ওঙ্কার

মার্চ
১০

ব্লগ আপডেট।

সময় ২০:২১:৪২

ব্লগের কাজ চলছে। তবে এর আগে ১৫ মার্চ-এর যে ঘোষণা ছিল তা প্রত্যাহার করতে হচ্ছে। এই মাসেই নতুন ব্লগ হাজির করা হবে আপনাদের সামনে। পরীক্ষা মূলকভাবে চলার পর ১ বৈশাখ থেকে সম্পূর্ণ নতুন এবং ঝামেলামুক্ত ব্লগ পাবো বলে আশা করছি।

সবাই পাশে থাকুন। ভালো ...

  • ২৩টি মন্তব্য

মার্চ
০৩

সদ্যই লেখা বিভ্রম গল্পের শুরুর অংশ।

সময় ১৭:০৯:১৫

রহম তার মৃত্যুর বাহান্ন দিন পরে কবর থেকে উঠে আসে। যে যেভাবে শুয়ে ছিল ঠিক ওই অবস্থা থেকে পা গুটিয়ে এনে প্রথমে বসে থাকে কিছুক্ষণ। তারপর কেন যে সে মৃত অবস্থাতেই শোয়া থেকে উঠে বসে এবং কেন আবার বসা অবস্থা থেকেই দুই পায়ে ভর দিয়ে ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়ায় তা সে বুঝতে পারে না। বসবার অথবা উঠে দাঁড়াবার কোন প্রণোদনা অথবা আবারও বেঁচে উঠবার কোন আকাঙ্ক্ষা কিংবা আসলে মানবিক কোন বোধ তাড়িত হয়ে সে কবর থেকে উঠে আসে না। মৃত মানুষ এবং মৃত্যু মানবিকতারও উর্দ্ধে দূর চন্দ্রালোকে অধিমানবিকতা হয়েই বেঁচে থাকে হয়তো। ভেদ বিভেদের বেঁচে থাকবার শেষে সে কেবলই এক শরীর, সেই শরীর সম্পর্ক শিকড়ের বাঁধন ছিন্ন হয়ে সামগ্রিক হয়ে ওঠে, তার আর নাম পরিচয়ের দরকার হয় না, সীমানার দরকার হয় না। আর এসব প্রয়োজন নেই বলেই তার জীবন চলবার পথের শেষ হেয় এলে আরেক অদৃশ্য পথ থাকে। মহাকালগামী হয়তো সেই পথে শাদা সারসের রথে শাদা কাফন জড়িয়ে, দূরে, দূর বিন্দুতে, ফাগুন জোৎন্সায় গা ভাসিয়ে, উর্দ্ধলোকের অদৃশ্যে, নৈঃশব্দ্যে সওয়ার হয়ে অন্তহীন অনন্তের পথে তাদের ভ্রমণ হয়। সেই ভ্রমণের ইতিহাস থাকে না, কাল থাকে না, সে হয়তো কেবলই ভ্রমণ, হয়তো গন্তব্যহীন। আজ কী ...

  • ১৩টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
২১

নতুনভাবে প্রথম আলো ব্লগ।

সময় ১৫:৩৩:৪৮


আপনাদের মতামত জানান।

এখন যারা সদস্য হিসেবে আছেন এবং যাদের পোস্ট আছে সব কিছুই সংরক্ষিত ...

  • ৬২টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
২০

ব্লগ, চড়ুইভাতি, শাহরিনার জন্মদিন, অনেকদিন পর মুকুট ভাইসহ আমার আজকের দিনপঞ্জি।

সময় ১৯:১২:৫১

চড়ুইভাতিতে যেতে পারলাম না। একটা কাজে ওয়ারি বটেশ্বর যেতে হয়েছিল। আর সেই ভ্রমণের ধকল এখনো চলছে। ব্লগাররা খুব মজা করেছেন চড়ুইভাতিতে গিয়ে। তাদের জন্য শুভকামনা। নিরাপদে তাদের ফিরে আসার অপেক্ষায় রইলাম।

একুশে ই-বুক নিয়েসাইফুজ্জামান খালেদকে তার প্রচেষ্টার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাই। ই-বুকের যে কোন প্রয়োজনেতিনি আমাদের বিশ্বস্ত ব্লগার ট্যাঁশগরুর সাহায্য নিতে পারেন। যে কোন প্রয়োজনে তিনি আশা করছি যোগাযোগ করবেন।

আজ শাহরিনার জন্মদিন। আমাদের প্রিয় ব্লগার শাহরিনা রহমান। শাহরিনার জন্য শুভকামনা।
আমার প্রিয় লেখকদের একজন শাহরিনা।

আজ প্রিয় ব্লগার মাকুট ভাইকে অনলাইনে দেখে ভাল্লাগলো। আশা করি তিনি আমাদের ভালো মন্দের সঙ্গে থাকবেন সবসময়।

নতুন ব্লগের কাজ চলছে। অনেক কিছুই পাল্টে যাবে। শেষ পর্যন্ত কেমন হয় আমি বুঝতে পারছি না। চেষ্টা করবো আপনাদের পছন্দ হয় এমনভাবে ব্লগটাকে ধরে রাখতে। কিছুদিনের মধ্যে আপনাদের সামনে ব্লগের লে আউট হাজির করতে পারবো।

সবাইকে একুশের ...

  • ৪৯টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
১৫

রিভিউ অব ফেস বাই ফেস।

সময় ১৯:৫৮:৩৭

মাহবুব মোর্শেদের ব্যক্তিগত বসন্তদিনের গল্প বনসাই শিল্প। সেই গল্পেরও শুরু রবিবারে। গল্পের স্থান কোন এক মফস্বল শহর। আর ফেস বাই ফেস উপন্যাসের ঘটনাবলি সংঘটনের স্থান ঢাকা শহর। কোন এক রবিবারে শুভ, যিনি গল্পের নায়ক চরিত্র, তার মোবাইলে পুরোনো বন্ধু মারুফের ফোন আসে তিনবার। মারুফ থাকে মফস্বলে, শুভ ঢাকায়। মারুফ আর শুভ একই বয়েসি হলেও আলাদা সময়ে বাস করে। ব্যক্তিগত বসন্ত দিন আর ফেস বাই ফেস একই লেখকের কিন্তু পরিষ্কারভাবে আলাদা সময়ের-আঙ্গিকের। ফেস বাই ফেসের পাঠক মারুফের ফোনের সূত্র ধরে ফেসবুকে প্রবেশ করে। আর ফেসবুক নিয়েই বাংলা ভাষার প্রথম কোন উপন্যাস লিখেছেন মাহবুব মোর্শেদ। পুরো উপন্যাসের আদলটাই ফেসবুকের মত। মুখের পর মুখ-একের পর এক চরিত্র, ঘটনা। নতুন কোন চরিত্র আসে আর তার প্রোফাইল বর্ণনা করে যান লেখক। কোন চরিত্রই অবহেলিত নয়, অসম্পূর্ণ নয়। সবাই নাগরিক এমনকি ইউএসএ-তে থাকে যে নজিয়া সেও নাগরিক। নাজিয়ার বন্ধু শেরির আন্তর্জালিক বন্ধু বৃদ্ধা মারিয়াও আসলে আমাদের ঢাকা শহরেরই কোন এক নিঃসঙ্গ নারী। সব মিলিয়ে ফেস বাই ফেস একটি নাগরিক উপন্যাস।

শুভ তার বন্ধু মারুফের ফোন ধরতে পারে না । কারণ ...

  • ১৩টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
১৩

আপডেট নির্বর্ষ শ্রাবণ।

সময় ১৩:৩৪:৪৮

কয় কপি বিক্রি হল প্রথম দিনে।

ছাপা কেমন হয়েছ। প্রচ্ছদ কেমন দেখাচ্ছে। কে কবে কিনতে যাবেন। দল বেধে একদিন কিনতে যাওয়া যায় নাকি।

নির্বর্ষ শ্রাবণ-সব মিলিয়ে কেমন হল।

সবাইকে বসন্তের ...

  • ১০৪টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
১১

বেঁচে থাকার স্বপ্নপূরণে সহায়তা করুন।

সময় ১৬:২৯:১৪


বেঁচে থাকার স্বপ্নপূরণে সহায়তা করুন

মাত্র ১৯ বছর বয়সেই ব্লাড ক্যান্সারে জীবন প্রদীপ নিভে যেতে বসেছে মুক্তিযোদ্ধা পিতার একমাত্র পুত্র রুবেল রহমানের। সিরাজগঞ্জ সরকারী কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী ছাত্র রুবেলের লেখাপড়ার পাশাপাশি সংগীতেও প্রতিভা রয়েছে।
কিন্তু ২০০৮ সালের এইচ.এস.সি পরীক্ষা চলাকালীন অসুস্থ হয়ে পড়লে রুবেলের রক্তে এ্যাকিউট মাইলয়েড লিউকেমিয়া বা এক ধরনের ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়ে। চিকিৎসা চলে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে। অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠে তখন। কিন্তু বছর না ঘুরতেই আবার ফিরে আসে রোগটা। রুবেলের জীবন বাঁচাতে এখন প্রয়োজন ব্যয়বহুল অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন। তাকে নিয়ে যেতে হবে ভারতের ভেলোরের সি.এম.সি হাসপাতালে। এই চিকিৎসা ব্যয় বাংলাদেশী মুদ্রায় অন্তত ৩০ থেকে ৪০ লক্ষ টাকা। অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা জনাব জেল হকের পরিবারের পক্ষে এই দীর্ঘমেয়াদী দুরারোগ্য ব্যাধির চিকিৎসার বিপুল ব্যয়ভার বহন করা সম্ভব নয়।
হৃদয়বান ও সহমর্মী ব্যক্তি বা মানবহিতৈষী কল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানকে রুবেলের জীবন বাঁচাতে সহযোগিতার জন্য অতি দ্রুত এগিয়ে আসার অনুরোধ ...

  • ৮টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
১০

মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে- শঙ্খ ঘোষের কবিতা।

সময় ১৭:৩২:০৫

একলা হয়ে দাঁড়িয়ে আছি
তোমার জন্য গলির কোণে
ভাবি আমার মুখ দেখাব
মুখ ডেকে যায় বিজ্ঞাপনে।

একটা দুটো সহজ কথা
বলব ভাবি চোখের আড়ে
জৌলুশে তা ঝলসে ওঠে
বিজ্ঞাপনে, রংবাহারে।

কে কাকে ঠিক কেমন দেখে
বুঝতে পারা শক্ত খুবই
হা রে আমার বাড়িয়ে বলা
হা রে আমার জন্মভূমি!

বিকিয়ে গেছে চোখের চাওয়া
তোমার সঙ্গে ওতপ্রোত
নিওন আলোয় পণ্য হলো
যা-কিছু আজ ব্যক্তিগত।

মুখের কথা একলা হয়ে
রইল পড়ে গলির কোণে
ক্লান্ত আমার মুখোশ শুধু
ঝুলতে থাকে ...

  • ১০টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
০৮

হামীম কামরুল হকের বই-গোপনীয়তার মালিকানা।

সময় ১৯:২৮:৪৭


আরিয়ানা-মায়া-লিণ্ডা তাকে চেয়েছিল, কিন্তু সে এদের কারো কাছে নিজেকে খুঁজে পায়নি; আর যেখানে সে নিজেকে খুঁজে পায় বলে মনে করে- সেখান থেকে কেবলই দূরত্ব বাড়তে থাকে। তার শরীর ও মনকে সে-ই আচ্ছন্ন করে রাখে দিনরাত। যত দিন যায় ততই স্পষ্ট থেকে স্পষ্টতর হয়- তাকে যেভাবে পেতে চায়- সেভাবে কোনোদিন পাওয়া হবে না। তারপরও মুগ্ধতা কাটে না। কেন সে তাকে এমনভাবে টানে? জীবনের সবচেয়ে গোপন কথাগুলো ও কৃত্যগুলোর সূত্রসন্ধান তার কাছ থেকেই প্রথম পাওয়া হয়েছিল বলেই কি? অদৃশ্য সুতোর টানে সে বার বার ফিরে ফিরে আসে সেখানে; এসেই চলে যায় দূরে, চলে যেতে চায় আরো দূরে, কিন্তু কোনো দূরত্বই সেই টান থেকে তাকে রেহাই দেয় না। তাহলে মুক্তি মিলবে কোথায়? কার কাছে? মানুষের মনের মহাজাগতিক একাকিত্বের গতি আছে, কিন্তু গন্তব্য আছে কি?
গোপনীয়তার মালিকানা মায়া ও বাস্তবতার পাঁকচক্রে পড়া এক প্রেমের কাহিনী; একইসঙ্গে কয়েকটি মানুষের চূর্ণ-বিচূর্ণ জীবনেরও পাঠ । অনেক প্রশ্নের উত্তর মিলে যেতে পারে এই উপন্যাসে। আবার জন্মও নিতে পারে আরো অনেক প্রশ্নের।

হামীম কামরুল হক: জন্ম ২২ জানুয়ারি ১৯৭৩। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর। এর ...

  • ১৮টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
০২

আসিফ আলি জারদারির জানের ছদকা।

সময় ১৭:১৬:৫২

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী আসিফ আলি জারদারিকে নিয়ে খবর মজার একটা খবর পেলাম।

উনি ক্ষমতায় এসেছেন ২০০৮-এর সেপ্টেম্বরে। তারপর থেকে রোজই নাকি তার বাড়িতে ছাগল জবাই হচ্ছে। কালো রঙের ছাগল। লোকমুখে জানা যায়, এখন নানা কারণে সময় ভালো যাচ্ছে না জারদারির। তাই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ছাগল জবাই। শত শত কালো ছাগল জবাই হয়ে যাচ্ছে প্রতিদিন।
জানা গেছে, জারদারি ‘কু নজর’ ও ‘কালো জাদু’ নিয়ে গভীর আতংকে দিন কাটাচ্ছেন। এসব অশুভ তুকতাকের হাত থেকে নিস্তার পেতেই তিনি নিয়মিত ছাগল জবাই করে দুঃস্থদের মধ্যে মাংস বিতরণ করছেন। জারদারি জানিয়েছেন, ধর্মপ্রাণ মুসলমান হিসেবে তিনি ছদকা আদায় করছেন।

প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা ১২১৫