মুম্বাইয়ের তাজ প্যালেসে হামলা হতাহত তিনশতাধিক / প্রতিক্রিয়া
রাত এবং দিনের মতই সত্য পৃথিবীতে ভাল মানুষের চেয়ে খারাপ মানুষ বেশি। আর তাদের দাপটে অস্থির সবাই। আমেরিকার মহান প্রেসিডেন্ট বুশ সাহেব কোন দলে পড়েন তা সবাই জানেন। আল কায়দা প্রধান লাদেন কেমন মানুষ তা কারো অজানা নয়। ভারতে যারা মাঝে মাঝেই বোমা মেরে মানুষ মারে তারা কেমন সেটা তাদের আচরণেই পরিষ্কার। আমরা কী আমাদের দেশের ১৭ আগেস্টর কথা ভুলে গেছি। সারা দেশে সিরিজ বোমার আঘাতে অনেকে মারা গেল। বাংলা ভাই শায়খ রহমানরা ধরা পড়ল। ফাঁসি হলো। কিন্তু সন্ত্রাস কি বন্ধ হয়েছে। মানুষ তো এখনো খুন হয়। জঙ্গীরা আপাতত গোপনে কাজ করছে। সংগঠিত হচ্ছে।(প্রথম আলোর তথ্য।)
এই মুম্বাইয়ে যে ঘটনা ঘটলো। অটো৪৭ দিয়ে গুলি করে শতাধিক মানুষের প্রাণহাণী। ডিকান মুজাহেদিন নামের একটি সংগঠন এর দায় স্বীকার করেছে। তাদের লক্ষ এন্টিটেররিস্ট। একবার ভাবুন তো কী অবস্থা সেখানে। মুম্বাইয়ের তাজ প্যালেস এখন রক্তে ভাসছে। হামলাকারীরা বৃটেন ো আমেরিকানদের খুঁজছে বলে স্থানীয়রা পুলিশকে জানিয়েছ। (সুত্র বিবিসি)
এইভাবে চলতে থাকলে আমাদের দেশে এর প্রভাব পড়বে সামনে নির্বাচন। আমরা অনেকদিন পর একটা নির্বান আশা করছি। যা হলে দেশে নাকী গণতন্ত্র আসবে। গণতন্ত্রই আসুক আর যাই আসুক সরকার নিয়া তো কেউ বৈধতার প্রশ্ন তুলতে পারবে না। কিন্তা ভারতের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে আমরা বুঝি অনেকটা পিছিয়ে যাব। আমার আর সহ্য হয় না।
তাজে হামলাকারীরা কী চায়। তাদের উদ্দেশ্য যদি ভারতকে অস্থিতীশীল করা তাহলে মুম্বাই কেন। মুম্বাই দেশটির অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখে বলে। হতেই পারে এমনটা।
এর আগেো ভারতে এমন ঘটনা ঘটেছে। মানুষ মরেছে। ভারত সরকার কী করে। আমাদের দেশে না হয় বিএনপির সঙ্গে জঙ্গীদের আতাত আছে। পিন্টু মিয়া জঙ্গীদের টাকা দেয়। হামলার পরিকল্পনা করে বাসায় বসে। ভারত সরকারের ভেতরো কী তাহলে এমন কেউ আছে। নাকী সরকারই এসব করে আমাদের ভয় দেখাচ্ছে।
পাকিস্তানে বেনজিরের রক্তের দাগ এখনো শুকোয়নি। সেই দেশেো অস্থিরতার শেষ নেই। এখন কেবল আমাদের এই লাল সবুজ ছোট্ট দেশে কীছু হবার বাকি। বাকি বলাটাো তো বোকামী। অনেক কিছুইতো আমাদের দেশে হয়েছে। কিন্তু আমরা সাবধান হতে জানিনা। জামায়াতকে নিবন্ধন দেই। ইসলামীক দলকে নিবন্ধন দেই। আমরা সংবিধান মানার নাম কের দেশকে আফগান বানানেরা পায়তারা করি।........

Phonetic
ধন্যবাদ সংকলিত খবর গুলোর জন্য..
ভালো লিখছেন।

কাল পত্রিকা পড়ে পুরোপুরি ক্লিয়ার হতে হবে
ধিক্কার এসব হামলাকারীদের প্রতি! সমবেদনা হতাহত পরিবারের জন্য!
আমরা সংবিধান মানার নাম কের দেশকে আফগান বানানেরা পায়তারা করি?? এইটা আমার ও প্রশ্ন।
আমরা সংবিধান মানার নামে কেনো দেশকে আফগান বানানেরা পায়তারা করি?? এইটা আমার ও প্রশ্ন।
সংবিধান মানা এবং দেশকে আফগান বানানো বলতে আমি বোঝাতে চেয়েছি যে, আমরা সংবিধানের দোহাই দেই আবার ইসলামিক দলগুলোকে রাজনৈতিকদল হিসেবে নিবন্ধনও দেই। এই কথাটাই একটু বাঁকা করে বলেছি আর কী। ভুল বোঝাবার চেষ্টা করিনি। তাছাড়া মধ্যরাতে লিখেছি বুঝতেই পারছেন। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
সুষ্ঠু তদন্ত ছাড়া এর ব্যাপারে কিছু বলা সমীচীন হবে না। তবে "ডেকান মুজাহিদীন" নামক এক সন্ত্রাসী সংগঠন এর দায়দায়িত্ব স্বীকার করেছে।
ইসলামী এসব মুজাহিদীন সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে একটা আন্তর্জাতিক বয়কট শুরু করতে হবে। যাতে করে সকলে এদেরকে প্রত্যাখ্যান করে। কেউ যেন বিশ্বাস করে না যে, এভাবে মানুষ হত্যা করে মরলে শহীদ আর বাঁচলে গাজী - এই ধারণ মিথ্যা। কোরআন বা কোনো ধর্মীয় গ্রন্থই একথা বলতে পারে না।
খবরটা শুনে থান্ডার হয়ে গেছি। বিশ্ব মানব এক কাতারে দাঁড়িয়ে এসবের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে।
খবরটা অত্যন্ত মর্মান্তিক। মানুষ হত্যা করে কখনো ইসলাম কায়েম হতে পারে না। ইসলাম শান্তি ও মুক্তির ধর্ম। উল্লেখ্য যে, হযরত শাহজালাল (রহ
যখন শ্রীহট্ট (বর্তমান সিলেট) জয় করেন তখন কোন রক্তপাতের প্রয়োজন পরেনি। জোড় করে কাউকে অনুগত করা যায় হয়তো কিন্তু সেখানে শ্রদ্ধা থাকে না। ইসলাম কখনো অন্য ধর্মের মানুষকে অসম্মান করতে বলে না।
যাই হোক, কোন অজানা স্বার্থে ইসলাম এরা শুধুই ব্যবহার আমার মনে হয়।
মনে হয় আমাদেরী ব্যর্থতা, আমরা তাদের সঠিক পথ দেখাতে বা প্রতিহত করতে পারছি না।