ব্লগারদের কিছু কমন ভুলের উপর সামান্য আলোকপাত
১.
“রক্তের মলাটে একুশ”-এর লেখাগুলো সম্পাদনা করার কাজ সম্পাদনা পরিষদের সদস্যরা করে যাচ্ছেন। আমি নিজেও সে পরিষদের একজন সদস্য। “রক্তের মলাটে একুশ” এর লেখাগুলো সম্পাদনা করতে গিয়ে দেখলাম অধিকাংশ ব্লগার প্রায় কিছু কমন ভুল করেছেন। যেহেতু অনেক ব্লগারই এ কয়েকটি বিশেষ ভুল বারবার করেছেন সেহেতু এ ভুলগুলোর উপর একটু আলোকপাত করা গেলে মনে হয় অনেক ব্লগারদের উপকারে আসবে এবং ভবিষ্যতে একই ভুলগুলো যাতে না হয় সে ব্যাপারে সজাগ হতে পারবেন। সে কারণেই আজকের এ ছোট পোষ্টটের অবতারণা।
২.
বাংলা ভাষা লেখার একটি আলাদা সমস্য আছে যেটি সম্ভবত বিশ্বের আর কোনো ভাষায় নেই। সমস্যার জায়গা এই; বাক্যে যে-শব্দগুলো যেখানে বসার সেখানেই বসল, কিন্তু কখনো-কখনো দুটো শব্দ ফাঁক-ফাঁক না-বসে একেবারে গায়ে গা লাগিয়ে বসে; আবার কখনো আলাদা বসে। এ ব্যাপারটি অনেক বড়ো বড়ো কবি, সাহিত্যিক, শিক্ষকেরাও খেয়াল করেন না বা এ ব্যাপারে তাঁরা আদৌ অবগত নন। কিন্তু এ সামান্য ব্যাপারটি যে অর্থে কী পরিমাণ তারতম্য ঘটাতে পারে সেটা অনুভব করলে এটিকে উপেক্ষা করার স্পর্ধা কখোনই কারোর হবে না।
একটি উদাহরণ দেখা যাকঃ
বিরোধী দলীয় নেতারাই নিজেদের মধ্যে ঝগড়াঝাঁটি করে এভাবে এভাবে দল ভাঙেন।
বিরোধীদলীয় নেতারা সবসময় সব সময়ে সরকারি দলের উল্টো কথা বলেন।
এ দুটি বাক্যে ‘বিরোধী’ ও ‘দলীয়’ এ দু’টি শব্দ মাঝখানে ফাঁক রাখা না রাখার কারণে কিন্তু অর্থের আকাশ পাতাল তফাৎ হয়েছে।
এটি একটি জটিল ব্যাপার; এখানে স্বল্প পরিসরের আলোচনায় সবটুকু পরিষ্কার করা সম্ভব নয়। তারচেয়ে যে কারণে এ প্রসঙ্গের অবতারণা সেখানেই সরাসরি যাওয়া যাক।
সম্পাদনা করতে গিয়ে অনেক ব্লগারই দেখেছি –গুলি/গুলো/ কিংবা খানা/খানি আলাদা লিখেছেন; অথচ আলাদা তো হবে না, সবসময় পূর্ববর্তী শব্দের সাথে লাগিয়ে লিখতে হবে। লিখতে হবে “ভালোভাবে(‘ভালো ভাবে’ নয়), সুন্দরভাবে, উদাহরণগুলো এভাবে।
৩.
আবার অনেকেই লেখেন, ‘আমি আসিনি, সে জানেনা’। আমাদের একটি তথ্য মনে রাখতে হবে যে না / নি / নাই / নয়/ না এসব নঞর্থক শব্দ বা নেতিবাচক শব্দ সবসময়ে পৃথক শব্দ হিসাবে বসবে (যেরকম ইংরেজিতে no বা not আলাদা লিখতে হয় সেরকম), কখনো কোন শব্দের সাথে জুড়ে যাবে না। লিখতে হবে “আমি আসি নি”, “সে জানে না’ এভাবে। এ-রকম আরো ক্রটিবিচ্যুতি আছে যা বানানভুল নয়, শব্দতৈরিতে ভুল।
৪.
আমরা লিখি “সহযোগী”। কিন্তু তাই বলে “সহযোগীতা” লিখতে পারব না; এটি ভুল। প্রমতি বানানরীতি অনুসারে কোন বিশেষণ শব্দের শেষে যদি “ী” থাকে এবং তার পরে যদি ত্ব/তা/ণী/নী/সভা/পরিষদ/ভাব/তত্ত্ব/বিদ্যা/জগৎ/বাচক ইত্যাদি শব্দ যোগ করতে চাই তা হলে ঐ শব্দের শেষের দীর্ঘ ঈ-কার (ী) হ্রস ই-কার (ি) হয়ে যাবে।
“সহযোগী” একটি বিশেষণ; এর সাথে ‘তা’ যুক্ত হয়ে হচ্ছে “সহযোগিতা”। অতএব সহযোগীর দীর্ঘ ঈ-কার (ী) হ্রস ই-কার (ি) হয়ে যাবে।
আরও কিছু উদাহরণঃ
অধিকারী-----------অধিকারিত্ব
উপকারী------------উপকারিতা
সহযোগী-----------সহযোগিতা
অভিমানি-----------অভিমানিনী
সঙ্গী--------------সঙ্গিনী
মন্ত্রী---------------মন্ত্রিপরিষদ
প্রাণী--------------প্রাণিবিধ্যা/প্রানিজগৎ
৫.
আমরা অনেকেই লিখি “বাঙালী, বাঙ্গালি, বাঙ্গালী”। কিন্তু সবকটিই ভুল।
বাংলাদেশের ‘জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড’ এবং পশ্চিমবঙ্গের পণ্ডিতবর্গও মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে দেশ, ভাষা ও জাতির নামের ক্ষেত্রে সর্বদা হ্রস ই-কার (ি) লিখতে হবে।
অতএব, সকল দেশ, ভাষা ও জাতির নামে ক্ষেত্রে সর্বদা ই-কার (ি) ব্যবহার করতে হবে।তাই, ‘বাঙালী’ হবে না, হবে ‘বাঙালি’। একইভাবে অনেকই লেখেন “ইংরেজী”। সেটাও ভুল। ইংরেজি যেহেতু একটি ভাষা নাম সেহেতু বাংলা প্রমিত বানানরীতি অনুসারে এখানে হ্রস ই-কার (ি)হবে; দীর্ঘ ঈ-কার (ী)নয়।
আরো কিছু উদাহরণঃ
দেশঃ
আফগানিস্তান, পাকিস্থান, গ্রিস, জার্মানি, আমেরিকা, তিব্বত, ইতালি, সৌদি আরব ......
ভাষাঃ
আরবি, ইংরেজি, নেপালি, হিন্দি, হিব্রু......
জাতিঃ
বাঙালি, আফগানি, জাপানি, বিহারি, ইরানি......
৬.
আমরা যারা ব্লগে লিখি তাঁদের সিংহভাগই প্রফেশনাল লেখক না। আমাদের লেখায় ভুলক্রটি থাকাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তাই বলে এ ভুলগুলো ক্রমাগত হবেই এবং এগুলো সংশোধন করার কোনো চেষ্টা আমরা করব না সেটাও গ্রহণযোগ্য নয়। ব্লগেই লিখি আর যেখানেই লিখি এখন আমাদের পরিচয় লেখক। আর লেখকদের ভাষার প্রতি কিছু দায়িত্ববোধ থাকে। নিজেদের সীমাবদ্ধতাকে স্বীকার করেও আমরা আমাদের সাধ্যমত চেষ্টা করে যাব নিজেদের লেখাগুলো যতটা সম্ভব ভুলমূক্ত করার এবং নিজেরা কী ভুল করি সেটা জেনে সে সম্পর্কে সতর্ক হওয়ার। এটা যদি আমরা করতে পারি তাহলে আমাদের লেখায় ভুলের পরিমাণটা একটি গ্রহণযোগ্য মাত্রায় নামিয়ে আনা সম্ভব হবে। শুভ ব্লগিং।
“রক্তের মলাটে একুশ”-এর লেখাগুলো সম্পাদনা করার কাজ সম্পাদনা পরিষদের সদস্যরা করে যাচ্ছেন। আমি নিজেও সে পরিষদের একজন সদস্য। “রক্তের মলাটে একুশ” এর লেখাগুলো সম্পাদনা করতে গিয়ে দেখলাম অধিকাংশ ব্লগার প্রায় কিছু কমন ভুল করেছেন। যেহেতু অনেক ব্লগারই এ কয়েকটি বিশেষ ভুল বারবার করেছেন সেহেতু এ ভুলগুলোর উপর একটু আলোকপাত করা গেলে মনে হয় অনেক ব্লগারদের উপকারে আসবে এবং ভবিষ্যতে একই ভুলগুলো যাতে না হয় সে ব্যাপারে সজাগ হতে পারবেন। সে কারণেই আজকের এ ছোট পোষ্টটের অবতারণা।
২.
বাংলা ভাষা লেখার একটি আলাদা সমস্য আছে যেটি সম্ভবত বিশ্বের আর কোনো ভাষায় নেই। সমস্যার জায়গা এই; বাক্যে যে-শব্দগুলো যেখানে বসার সেখানেই বসল, কিন্তু কখনো-কখনো দুটো শব্দ ফাঁক-ফাঁক না-বসে একেবারে গায়ে গা লাগিয়ে বসে; আবার কখনো আলাদা বসে। এ ব্যাপারটি অনেক বড়ো বড়ো কবি, সাহিত্যিক, শিক্ষকেরাও খেয়াল করেন না বা এ ব্যাপারে তাঁরা আদৌ অবগত নন। কিন্তু এ সামান্য ব্যাপারটি যে অর্থে কী পরিমাণ তারতম্য ঘটাতে পারে সেটা অনুভব করলে এটিকে উপেক্ষা করার স্পর্ধা কখোনই কারোর হবে না।
একটি উদাহরণ দেখা যাকঃ
বিরোধী দলীয় নেতারাই নিজেদের মধ্যে ঝগড়াঝাঁটি করে এভাবে এভাবে দল ভাঙেন।
বিরোধীদলীয় নেতারা সবসময় সব সময়ে সরকারি দলের উল্টো কথা বলেন।
এ দুটি বাক্যে ‘বিরোধী’ ও ‘দলীয়’ এ দু’টি শব্দ মাঝখানে ফাঁক রাখা না রাখার কারণে কিন্তু অর্থের আকাশ পাতাল তফাৎ হয়েছে।
এটি একটি জটিল ব্যাপার; এখানে স্বল্প পরিসরের আলোচনায় সবটুকু পরিষ্কার করা সম্ভব নয়। তারচেয়ে যে কারণে এ প্রসঙ্গের অবতারণা সেখানেই সরাসরি যাওয়া যাক।
সম্পাদনা করতে গিয়ে অনেক ব্লগারই দেখেছি –গুলি/গুলো/ কিংবা খানা/খানি আলাদা লিখেছেন; অথচ আলাদা তো হবে না, সবসময় পূর্ববর্তী শব্দের সাথে লাগিয়ে লিখতে হবে। লিখতে হবে “ভালোভাবে(‘ভালো ভাবে’ নয়), সুন্দরভাবে, উদাহরণগুলো এভাবে।
৩.
আবার অনেকেই লেখেন, ‘আমি আসিনি, সে জানেনা’। আমাদের একটি তথ্য মনে রাখতে হবে যে না / নি / নাই / নয়/ না এসব নঞর্থক শব্দ বা নেতিবাচক শব্দ সবসময়ে পৃথক শব্দ হিসাবে বসবে (যেরকম ইংরেজিতে no বা not আলাদা লিখতে হয় সেরকম), কখনো কোন শব্দের সাথে জুড়ে যাবে না। লিখতে হবে “আমি আসি নি”, “সে জানে না’ এভাবে। এ-রকম আরো ক্রটিবিচ্যুতি আছে যা বানানভুল নয়, শব্দতৈরিতে ভুল।
৪.
আমরা লিখি “সহযোগী”। কিন্তু তাই বলে “সহযোগীতা” লিখতে পারব না; এটি ভুল। প্রমতি বানানরীতি অনুসারে কোন বিশেষণ শব্দের শেষে যদি “ী” থাকে এবং তার পরে যদি ত্ব/তা/ণী/নী/সভা/পরিষদ/ভাব/তত্ত্ব/বিদ্যা/জগৎ/বাচক ইত্যাদি শব্দ যোগ করতে চাই তা হলে ঐ শব্দের শেষের দীর্ঘ ঈ-কার (ী) হ্রস ই-কার (ি) হয়ে যাবে।
“সহযোগী” একটি বিশেষণ; এর সাথে ‘তা’ যুক্ত হয়ে হচ্ছে “সহযোগিতা”। অতএব সহযোগীর দীর্ঘ ঈ-কার (ী) হ্রস ই-কার (ি) হয়ে যাবে।
আরও কিছু উদাহরণঃ
অধিকারী-----------অধিকারিত্ব
উপকারী------------উপকারিতা
সহযোগী-----------সহযোগিতা
অভিমানি-----------অভিমানিনী
সঙ্গী--------------সঙ্গিনী
মন্ত্রী---------------মন্ত্রিপরিষদ
প্রাণী--------------প্রাণিবিধ্যা/প্রানিজগৎ
৫.
আমরা অনেকেই লিখি “বাঙালী, বাঙ্গালি, বাঙ্গালী”। কিন্তু সবকটিই ভুল।
বাংলাদেশের ‘জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড’ এবং পশ্চিমবঙ্গের পণ্ডিতবর্গও মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে দেশ, ভাষা ও জাতির নামের ক্ষেত্রে সর্বদা হ্রস ই-কার (ি) লিখতে হবে।
অতএব, সকল দেশ, ভাষা ও জাতির নামে ক্ষেত্রে সর্বদা ই-কার (ি) ব্যবহার করতে হবে।তাই, ‘বাঙালী’ হবে না, হবে ‘বাঙালি’। একইভাবে অনেকই লেখেন “ইংরেজী”। সেটাও ভুল। ইংরেজি যেহেতু একটি ভাষা নাম সেহেতু বাংলা প্রমিত বানানরীতি অনুসারে এখানে হ্রস ই-কার (ি)হবে; দীর্ঘ ঈ-কার (ী)নয়।
আরো কিছু উদাহরণঃ
দেশঃ
আফগানিস্তান, পাকিস্থান, গ্রিস, জার্মানি, আমেরিকা, তিব্বত, ইতালি, সৌদি আরব ......
ভাষাঃ
আরবি, ইংরেজি, নেপালি, হিন্দি, হিব্রু......
জাতিঃ
বাঙালি, আফগানি, জাপানি, বিহারি, ইরানি......
৬.
আমরা যারা ব্লগে লিখি তাঁদের সিংহভাগই প্রফেশনাল লেখক না। আমাদের লেখায় ভুলক্রটি থাকাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তাই বলে এ ভুলগুলো ক্রমাগত হবেই এবং এগুলো সংশোধন করার কোনো চেষ্টা আমরা করব না সেটাও গ্রহণযোগ্য নয়। ব্লগেই লিখি আর যেখানেই লিখি এখন আমাদের পরিচয় লেখক। আর লেখকদের ভাষার প্রতি কিছু দায়িত্ববোধ থাকে। নিজেদের সীমাবদ্ধতাকে স্বীকার করেও আমরা আমাদের সাধ্যমত চেষ্টা করে যাব নিজেদের লেখাগুলো যতটা সম্ভব ভুলমূক্ত করার এবং নিজেরা কী ভুল করি সেটা জেনে সে সম্পর্কে সতর্ক হওয়ার। এটা যদি আমরা করতে পারি তাহলে আমাদের লেখায় ভুলের পরিমাণটা একটি গ্রহণযোগ্য মাত্রায় নামিয়ে আনা সম্ভব হবে। শুভ ব্লগিং।
লেখক সাইফুজ্জামান খালেদ
- সাইফুজ্জামান খালেদ -এর ব্লগ
- ৪০ টি মন্তব্য
- ১৩ মার্চ ২০১০, ১০:৫৫
- বিবিধ
প্রিন্ট করুন
- ৪০ টি মন্তব্য
-
চরম পত্র১৩ মার্চ ২০১০, ০১:০৮
উফ .. পারুমনা এতো খিয়াল কৈরা লিখতে । মাইনষে বুঝলেই হৈল । যাই হোক, পুষ্ট ভালা হৈছে । সুন্দর উপস্থাপন । -
েমাহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধূরী১৩ মার্চ ২০১০, ০১:৪৮
খালেদ ভাইয়া তোমাকে ধন্যবাদ এ ভাবে পোষ্টের মাধ্যমে ভূল গুলো তুলে ধরার জন্য। আশা করি তুমি কাজটি যথারীতি চালিয়ে যাবে।
হাবি জাবি পড়ার চেয়ে ভালো কিছু পোষ্ট ব্লগিংকে অনুপ্রানিত করে। তোমার দেওয়া কিছু পোষ্টে শেখার থাকে। -
সাইদুর রহমান চৌধুরী১৩ মার্চ ২০১০, ০২:২৫
কোন দিন যে 'প্রমিত' ভাইয়া এসে বলে, 'তুমি আজ থেকে চৌধুরি'
ধন্যবাদ গুরুত্বপূর্ণ লেখাটির জন্য।
এটাও ই-বুকে নিয়ে নিলে মন্দ হয়না, আমার প্রস্তাব। -
শামান সাত্ত্বিক১৩ মার্চ ২০১০, ০২:৩৬
শেখ আমিনুল ইসলাম সম্পাদিত "অনুভূতির ভগ্নাংশে" এরকম অসংখ্য বানান ভুল দেখে আমি তার দৃষ্টি আকর্যণ করেছি। আশা করি, আপনাদের “রক্তের মলাটে একুশ”-এ যতদূর সম্ভব শুদ্ধ বানান পাবো। এজন্য যদি ই-বুক/ম্যাগাজিন বেরোতে সময় বেশি লাগে, তাতে আপত্তি নেই। অন্ততঃপক্ষে ভুল বাংলায় লেখার প্রবণতাকে নিরুৎসাহিত করা যাবে। এবার থেকে ব্লগের কেউ যদি, লেখা নিয়ে কোন রকম সংকলন বের করতে চায়, তাহলে লেখকদেরকে আশা করি জানিয়ে দেবেন যে, শুদ্ধ বানানও লেখা নির্বাচনের মাপকাঠি বলে বিবেচিত হবে। , আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ, এব্যাপারটি সবার নজরে আনাতে। ভাল থাকুন। শুভ কামনা। -
ফারজানা লিছা১৩ মার্চ ২০১০, ০২:৪১
হুমম কাজের পোস্ট।
প্রিয়তে নিলাম।
কিন্তু ভুল গুলো কতটুকু শোধরাতে পারবো জানি না।
-
ফারজানা লিছা১৩ মার্চ ২০১০, ০২:৪২
হুমম কাজের পোস্ট।
প্রিয়তে নিলাম।
কিন্তু ভুলগুলো কতটুকু শোধরাতে পারবো জানি না।
-
MRIDUL১৩ মার্চ ২০১০, ০২:৫০
নিঃসন্দেহে কাজের পোস্ট...........।
তাই সরাসরি প্রিয়তে.........
এখন থেকে শুদ্ধ লেখার চেষ্টা চলবে ........
(এইটুকু লেখার মাঝে কতগুলো যে ভুল হলো !
)
সবসময় প্রশান্তিতে থাকুন খলেদ ভাই......
-
হাফিজুর রহমান চৌধুরী১৩ মার্চ ২০১০, ০৩:২১
খালেদ ভাই খুব উপযোগী একটা পোস্ট দিয়েছেন। ধন্যবাদ। ব্লগের লেখার মান উন্নত করার লক্ষ্যে এই ধরণের পোস্ট আরো বেশী বেশী দরকার। প্রসংগক্রমে বলছি যারা নিয়মিত ভালো লেখার চেষ্টা করছেন তাদের এবং মননশীল পাঠক তৈরীর জন্যে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিসম্পন্ন সমালোচকদের আরো এগিয়ে আসা প্রয়োজন। যে কোন লেখালেখির জগতেই দেখবেন বড় বড় সমালোচকরা আছেন। অন্যের ভুল ধরার জন্য নয় বরং তার লেখার ভাবনা,ব্যপ্তি, ঐতিহ্য, বা তুলনামুলক লেখা ধরিয়ে দেয়ার জন্য। সবাই সমালোচক হতে পারেন না তার দরকারও নেই। কিন্তু কিছু সচেতন জ্ঞানী ব্যাক্তি্দের এগিয়ে আসতে হবে। -
রিয়াদ১৩ মার্চ ২০১০, ১২:৪৫
খুবই দরকারী পোষ্ঠ। আর লেগে থাকা শব্দগুলো নিয়ে আর একটু বিস্তারিত লিখলে খুব উপকার হয়। -
মং হ্লা প্রু পিন্টু১৪ মার্চ ২০১০, ০১:৪৯
অনেক ব্লগারদের = অনেক ব্লগারের (দু'বার বহুবচন হয় না)
পোষ্টটের = পোস্টটির বা পোস্টের (স+ট)
কারোর = কারো
দেখা যাকঃ = দেখা যাক: (কোলন আর বিসর্গ এক নয়)
তারচেয়ে = তার চেয়ে (আলাদা)
অভিমানি = অভিমানী (দীর্ঘ ঈ-কার)
প্রাণিবিধ্যা/প্রানিজগৎ = প্রাণিবিদ্যা/প্রাণিজগৎ
পাকিস্থান = পাকিস্তান (স+ত)
প্রফেশনাল লেখক না = প্রফেশনাল লেখক নন (সম্মানার্থে)
ভুলমূক্ত = ভুলমুক্ত (ম-এ হ্রস্ব উ-কার) -
আজুরি১৪ মার্চ ২০১০, ০৫:৫১
আজ Self-made এর বাংলা খুঁজতে গিয়ে আমার টেকো মাথার সব চুল ঝরে গেছে...... একটু হেল্প করবেন প্লীজ? -
আ,শ,ম,এরশাদ১৪ মার্চ ২০১০, ০৯:০০
আপনার সাথে সাথে মং হ্লা প্রু পিন্টু ভাইকে ও দিতে হচ্ছে কিছু ধন্যবাদ, আমি এত সুক্ষ ভাবে দেখার পরও কোন ভুল দেখি নাই আর উনি পয়ে গেলেন।
রিয়েলি আপনার এই পোস্ট অনেক কাজে দেবে।
শিখলাম অনেক কিছু। -
সিমি১৪ মার্চ ২০১০, ০৯:৫৬
অনেত দরকারি একটা বিষয় নিয়ে পোষ্ট দিয়েছেন। আপনাতে ধন্যবাদ। এখন থেকে চেষ্টা করবো কোন ভুল যেন না করি। বানানের ক্ষেত্রে।
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য






নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক
ভালো থাকুন।