দেশটার একটু পরিবর্তন হোক....

ফেব্রুয়ারি
২৭

রম্যরচনা: প্রসঙ্গ- তৈলপদার্থ

সময় ১৯:১২:৩২

কাউকে যদি প্রশ্ন করা হয়, পানির অপর নাম কি? উত্তরটা সকলেরই জানা। উত্তরে অবশ্যই আসবে “জীবন”। পানি ছাড়া এ পৃথিবী এক মুহূর্ত কল্পনা করা যায় না। মাটির তলদেশের পানি, পুকুরের পানি, নদীর পানি, সমুদ্রের পানি। সব স্তরের পানি এ পৃথিবীকে টিকিয়ে রেখেছে তা নিঃসন্দেহে বলে দেয়া যায়। আমি যদি বলি, সমুদ্রের পানি মানুষ ব্যবহার করতে পারে না। তাই সমুদ্র এ পৃথিবীতে না থাকলেও চলে। সমুদ্র এ পৃথিবীতে উপকারের চেয়ে অপকারই বেশী করে। বন্যা হয়, জলোচ্ছাস হয়,সুনামী হয়। এমনও ধারনা করা হয়, একদিন আমাদের এই ছোট্ট বাংলাদেশও নাকি চলে যাবে সমুদ্রের তলদেশে। তারপরও যে যাই বলুক। পানির অপর নাম জীবন।
এবার আসি ভিন্ন প্রসঙ্গে। মানে, অন্য একটি জরুরী বিষয়ে। বিষয় হচ্ছে, তৈল। আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের সবচাইতে প্রয়োজনীয় বিষয় হচ্ছে “তেল”। যে নারীর কেশ সুন্দর। তাকে প্রথমেই প্রশ্ন করা হয়, আপনি কি তেল ব্যবহার করেন? যে নারীর রান্না ভালো, তাকেও প্রশ্ন করা হয়, আপনি কোন সয়াবিন তেল দিয়ে রান্না করেন? তার মানে কি দাঁড়ালো? তেল ছাড়া নারীর কেশ বলেন আর রান্না বলেন, দুইটাই কিন্তু অসম্ভব। আবার যদি অন্যদিকে তাকাই! যেমন- ধরুন, গাড়ী। গাড়ী কি তেল ছাড়া ...

  • ৫টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
১৫

জরুরীভিত্তিতে রক্তের প্রয়োজন বি নেগেটিভ (B negative )

সময় ১৭:৪৫:৩৩

জরুরীভিত্তিতে রক্তের প্রয়োজন। বি নেগেটিভ (B negative )। সকলকে অনুরোধ করা হলো। কারো রক্তের গ্রুপ মিলে গেলে যোগাযোগ করার জন্য।
যোগাযোগ: পারভেজ
মুঠোফোন: ০১৫৫-৩৪১-৬৩০৮, ...

  • ১৩টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
১৪

রিপোষ্ট:এক টুকরো স্বপ্নের কথা

সময় ১২:২০:৩৬


আমি যখন ক্লাস ফাইভে পড়ি তখন ডায়নোসার নিয়ে একটি লেখা লিখেছিলাম। লেখার ছাপানোর মতো কিছু থাকতে পারে তাও জানা নেই। শুধু শুধু পড়ার ফাঁকে লিখতে মন চাইলো তাই লিখলাম। আমার বড় ভাইয়ের হাতে লেখাটা গেলো। তারপর বলল, দাঁড়াও ব্যবস্থ্যা হচ্ছে। দুই সপ্তাহ পর দেখি, ছোটদের কাগজ নামে একটি পত্রিকায় আমার সেই ডায়নোসার বিষয়ক লেখাটি ছাপা হলো। দেখে তো আমি মুগ্ধ।
ঐ হইলো আমার প্রথম লেখা। এবং সেই সাথে ছাপা কাগজে নিজের লেখা এবং তার পাশে আমার নাম দেখা।
সেই ছোটদের কাগজের সম্পাদক ছিলেন, বিশিষ্ট ছড়াকার লুৎফুর রহমান রিটন।
এবার আসি মূল বিষয়ে। এই বছরের বই মেলা শুরু হওয়ার আগে থেকেই অনেক চেষ্টা করছিলাম একটি বই বের করবার। কিন্তু পাবলিশারদের দ্বারে গেলে প্রথম প্রশ্ন থাকে, কয় কপি বিক্রি হবে? দ্বিতীয় প্রশ্ন থাকে, বই যদি না চলে তবে কি করবেন?
আসলে, নতুন লেখকদের এই ধরনের বিড়ম্বনায় পড়াটাই স্বাভাবিক। তবে প্রকাশকরা তো ব্যবসার দিকটা দেখবেন। এটাও খুব স্বাভাবিক। তাই নিরাশ হইনি। বরং ভাবলাম, আরও কিছু সময় নেয়া যাক। বয়সও বা কত!
তারপরও একজন মানুষের উদ্যোগে কিছু লেখককে একটি জায়গায় আনার প্রয়াস করা হলো।নতুন লেখক। যাদের ...

ফেব্রুয়ারি
১৩

এক টুকরো স্বপের কথা

সময় ২৩:১৩:০৭


আমি যখন ক্লাস ফাইভে পড়ি তখন ডায়নোসার নিয়ে একটি লেখা লিখেছিলাম। লেখার ছাপানোর মতো কিছু থাকতে পারে তাও জানা নেই। শুধু শুধু পড়ার ফাঁকে লিখতে মন চাইলো তাই লিখলাম। আমার বড় ভাইয়ের হাতে লেখাটা গেলো। তারপর বলল, দাড়াও ব্যবস্থ্যা হচ্ছে। দুই সপ্তাহ পর দেখি, ছোটদের কাগজ নামে একটি পত্রিকায় আমার সেই ডায়নোসার বিষয়ক লেখাটি ছাপা হলো। দেখে তো আমি মুগ্ধ।
ঐ হইলো আমার প্রথম লেখা। এবং সেই সাথে ছাপা কাগজে নিজের লেখা এবং তার পাশে আমার নাম দেখা।
সেই ছোটদের কাগজের সম্পাদক ছিলেন, বিশিষ্ট ছড়াকার লুৎফুর রহমান রিটন।
এবার আসি মূল বিষয়ে। এই বছরের বই মেলার শুরু হওয়ার আগে থেকেই অনেক চেষ্টা করছিলাম। একটি বই বের করবার। কিন্তু পাবলিশারদের দ্বারে গেলে প্রথম প্রশ্ন থাকে, কয় কপি বিক্রি হবে? দ্বিতীয় প্রশ্ন থাকে, বই যদি না চলে তবে কি করবেন?
আসলে, নতুন লেখকদের এই ধরনের বিড়ম্বনায় পড়াটাই স্বাভাবিক। তবে প্রকাশকরা তো ব্যবসার দিকটা দেখবেন। এটাও খুব স্বাভাবিক। তাই নিরাশ হইনি। বরং ভাবলাম, আরও কিছু সময় নেয়া যাক। বয়সও বা কত!
তারপরও একজন মানুষের উদ্যোগে কিছু লেখককে একটি জায়গায় আনার প্রয়াস করা হলো।নতুন লেখক। যাদের ...

ডিসেম্বর
২৯

প্রথমআলো ব্লগকে আরও জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য করে গড়ে তোলার প্রস্তাবনা

সময় ১৬:২৪:১৫

বরাবর
মডারেটর
প্রথমআলো ব্লগ

বিষয়: প্রথমআলো ব্লগকে আরও জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য করে গড়ে তোলার প্রস্তাবনা।

“ব্লগ” এমন একটি মাধ্যম যেখানে দাঁড়িয়ে মানুষ অবাধে তার মনের কথা প্রকাশ করতে পারে। বাংলাদেশে ব্লগ ধারা খুব বেশীদিনের নয়। সামহয়্যারইন ব্লগ চালু হয়েছিল ২০০৫ সালে। ঠিক তখন থেকেই বাংলাদেশে বাংলা ভাষায় ব্লগ সংস্কৃতি শুরু হয়। অবাধে মুক্তচিন্তার পথিকেরা আশ্রয় নিচ্ছে বাংলা ব্লগগুলোতে। আর গড়ে উঠছে ব্লগ উদ্যোক্তারও।
সেই সূত্র ধরেই, যে কোন মিডিয়ার পক্ষ থেকে প্রথমআলো ব্লগ সর্বপ্রথম বাংলাদেশে আত্মপ্রকাশ করেছে। বাঙলা ব্লগে প্রথমআলোই প্রথম “ব্লগ” - কে স্বীকৃতি দিল। জনপ্রিয়তার শীর্ষ চলে যাওয়া একটি দৈনিক পত্রিকা যখন ব্লগ নিয়ে ভাবে তখন থেকে বাংলা ব্লগ দুনিয়ায় অনেকটাই আলোড়নের সৃষ্টি হয়। এবং ২০০৮ এর নভেম্বরে আত্মপ্রকাশ পাওয়ার সাথে সাথে এর সদস্য সংখ্যা বেড়েই চলেছে।
তবে দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, এতো বড় একটি মিডিয়ার আওতাধীন হওয়া স্বত্ত্বেও প্রথমআলো ব্লগ সেভাবে এগিয়ে যেতে পারছে না একমাত্র কিছু টেকনিক্যাল সমস্যার কারণে। যেমন দেখা যায়, ব্লগসাইটটি ...

ডিসেম্বর
০৯

ইউটিউবে বাংলাদেশের প্রত্নতত্ত্ব!

সময় ০৮:৩০:১৭

বাঙলার কথা উঠলেই বলা হয়, পলির দেশ বাঙলা। এই পলির দেশ কেন বলা হয়? আসলে, জল-বৃষ্টি-বন্যা আর জোয়ারের দেশ বলেই একে বলা হয় পলির দেশ। এই পলির দেশে যুগ যুগ ধরে ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছে। পৃথিবীর ইতিহাসের অনেক বড় অংশই সৃষ্টি হয়েছে আমাদের এই বাঙলায়। ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, বাঙালী চিরকাল বিদেশী ও বিজাতি দিয়ে শাসিত। সাত শতকের শশাঙ্ক নরেন্দ্রগুপ্ত এবং পনেরো শতকের যদু-জালালুদ্দিন ছাড়া বাঙলার কোন শাসকই বাঙালী ছিলেন না। এটি নিশ্চিই লজ্জার। তবে বিজাতি দিয়ে শাসিত হলেও বাংলায় তাদের সৃষ্টি-কৃষ্টি রয়ে গেছে। এখনও বাংলার আনাচে কানাচে স্ব-গৌরবে দাড়িয়ে রয়েছে তাদের সৃষ্টি।
বাংলাদেশের প্রত্ন-তত্ত্বের এই বিশাল ভান্ডার নিয়ে গবেষণারও কমতি নেই। সম্প্রতি ডিজিটাল যুগে বিশ্বের কাছে ইউটিউবের মাধ্যমে প্রত্ন-তত্ত্বকে তুলে ধরার প্রয়াস শুরে হয়েছে। তবে তা ব্যক্তিগত উদ্যোগে। এখন পর্যন্ত ২৮টি ভিডিও আপলোড করা হয়েছে ইউটিউবে। এই কাজটি করছেন একজন প্রকৌশলী। তিনি, প্রফেসার মোহাম্মদ আনোয়ার। তবে মজার বিষয় হলো, তিনি কোন পেশাদার ফটোগ্রাফার কিংবা ভিডিওচিত্র নির্মাতা নন। নিতান্ত শখের বসে তিনি ঘুরে বেড়াচ্ছেন ...

নভেম্বর
২১

কেন লিখি?

সময় ১২:৪৮:৪৬

কেন লিখি?
এই ‘কেন লিখি’ নিয়ে অনেক কথাবর্তা হয়ে গেছে মানুষের মধ্যে। অধিকাংশ গল্পকার কিংবা সাহিত্যিকদের এমন প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে বহুবার। কেন লিখেন? এই প্রশ্নের উত্তর অনেক সময় অনেকে বহুভাবেই দিয়ে গেছেন। আসলে, সমাজের বিভিন্ন বাস্তবতায় আমরা সন্ধিহান হয়ে পড়ি। বিভিন্ন ধরনের জটিলতায় আমরা আটকে আর্তনাদ করতে থাকি। তখন তা প্রকাশের কোনো জায়গা আমরা পাই না। তাই মাধ্যম হিসেবে বেছে নেয়া হয় লেখা। এই লেখাই অনেক মানুষের জীবনে প্রশান্তি হয়ে দেখা দেয়।
তবে লেখালিখি নিয়ে বলতে গিয়ে বাংলার শক্তিধর লেখক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, লেখা ছাড়া অন্য কোন উপায়েই যে সব কথা বলা যায় না, তাই সেই কথাগুলো জানাবার জন্যই আমি লিখি।
কথাটি কিন্তু অনেকাংশে যথার্থ। মানিকের উপন্যাসগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায়, তিনি সমাজের বহু অসংগতি তুলে এনেছেন অসাধারণ ভঙিমায়। যেমন, মানিক পদ্মানদীর মাঝি উপন্যাসের মাধ্যমে পদ্মা পাড়ের মানুষগুলো জীবনচিত্র তুলে এনেছেন তিনি। এমন উপন্যাস বাঙলা সাহিত্যে না থাকলে হয়তো পাঠককুলের তা জানার সুযোগই হতো না। কখনও কোনদিন পদ্মার ভয়াল জীবনযাত্রা অনুভব করানো যেত না সহজে। ...

  • ১২টি মন্তব্য

নভেম্বর
১০

মায়ের ডায়েরী থেকে- পর্ব ১

সময় ১১:০৮:২৭

আমার মা আমাকে নিয়ে আমার জন্মদিনে একটি লেখা দিয়েছিল। আমি সেটা আপনাদের সাথে শেয়ারও করেছিলাম।
একটি কথা তখন বলিনি। সেটা হলো, আমার মা দীর্ঘ ৩৭ বছরের চাকুরী জীবন শেষ করে গত ৩ বছর অবসর সময় কাটান। তখন থেকেই জীবনের বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে তিনি লিখছেন। অনেকবার দেখতে চাইলেও তিনি দেননি। তবে কিছুদিন আগে অনেক লেখা আমার হাতে তুলে দিয়েছেন পড়ার জন্য। তখনই ভাবলাম ওনার জীবনের ঘটনা কিংবা অভিজ্ঞতাগুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করবো।
তবে বিপাকে পড়ি সব কিছু নিয়ে। বিচ্ছিন্নভাবে লেখাগুলোকে একসাথে সাজানো অনেক কঠিন ব্যপার। তাই একটি ধারাবাহিকতায় আনা অনেক কঠিন কাজ। তারপরও চেষ্টা করছি।
আজকে প্রথম একটি লেখা দিলাম। এটাও বিচ্ছিন্ন লেখাগুলোর একটি অংশ। আমার কাছে এই লেখাটির গুরুত্ব পেয়েছে অন্যগুলোর চেয়ে। এর পেছনের কারণটা আমার মনে হয় আপনাদের না বললেও চলবে। যদি লেখাটি পড়েন।
মায়ের ডায়েরী শীরোনামে ধীরে ধীরে আমি সমস্ত লেখা প্রকাশ করবো। আর আপনারা আমাকে সাপোর্ট করবেন এমনটাই আশা করি।


-----------------------------------------------------------------------------------------------------

১৯৬৮ সালের কথা। আমি তখন ১০ম শ্রেনীর ছাত্রী। আমরা তখন চাঁদপুর রেলওয়ে ...

  • ৯টি মন্তব্য

নভেম্বর
০৮

অনুগল্প: এটা ওর একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার!

সময় ১৭:৫০:৩২

আমি একটি সাধারণ গল্প বলবো। কোন এনিয়ে-বেনিয়ে, চুয়িঙ্গামের মতো টেনে অন্যান্য লেখকদের মতো গল্প বলব না। কিংবা শক্ত কোনো লেখকের মতো পরিবেশ প্রকৃতির বর্ণনা দিয়ে আমার গল্প শুরু করবো না।
এই গল্পের নায়িকার নাম-রাবেয়া। কোন মহাসুন্দরী মেয়ে সে নয়। আমরা যেটাকে বলি, সুইট চেহারা মেয়ে। অনেকটা সেরকমই মেয়ে সে। খুব সাধারণ মধ্যব্ত্তি পরিবার। যে পরিবারের অধিকাংশ মায়েদের চোখ সর্বক্ষণ মেয়েদের সাথে সাথে থাকে। যেমন, মেয়ে কখন কোথায় যাচ্ছে, কার সাথে যাচ্ছে, বন্ধু-বান্ধবীরা কেমন, ফোনে কার সাথে কথা বলে.....ইত্যাদি ইত্যাদি। রাবেয়ার মাও তার ব্যতিক্রম নয়। একদম টিপিকাল বাঙালী মা। আর বাবা? সেই টিপিকার বাবাদের মতোই। প্রচন্ড রাগী। তবে রাবেয়ার বাবার এক্সট্রা গুন হচ্ছে, ওনার ধার্মীক মনমানুষীকতা।
সুতরাং আপনারা পরিবারটির অবস্থা বুঝতেই পারছেন। আমরা যেটাকে বলি রেস্ট্রিকটেড ফ্যামিলি। তো, এতো রেস্ট্রিকশানে থেকেও রাবেয়া একটা ভুল করে ফেলেছে। ভুল মানে কি, যাকে বলা যায় মহা-ভুল(!) সে ভালোবেসেফেলেছে একটা ছেলেকে। সে জানে, বাবা-মা কেউ রাজী হবে না। তাই বিয়ে হওয়া তো অসম্ভব ব্যাপার। তাই সে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে এই ছেলেকেই ...

নভেম্বর
০৫

আমার জন্মদিন এবং মায়ের উপহার

সময় ২৩:৫১:৫৮


আমার মা আর আমার ছবি।


আমার মা একটা কথা প্রায়ই বলে। তবে জন্মদিনের দিন কথাটা বেশী বলে। কথাটা হলো, আজ শুধু তোর জন্মদিন না। আজ আমারও জন্মদিন। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, আজ শুধু তুই না আজ পৃথিবীতে আমারও মা হয়ে জন্ম হয়েছে।
এই হচ্ছে আমার মা। আমার সব জন্মদিনগুলোতে বন্ধুদের সাথে একটা দীর্ঘ সময় আমি কাটাই। সকালে বের হই আর রাতে ক্লান্ত হয়ে ঘরে ফিরি। তখন ঘুমে চোখটা ভেঙে আসে। খেতেও পারিনা। পরদিন সকালে উঠে খুব অপরাধবোধ হয়। যে মা আমাকে পৃথিবীতে নিয়ে আসলো। দশটা মাস যিনি কষ্ট করে আমাকে গর্ভে ধারণ করলেন তার সাথে রাতের খাবারটা পর্যন্ত খেতে পারলাম না।
তাই বলে কি মা কষ্ট পেয়েছেন? হয়তো পায়নি। হয়তো পেয়েছেও। ছেলের ফূর্তির কথা ভেবে হয়তো বলেনি।
আজ স্বন্ধ্যায় আমার মা আমাকে প্রশ্ন করেছিল, জন্মদিনের উপহার হিসেবে কি চাও?
বললাম,বন্ধুদের খাওয়ানোর জন্য টাকা।
মা হয়তো তাতেও কষ্ট পেয়েছে। কিন্তু বলেনি। হঠাৎ রাত ১০টার কিছু পর আমার হাতে কয়েকটি কাগজের টুকরো দিয়ে বললেন, এই নাম জন্মদিনের উপহার। বলে চলে গেলেন। আবার রাত ১২ পর এসে প্রশ্নও করলেন, লেখা পছন্দ হয়েছে। অবেগ কিংবা অনুভূতি কিছুই দেখাতে পারিনি। ...

  • ১০টি মন্তব্য