নববর্ষের শুভেচ্ছা
সময় ০৮:২৫:০১
নতুন বছরের নতুন বার্তা রাঙ্গিয়ে দেক সকলের জীবন। শুভ নববর্ষ ...
আমরা সকলেই জানি যে বিশ্বের সকল দেশে অবস্হিত বাংলাদেশিরা তাদের নিজেদের মত করে ২১শে ফেব্রুয়ারী সহ দেশের অন্যান্য জাতীয় দিবসগুলি পালন করে থাকে। তারই ধারাবাহিকতায় জাপানের এক জেলা শহর সাগা (জাপানীজ ভাষায়- সাগা কেন)-তে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হলো মহান ২১শে ফেব্রুয়ারী। ২১শে ফেব্রুয়ারী বিকেল ৫.০০ মি. এ স্হানীয় এক মিলনায়তনে সাগা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা বিভাগের কয়েকজন শিক্ষক ও আন্তর্জাতিক ছাত্র-ছাত্রী শাখার কয়েকজন কর্মকর্তা ও কর্মচারির উপস্হিতিতে শুরু হয় দিনের অনুস্ঠান। অনুস্ঠান সুচীর মধ্যে ছিল, সমবেত কন্ঠে জাতীয় সঙ্গীত, ২১শে ফেব্রুয়ারী গান "আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো", ২১শে ফেব্রুয়ারীর ইতিহাস ও আমাদের ঐতিহ্য, বাংলাদেশের পরিচিতি, দেয়াল পত্রিকা উম্মোচন, শুভেচ্ছা বক্তব্য ও সর্বশেষে বাংলাদেশী খাবার পরিবেশন।
ছবি সংযুক্ত করলাম কিন্তু আরো কিছু ছবি দেওয়ার ইচ্ছে ছিল, পারলাম না বলে দুঃখিত। একটা সফল বাংলাদেশী অনুস্ঠানের আনন্দ অনেক। এই ব্লগ আসলে সকলকে অনুভুতি জানানোর জন্য লেখা। আপনিও আপনার ২১শে ফেব্রুয়ারীর অনুভুতি জানাতে ...
রুপের আকাশে, স্বপ্নের মেঘে, উড়াই তারার ঘুড়ি, হাসি -গানে কথা -অভিমানে তোমার নেই যে জুড়ি, ওহ রুপসী মেয়ে তোমার স্বপনে আমার স্বপ্ন লেখন, আশা-ভালবাসা হাসি-গানে আছি তোমার সঙ্গে দেখ............... দুর বিজয়ের পথে এই হাটা, এইটুকু ভালবাসা। হ্যাঁ আমি LRB এর AB' র গানের কথা বলছি। লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার জন্য এই গান। একজন মেয়েকে স্বপ্ন দেখানোর জন্য অসাধারণ, আর সেই সাথে নিজের লাইফ পার্টনার (স্ত্রী) কে সামনে এগিয়ে চলার সাহস যোগানোর জন্যও বটে।
এবারে সুপারস্টার প্রতিযোগিতায় সেরা দশে যারা আছেনঃ আরাবি, চৈতি, দীপা, হীরা, লিসানী, ওরিন, নম্পা, তাজজীহ্, তাসকিন ও তনিমা। যদিও এবারে এক্সট্রা ওরডিনারি সুন্দরী ও অসাধারণ জ্ঞানী কেউ নেই (আমার দৃস্টিতে), তার পরে ও আমার পছন্দের তালিকায় আছে রাজশাহীর মেয়ে। ২৩ বছরের রাজশাহি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ৪'১১'' উচ্চতার মেয়ে তাজজীহ্। বলুন একে কি সারা বাংলাদেশের সেরা বলতে পারি, তারপরে ও এই মেয়ে সেরা ৩ এ অবশ্যই থাকবে, আপনার ও নিশ্চই এক মত এব্যাপারে, কারন বিকল্প নেই। যাদের উচ্চতা ভাল তাদের অন্য পারফরমেন্স তেমন ভাল না। হ্যাঁ, ওরিনের কথা বলতে পারেন। ৫' উচ্চতার ২০ বছর বয়সী ...
মঙ্গলবার শপথ নেওয়া মন্ত্রীদের দপ্তর : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা--- জ্বালানি ও বিদ্যুৎ, ধর্ম, গৃহায়ন ও গণপূর্ত, মহিলা ও শিশু, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সংস্থাপন মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ।
আবুল মাল আব্দুল মুহিত অর্থ মন্ত্রণালয়, মতিয়া চৌধুরী কৃষি মন্ত্রণালয়, লতিফ সিদ্দিকী- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ-- আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, একে খন্দকার - পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, রাজিউদ্দিন রাজু- ডাক ও টেলিযোগাযোগ, অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন-- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম--স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়, খন্দকার মোশাররফ হোসেন- শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, রেজাউল করিম হিরা- ভূমি মন্ত্রণালয়,আবুল কালাম আজাদ-তথ্য ও সংস্কৃতি, এনামুল হক মোস্তফা শহীদ- সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়,দীলিপ বড়ুয়া- শিল্প মন্ত্রণালয়, রমেশ চন্দ্র সেন - পানি সম্পদ, জিএম কাদের--বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন, লে.কর্নেল অব ফারুক খান--- বাণিজ্য, সৈয়দ আবুল হোসেন--- যোগাযোগ, ড. আবদুর রাজ্জাক-- খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, ডা. আফসারুল আমীন--- ...
![]()
আসুন জেনে নেই কোন মন্ত্রি কোন আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেনঃ
১। শেখ হাসিনা - গোপালগন্জ্ঞ ৩, বাগেরহাট ১ ও রংপুর ৬
২। মতিয়া চৌধুরী - শেরপুর ২
৩। সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম - কিশোরগন্জ্ঞ ১
৪। এ কে খন্দকার - পাবনা ২
৫। আবুল মাল আব্দুল মুহিত - সিলেট ১
৬। নুরুল ইসলাম নাহিদ - সিলেট ৬
৭। ইন্জ্ঞিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন - ফরিদপুর ৩
৮। মোঃ আফছারুল আমীন - চট্টগ্রাম ৯
৯। রমেশ চন্দ্র সেন - ঠাকুরগাও ১
১০। মোঃ লতিফ বিশ্বাস - সিরাজগন্জ্ঞ ৫
১১। আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী - টাঙ্গাইল ৪
১২। রেজাউল করিম হীরা - জামালপুর ৫
১৩। আবুল কালাম আজাদ - জামালপুর ১
১৪। এডভোকেট সাহারা খাতুন - ঢাকা ১৮
১৫। লে. ক. মুহাম্মদ ফারুক খান - গোপালগন্জ্ঞ ১
১৬। সৈয়দ আবুল হোসেন - মাদারিপুর ৩
১৭। রাজিউদ্দিন আহম্মেদ রাজু - নরসিংদী ৫
১৮। ডাঃ দিপু মনি - চাদপুর ৩
১৯। ড. আব্দুর রাজ্জাক - টাঙ্গাইল ১
২০। ডাঃ আ ফ ম রুহুল হক - সাতক্ষীরা ৩
২১। এনামুল হক মোস্তফা শহীদ - হবিগন্জ্ঞ ৪
২২। জি এম কাদের - লালমনিরহাট ৩
২৩। ব্যারিষ্টার শফিক আহম্মেদ - টেকনোক্রাট
২৪। দিলীপ বড়ুয়া - টেকনোক্রাট
২৫। মুন্নুজান সুফিয়ান ...
প্রথম আলো ব্লগ বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং শীর্ষ ব্লগ সাইট। ২০০৮ সালের বাংলাদেশের ব্লগিং জগতের এক উম্মুক্ত দোয়ার এই প্রথম আলো ব্লগ যা কিনা প্রতি নিয়ত তদারকি করছেন কর্তৃপক্ষ। ইচ্ছা করলেই যে কেউ তাদের কুরুচীপুর্ণ ব্লগ প্রকাশ করতে পারবে না। এজন্য বছরের শুরুতে কর্তৃপক্ষকে শুভেচ্ছা সহ ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ধন্যবাদ জানাচ্ছি সেইসব বাংলার দামাল ছেলেদের যারা প্রোগ্রাম তৈরি করে অক্লান্ত পরিশ্রমের বিনিময়ে দার করেছে এই ব্লগিং সাইট। কর্তৃপক্ষ শুধু সুযোগ দিয়েছে আর ব্লগাররা এনেছে প্রান, সুতরাং ব্লগারদের অবদান অসামান্য। বিশেষকরে এখানের শীর্ষ ব্লগারগন। যাদের পোষ্টকরা ব্লগ প্রতিনিয়ত প্রাণবন্ত রেখেছে প্রথম আলো ব্লগকে। এসব শীর্ষব্লগার সহ আমার মত ব্লগ পড়ার আগ্রহী সকল ব্লগারকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। নতুন বছর সকলের জন্য শুভ হোক, বয়ে আনুক শান্তি ও প্রাণচান্চল্যতা। সফলতায় ভরে উঠুক সকলের কর্মময়ীজীবন। HAPPY NEW YEAR ...
প্রথমে বাংলাদেশের সাধারণ জনগন, তরুন ভোটার ও অন্য সকলকে অভিনন্দন জানাচ্ছি- তারা ভোটের মাধ্যমে পরিবর্তনের বিজয় ছিনিয়ে আনার জন্য। অভিনন্দন জানাচ্ছি বিজয়ী মহা ঐক্যজোটকে এবং ধন্যবাদ জানাচ্ছি বিজিত প্রার্থীদের নির্বাচনে অংশগ্রহন করে সুন্দর একটি নির্বাচন জাতিকে উপহার দেওয়ার জন্য। একথা বলার প্রয়োজন নেই যে, নতুন সরকারের কাছে সাধারণ জনগনের অনেক প্রত্যাশা। বিজয়ী আওয়ামীলীগের নির্বাচনী ইসতেহারে অনেক অনেক সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে, অনেক স্বপ্ন দেখানো হয়েছে। বাংলার জনগনের কামনা বা স্বপ্ন কিন্তু খুব বেশি না। সামজিক নিরাপত্তা আর খাদ্য ও নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকলে নিজেরাই নিজেদের সাজিয়ে রাখতে পারবেন। আর এজন্য সরকার প্রধানের দক্ষ ও শক্ত হাতে দেশ তথা দলের নেতা কর্মিদের পরিচালনা করতে হবে। নিজেদেরকে দুর্নীতি থেকে দুরে রাখতে হবে, কর্ম সংস্থান বাড়াতে হবে। দেশের অর্থনীতির যে টাকাগুলো দুর্নীতির মাধ্যমে মন্ত্রি, নেতা বা সচিব কর্মচারিরা নিজস্ব পকেটে ভরে সেগুলো দেশের মানুশের কল্যানে ব্যায় নিশ্চিত করতে হবে। মাননীয় শেখ হাসিনার সদ্য সমাপ্ত সংবাদ সম্মেলনে ...
নির্বাচন হচ্ছে বাংলাদেশে আর আমরা বিভিন্ন দেশে বসে চিন্তা করছি কি হবে। দেশের একজন প্রথম শ্রেণীর নাগরিক হওয়ার পরও দেশের বাহিরে থাকার কারণে ভোটার হতে পারি নাই, আজ ভোটের দিনে চোখ রাখছি শুধু অনলাইন পত্রিকা ও ব্লগের উপর। অবশ্য ব্লগে অনেকে আছে হয়তো, ভোটার হয়েও আজ দেশের বাহিরে থাকার কারণে নিজস্ব মতামত দিতে পারছেন না। চিন্তার কথা বলছিলাম, গত রাতে সিনিয়র, জুনিয়র মিলে কয়েকজন এসব বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলছিলাম, বিভিন্ন দলের প্রসজ্ঞ আসলো, কথা হলো দলগুলোর দুর্ণীতি ও ব্যার্থতা নিয়ে। গত বছরগুলোতে আমরা কি দেখেছি, রাজনৈতিক দলগুলো ও নেতারা সাধারণ মানুষদের কিভাবে শাসন করেছে। বাংলাদেশের পরিশ্রমী মানুষদের জন্য এত দূর্নীতির পরেও অর্থনৈতিক উন্নতি হয়েছে যার একটা বিশাল আবদান হলো প্রবাসীদের রেমিট্যান্স। আলোচনায় উঠে আসলো বর্তমান তত্ত্বাবধক সরকার ও প্রধান উপদেশ্টার কথা। এই সরকারের অনেক ব্যর্থতা ও কোন কোন সময় একপেশী দৃষ্টিভজ্ঞির পরে ও মনে হয়েছে এদের কিছু ভাল উদ্যোগের সুফল হয়তো সাধারণ জনগণ নির্বাচিত সরকারের কাছ থেকে পাবে। যাহোক আমার বিশ্বাস সবাই সেসব বিষয়গুলো অবগত আছেন। আমি আমার আস-পাশের সবাই যেমন ...
রাজনীতি নিয়ে ব্লগ লেখার কোন চিন্ত ছিল না, কিন্তু নাসরিন জুবায়ের পোষ্ট পড়ে আমার মনে একটা প্রশ্নের উদয় হলো, তাই এই লেখা। আসলে ব্লগের অনেক লেখা পড়ে এবং মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের মিডিয়া পড়ে মনে হয় আমরা সবাই সচেতন, যুদ্ধপরাধীদের আমরা বাংলাদেশীরা পছন্দ করি না, যারা ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার বিরোধীতা করেছে তারা এখন বাংলাদেশে খুব ই সামান্য। সেক্টর কমান্ডার ফোরাম ও অনেকের পরিসংখানে তেমনটাই স্পষ্ট, তাহলে ৯১, ৯৬ ও ২০০১ এর নির্বাচনে যুদ্ধপরাধী ও স্বাধীনতার বিরোধী জামায়েত কিভাবে কিছু আসনে জয় লাভ করলো? ২০০৮ এর নির্বাচন জরিপে ও জামায়েতে ইসলামের প্রার্থীরা ৮/১০ টি আসনে জয়ী হবে বলা হচ্ছে। আজকের সমকালের একটা প্রতিবেদনে আসন গুলো উল্লেখ করে বলা আছে, যেমনঃ যশোর-১, পাবনা-১ ও ৫, সাতক্ষীরা-৪, নবাবগন্জ-৩, চট্রোগ্রাম-১৪, কক্সেসবাজার-২ , ঝিনেইদাহ-৩, পিরোজপুর-১, খুলনা-৫। তাহলে কি বলবো আমরা, আসব এলাকার বেশিরভাগ মানুষ কি স্বাধীনতার বিরোধী নাকি তারা অন্ধকারে আছে। আসুন সবাই মিলে আসব এলাকার মানুষ সহ সারা দেশের মানুষদের আবেগ কে বাড়িয়ে তুলি যেন যুদ্ধপরাধী ও স্বাধীনতার বিরোধী, রাজাকার জামায়েতে ইসলামী এর একজন ও মহান ...
গতকাল মাঝে মাঝেই ব্লগে ঢুকেছি, একটা ব্লগও লিখেছি, বেশ ৩/৪ ঘন্টা ব্লগটি প্রথম পাতায় অবস্থান করছিল। হ্যাঁ এর কারন সবার জানা, কারন গতকাল ছিল শুক্রবার। শুক্রবারে কেন এত কম পোষ্ট, চিন্তা করেছি অনেক, আর এও চিন্তা করলাম, এই ব্যাপারে সবার মতামত জেনে নিলে মন্দ হয়না। আমার চিন্তাগুলোর মধ্যে যে সব বিষয় ছিল সেগুলো এরকমঃ শুক্রবার বাংলাদেশের ছুটির দিন, একারনে বাংলাদেশে যারা চাকুরী করে তারা বাসায় ঘুমিয়ে ছিলেন, এথেকে বোঝা যায় এই ব্লগের বেশিরভাগ ব্লগার বাংলাদেশ এ অবস্থান করছে, প্রবাসীদের সংখা নগন্য, যেকারনে শুক্রবারে ব্লগে পোষ্ট কম। অন্য চিন্তাটি হলোঃ প্রবাসী ব্লগার বেশিও হতে পারে, সেক্ষেত্রে শুক্রবার তাদের জন্য অত্যান্ত ব্যাস্ত একটা দিন কেননা শনি ও রবিবার সাপ্তাহিক ছুটি। আমার এই মতামত শুধুই আমার কিন্তু আমি অন্যদের মতামত জানতে আগ্রহী। এব্যাপারে আপনার মতামত ...
Phonetic
Probhat
Inscript
Unijoy
Bijoy
English
Virtual