং সারাদেশের মূর্তিগুলা ভাঙ্গলেই তো ভালো হয়। এই দেশে থাকবো খালি মজ্জিদ আর মাদরাসা।

২.ব্লাসফেমী অ্যাক্ট করা উচিত। আমরা যারা মোল্লাগোরে মোল্লা কই, তাগোরে ফাসি দেওনের লিগা। মোল্লা কমু আর ফাসি খামু।

৩.ব্লাসফেমি ...

  • ৯টি মন্তব্য

অক্টোবর
৩০

'না' বলার সময় কি এখনই, নাকি আরো কিছুদিন দেখবো?

সময় ১২:৪০:১৬

সাধের ব্লগ

একটা বড় প্ল্যাটফর্মে লিখতে কে না চায়। কিন্তু সেখানে লিখতে গেলে কাউকে তো দাসখত দেয়া যাবে না। তারপরো ব্রান্ড নিয়ে কথা বলবো না,কারো মনে আঘাত লাগতে পারে , তাই বলা যাবে না--এমন অনেক বিধিনিষেধ মেনেই তো আমরা হতভাগারা এই ব্লগে লিখতে এলাম।

আচ্ছা, আমি একটা জিনিস বুঝি না। ধরেন দশজন ব্লগার একটা ব্র্যান্ডের বিরুদ্ধে একটা পোস্টে কথা বলছে। তাহলে কি আমরা ধরে নিতে পারি ঐ দশজনের ষড়যন্ত্র করে ঐ ব্র্যান্ডকে সমালোচনা করতে এসেছিলো? কাল প্রথম আলোর মডারেশন নিয়ে একটা পোস্ট দেই এখানে। যেহেতু 'ইতর' শব্দযুক্ত একটা কমেন্ট তার কিছুক্ষণ আগে মুছে দিয়েছিলো, আর আমার ঐ পোস্টে ও 'ইতর' শব্দটা ছিলো, তাই ভাবলাম পোস্টটা সামহয়্যারেও দেই। তাছাড়া ডুয়াল পোস্ট করবো এখন থেকে, এটাও ভেবে রেখেছিলাম। ওমা, আজ সকালে উঠে শুনি, একজন বলছেন, সামহয়্যারে নাকি আমি প্রথম আলো ব্লগের বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা করেছি। প্রপাগান্ডা কোথায় হল, যে পোস্ট এখানে দিয়েছি, সেটাই তো দিয়েছি ওখানে। একটা শব্দেরো পাথর্ক্য নেই। নাকি উনাদের সমালোচনা অন্য কোথাও করলে সেটা প্রপাগান্ডা হয়!

যাক,মৃদু বা কড়া,কোনো গালিগালাজ ওনারা ...

প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা ১২১৫