কাঙাল বলে কাকে

জানুয়ারি
১৮

টেষ্ট পোষ্ট

সময় ০৬:৪৬:৩৬

শামীমা সুমির পোষ্ট প্রথম পাতায় আসে না । তাই আমি কামাল উদ্দিন তার আইডি নিয়ে ট্রাই করে দেখছি পোষ্ট আসে কিনা ...

  • ৭টি মন্তব্য

জানুয়ারি
১৮

আমার দু:খ

সময় ০৩:৫৬:১৬

কাজলা দিদির কথা মনে আছে?
বাঁশবাগানে মাথার ওপর চাঁদ দেখানো দিদিকে ভুলে ...

  • ২টি মন্তব্য

জানুয়ারি
০৩

আমি কী প্রথম আলোব্লগে ব্যান? নাহলে আমার লেখা প্রকাশ হচ্ছে না কেন। সাধারণ কিছু কথা, হাসিনা-খালেদার প্রতি

সময় ১৯:১৭:০৪

আমি বঝুতে পারছি না আমার লেখা ক'দিন ধরে ব্লগে প্রকাশ করা হচ্ছে না। যেমন নিচের এই লেখাটি। এরকম আচরণ না করে সোজা জানিয়ে দিলেই তো হয়। আমি কষ্ট থেকেই লিখছি কথাগুলো কারও খারাপ লাগলে কিছুই করার নেই। দু:খিত।
...........................................................
যুদ্ধাপরাধী এবং দুর্ণীতির প্রশ্নে একট্টা হয়ে বাঙালি এবারের নির্বাচনে মহাজোটকে ভোট দিয়েছে। মহাজোটের এই বিজয়ে সবাই পুলকিত। প্রথমেই এই জয়ের পর প্রশ্ন ছিল চারদলীয় জোট এই পরাজয় মেনে নেবে কী না। প্রথম দিকে তাদের মধ্যে বোধ হয় কনফিউশন ছিল। ফলে একাধিক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতারা বলে ফল প্রত্যাখ্যানের কথা আইনী লড়াইয়ে যাবার কথা বলে আসছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা তাদের ভুল বুঝতে পেরেছে। তাদের পরাজয় তারা মেনে নিয়েছে। আর মহাজোট চারদলীয় জোট থেকে ডেপুটি স্পিকার বানানোর কথা বলে দেশবাসির প্রশংসা পেয়েছে। হাসিনর প্রথম সংবাদ সম্মেলনও ছিল অনেক প্রাণবন্ত। তিনি আগের মতো বেফাশ কথা বলেননি। হাসি দিয়েই ভুবন জয় করতে চেয়েছেন, তিনি পেরেছন। তাকে অভিনন্দন।
সারা দেশে বিক্ষিপ্ত কিছু হামলার খবর পাচ্ছি। এজন্য হাসিনা খালেদা দুজনকেই আরও সজাগ হতে হবে। সাধারণ ...

ডিসেম্বর
২৬

শীর্ষ ব্লগার বন্ধুদের শুভেচ্ছা অভিনন্দন!

সময় ২০:২১:৫৫

প্রথম আলোব্লগে লেখা যেদিন থেকে শুরু করি, সেদিনই শীর্ষ ব্লগারদের একটা তালিকা চোখে পড়ে। আমি আনন্দিত হই, এই ভেবে যে আমি এই শীর্ষ ব্লগার বন্ধুদের লেখা পড়তে পারবো। তাদের সঙ্গে মন্তব্য বিনিময় হবে। হচ্ছেও তাই। যাদের লেখা স্টিকি হতে দেখেছি এক সময় তাদেরকে ঈর্ষা করতাম আবার ভালোবাসতাম এই ভেবে যে তারা অনেক বড় বড় লেখা লিখে আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করছেন। এই ক'দিনে আমারও দুটি পোস্ট স্টিকি এবং নির্বাচিত পোস্ট হিসেবে আলোচনায় ছিল। খুব ভাল লেগেছে শুরুতে। আবার এও ভেবেছি যে, হায় হায় এ-কী হলো- আমার অখাদ্য কু-খাদ্য লেখাও শেষ পর্যন্ত? ধ্যাত লজ্জা পেতে শুরু করলো। এখন আর সেই লজ্জাও নেই। এখন কেবল ভাললাগা।
এই পোস্টের মাধ্যমে আমি এটা জাহির করতে চাচ্ছি না যে আমি খুব ভাল লিখি।
আমাদের প্রায় সকল বন্ধুর লেখাই আমি মনযোগ দিয়ে পড়ি। মাঝে মাঝে মন্তব্যও করার চেষ্টা করি জানিনা তা হয় কী না। আমার মন্তব্য পড়ে অনেকে হাসে। আবার কেউ কেউ মন খারাপও করে। আমি দু:খিত। মাফ করবেন।
আমরা সবাই(আমি ছাড়া) মিলে একটা উপন্যাস লিখে ফেললাম, কী সুন্দর সব কথামালা। ভাললাগে। এই ভাবে আমরা সবাই মিলে যদি ভাল ভাল লেখা দিয়ে আমাদের ...

ডিসেম্বর
২৫

নির্বাচনের পর প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন না হলে আমাদের করনীয়।

সময় ২১:৩০:৩৭

সামনে নির্বাচন। রাজনীতির মাঠ গরম। বাইরে হিমেল হাওয়া থাকলেও উত্তেজনা আর উত্তাপের শেষ নেই। প্রার্থী-সমর্থক সবাই উত্তপ্ত। ভোটারদের দুয়ারে দুয়ারে যাচ্ছেন। ভোট প্রার্থনা করছেন। এই সময় সাধারণ ভোটার হিসেবে নিজেকে খুব সম্মানিত মনে হয়। সব দলের প্রার্থী আসছেন। হাত মেলাচ্ছেন। জড়িয়ে ধরছেন। কাঁদো-কাঁদো গলায় ভোট চাইছেন। আমার খুব ভাল লাগে। আমার মতো সবাই-ই এই বিষয়টা উপভোগ করছেন। আমাদের মানে ভোটারদের এই ভাললাগাটা যেন নির্বাচনের পরেও থাকে। নির্বাচনের পর আমরা কী কী করতে পারি তা এই পোস্টের বিষয়। আশা করি গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল ভেবে কেউ বিরক্ত হবেন না।
আওয়ামী লীগ তাদের ইশতেহারের নাম দিয়েছে দিন বদলের সনদ। আর বিএনপি-দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও।
এখানে আমি কারও ইশতেহার নিয়ে কথা বলছি না। ইশতেহারের বাইরে প্রার্থীরা সাধারণ ভোটারদের যেসব প্রতিশ্রুতির কথা বলছেন তা মনে রাখবেন। এবার আমাদের করণীয় কী বলছি- প্রার্থীদের আমরা যা বলতে বা মনে করিয়ে দিতে পারি-
০ তিনমাস চলে গেল রাস্তা ঘাটের উন্নতি হলো না। রাস্তার অভাবে অমুকের স্ত্রীকে হাসপাতালে নেবার পথেই সন্তান প্রসব করতে হয়েছে ফলে ...

ডিসেম্বর
২৪

না ভোট? হ্যাঁ, আসুন না ভোট দেই।

সময় ০৩:২৪:৫৮

সংসদ সদস্যদের বলা হয় সাংসদ/সংসদ সদস্য। তারা আমাদের জন্য আইন প্রণয়ন করেন। আমরা তাদের প্রণীত আইনের প্যাঁচে জীবন পেঁচিয়ে ফেলি। কী সুন্দর কথা। আমরা মানে জনগণের যেন কিছুই বলার করার নেই। আমাদের জন্য যারা আইন প্রণয়ন করবেন আমরা তাদেরকে নির্বাচিত করি-গণতন্ত্রের জোরে। গণগন্ত্র আপনাকে আমার লাল সালাম। আপনি আছেন বলেই আমরা ভোট দিয়ে আইন প্রণেতার নামে চোর বদমাশদের মহান সংসদে পাঠাতে পারি। তারা সংসদে গিয়ে সংসদের পবিত্রতা নষ্ট করে। সংসদকে শুয়োরের খোয়াড়ে পরিণত করে। তারপরও আমরা তাদের কিছু বলি না। কারণ আমাদের তো ভোট দেবার পর আর কিছুই করার থাকে না। যা থাকে তা হল সহ্য করার ক্ষমতা বাড়ানো। আমরা কেবল সহ্য করতে পারি-হরতাল, ভাঙচুর, লুটপাট, গম চুরি, টিন চুরি, বাড়ি দখল, সরকারি জমিতে বাড়ি, রাস্তা নির্মান, মারধর,...সহ আরো নানা কিছু। ... লিখতে হলো একারণে যে সহ্য করতে করতে আমাদের অনেক কিছু আর মনে নেই। আমরা ভুলেও যেতে পারি সহজেই। ভুলতে পারলেই যেন আমাদের সকল সুখের পূর্ণতা পায়। আর মাঝখানে দুই বছর তেলাপোকায় খেয়ে ফেলায় তো আরও ভুলে গেছি। নাহ-পত্রিকাওয়ালাদের মাধ্যমে আমরা বরং এই দুই বছরে অনেক কিছু নতুন করে ...

ডিসেম্বর
২৪

কারণটা কী ভাই

সময় ০১:৫৬:৪২

এই নির্বাচনে জনগণের জয় হোক-শিরোনামে আমি একটি পোস্ট দিলাম কিন্তু তা সাম্প্রতিক পোস্টের তালিকায় থাকলেও প্রকাশিত ব্লগের তালিকায় দেখা যাচ্ছে না। কারণটা বুঝতে পারছি না। কেউ কী ...

  • ৯টি মন্তব্য

ডিসেম্বর
২৩

এই নির্বাচনে জনগণের জয় হোক। না ভোটের জয় হোক।

সময় ২৩:৪৫:৩৭

সংসদ সদস্যদের বলা হয় সাংসদ/সংসদ সদস্য। তারা আমাদের জন্য আইন প্রণয়ন করেন। আমরা তাদের প্রণীত আইনের প্যাঁচে জীবন পেঁচিয়ে ফেলি। কী সুন্দর কথা। আমরা মানে জনগণের যেন কিছুই বলার করার নেই। আমাদের জন্য যারা আইন প্রণয়ন করবেন আমরা তাদেরকে নির্বাচিত করি-গণতন্ত্রের জোরে। গণগন্ত্র আপনাকে আমার লাল সালাম। আপনি আছেন বলেই আমরা ভোট দিয়ে আইন প্রণেতার নামে চোর বদমাশদের মহান সংসদে পাঠাতে পারি। তারা সংসদে গিয়ে সংসদের পবিত্রতা নষ্ট করে। সংসদকে শুয়োরের খোয়াড়ে পরিণত করে। তারপরও আমরা তাদের কিছু বলি না। কারণ আমাদের তো ভোট দেবার পর আর কিছুই করার থাকে না। যা থাকে তা হল সহ্য করার ক্ষমতা বাড়ানো। আমরা কেবল সহ্য করতে পারি-হরতাল, ভাঙচুর, লুটপাট, গম চুরি, টিন চুরি, বাড়ি দখল, সরকারি জমিতে বাড়ি, রাস্তা নির্মান, মারধর,...সহ আরো নানা কিছু। ... লিখতে হলো একারণে যে সহ্য করতে করতে আমাদের অনেক কিছু আর মনে নেই। আমরা ভুলেও যেতে পারি সহজেই। ভুলতে পারলেই যেন আমাদের সকল সুখের পূর্ণতা পায়। আর মাঝখানে দুই বছর তেলাপোকায় খেয়ে ফেলায় তো আরও ভুলে গেছি। নাহ-পত্রিকাওয়ালাদের মাধ্যমে আমরা বরং এই দুই বছরে অনেক কিছু নতুন করে ...

ডিসেম্বর
১৪

ইশতেহারঙ্গ ও একটি মৌলিক প্রশ্ন, যার উত্তর নেই।

সময় ১০:১৫:৫৬

সামনে নির্বাচন। এখন আমরা জনগণ রাজনীতিকদের কাছে অনেক কিছু প্রত্যাশা করবো। তারাও তা পুরণের মধুমাখা প্রতিশ্রুতি দেবেন। পথের ধুলো গায়ে মেখে, মাথার ঘাম পায়ে ঝড়িয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে তারা ঘুরে বেড়াবেন। এমনটিই হচ্ছে সারা দেশে। প্রার্থীদের আনাগোনা ঠেকাতে কোথাও কোথাও ভোটার(মহিল)বলছেন-উনি তো বাসায় নাই, আর অন্যপক্ষ(পুরুষ)দরজা না খুলেই বলছেন-আমি বাসার কাজের ছেলে স্যার, ম্যাডাম অফিসে গেছে, দুই দিন পরে আইসেন(?!)।
রাজধানীর পুরান ঢাকা এলাকায় এক সাংবাদিক গ্যাছেন নির্বাচনী প্রচারণা দেখতে । তিনি প্রার্থীকে বললেন-ভাইজনা দুই-একজন ভোটারের সঙ্গে কোলাকোলি করলে টিভিতে দৃশ্যটা সুন্দর লাগতো। বলা শেষ হতে না হতেই নেতা যা করলেন তা ওই দিন টিভিতে দেখানো হয়নি। আসলে নেতা সাহেব কোলাকোলির কথা শুনে আর নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি। পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন কলেজ পড়ুয়া বালিকা নেতা তাকেই জড়িয়ে ধরেন। তারপর একটা শব্দ হলো- চপেটাঘাতের।
এবার হাসিনা-খালেদার দলের কথা বলি।
ক'দিন আগে হাসিনা আপা তাঁর দলের নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করলেন। তিনি প্রকাশ্য ভাষনে কয়েক মিনিট ধরে চারদলীয় জোটের চাপা দেয়া ...

  • ৩টি মন্তব্য

ডিসেম্বর
১১

ছোটদের জন্য নূর সিদ্দিকীর গল্প

সময় ০৩:২৩:৩২

গল্পটা বিডিনিউজ২৪.কম কিডজ এর ঈদসংখ্যা থেকে পাঠকদের জন্য তুলে দিলাম। আমার ভাল লেগেছে। আশা করি আপনাদেরও ভাল লাগবে। আর + - তো আছেই।
লিংক:http://kidz.bdnews24.com/golpo.php?golpoid=57

মি. হাকলি
নূর সিদ্দিকী


বিজ্ঞানী চিলায়ে ফু হাকলির নাম নিশ্চয় শুনেছো। কিংবা তাঁর সেই বিখ্যাত কলমের কথা, যে কলম কেবল লিখতেই পারে না, তা দিয়ে তোমাদের বয়েসীরা স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় রশি-লাফ খেলতে পারে। তোমরা কি জানো তিনি এটা তাঁর কত বছর বয়সে আবিষ্কার করেছিলেন। ঠিক আছে তাও বলে দিচ্ছি। তখন চিলায়ে ফু হাকলির বয়স ছিলো মাত্র ১৭ বছর ৪শ ১০ দিন।...
মন্টু ভাই মানে রিম্পি আর পম্পির বড় মামার ছেলে সেজাকুল হক মন্টু এভাবেই মাত্র গল্পটা শুরু করেছিলেন। প্রথমেই তাতে নাক গলালো রিম্পি।
রিম্পি বিজ্ঞের মতো বলতে শুরু করে, “১৭ বছর বুঝলাম কিন্তু ৪শ ১০দিন মানে কী। ৩৬৫ দিনে এক বছর। ৪শ ১০ দিনে এক বছর ৪৫ দিন মানে এক বছর দেড়মাস। সব মিলিয়ে ১৮ বছর একমাস পনের দিন।”





রিম্পি সবে ক্লাস নাইনে উঠেছে। গল্পে বিঘ্ন সৃষ্টি করলেও সময় ব্যয় না করে এবং ক্যালকুলেটর ছাড়াই হিসেবটা করে ফেলায় মন্টু ভাইয়া মোটেও রাগ করেননি।
মন্টু ...

প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা ১২১৫