আয়নায় বন্ধুর মুখ

মার্চ
১৪

আমার সোনার বাংলা

সময় ১৯:৪৫:৩৩

সংগীত

আমার সোনার বাংলা বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত। কবিগুরু বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এ গানের রচয়িতা ও সুরকার। গানটির প্রথম দশ লাইন ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে নির্বাচিত হয়।

রচনা ও সুরারোপ:

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৮৯ থেকে ১৯০১ সাল বাংলাদেশের শিলাইদহ ও শাহজাদপুরে ছিলেন। এসময় তার বাংলাদেশের লোকজ সুরের সঙ্গে পরিচয় হয়। বিশেষ করে বাউল ও ভাটিয়ালি সুরের প্রতি তিনি আকৃষ্ট হোন। কুষ্টিয়া জেলার খেয়ালী বাউল শিল্পী গগন হরকরা'র "আমি কোথায় পাবো তারে, আমার মনের মানুষ যে রে" গানের সুরে তিনি এ গানের সুর দেন। গানটি রচিত হয় ১৯০৬ সালে এবং ১৯০৭ সালের ৭ আগস্ট কলকাতার বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনের এক সমাবেশে এই গান প্রথম গাওয়া হয়।

যেভাবে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত:

১৯৭১ সালের ১ মার্চ গঠিত হয় স্বাধীন বাংলার কেন্দ্রীয় সংগ্রাম পরিষদ। পরে ৩ মার্চ তারিখে পল্টন ময়দানে ঘোষিত ইশতেহারে এই গানকে জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে ঘোষণা করা হয়। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিব নগরে স্বাধীন বাংলাদেশের সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে এই গান প্রথম জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গাওয়া হয়। ...

মার্চ
১৩

ওসমানী যাদুঘর

সময় ১১:২৯:০৬

ইতিহাস ও ঐহিত্য



সিলেট শহরের নাইওরপুল এলাকায় অবস্হিত নূর মঞ্জিল। এটি মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম এ জি ওসমানী (১৯১৮-১৯৮৪)’র পৈত্রিক বাড়ি। পরিমাণ প্রায় ২ বিঘা। বর্তমানে এটি ‘ওসমানী যাদুঘর’ নামে পরিচিত। পরিচালিত হচ্ছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে। যাদুঘরটি উদ্বোধন করা হয় ১৯৮৭ সালের ৪মার্চ। সহকারী জানালেন মোট ৪৫৭টি জিনিস তারা সংরক্ষণ করছেন এবং প্রদর্শন করছেন।
শনিবার থেকে বুধবার পর্যন্ত জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত। কোন দর্শনী রাখা হয় না। বৃহস্পতি ও শুক্রবার বন্ধ। তবে শুক্রবার বিকালে বিশেষ ব্যবস্হায় খোলা রাখা হয়। অতএব সময় ও সুযোগ পেলে দেখে আসতে পারেন দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের একটি অংশকে। মিউজিয়ামের কিছু বাছাইকৃত ছবি দেখুন।


শেখ আফজাল’এর তুলিতে ওসমানী









মার্চ
১০

শুধু গান গেয়ে পরিচয়

সময় ১৯:৪৪:৫৩

সংগীত

‘শুধু গান গেয়ে পরিচয়’ গানটির কথা মনে এলেই চলে আসবে সাবিনা ইয়াসমীন’এর নাম। কিন্তু জানেন কি ‘অবুঝ মন’ ছবির এই গানটি আব্দুল জব্বারও গেয়েছেন? ‘মনের রঙে রাঙাবো’ মানেই সেলিনা আজাদ’এর কন্ঠে মিষ্টি মেয়ে কবরী সমুদ্র পাড়ে ছবি আঁকছেন। কিন্তু এই গানটি ‘মাসুদ রানা’ ছবিতে খুরশীদ আলমও কন্ঠ দিয়েছেন। লিপসিং করেছেন রাজ্জাক। রুনা লায়লা যখন স্টেজ পারফরমেন্স করেন তখন মাস্ট আইটেম সং থাকে ‘বন্ধু তিন দিন তোর বাড়িত গেলাম’। অথচ এ গানটি সুরকার আলাউদ্দীন আলী প্রথমে সাবিনা ইয়াসমীন’কে দিয়ে রেকর্ড করেছিলেন।

আজকের বিষয়ভিত্তিক গানের আয়োজন পুরোপুরি ফিল্মিক। যে সমস্ত গানের, ফিল্মের ভাষায় যা সিচুয়েশনাল সং, মেল/ফিমেল ভার্শন দু’টোই আছে তাই নিয়ে চেষ্টা করেছি পোস্ট সাজাতে। ব্যতিক্রমও কিছু রেখেছি। যারা আমাদের দেশের চলচ্চিত্রের গান পছন্দ করেন(৭০/৮০ দশকের) তাদের জন্য এই পোস্ট নিঃসন্দেহে ভাল লাগবে। আর অন্যদের জন্য আহেম আহেম !!!



♫ আবার কখন কবে-শাহনাজ রহমতউল্লাহ

মার্চ
০৯

পানিসাইল আখড়া

সময় ১৯:১৩:০০

ফটো ব্লগ

নাম 'শ্রী শ্রী রাধা বিনোদ বিগ্রহ আশ্রম' হলেও স্হানীয়ভাবে এটি 'পানিসাইল আখড়া' নামে পরিচিত। মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার লালাপুর গ্রামে এই আখড়ার অবস্হান। মৌলভীবাজার থেকে রাজনগর হয়ে সিলেট যাওয়ার পথে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় প্রবেশের ঠিক আগে হাতের বাঁ-দিকের সড়কে প্রবেশ করে এই আখড়ায় যাওয়া যায়। প্রায় শতবর্ষী আখড়ার ছবি দেখুন। ছবি ফেসবুক থেকে নেয়া। ব্লগে প্রকাশের যথাযথ অনুমতি আছে

































ফেব্রুয়ারি
১৮

বৃক্ষ তোমার নাম কী?

সময় ১৪:০৬:৩৯

প্রকৃতি

ছবিগুলো রেমা- কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য থেকে নেয়া। গাইড বিভিন্ন গাছের সাথে যখন পরিচয় করে দিচ্ছিলেন তখন মনে হয়েছিল - বাহ, এইতো গাছ চিনে গেলাম!!! কিন্তু ছবি দেখার পর সবগাছ অচেনা মনে হচ্ছে। আপনার গাছগুলো কি চিনেন?























ফেব্রুয়ারি
১২

সুবীর নন্দী’র সংগীত সন্ধ্যা

সময় ১৯:০৩:১৭

সংগীত

আয়োজকরা জানিয়েছিলেন অনুষ্ঠান শুরু হবে বিকাল ৪:৩০ মিনিটে। প্রিয় শিল্পীকে কাছে থেকে দেখবো, তাঁর গান শুনবো বলে ঠিক সময়েই চলে এসেছি। কিন্তু বিকাল গড়িয়ে সন্ধ্যা ৬টায় দেখা মিললো সংবর্ধিত অতিথির। ততক্ষণে হল লোকে লোকারণ্য। আয়োজকরা সম্ভবত এটাই চেয়েছিলেন। অতিথি হলেন হবিগঞ্জের সংগীত ব্যক্তিত্ব সুবীর নন্দী। স্হানীয় ‘সুরবিতান’ নামক সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং জেলা শিল্পকলা একাডেমী’র উদ্যোগে এই আয়োজন।



সংগীতে হাতে খড়ি মা আর বড় ভাই তপন নন্দী’র কাছে। শাস্ত্রীয় সংগীতে দীক্ষা গ্রহন করেন হবিগঞ্জের ওস্তাদ বাবর আলী খান’এর কাছে। সিলেট বেতারে গান করেন ১৯৬৭ সালে। বাংলাদেশ বেতারে গান করেন ১৯৭৫ সালে। ১৯৭৪ সালে ‘সূর্যগ্রহন’ চলচ্চিত্রে প্রথম প্লে-ব্যাক করেন। এরপর আর পেছনে তাকাতে হয়নি। শুধু সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন মা (১৯৭৭), মহানায়ক (১৯৮৪), শুভদা (১৯৮৬), শ্রাবণ মেঘের দিন (২০০২), মেঘের পরে মেঘ (২০০৪) চলচ্চিত্রে।



সংবর্ধনায় ফুলেল ভালবাসায় সিক্ত হলেন শিল্পী। অনুভূতি প্রকাশের সময় কৃতজ্ঞতা ...

ফেব্রুয়ারি
০৮

অনলাইনে রবীন্দ্র রচনাবলী

সময় ১৮:২৩:৫২

আপন ভুবন

প্রথম আলো ব্লগে অনেকেই খোঁজ চেয়েছেন অনলাইনে রবীন্দ্র রচনাবলীর। আমার নিজেরও আগ্রহ ছিল। খুঁজেছিলাম। কিন্তু পাইনি। সম্প্রতি কলকাতাভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠান রবীন্দ্র রচনাবলী নিয়ে ওয়েব সাইট উন্মুক্ত করেছে। রবীন্দ্রনাথের সম্পূর্ণ রচনাবলীই এই সাইটে আছে।



উদ্যোক্তরা জানাচ্ছেন “রবীন্দ্রনাথ তার লেখনীতে বাঙালির জীবন যাপন, সংস্কৃতিকে যেমন তুলে ধরেছেন, তেমনি বাঙালির চিরদিনের হাসিকান্না, আনন্দ-বেদনারও রূপকার তিনি। জগতের সকল বিষয়কে তিনি তাঁর লেখায় ধারণ করেছেন। মানুষের এমন কোনো মানবিক অনুভূতি নেই যা রবীন্দ্রনাথের লেখায় পাওয়া যায় না। ... ... ... অতুলনীয় ও সর্বতোমুখী প্রতিভা দিয়ে তিনি বাংলা সাহিত্যকে বিশ্ব মানে উন্নীত করে বাঙালিকে এক বিশাল মর্যাদার আসনে নিয়ে গেছেন।” আমার মনে হয় কেউই এতে দ্বিমত করবেন না।

ইউনিকোড সম্মত এই রচনাবলীতে রবীন্দ্রনাথের মুদ্রিত সমস্ত রচনা ছাড়াও একশোটি গানের স্বরলিপি দেওয়া হয়েছে। ক্রমে সমস্ত স্বরলিপিই সংযোজিত হবে। রবীন্দ্রনাথের চিঠিপত্র যতখানি পাওয়া গেছে, এর সঙ্গে দেওয়ার পরিকল্পনা আছে মর্মে জানানো হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি
০৬

নওবাহারের গীত

সময় ১১:২৫:৪৫

সংগীত

“গজল হচ্ছে চার বা ততোধিক শেরের (দুই লাইনের কবিতা বিশেষ যা নিজেই স্বাধীনভাবে নিজের অর্থ প্রকাশ করতে পারে) সমন্বয়ে গঠিত প্রেম বিষয়ক কবিতা। আরব থেকে এর উৎপত্তি হলেও ফার্সি ভাষায় এটি বিশেষ বিকাশ লাভ করে। পরবর্তীতে উর্দু ভাষায় এটি সমধিক জনপ্রিয়তা পায়”- উইকিপিডিয়া
কোন একটি গানের অনুষ্ঠানে ফেরদৌসী রহমান বলেছিলেন গজলের একটু হালকা ভার্শন হলো গীত। বাংলাদেশী নারী সংগীত শিল্পীদের ভিন ভাষার গজল ও গীত নিয়ে আজকের বিষয়ভিত্তিক গানের আয়োজন ‘নওবাহারের গীত’। কিছুটা ভিন্নধর্মী এই আয়োজন আশাকরি সংগীতপ্রিয়দের ভাল লাগবো



রাজ-ই-উলফাত -ফিরোজা বেগম

দিল ধারাকনে কা সাবাব -ফেরদৌসী রহমান

কাহা হো তুম- শাহনাজ রহমতউল্লাহ

গুলোঁ মে রাঙ ভারে -রুনা লায়লা

ফেব্রুয়ারি
০৩

ঘর হতে শুধু দু'পা ফেলিয়া

সময় ২০:১৯:৫৩

প্রকৃতি

ভ্রমণ বিষয়ে ব্লগার হাফিজ বিশাল পোস্ট দিয়েছিলেন। ব্লগের অনেক ভ্রমণ বিষয়ক পোস্ট সে সংকলনে স্হান পেয়েছিল। আমার এই পোস্ট মূলত আমি যেসব জায়গা দেখে পোস্ট দিয়েছি সেগুলোর সংকলন। এবং স্বাভাবিকভাবেই তা আপাতত বৃহত্তর সিলেটের ৩টি জেলার মধ্যে সীমাবদ্ধ। সম্প্রতি শীতের তীব্রতা কমেছে। অনেকে তাদের বার্ষিক ভ্রমণ করে ফেলেছেন। আবার অনেকে হয়তো প্রস্তুতি নিচ্ছেন। যারা বৃহ্ত্তর সিলেটে বেড়ানোর পরিকল্পনা করছেন আশা করছি তাদের জন্য এই সংকলন সহায়ক হিসেবে কাজ করবে। তো চলুন আবিষ্কার করি একটি ধানের শীষের একটি শিশির বিন্দুকে।

► সিলেট জেলা



সিলেটের শাহী ঈদগাহ
নির্মাণশৈলীতে সিলেটের ঐতিহ্য
খোলা আকাশের নিচে সিলেট শহর
সিলেটের কীন ব্রীজ ও আলী আমজাদের ঘড়ি
তথ্য সংশোধন: আলী আমজাদের ঘড়ি
স্হাপত্য শৈলী: ফেঞ্চুগঞ্জের মসজিদ

জানুয়ারি
২৭

ফ্রুটস ভ্যালিতে রঙের মেলা

সময় ১৯:০৬:০২

প্রকৃতি































আমাকে বলা হয়েছিল যাতে ১৫ জানুয়ারি’র পর ফ্রুটস ভ্যালিতে যাই। তাহলে ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করা যাবে। গ্যাসফিল্ড কর্তৃপক্ষ খুব যত্নের সাথে ভ্যালির বিভিন্ন জায়গায় ফুলের যে মেলা বসিয়েছেন সেটাকে রঙের মেলা না বললে তো ভুল হবে



এবং আরো কিছু:











প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা ১২১৫