শূন্যতায় বসবাস

ফেব্রুয়ারি
২০

আমরা লোকমানের জন্য দোয়া করি।

সময় ১৮:১৬:০৪

আমাদের প্রিয় লোকমান একটা দূর্ঘটনায় আহত হয়েছে। আল্লাহর অশেষ রহমতে গুরুতর আঘাত থেকে সে রেহাই পেয়েছে। মোটর সাইকেল কেন্দ্রীক দূর্ঘটনাটায় তবে সে কিছুটা রক্তপাতের শীকার হয়েছে। ডাক্তার তাকে এখন সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে বলেছে। সে তার সব বন্ধুদের দোয়া চেয়েছে। আমরা তার জন্য দোয়া করি। আল্লাহ তাকে পুরোপুরি সুস্থ করে ...

  • ৩৪টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
০৯

কারিম ভাইয়ের আবেদন

সময় ০৯:৪১:৫০


(এই পোস্টটার স্বত্ব কারিম ভাইয়ের। তাঁর হয়ে আমি লিখলাম। কারিম ভাই বিশেষ কয়েকজন ব্লগারের জন্য ফিডার কিনতে ঢাকার বাইরে গেছেন। আইকন বদল করতে চান তিনি। পারছেননা।)

গতকাল মুকুট "ব্যাপক গবেষনা পোষ্টঃ সবার অংশগ্রহন কাম্য!!!!" হেডে যে জনগুরুত্বপূর্ণ পোস্ট দিয়েছিল, সেটায় একটা প্রশ্ন ছিল। সেটা হল: একেবারে নিচের নারীর ছবিটি কার পাশে বসবে? নারীটার ছবি ছিল প্রথমে একটা মূর্তির। মূর্তিটাকে জাজ করে মানবীটাকে খুব অসুন্দর মনে করে দেবদাস নাক সিটকিয়েছিল। হাসানও তাই করল। তারা কিভাবে মেয়েটাকে অন্যের হাতে গছিয়ে দিতে পারে সেই প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হলো। ভাবখানা এমন ছিল যে,নারীটির আমার পাশেই বসা উচিত; কিন্তু কদাকার রূপ দেখে মেনে নিতে পারছিনা। তাদের মূল দর্শন ছিল: ঠাকুর ঘরে কে রে? আমি কলা খাইনার মত। এরপর মূর্তি ভেঙ্গে মুকুট যখন সুন্দরী রমনীটাকে বের করে আনল, অমনি হাসান বলে ফেলল, হায় হায়, এইভাবে কপাল পোড়াইলাম কেন! দেবদাসতো প্রথমে একটু কাচু মাচু করল ভদ্রতার খাতিরে। পরে বুকিং দিল। ইমনের তেলে, বিবিএম আর শিমুর পাম্পে বুকিংটা পাকাপোক্তও করল। মুকুট বলল, একটু অপেক্ষা করতে। তড় সইলনা দেবদাসের! আর ভয়ানক ঘটনা ঘটল ...

  • ৮১টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
০৭

কাজল দিঘির জল।

সময় ১৫:০৭:১৬

কাজল দিঘির জল। এটা একটা উপন্যাসের নাম। তরুণ ঔপন্যাসিক হাফিজ আল ফারুকীর। খুব ঝরঝরে তরতাজা ১৩ পর্বের উপন্যাস। মজার ব্যাপার হলো প্রতিটা পর্বই একেকটা স্বাধীন গল্পের মত। আর পুরোটা দারুনভাবে বেঁধেছেন লেখক এক সূতোয়। মূল চরিত্র মানিকা। এই মেয়েটার চরিত্রটাই অনবদ্যভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি বিশুদ্ধ পানীয় জলের মত করে। লেখক কর্তৃক সৃষ্ট কোন মায়ার বাঁধন দিয়ে আপনাকে বাঁধতে হবেনা চরিত্রটিকে। লেখক তাঁর তুলি দিয়ে এমন কোন আঁচড় কাটেননি যেটা আরোপিত মনে হবে কিংবা মনে হবে কোন চরিত্রের প্রতি কিংবা কোন ধ্যান-ধারনার প্রতি পাঠকের দূর্বলতা তৈরি হোক। উপন্যাস বহমান নদীর মতোই এগিয়ে গেছে এবং আপনার অজান্তেই দারুন এক ভাল লাগা তৈরি হয়ে যাবে যেটা আমি মনে করি লেখকের বড় সার্থকতা।

বইয়ের শেষ প্যারা আপনাদের জন্য; পড়ুন:

" দিঘিতে সুন্দর টলটলে জল। জলের ভেতর মানিকার ছায়া দেখা যাচ্ছে। ছায়াটাকে কিছুতেই জলের ভেতরের ছায়া বলে মনে হচ্ছে না। আয়নার ছবির মতো মনে হচ্ছে। মানিকা জলের দিকে তাকিয়ে আছে। তার চোখেও জল। জলের ভেতর তার ছায়া দেখা যাচ্ছে ঠিকই, কিন্তু সেই ছায়ার ভেতর তার চোখের জলটাকে দেখা যাচ্ছে না।
জলের ...

  • ৭১টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
০১

সাধারন জ্ঞান জিনিষটা কী?

সময় ১০:২৭:১১

(সম্মান ১ম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্ককে ভিত্তি করে আমার এই লেখা।)

সাধারন জ্ঞান জিনিষটা কী? যখন আমরা এটা নিয়ে তর্ক করব, তখন এটার পরিধি এবং নকিং এরিয়া সম্বন্ধে আমাদের জানা উচিত। "সাধারন" শব্দটাই কিন্তু অনেক অর্থ পরিষ্কারভাবে উপস্থাপন করে। যে জ্ঞান একটা লেভেলে সবারই থাকা উচিত বলে মনে করা হয়, সেটাকেই আমরা সহজ দৃষ্টিকোণে সাধারন জ্ঞান বলতে পারি। এখন প্রশ্ন হলো সাধারন জ্ঞানের অতা বা পরিধি কতটুকু? আমাদের দর্শন কি বলে? বর্ণ, সংস্কৃতি, কৃষ্টি, বিজ্ঞান, সমাজ, রাজনীতি, অর্থনীতি, গণিত সব সবই থাকতে পারে এর আওতাভূক্ত। কথা হলো সব থাকতে পারলে ধর্ম কেন থাকতে পারবেনা? উত্তর হলো অবশ্যই পারবে। ধর্মতো মানুষের জন্যই। এ, বি, সি, ডি থাকতে পারলে আর-ও না থেকে পারেনা। A (Act, Action, Actor, Account), B(Book), C(Cost)…………S(Science)থাকতে পারলে R(Religion)-ও থাকতে পারে। আবার B(Book)থাকতে পারলে পরিধির ভিতর B(Belief)থাকতে সমস্যা কোথায়?
এখন আবার প্রশ্ন হলো "সবারই থাকা উচিত" - এখানে "সবার" ভিতর কে কে বা কারা থাকে কিংবা কাদের থাকা উচিত? ভাইটাপ প্রশ্ন এই জায়গাটায়। কাদের জন্য প্রশ্ন? এটার উত্তর খুঁজে পাবার আগে আমরা ধর্ম বিষয়টার বাইরে চলে যাই। ...

  • ৩৬টি মন্তব্য

জানুয়ারি
৩১

ব্লগাবিক চরিত কাহন - দুই

সময় ১৬:৪৯:৫১

এক । ।
পথচারী: ভাই আফনের বাড়ি কই?
সুজন: (সন্দেহ) ক্যান কি দরকার?
পথচারী: না মানে আফনে কই থাহেন?
সুজন: (লবনাক্ত রাগ) মিয়া দরকারটা কি? কিনবার চাও নাকি আমার ঘর বাড়ি?
পথচারী: বাই রাগেন ক্যান? এমনি জানতে চাইলাম।
সুজন: (বিষাক্ত রাগ) এমনি জানতে চাইবা কোন্ সাহসে? আমার ঘর বাড়ি দখল করবার চাও? মিয়া খাটাশ!
পথচারী: বাই মাফ কইরা দ্যান। আর কুনো দিন জিগামুনা। যাইগা।
সুজন: (উত্তেজিত) খাড়াও মিয়া। কিয়ের মাফ? জিগাইলা ক্যান হেইডার জবাব দিয়া যাও।

দুই । ।
পাশা: (বাজার থেকে ফিরছে। বিড় বিড় করছে) জিনিষপাতির এত দাম! শালার দ্যাশটা দোকানদাররাই চুইষা খাইয়া ফালাইল!
তৈয়ব: (পেছন থেকে ডাকতে ডাকতে)পাশা ভাই, ও পাশা ভাই, তোমার ব্যাগ থেকে সব কই মাছ পড়ে যাচ্ছেতো!
পাশা: (মেজাজ বিগড়ে) বাজার থকে কিনছি কই মাছ। ব্যাগে আছেও কই মাছ! তো এখন ঐ ব্যাগ থিকা কই মাছ পড়বোনাতো বোয়াল মাছ পড়বো? গবেট কোথাকার!

তিন । ।
কারিম ভাই আর দেবদাস মদে চূড় হয়ে একটা ল্যাম্প পোস্টের নিচে দাঁড়িয়ে ল্যাম্প পোস্টের লাইটটা নিয়ে ঝগড়া করছে।

কারিম ভাই : এই দেখ্ সূর্যটা কত্ত নিচে নেমে এসেছে! দারুননা?
দেবদাস: ধ্যাৎ মূর্খ! এইটা সূর্য না। এইটা ...

  • ৯২টি মন্তব্য

জানুয়ারি
২৭

ব্লগাবিক চরিত কাহন - এক

সময় ১১:০৯:০০

এক ।।
আরিফ: (দরজা খুলে ঘুমু ঘুমু চোখে) আরে দেবদাস ভাই, আপনে ক্যামেরুনে!! ক্যামনে আইলেন? আশ্চর্য্য!
দেবদাস: ফকির হয়া গেছি!! ব্যাবসা, পারু, চন্দা - সবকিছুতে মন্দা। হাঁটতাছি বেহুদা। এইখানে সব কালো মানুষ দেইখা মনে হইলো আসে পাশে আরিফের বাসা হইবো।
আরিফ: আসেন বাসায় আসেন। হাঁটতে হাঁটতে ক্যামেরুনে চইলা আইলেন!
দেবদাস: ফকিরতো আমি!(কান্না) ভিখারীর চেয়েও নিচে নাইমা গেছি। হাঁটতে হাঁটতে ক্যামেরুনে চইলা আসছি। (কান্না বাড়ছে)খিদা লাগছে। কাবাব খাব। নান রুটি দিয়া। (ড্রইংরুমে একটা মেয়েকে দেখে) এই কালা মাই্যাটা কে? পারু না চন্দা?
আরিফ: আরে কি বলেন? এ পারুও না, ছন্দাওনা। মিস এডিওমোসি। আমার বন্ধু।
দেবদাস: ও! আমার মাথা খারাপ হয়া গেছে। চারিদিকে খালি পারু আর চন্দ্রা দেখি! আইচ্ছা, তুমি আমারে চন্দ্রারে ভিক্ষা দিতে পারো!
আরিফ: এ্যঁ, বলেন কি? আমার কাছে এখন মরিচ ছাড়া কিসসু নাই। মরিচের ব্যাবসা ধরছি।
দেবদাস: ঐ মরিচ দিয়াই সুন্দর কইরা একটা মালা বানাইয়া দাও। চন্দ্রা আমারে পড়াইয়া দিব। আহ শান্তি! এখন আমারে মরিচের জুস দাওতো এক গেলাশ!

দুই ।।
সজল শর্মা: আরে কারিম ভাই, আপনি আমার ইউনিভার্সিটিতে! কিসে ডিগ্রী ...

  • ৪৯টি মন্তব্য

জানুয়ারি
২৫

আঁমাঁর আঁল্লাহ নঁবীঁজীঁর নাঁম........।

সময় ১২:৫১:১৭


সকাল বেলা মতিঝিলের ফেডারেশন ভবনে ঢুকতেই দেখি জাপানী পোষাক পড়া কিছু লোক চেঁচামেচি করছে। তাদের কথা শুনলাম কান পেতে। তারা বলছে- আঁমাঁর আঁল্লাহ নঁবীঁজীঁর নাঁম........।

ওমা ভিক্ষুক এরা। তো ফেডারেশন ভবনের এখানে কি এত সকালে? আমি এগিয়ে গিয়ে একজনের কাছে জানতে চাইলাম, ব্যাপারখানা কি?
সে বলল, আমগো পেশা বিকখা। নতুন নিয়োগ পাইছি আমরা। জাপান থেইকা আমগো পোষাক আইছে। এই দেহেন। খুব গর্বের সাথে পোষাক দেখিয়ে সে আরো বলে, আমগো ওস্তাদ উপরে গেছে। বলেই আবার সে শ্লোগান ধরে - আঁমাঁর আঁল্লাহ নঁবীঁজীঁর নাঁম........। বাঁবাগোঁ দুঁইডা ট্যাঁহা দিঁয়া যাঁন। বলেই সে আমার দিকে তার জাপানী থালাটা বাড়িয়ে ধরে। আমি বেকুবের মত দুইটাকার কয়েন তার থালায় দেই। সে আমার দিকে তাকিয়ে হাসে আর চোখ টিপ মারে। তারপর আবার গান ধরে।

আমি অফিসে এসে শুনি ভিক্ষা ব্যাবসার রমরমা কাহিনী। এক ব্যাংকার বন্ধু জানাল, ব্যাংকে হিউজ এলসি হচ্ছে। সব জাপান থেকে ভিক্ষুকের পোষাক আমদানীর এলসি। ব্যাংক ব্যাবসায়ীরা মহাখুশী। তাদের ব্যাবসা এখন রমরমা। বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার সাপ্লাই দিয়ে কূল কিনারা পাচ্ছেনা।

দুপুরে শুনি ভিক্ষুকদের লিডার এফবিসিসিআই ...

  • ৮১টি মন্তব্য

জানুয়ারি
২৪

মাননীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, আপনাকে বলছি।

সময় ১৯:৪৬:৪১


মাননীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, আপনাকে বলছি।

উপজেলা নির্বাচন নিয়ে যা ঘটেছে, আমরা সবাই পত্র পত্রিকায় দেখেছি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার খুব স্পষ্ট ভাষায় উষ্মা প্রকাশ করেছেন। তিনি এও বলেছেন তিনি নির্বাচনের আগের দিন মন্ত্রী পরিষদ বিভাগকে একজন মন্ত্রীর অতিরিক্ত বাড়াবাড়ির ব্যাপারে জানিয়েছেন। কোন এ্যকশন বা রিএ্যকশন হয়নি আপনাদের। যেই প্রধান নির্বাচন কমিশনার এটা ওপেন বললেন, অমনি আপনি জানালেন নির্বাচন কমিশনকে আপনারা "ব্ল্যান্ক চেক" দিয়েই রেখেছেন। এরপর কোন সমস্যা হলে সেটা নির্বাচন কমিশনের ব্যার্থতা।
ব্ল্যান্ক চেক বলতে আপনি পুলিশ আর্মী দেয়াকে বুঝিয়েছেন। কিন্তু এটা ব্ল্যান্ক চেক হল কেন বুঝলামনা। এটাতো হতে বাউন্ড। আপনারা দিলেন কোথায়? সাংবিধানিকভাবেই নির্বাচন কমিশন এটা পায়।

মাননীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, আপনি কিন্তু বার বার মন্ত্রীদের প্রভাব খাটানো, এমপি কর্তৃক নির্বাচনী কর্মকর্তাদের শারীরিকভাবে নিগৃহীত হওয়াটা এড়িয়ে গেছেন। এসব নিয়ে কোন শব্দ করেননি। আপনারা কেউ করেননি। সাংবাদিকের ঝাঁকের মাইক্রোফোন মুখের সামনে দেখলেই আপনি নিজেদের "প্রশংসিত" করে খোঁড়া ...

  • ৩৯টি মন্তব্য

জানুয়ারি
১৫

মূলার মূল্যমান জানিতে চাহিয়া পটল তুলিতে যাইবেননা।

সময় ১০:৪১:২৪


জনাব পরবাসী, সুদূর ক্যামেরুনে অবস্থান করিয়া আলট্রা ডিজিটাল পদ্ধতিতে কারিম ভাইয়ের মূলার ফ্যাক্টরী ভিজিট করায় আমরা রপ্তানীকারক হিসাবে যারপরনাই আনন্দিত। আমরা ১০০০% গ্যারান্টি দিতেছি যে এই মূলা বিশ্বের এক নম্বর মূলা এবং ইহার মাধ্যমে নিপুণতার সহিত সহস্রাধিক গুণাবলী সম্পন্ন অতীব কল্লোলিত কলা এবং মায়াবতী ব্যাম্বো তৈয়ার এবং মেরামত করা যায় - যা কিনা ইউরুপ সহ 'মেরিকা, গ্রহ, নক্ষত্র, চন্দ্র- চন্দ্রিকা এমনকি সূর্যসহ সৌরজগতের সর্বত্র অতীব যত্নের সহিত রপ্তানী করা হয়। বাকি ছিল কেবল ক্যামেরুন। আমরা অত্যন্ত আহলাদিত যে আপনি ইহা দিয়া আপনার রাষ্ট্র মোড়াইয়া ফেলিতে চাহিয়াছেন। আপনাকে আশ্বস্ত করিতেছি যে গাইবান্ধায় উতপাদিত মূলা গুলশানে বিশেষায়িত হয় তেজগাঁওয়ের রংমহালে এ্যসেম্বলিং হওয়ার পর। মাঝখানে ইহা কানাডা এবং জাপান ঘুরিয়া আসে ল্যাবরেটরীর টেস্টিং ও আইএসও সার্টিফাইড হইয়া আসিবার জন্য। আপনি শুনিয়া খুশি হইবেন যে যাবতীয় মূলা স্বপ্রনোদিত হইয়া ওই ফাঁকে স্পেনেও ঘুরিয়া আসে শরাবে ডুবিবার জন্য। তারপর মেহফিলে নাচে গানে মাতিয়া নিজ গুনে অতীব উন্নতমানের ব্যাম্বোতে রূপান্তরিত হয় - যা কিনা পৃথিবীর ...

  • ৭৮টি মন্তব্য

জানুয়ারি
১৪

চাঁদের আলো হতেম যদি

সময় ২০:৩৪:০৪


তুমি হে মানব, অথবা মানবী; কেন তুমি মানুষ? কেন নও ঘাস? কিংবা ঘাসফুল? হতে কি পারতেনা ঘাসফুলের উপর চড়ে বেড়ানো ছোট্ট পিঁপড়াটি? অথবা ঘাস ফড়িং? উড়তে মনের আনন্দে - ফুল থেকে ফুলে! অথবা হতে পারতে বালুকনা কিংবা বালুতট; দেখতে তুমি অজস্র উদাসী মানুষ! অথবা হতে যদি গুল্মলতা কিংবা সামুদ্রিক জীবাস্ম; ডুবতে লবনানক্ততায় - খেতে নোনা জলের বিলাসী বা অবিলাসী আঘাত! পারতেনা হতে চাঁদের আলো কিংবা সূর্য রশ্মি কিংবা গ্রহাণুপুন্জ - সীমা ছাড়িয়ে সীমারই বাইরে?

হলেতো মানুষ! হলে যখন মানুষ, জন্মেছো তুমি কোন্ ঘরে? কোন্ সময়? কোন্ কালে? কোন্ দেশে? পারতেনা জন্মিতে আরো হাজার বছর পরে? কিংবা হাজার বছর আগে? এখনই যথন জন্মালে, কেন জন্মালেনা ইউরোপ কিংবা আমেরিকায়? কেন হয়নি তোমার জন্ম দুবাইয়ের কোন রাজ পরিবারে? আজ তোমার যেসব বিষয় নিয়ে চিন্তা কিংবা মাথা ব্যথা, সৌদি কোন রাজপরিবারে জন্মালে নিশ্চিত ঐ ব্যথাগুলো কি জিনিষ বুঝতেইনা। তোমার মাথার বলয়ে থাকত আরো রাজকীয় সব চিন্তা - অনুভুতি।

ওহে মানব, অথবা মানবী; এটা কি তোমার ভাগ্য? তুমি কি নিজেই লিখেছো এটা? কোন্ কলমে লিখলে? তোমার অর্থ কাঠামো-সমাজ কাঠামো-চিন্তার কাঠামো কোন্ কলমে লেখা?

হে ...

  • ২৫টি মন্তব্য

প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা ১২১৫