মুক্তিযোদ্ধাদের দিন কি শেষ হয়ে আসছে?
দেশ স্বাধীন করতে যাঁরা একদিন অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিল তাদের হাতে আজও ভিক্ষার পাত্র। মুক্তিযোদ্ধা কসমউদ্দীনের কাছে রাষ্ট্রীয় সম্মান বড় কিছু নয়; দুবেলা দুমুঠো ভাতের নিশ্চয়তা প্রাপ্তি তার দাবী। মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান ভিক্ষার ভাঙা থালা হাতে পথে পথে ঘোরে-সেই দেশে; যে দেশের স্বাধীনতার জন্য সে যুদ্ধে গিয়েছিল। যে দেশ আজ স্বাধীন। যে দেশ তাঁকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করবে! অথচ স্বাধীন দেশে একটি কেরানীর চাকরীও তার জোটেনি। মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাষ্ট কিংবা মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের সাহায্যে কখনও এগিয়ে আসেনি। তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থাও করেনি। যে যাই বলুক এভাবেই কাটছে হাজার হাজার অসহায় ও যুদ্ধাহত মহান মুক্তিযোদ্ধাদের দিন-কাল।
বিজয় অর্জনের পর থেকে বিভিন্ন সরকারের সময় মুক্তিযোদ্ধাদের তিনটি তালিকা হয়। তালিকায় নাম অন্তর্ভূক্তি সাপেক্ষে প্রতি মুক্তিযোদ্ধাকে মাসিক ৬০০ টাকা ভাতা দেয়া হয়। ভাতা প্রদানের শুরুতে যা মাত্র ৭৫ টাকা নির্ধারিত ছিল। পরে ৩০০ এবং আরও পরে এই ভাতা ৬০০ টাকায় উন্নীত করা হয়। পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে নানান অসুবিধা থাকলেও মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় বিষয়টি কখনই আমলে নেয়নি। মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাষ্ট যে উদ্দেশ্যে নিয়ে গঠিত হয়েছিল তা পূরণ হয়নি বরং ট্রাষ্টটি সব সময়ই রাজনৈতিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। বিজয় অর্জনের পর ৩৯ বছর পার হলেও মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাষ্ট অসহায় মুক্তিযোদ্ধাদের আর্থিক সমস্যা সমাধানে কোন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। জীবিকার প্রয়োজনে অনেকে রিকশা চালাতে বাধ্য হচ্ছে। কেউ কেউ ভিক্ষাও করছে। মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হবার পরও অবস্থার কোন পরিবর্তন হয়নি। বরং মুক্তিযোদ্ধারা মৃত্যুর পর দাফন কাফনের টাকাও ঠিকমতো পাচ্ছে না। মন্ত্রণালয় কিংবা ট্রাষ্টে তারা সমস্যা সমাধানের জন্য গেলে বিভিন্ন জায়গায় রিপোর্টের নামে হয়রানির বিষয়টিও সবার জানা। বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বোনাস হিসেবে ৩০০ টাকা বরাদ্দ কিন্তু প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ব্যক্তিগতভাবে নিতে আসা এই এই অর্থ দিয়ে আসা যাওয়ার খরচই সংকুলান হয় না। স্বাধীনতার ৩৯ বছর পরও মুক্তিযোদ্ধারা লজ্জা সম্ববরণ করে হাত পেতে জাকাতের শাড়ি লুঙ্গি নিতে বাধ্য হয়।
মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাষ্টের অধীনে এক সময় লাভজনক অনেক প্রতিষ্ঠান ছিলো যেগুলি এখন অলাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে কিছু স্বার্থান্বেষী মহলের চর্যাবৃত্তির কারণে। এই ট্রাষ্টের ১৮০০ কোটি টাকা ব্যায়ে চার দলীয় জোট সরকারের সময় কালুরঘাট কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হয়েছে। অথচ অনেক যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা দুবেলা ভাত পাচ্ছেন না, ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া করাতে পারছেন না। অনেকের মতে, এই টাকা দিয়ে জীবিকার জন্য যারা ভিক্ষে করতে বাধ্য হচ্ছে তাদের পূণর্বাসন করা সম্ভব ছিল। মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাষ্ট অসহায় মুক্তিযোদ্ধাদের অসহায়ত্ব লাঘব করতে পারেনি। বরং মাসপ্রতি সামান্য ৬০০ টাকার রাষ্ট্রীয় ভাতা প্রাপ্তির জন্য উৎকোচ প্রদানের অভিযোগও আছে। অন্যদিকে ভাতা থেকে বাঞ্চিত হবার ভয়ে অনেকে উৎকোচ দিয়েও মুখ খুলতে সাহস পান না। মহাখালিতে ৫১ টি অসহায় পরিবার বসবাস করছে কিন্তু তাদের আবাসনের কোন স্থায়ী সমাধান হয়নি। বারবার তাদের ওপর আঘাতের খড়গ নেমে এসেছে। বিশ্ব ইতিহাসে একমাত্র বাংলাদেশের ২ লক্ষ ৫০ হাজার মুক্তিযোদ্ধার সবাই অস্ত্র জমা দিয়েছিলেন। সেইসব যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের আঘাত চিহ্নিত করতেই ৩৬ বছর সময় লেগেছে। কার্ড পেলেও টাকা পাননি, পাননি একটি হুইল চেয়ার- এ রকম অভিযোগও আছে অনেক। ন্যাম ফ্লাট অসহায় মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে অবাঞ্চিত।
যেখানে মুক্তিযোদ্ধারা না খেয়ে থাকে সেখানে ন্যামফ্লটে থাকার অধিকার কারো নেই বলে মনে করেন অনেক যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা। আমলাতান্ত্রিক জটিলতাই তাদের পুনর্বাসন না হওয়ার মূল কারণ হিসেবে অনেকে মনে করেন। রাজনৈতিক কারণে অনেক অমুক্তিযোদ্ধা মুক্তিযোদ্ধার খেতাবও পেয়েছে। চারদলীয় জোট সরকারের শাসন সময়ে ইচ্ছেমাফিক নিজের দলের লোকদের ভাতা প্রদান করা হয়েছে। অনেকে আর্থিক সাহার্য পেয়েছে শুধু রাজনৈতিক বিবেচনায়। মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাষ্ট অসহায় মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্ন পূরণ করতে পারেনি।
মুক্তিযুদ্ধের ৩৬ বছর পর অডিটে দেখা যায় ৮৯ লক্ষ টাকা অলস টাকা পড়ে আছে, এই টাকা মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে কেউ ফিক্সড ডিপোজিটও করেনি। কল্যাণ ট্রাষ্টের আওতায় প্রথম ৩২ টি শিল্প প্রতিষ্ঠান থাকলেও কিছু লিজ দেয়া হয় তবে এর অধিকাংশই ইতিমধ্যে বন্ধ হয়েছে। বর্তমানে ইসিআই, কোকোকোলা, পূর্ণিমা ফিলিং ষ্টেশন এবং মিমি চকলেট এই টারটি প্রতিষ্ঠান লাভজনক হিসেবে চালু থাকলেও লাভের অর্থে অসহায় মুক্তিযোদ্ধাদের কোন কল্যাণ হচ্ছে না। বরং ভিক্ষার থালা কিংবা রিকশার প্যাডেলই গর্বিত মুক্তিযোদ্ধাদের বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন। কিংবা স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণের প্রতিদান।
বিজয় অর্জনের পর থেকে বিভিন্ন সরকারের সময় মুক্তিযোদ্ধাদের তিনটি তালিকা হয়। তালিকায় নাম অন্তর্ভূক্তি সাপেক্ষে প্রতি মুক্তিযোদ্ধাকে মাসিক ৬০০ টাকা ভাতা দেয়া হয়। ভাতা প্রদানের শুরুতে যা মাত্র ৭৫ টাকা নির্ধারিত ছিল। পরে ৩০০ এবং আরও পরে এই ভাতা ৬০০ টাকায় উন্নীত করা হয়। পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে নানান অসুবিধা থাকলেও মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় বিষয়টি কখনই আমলে নেয়নি। মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাষ্ট যে উদ্দেশ্যে নিয়ে গঠিত হয়েছিল তা পূরণ হয়নি বরং ট্রাষ্টটি সব সময়ই রাজনৈতিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। বিজয় অর্জনের পর ৩৯ বছর পার হলেও মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাষ্ট অসহায় মুক্তিযোদ্ধাদের আর্থিক সমস্যা সমাধানে কোন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। জীবিকার প্রয়োজনে অনেকে রিকশা চালাতে বাধ্য হচ্ছে। কেউ কেউ ভিক্ষাও করছে। মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হবার পরও অবস্থার কোন পরিবর্তন হয়নি। বরং মুক্তিযোদ্ধারা মৃত্যুর পর দাফন কাফনের টাকাও ঠিকমতো পাচ্ছে না। মন্ত্রণালয় কিংবা ট্রাষ্টে তারা সমস্যা সমাধানের জন্য গেলে বিভিন্ন জায়গায় রিপোর্টের নামে হয়রানির বিষয়টিও সবার জানা। বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বোনাস হিসেবে ৩০০ টাকা বরাদ্দ কিন্তু প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ব্যক্তিগতভাবে নিতে আসা এই এই অর্থ দিয়ে আসা যাওয়ার খরচই সংকুলান হয় না। স্বাধীনতার ৩৯ বছর পরও মুক্তিযোদ্ধারা লজ্জা সম্ববরণ করে হাত পেতে জাকাতের শাড়ি লুঙ্গি নিতে বাধ্য হয়।
মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাষ্টের অধীনে এক সময় লাভজনক অনেক প্রতিষ্ঠান ছিলো যেগুলি এখন অলাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে কিছু স্বার্থান্বেষী মহলের চর্যাবৃত্তির কারণে। এই ট্রাষ্টের ১৮০০ কোটি টাকা ব্যায়ে চার দলীয় জোট সরকারের সময় কালুরঘাট কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হয়েছে। অথচ অনেক যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা দুবেলা ভাত পাচ্ছেন না, ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া করাতে পারছেন না। অনেকের মতে, এই টাকা দিয়ে জীবিকার জন্য যারা ভিক্ষে করতে বাধ্য হচ্ছে তাদের পূণর্বাসন করা সম্ভব ছিল। মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাষ্ট অসহায় মুক্তিযোদ্ধাদের অসহায়ত্ব লাঘব করতে পারেনি। বরং মাসপ্রতি সামান্য ৬০০ টাকার রাষ্ট্রীয় ভাতা প্রাপ্তির জন্য উৎকোচ প্রদানের অভিযোগও আছে। অন্যদিকে ভাতা থেকে বাঞ্চিত হবার ভয়ে অনেকে উৎকোচ দিয়েও মুখ খুলতে সাহস পান না। মহাখালিতে ৫১ টি অসহায় পরিবার বসবাস করছে কিন্তু তাদের আবাসনের কোন স্থায়ী সমাধান হয়নি। বারবার তাদের ওপর আঘাতের খড়গ নেমে এসেছে। বিশ্ব ইতিহাসে একমাত্র বাংলাদেশের ২ লক্ষ ৫০ হাজার মুক্তিযোদ্ধার সবাই অস্ত্র জমা দিয়েছিলেন। সেইসব যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের আঘাত চিহ্নিত করতেই ৩৬ বছর সময় লেগেছে। কার্ড পেলেও টাকা পাননি, পাননি একটি হুইল চেয়ার- এ রকম অভিযোগও আছে অনেক। ন্যাম ফ্লাট অসহায় মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে অবাঞ্চিত।
যেখানে মুক্তিযোদ্ধারা না খেয়ে থাকে সেখানে ন্যামফ্লটে থাকার অধিকার কারো নেই বলে মনে করেন অনেক যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা। আমলাতান্ত্রিক জটিলতাই তাদের পুনর্বাসন না হওয়ার মূল কারণ হিসেবে অনেকে মনে করেন। রাজনৈতিক কারণে অনেক অমুক্তিযোদ্ধা মুক্তিযোদ্ধার খেতাবও পেয়েছে। চারদলীয় জোট সরকারের শাসন সময়ে ইচ্ছেমাফিক নিজের দলের লোকদের ভাতা প্রদান করা হয়েছে। অনেকে আর্থিক সাহার্য পেয়েছে শুধু রাজনৈতিক বিবেচনায়। মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাষ্ট অসহায় মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্ন পূরণ করতে পারেনি।
মুক্তিযুদ্ধের ৩৬ বছর পর অডিটে দেখা যায় ৮৯ লক্ষ টাকা অলস টাকা পড়ে আছে, এই টাকা মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে কেউ ফিক্সড ডিপোজিটও করেনি। কল্যাণ ট্রাষ্টের আওতায় প্রথম ৩২ টি শিল্প প্রতিষ্ঠান থাকলেও কিছু লিজ দেয়া হয় তবে এর অধিকাংশই ইতিমধ্যে বন্ধ হয়েছে। বর্তমানে ইসিআই, কোকোকোলা, পূর্ণিমা ফিলিং ষ্টেশন এবং মিমি চকলেট এই টারটি প্রতিষ্ঠান লাভজনক হিসেবে চালু থাকলেও লাভের অর্থে অসহায় মুক্তিযোদ্ধাদের কোন কল্যাণ হচ্ছে না। বরং ভিক্ষার থালা কিংবা রিকশার প্যাডেলই গর্বিত মুক্তিযোদ্ধাদের বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন। কিংবা স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণের প্রতিদান।
লেখক শেখ নজরুল
- শেখ নজরুল -এর ব্লগ
- ৯ টি মন্তব্য
- ০২ মার্চ ২০১০, ০৯:২০
- বিবিধ
প্রিন্ট করুন
- ৯ টি মন্তব্য
-
জেড এইচ সৈকত০২ মার্চ ২০১০, ১০:৩০
হায়রে দেশ কত মুক্তি যোদ্ধা না খেয়ে আছে আর তাদের কল্যাণ ট্রাস্ট নিয়ে..। অনেক দিন পরে একটা তথ্য বহুল পোস্ট পেলাম। অনিয়মিত কেন? -
নীলসাধু০২ মার্চ ২০১০, ১০:৩৭
পোস্টের শিরোনামঃ
মুক্তিযোদ্ধাদের দিন কি শেষ হয়ে আসছে?
উত্তর হতে পারে এমনঃ
হুম।
উলটো প্রশ্ন করা যায়, তাদের দিন কখনো ছিল নাকি?
নজরুল ভাই আপনার জন্য শুভেচছা। -
সজল শর্মা০২ মার্চ ২০১০, ১১:২৪
স্বাধীনতার চেতনায় নামধারী আওয়ামীলীগ সরকারও যখন বিগত ৫ বছরের শাসনামল এবং বর্তমান শাসনামলে ব্যর্থ তখন অন্যদের উপর ভরসা করাই দিবাস্বপ্নের মত।
এসব বিষয়ে কি আর বলব। কোন ভাষা নেই। আমাদের বলায় না কিছু হবে।
-
ছায়াবাজি০৪ মার্চ ২০১০, ০১:১৭
সত্যিতো যারা দেশের জন্য প্রাণ বাজি রেখে লড়াই করেছে তারাই বোধকরি সবচেয়ে অবহেলিত। এদের মধ্যে যারা শিক্ষিত ছিলেন তাদের প্রতি নজর দেয়া হলেও অশিক্ষিত কিংবা স্বল্প শিক্ষিত মুক্তি যোদ্ধাদের জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। যাও বা কিছু হয়েছে তার বাস্তবায়ন হয়নি ঠিক মতো। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া ।
পোস্টটরি জন্য ধন্যবাদ।
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক
কেমন আছেন ?