তোমার গোলাপী অধর থেকে ঝরে গেছে কবিতাপড়শি ঠোঁট

মার্চ
১৪

আরেক পঁচিশের জন্য একটু অপেক্ষা

সময় ১৯:৪৮:২০


ধরুন, আপনারা আর আমরা মিলে পঁচিশ জন
সেই পঁচিশ জন সমান দুই ভাগে ভাগ হলো-
অথ্যাৎ প্রত্যেক ভাগে দাঁড়ালো সাড়ে বারো
যদিও সাড়েতে কাটাকাটি-রক্তারক্তি-ছুরিকাঁচি
সাড়ে মানেই ভীষণ ভয়ংকর বর্তমান ও ভবিষ্যৎ
সাড়ে মানেই ভীষণ ভয়ংকর ভবিষ্যৎ ও আগামী
সাড়ে মানে অর্ধেক- অর্ধেক মানে শূণ্যেরও অর্ধেক
যখন অর্ধেক অর্ধেক চীৎকারে কাঁপে যমজ ভালোবাসা;

বরং চলুন, ভাগকরা আমিকে চটজলদি জোড়া লাগিয়ে নিই
আর আরেক পঁচিশের জন্য একটু অপেক্ষা করতে ...

  • ১২টি মন্তব্য

মার্চ
১২

মার্চের আগুনঝরা দিনগুলো

সময় ১৬:০২:২৬


বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসে মার্চ মাস একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। স্বাধীনতার প্রথম পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ, বঙ্গবন্ধু কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষণা, পাকিস্তানি স্বৈরশাসক কর্তৃক বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে পশ্চিম পাকিস্তানে বন্দি করাসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা স্বাক্ষী এই মাস। মার্চ থেকে ডিসেম্বর। একাত্তরে দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশ। যুদ্ধ সময়ের ঘণ্টা, দিন, মাসের প্রতিটি মুহূর্ত তাৎপর্যপূর্ণ হলেও মার্চ মাসটি স্বাধীনতার ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত। এর পূর্বে জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে জাতীয় পরিষদের বৈঠকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পার্লামেন্টারি দলের নেতা নির্বাচিত হন। প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের ১৩ ফেব্রুয়ারির ঘোষণা অনুযায়ী ৩ মার্চ জাতীয় পরিষদের অধিবেশন হওয়ার কথা থাকলেও ইয়াহিয়া খান অপ্রত্যাশিতভাবে ন্যাশনাল এসেম্বলির সেশন স্থগিত ঘোষণা করে এবং পূর্ব পাকিস্তানের নিযুক্ত গভর্নর ভাইস এডমিরাল এসএম আহসানকে বরখাস্ত করে প্রাদেশিক সামরিক প্রশাসক লে. জে. সাহেবজাদা ইয়াকুব ...

মার্চ
০৭

‘সাতই মার্চ’ কোন তারিখ নয়, দিন নয়, মুহূর্ত নয় বরং বাঙালির স্বপ্ন উত্তরণের অব্যর্থ আহ্বান

সময় ০২:৫৫:৫৭


‘সাতই মার্চ’। একাত্তরের এই ঐতিহাসিক দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রমনার রেসকোর্সের জনসমুদ্রে স্বাধীনতার শক্তিমন্ত্র ঘোষণা করেন। ‘সাতই মার্চ’- নির্যাতন, দুঃশাসন, পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠির আগ্রাসন আর অপশক্তির বিরুদ্ধে চূড়ান্ত যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান। রমনার রেসকোর্স ময়দানে উপচেপড়া বিশাল জনসমুদ্রে মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধুর উদাত্ত কণ্ঠে উচ্চারিত সেই ঐতিহাসিক ভাষণ বাঙালির মুক্তির বার্তায় ছড়িয়ে গিয়েছিল সারা বাংলায়। প্রায় চার দশক অতিক্রান্ত তবু সেই ভাষণের আবেদন এতটুকু ম্লান হয়নি বরং শাণিত হয়েছে বাঙালির স্বপ্নে।

‘সাতই মার্চ’ কোন তারিখ নয়, দিন নয়, মুহূর্ত নয় বরং বাঙালির স্বপ্ন উত্তরণের অব্যর্থ আহ্বান। স্বাধীনতা যুদ্ধের অনিবার্যতা যে ‘সাতই মার্চ’- এটি বলার অপক্ষা রাখে না। বাঙালির জীবনে আরও কিছু অনিবার্যতা ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’, ‘ছাব্বিশে মার্চ কিংবা ‘ষোলই ডিসেম্বর। তবে বাহান্নর ফেব্রুয়ারির পর সাতই মার্চের ভাষণ সবেচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু কী ছিল এই ‘সাতই মার্চের ভাষণে? বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দীপ্ত ভাষণে ...

জানুয়ারি
০১

তোমায় ভালোবাসা জানাতে একটিমাত্র মিনিট খরচ করেছি আমি

সময় ০৬:০০:০০


তোমায় ভালোবাসা জানাতে একটিমাত্র মিনিট খরচ করেছি আমি। বিনম্র উচ্চারণে সেই এক মিনিটেই বলেছি তোমায়-ভীষণ ভালোবাসি। মাত্র একটি মিনিট তবু কত গভীর শান্ত মুগ্ধতা ভরেছিলো আসন্ন সন্ধ্যার ক্লান্তডানায়!-সেখানে ছিলো না কোন রক্তক্ষরণ; ছিলো না কোন দ্বিধা; ছিলো না সামান্য পিছুটান।

তোমায় ভালোবাসা জানাতে প্রস্তুতিহীন একটি মিনিট অতিক্রম করেছিলো পৃথিবী। তোমায় ভালোবাসা জানাতে ঘড়ির ঘোমটায় লাল হয়েছিলো-ষাটটি সেকেন্ড। জীবনের সবশেষ অংক মিলুক না মিলুক তবু বলেছিলাম-ভীষণ, ভীষণ ভালোবাসি তোমাকে। তুমিও স্বেচ্ছায় বিস্তর আলোড়নে মেখেছিলে প্রসন্ন প্রতিশ্রুতির নির্লোভ চুম্বন। মাত্র এক মিনিটে উচ্চারিত-তোমায় ভালোবাসি, তোমায় ভালোবাসি-হঠাৎ বয়ে এনেছিলো বারবার পরাজিত কোন সাঁতারুর প্রথম জলীয় স্বাদ; মাত্র এক মিনিটে-খাঁচায় পোষা টিয়েটাও শিখেছিলো প্রথম উচ্চারণ-শুভসকাল। মাত্র এক মিনিটেই আমার সমস্ত জীবনের সমান-সমান উচ্চারিত হয়েছিলো-ভালোবাসি, ভালোবাসি।

তখন থমকে দাঁড়িয়েছিলো নদী, জলের ধারায় জেগেছিলো যৌবন; তখন শাপলা-শালুক থেকে বেজেছিলো-‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি’ তখন কবিতার অসংখ্য শব্দ, ...

  • ৫টি মন্তব্য

মার্চ
০৫

কে না জানে ডান পাশের ব্যথায় ভালোবাসা থাকে না

সময় ০২:৪২:১৯


স্বপ্নগুলো ছোট না হলে যা হয়- আমারও ঠিক তাই
আমি আজও বালকের মতো ফড়িংয়ের পিছে ছুটি
এখানেই ভীষণ ভুল হয়; ফড়িংয়েরা ঘাসে মিশে যায়
আর আমি মাটি-মাটি চিৎকার করি-এতটাই বিপরীত!

পাগল ছাড়া আগুল কেটে তোমার নাম লিখবো কেন
বুকের দু পাশেই ছুরি চালিয়ে খুঁজবো কেন হৃৎপিণ্ড
কে না জানে ডান পাশের ব্যথায় ভালোবাসা থাকে না।

মরতে যদি হয় বামপাশের ব্যথা নিয়েই মরতে চাই
সমস্যা একটাই- বাম খুঁজলেই ডানটা বড্ড চোখ ...

মার্চ
০২

মুক্তিযোদ্ধাদের দিন কি শেষ হয়ে আসছে?

সময় ২১:২৬:৫৮


দেশ স্বাধীন করতে যাঁরা একদিন অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিল তাদের হাতে আজও ভিক্ষার পাত্র। মুক্তিযোদ্ধা কসমউদ্দীনের কাছে রাষ্ট্রীয় সম্মান বড় কিছু নয়; দুবেলা দুমুঠো ভাতের নিশ্চয়তা প্রাপ্তি তার দাবী। মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান ভিক্ষার ভাঙা থালা হাতে পথে পথে ঘোরে-সেই দেশে; যে দেশের স্বাধীনতার জন্য সে যুদ্ধে গিয়েছিল। যে দেশ আজ স্বাধীন। যে দেশ তাঁকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করবে! অথচ স্বাধীন দেশে একটি কেরানীর চাকরীও তার জোটেনি। মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাষ্ট কিংবা মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের সাহায্যে কখনও এগিয়ে আসেনি। তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থাও করেনি। যে যাই বলুক এভাবেই কাটছে হাজার হাজার অসহায় ও যুদ্ধাহত মহান মুক্তিযোদ্ধাদের দিন-কাল।

বিজয় অর্জনের পর থেকে বিভিন্ন সরকারের সময় মুক্তিযোদ্ধাদের তিনটি তালিকা হয়। তালিকায় নাম অন্তর্ভূক্তি সাপেক্ষে প্রতি মুক্তিযোদ্ধাকে মাসিক ৬০০ টাকা ভাতা দেয়া হয়। ভাতা প্রদানের শুরুতে যা মাত্র ৭৫ টাকা নির্ধারিত ছিল। পরে ৩০০ এবং আরও পরে এই ভাতা ৬০০ টাকায় উন্নীত করা হয়। পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে নানান অসুবিধা ...

ফেব্রুয়ারি
২১

মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রাক-পরিক্রমা?। দুই

সময় ০২:০৭:৫০


মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রাক-পরিক্রমা?। এক
http://prothom-aloblog.com/users/base/sknazrul/1358

বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস দীর্ঘ, রক্তাক্ত এবং সমৃদ্ধ। শহীদ মিনার সেই দীর্ঘ এবং অর্থবহ ইতিহাসেরই অনিবার্য উৎস। ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে রাজনৈতিক চেতনার সরাসরি সংশ্লেষই তার অর্জনের পথকে বাস্তবের দিকে প্রসারিত করেছিল। এ ইতিহাস সবার জানা যে, ১৯৪৭ সালে উপমহাদেশ বিভক্তির আগেও রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবি জোরালোভাবে উচ্চারিত হয়েছিল। পাকিস্তান ভাগ হবার পর ভারত থেকে আগত উর্দু ভাষাভাষী মুসলিম লীগ নেতারা কমন ভাষা হিসেবে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রত্যয় ঘোষণা করে। পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহও পূর্ব পাকিস্তানে উর্দু ভাষার পক্ষে তার দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করে। তারই ফলশ্রুতিতে বাংলাকে পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার দাবিতে বীর বাঙালি গণআন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হোস্টেলের ১২ নং ব্লকের সামনে ছাত্ররা একটি মিছিল বের করে। ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ দাবিতে মিছিলটি মুখরিত হয়ে ওঠে। বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে ভাষার দাবিতে আয়োজিত মিছিলে পুলিশ ...

ফেব্রুয়ারি
২০

মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রাক-পরিক্রমা? ।। এক

সময় ১৭:৫১:৩৪


ব্রিটিশ শাসনের শেষ সময়ে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা নির্ধারণ নিয়ে তৎকালীন মুসলিম রাজনীতিবিদ, চিন্তাবিদ ও মনীষীদের মধ্যে বিতর্কের সূত্রপাত হয়। ১৯৪৭ সালের ১৭ মে হায়দ্রাবাদে অনুষ্ঠিত উর্দূ ভাষা সম্মিলনে নিখিল ভারত মুসলিম লীগের কার্য্যকরী কমিটির অন্যতম সদস্য চৌধুরী খালেকুজ্জামান উর্দূকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসাবে ঘোষণা দেয়। এই ঘোষণার দু’মাস পর আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য ড. জিয়াউদ্দিন আহম্মদ উর্দূকেই পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে গ্রহণ করা উচিত বলে মত প্রকাশ করলে জ্ঞান তাপস ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ তার বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে কলকাতা থেকে প্রকাশিত দৈনিক আজাদ পত্রিকায় স্বনামে ‘পাকিস্তানের ভাষা সমস্যা’ শীর্ষক একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেন। রাষ্ট্রীয় ভাষা বাংলার দাবিকে অগ্রগণ্য হিসেবে উল্লেখ করে তিনি তাঁর সেই নিবন্ধে লেখেন, ‘যদি এরপরেও অন্য কোনো ভাষাকে রাষ্ট্রীয় ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার প্রশ্ন আসে, তা হলেই উর্দূর কথা চিন্তা করা যেতে পারে।’ ড. শহীদুল্লাহর বক্তব্যে বাংলাদেশের শিক্ষিত ও বুদ্ধিজীবী মহলে দারুণ আলোড়নের সৃষ্টি হয়।

  • ২৫টি মন্তব্য

জানুয়ারি
৩১

আহ! আমার শহুরে জীবন, বাহ!

সময় ০২:৫১:২৬


ঘনঘোর ঘরদোর, অট্টালিকা-উলঙ্গ আকাশ। সীমাবদ্ধ সবুজ বিবর্ণ ফুটপাথ। হাঁটলেই পায়ে পায়ে কনডম ও পলিথিন; রাতের বর্জ্য, কুকুরের হাকডাক, কাকের কণ্ঠনালী। হাত বাড়ালেই পার্লারের ফেসিয়াল, ব্রান্ডেড ব্রেশিয়ার, ফার্মজাত মেয়ে, উলম্ব রোদবহ পোড়াপোড়া দুপুর।

ট্র্যাফিক-জ্যামে ঘামের গন্ধ, লোডশেডিংয়ের ধর্ষণ, পানিসংকটে আঁশটে অন্তর্বাস, স্কুল বসছে সাইবার ক্যাফের রগরগা সেক্সসাইডে। বহুতল শপিংমল জিহ্বায় চাখে বয়লার বধূর রক্তশূন্য অধর। হাই নয় তবু হাইওয়ে, ফাইওভারে সাজানো নারীপল্লী, আন্ডারপাসের ক্ষীণ আলোয় জমানো বুকছোঁয়া উষ্ণউতসব, কর্কশ ক্যান্টনমেন্ট ঘিরে শব্দ ওঠে মিলনের বুটঝংকার।

রাস্তার নিতম্ভে লাল-নীল বিলবোর্ড। ঝুলেথাকা মডেলকন্যা! নাকি কলগার্ল কোলাজ? ফাইভস্টার হোটেল থেকে ভেসেআসা মরফিন স্লোগান- বিবস্ত্র আহ্বান। এয়ার-ফ্রেশনার-ছোপ ছোপ ফেভার ছড়িয়ে দেয় কমোড-ফ্লাসিংয়ে। মাথার ওপরে কাকভেজা ঘনকালো মেঘ- মাঝেমধ্যে ভেঁপু-ভেঁপু ভিআইপি বহর-আমাদের ভবিতব্য।

নির্জন পার্ক থেকে গলা বাড়িয়ে টা টা মারে মর্নিং গ্লোরির ফিকে যৌবন। বাহ! আমার শহুরে জীবন, বাহ! খুঁদক্ষুধা নিয়ে কত সহজেই টিনটিন টিনএজারের ...

জানুয়ারি
৩০

আমিও ভীষণ ব্যস্ত মহাসড়কের ট্যাক্সিক্যাবে

সময় ০৩:৩০:১৮


মাধবী, চলো আমাদের চাওয়াগুলো ডে-কেয়ারে জমা রাখি। ওখানেই শুরু হোক আত্মার অধিবেশন। তর্কে-বিতর্কে নির্ধারিত হোক প্রেমের বিধান। দিন-রাত তুমি-আমি পাথুরে কয়লায় মাজছি দাঁত। হাসছি অহর্নিশ তবু সাড়া নেই। তোমার মতো আমিও ভীষণ ব্যস্ত মহাসড়কের ট্যাক্সিক্যাবে। সময় নেই হাতে। যেতে হবে আত্মার যাদুঘরে; চাই ফরমালিন।

ফরমালিন দিয়ে কি টিকবে রিলেশন? আপেল, নাসপতি তো টিকছে বেশ! রাত টেকে না কেন, মাধবী? ঠোঁটছাড়া হয়ে যাচ্ছে আঙুরডাসা কিস। কত কিছু ফিরে আসে পিছনের পথধরে, ডে-কেয়ার থেকে ঘরে ফেরে দশমাস দশদিন। নদী ফেরে, মেঘ ফেরে; কোন কোন গোলাপও ফেরে পুরাতন স্মৃতিপথে। শুধু জীবন অনড় পায়ে ফিরে যায় মাটির ...

প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা ১২১৫