ভালো থেকো তুমি বাংলা‍‍‍‍‍দেশ

সেপ্টেম্বর
০৬

একজন আর্জেন্টাইন সমর্থক হিসেবে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ম্যাচের ব্যবচ্ছেদ

সময় ১২:০৬:১০

ব্রাজিল--আর্জেন্টিনা ম্যাচ মানে শুধুই কোন ফুটবল ম্যাচ নয়,লড়াই সম্মানের, আবেগের। আজ তেমনি এক ম্যাচে ব্রাজিল পরাজিত করল আর্জেন্টিনাকে দাপটের সাথেই,স্কোর লাইন ৩-১ । মনে হচ্ছে ব্রাজিল এক চেটিয়া খেলেছে,আসলে তা কিন্তু নয়, বল পজিসনিং, গোলের সুযোগে আমার মতে এগিয়ে ছিল আর্জেন্টিনাই কিন্তু ফুটবল গোলের খেলা আর সেখানেই বাজি মাত করেছে ব্রাজিল, পরিষ্কার করে বললে ডুঙ্গার থিউরির কাছে ম্যারাডোনার পরাজয়।
ভোরে যে আশা নিয়ে বসেছিলাম খেলা দেখতে তার কিছুই পাই নি প্রিয় আর্জেন্টিনার কাছে তার বদলে মনে জন্মেছে কিছু ক্ষোভ আর সে থেকেই এ লেখা।

যে সব ভুলগুলো চোখে লেগেছে তাই লিখছি।
০১. কোচ হিসেবে ম্যারাডোনা একেবারেই নবিশ, তাকে মনে রাখতে হবে আবেগ দিয়ে ম্যাচ জেতা যায় না।
০২. ছোট ছোট পাসে হয়ত বল পজিসনিংয়ে এগিয়ে থাকা যায় তবে ম্যাচ জেতা যায় না, আর্জেন্টিনার সব আক্রমণ মুখ থুবড়ে পড়েছে ডি-বক্সেই,পোস্ট নয়। তাই ট্যাকটিকস বদলাতে হবে কারণ আর্জেন্টিনার এই ছোট ছোট পাসে খেলা এখন প্রেডিক্টেট।
০৩. অতিরিক্ত মেসি নির্ভরতা।
০৪. একজন জেনুইন ফরোয়ার্ড না খেলানো যে কারণে গোলের দেখা মেলে নি।
০৫. মেসির কিছু ঝলক ...

  • ১০টি মন্তব্য

জুলাই
১৮

দেশের বাইরে দেশ.......

সময় ২৩:২৪:৫০

ঘটনাটা আফতাব স্যারের মুখে শোনা,কোন একটা কাজে তিনি কেনিয়া গিয়েছিলেন,১৯৭৩ সাল। নাইরোবি থেকে তার যাওয়ার কথা ছিল অন্য একটি শহরে,ঘুম থেকে দেরি করে উঠার শাস্তিস্বরূপ বাস মিস করলেন। ট্যাক্সি ছাড়া যাবার অন্য কোন উপায় নেই,অগত্যা একটা ট্যাক্সি ভাড়া করলেন,ট্যাক্সি চালক এক কেনিয়ান যুবক। ট্যাক্সি ছুটে চলতে লাগল। কথায় কথায় স্যার জানলেন যে যুবকটি মুসলিম। স্যার যখন বললেন তিনি বাংলাদেশী তখন যুবকটি বলল,' I know Bangladesh' স্যারকে অবাক করে দিয়ে সে আরও বলল,'আমি তোমাদের যুদ্ধের কথাও জানি' স্যার বিস্মিত কণ্ঠে বললেন,'কিভাবে? তখন সে বলল,১৯৭১ এ আমার বয়স ছিল ১৮ বছর আর আমাদের পরিবারের রীতি অনুযায়ী ১৮ বছর পূর্ণ হলে ছেলেদের হজ্ব করার নিয়ম কিন্তু আমি ঐ বছর হজ্ব না করে ঐ টাকা তোমাদের মুক্তিযুদ্ধের ফান্ডে জমা দিয়েছিলাম।' স্যার তখন কি বলবেন? বোকার মতো মহানুভব যুবকের দিকে তাকিয়ে রইলেন.........

আর আমরা যারা এ দেশের সন্তান তারা কতটুকু ভাবি দেশ নিয়ে?
ভাববার সময় কিন্তু ...

  • ১৬টি মন্তব্য

জুলাই
১৫

বাড়ি ছেড়ে পালানোর গল্প........

সময় ২২:৪০:৫০

ক্লাস সেভেনের ১ম সাময়িক পরীক্ষা শেষ। বৃহস্পতিবার,বেলা দুইটা। আমার হাতে বাংলা ১ম পত্র পরীক্ষার রেজাল্ট,পেয়েছি মাত্র ৪৫। ক্ষোভে-দুঃখে চোখ ফেটে পানি আসছে,দুরুদুরু বুকে বাসার দিকে এগুচ্ছি। সিঁড়ি বেয়ে উঠছি। পা যেন চলতে চাইছে না, সিঁড়িটাকে মনে হচ্ছে হিমালয় যার কোন শেষ নেই। মনে শুধু একটাই চিন্তা,'' এই রেজাল্ট বাসার কাউকে দেখানো যাবে না''। যাই হোক বাসায় ঢুকলাম, ভাত খেলাম। কিন্তু মনে হচ্ছে পৃথিবীটা ঘুরছে,পেটের খাবারগুলো দলা পাকিয়ে উঠে আসতে চাইছে। অস্থির লাগছে খুব,আম্মুর দিকে তাকাতে পারছি না। শেষমেষ সিদ্ধান্ত নিলাম বাসা থেকে চলে যাব দূরে কোথাও, রেজাল্টের কথা কিছুতেই বলা যাবে না। প্রস্তুতি নিলাম। বের হলাম বাসা থেকে,পকেটে নিলাম সব মিলিয়ে ৭০ টাকা। তখন ৭০ টাকাকেই অনেক মনে হয়েছিল। আম্মুর কাছে বললাম ক্রিকেট ম্যাচ আছে। মনে তখন নানান চিন্তা। অনেক দূরে যেতে হবে যাতে কেই খুঁজে না পায়। কোন হোটেলে কাজ নিতে হবে,আরও কত কি! পরিচিত দোকান থেকে একটা পার্ক চকলেট নিলাম বাকিতে। দাম বোধহয় ১৮ টাকা ছিল। দাম নিয়ে কোন সমস্যা ছিল না কারণ টাকা দিবে আব্বু। পুরো দোকান তুলে নিয়ে গেলেও আব্বু কিছু বলবে না। পায়ে হেঁটে ...

  • ১৩টি মন্তব্য

জুলাই
০১

looking down the yosemite valley

সময় ২৩:০৮:৪০


কি মনে হয় ছবিটা দেখে? ফটো না ...

  • ১১টি মন্তব্য

জুন
২৫

চিঠি লেখার গল্প.........

সময় ১৪:৪৩:০৪

সখী পত্রের শুরুতেই রইল ভালবাসা
বহুদিন পর লিখছি তোমায়
ভেবোনা করছি কিছু আশা
পর সমাচার এই
আমি আছি ঠিক সেই
শুনেছি তুমিও আছো বেশ ভালোই
ভরা জোছনায় কাটছে নিশি
আর কি লিখি বলো
ওবার বিদায়ের ক্ষণ এলো
ভালো থেকো,সুখে থেকো
শুধু মনে রেখ..........
(সংক্ষেপিত)

ইচ্ছে ছিল জেমস-এর এই গানের মতো কাউকে লিখব চিঠি কিন্তু যে বয়সে এমন ভাব আসে মানে টিন এজ বয়স পার করার পরে তখন চিঠি লেখা ব্যাপারটা আমাদের কাছে বাহুল্য,অযথা সময় ক্ষেপন বলে মনে হয়। যান্ত্রিক যুগে আমাদের এত অপশন থাকতে কে চিঠি লেখার কষ্ট করতে যায়! সবই ঠিক ছিল শুধু আমাদের আবেগটাই হারিয়ে গেছে চিঠির সাথে সাথে।
চিঠির কথা মনে হতেই বেশ কয়েক বছর আগে ফিরে গেলাম,ঠিক এসএসসি পরীক্ষার আগে যখন কোচিং করতাম। ওখানেই পরিচয় নওরিনের সাথে,ভাল লাগত ওকে,তবে প্রেম বা ভালবাসা জাতীয় কিছু নয়। এ এক অদ্ভুত ভাল লাগা। কথা হত ওর সাথে তবে বেশিরভাগই পড়াশুনা নিয়ে। এমনি একদিন কোচিং শেষে যখন নিচে নামছি সিঁড়ি দিয়ে তখন দেখা সানির সাথে, সানি আমাকে একটা কাগজে মোড়ানো প্যাকেট হাতে দিয়ে বলল, বাসায় গিয়ে খুলবি। আমি তো অবাক,এটা আবার কি? সানি কোন জবাব দিল না। ...

মে
৩১

প্রিয় শৈশব, প্রিয় বন্ধুরাঃ যাদের সাথে এখন আর দেখা হয় না

সময় ২২:১৭:২২

লেখাটা হঠাৎ করেই লিখলাম,কেন জানি পুরোনো হারিয়ে ফেলা বন্ধুদের কথা খুব মনে পড়ছে। স্মৃতিগুলো ফিরে ফিরে আসছে। এখন অনেকের কথাই মনে পড়ছে আবার অনেকের কথাই মনে পড়ছে না।
শৈশব নিয়ে নস্টালজিয়ায় ভোগে না এমন মানুষ বোধহয় খুঁজে পাওয়া যাবে না। আমিও ভুগি,খুব বেশি করে।

আসিফরা থাকত আমাদের গলির শেষ মাথায়,(অবশ্য উল্টো দিক থেকে ধরলে গলির শুরু ধরতে হবে)। দারুন ছিল দেখতে। ক্লাস টুতে ওর রোল ছিল ১৭, কিন্তু ও ওই রোল নিয়েই খুব খুশি, বলত,''আরে সজীবের মাত্র ১,আমার ১৭,বুঝছিস? ক্লাস থ্রিতে উঠার পরে ওরা আমাদের এলাকা ছেড়ে চলে যায়, কোথায় জানি না,তখন যদি জানতাম তাহলে অবশ্যই ঠিকানা রেখে দিতাম। বন্ধু ভাল থাকিস।

নিশাত ছিল আমাদের এক ক্লাস সিনিয়র,তাই নিয়ে খুব ভাব নিত আমাদের সাথে,আমরা অবশ্য পাত্তা দিতাম না, মেয়ে তো!! শেষ দেখা ক্লাস থ্রি। মনে আছে যাওয়ার সময় খুব কেঁদেছিল আর ওর কান্না দেখে আমরা দারুন মজা পেয়েছিলাম,হায়.....

দারোগার ছেলে মুন্না সব সময় আমাকে সামনের সিট ছেড়ে দিত বসার জন্য, ওর সম্পর্কে শুধু এটুকুই মনে আছে,স্মৃতি কি অদ্ভুত তাই না? শেষ দেখা প্লে কিংবা নার্সারী। মুন্না জানিস এখন আর সামনে সিট পেলেও ...

  • ১৬টি মন্তব্য

মে
২৯

সুন্দরবনকে রক্ষায় আশু পদক্ষেপ জরুরি

সময় ১২:১৪:১৬

হিমালয় থেকে সুন্দরবন
হঠাৎ বাংলাদেশ..........

সুকান্তের এই কবিতার মতো বাংলাদেশের অস্তিত্বের সাথে মিশে আছে সুন্দরবন। পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল,আমাদের বিপদের বন্ধু। মায়ের কোলের মতো যে আমাদের আগলিয়ে রাখে,বুকে পেতে নেয় সিডর,নারগিস,আইলার মতো দানবদের। অতন্দ্র প্রহরীর মতো সে আগলে রাখছে আমাদের উপকূলীয় অঞ্চল সমূহকে। অর্থনৈতিক,প্রাকৃতিক সকল দিক থেকে সুন্দরবনের গুরুত্ব অপরিসীম। সুন্দরবন আমাদের সম্পদ,একে রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের সকলের,দরকার সরকারের সুষ্ঠু পদক্ষেপ, সকলের সহযোগিতা,দরকার জন সচেতনতা।

সুন্দরবনে রয়েছে অসংখ্য প্রজাতির গাছ। যার মধ্যে প্রধান সম্পদ সুন্দরী গাছ। মূলত সুন্দরবন দাঁড়িয়ে আছে সুন্দরী গাছের উপর ভিত্তি করে। এর শক্তিশালী শ্বাসমূল মাটিকে শক্ত করে ধরে রাখে। সুন্দরী গাছ কাটা নিষিদ্ধ করেছে বন বিভাগ কিন্তু প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ সুন্দরী গাছ কেটে নিয়ে যায় চোরাকারবারী আর জলদস্যুরা,যার মূল্য কয়েকশ কোটি টাকা। কিছুদিন আগেই বন বিভাগ অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করেছে দশ লক্ষ টাকার সুন্দরী গাছ। বন বিভাগ কর্তৃক অনুমোদিত ডিলাররা ও স্থানীয় প্রভাবশালী মহল এর ...

  • ৭টি মন্তব্য

মে
২৮

রিমাইন্ডারঃ কক্সবাজার ও সুন্দরবনকে প্রথম স্থানে উঠে আসতে সাহায্য করুন

সময় ১৭:৫০:২২

প্রাকৃতিক সপ্তাচার্য নির্বাচনে কক্সবাজার দীর্ঘদিন G-গ্রুপে প্রথম স্থানে থাকার পরে আবার ২য় স্থানে নেমে গেছে,সুন্দরবন E-গ্রুপে যথারীতি ৩য় স্থানে। আপনার ভোটই পারে আমাদের প্রিয় কক্সবাজার ও সুন্দরবনকে ১ম স্থানে ফিরিয়ে আনতে। সবার সহযোগিতা কাম্য। প্লীজ সবাই ভোট করেন।
ভোট করতে ভিজিট করুন

  • ১০টি মন্তব্য

মে
২৮

রহিমুদ্দীর ভাইর বেটা-- পল্লী কবি জসীম উদ্দীনের রম্য

সময় ১৩:৫১:৩৩

চাচা আর ভাতিজা সন্ধাবেলায় দুইজনে আলাপ-সালাপ করিতেছে।
ভাতিজাঃ চাচা ! আজ বাজারে গিয়াছিলাম।
চাচাঃ যাবি না ! তবে বাড়িতে বসিয়া থাকবি নাকি?
ভাতিজাঃ একটা কুমড়া লইয়া গিয়াছিলাম।
চাচাঃ নিবি না? খালি হাতে বাজারে যাবি নাকি?
ভাতিজাঃ একটা লোক আসিয়া কুমড়াটার দাম জিজ্ঞেস করিল।
চাচাঃ দাম জিজ্ঞেস করিবে না তবে কি বিনা পয়সায় কুমড়াটা লইবে?
ভাতিজাঃ আমি আট আনা দাম চাহিলাম।
চাচাঃ আট আনা চাবি না তবে কি মাগনা দিবি অত বড়ো কুমড়াটা?
ভাতিজাঃ সে লোকটা দুই আনা বলিল।
চাচাঃ বলিবে না? অতটুকু কুমড়া তুমি আট আনা চাহিলেই সে নিবে কেন?
ভাতিজাঃ আমি বলিলাম,বাপের পুষ্যি কুমড়া খাইছ কোনদিন?
চাচাঃ বেশ বলিয়াছিস। এত বড় কুমড়াটা বেটা দুই আনা মাত্র দর করিল !
ভাতিজাঃ এমন সময় এক পুলিশ আসিল।
চাচাঃ আসিবে না? তুমি ভদ্রলোকের ছেলেকে বলিয়াছ,বাপের পুষ্যি কোনদিন কুমড়া খাইয়াছ? দেখ না কি হয় !
ভাতিজাঃ পুলিশ আসিয়া কুমড়াটার দাম জিজ্ঞেস করিল।
চাচাঃ দাম জিজ্ঞেস করিবে না? পুলিশ বলিয়া কুমড়াটা মাগনা লইবে নাকি?
ভাতিজাঃ আমি কুমড়াটার দাম আট আনা চাহিলাম।
চাচাঃ বেশ! বেশ! আমার ভাতিজা ! দাম চাহিবি না ! পুলিশ দেখিয়া ডরাইবি ...

  • ৭টি মন্তব্য

মে
২৮

শিরোনামহীন একটি কবিতা

সময় ১৩:০২:৫৭

স্মৃতির আস্তাকুড় থেকে
হঠাৎ উঠলে তুমি জেগে,
চমকে দিয়ে বললে আমাকে
কেমন আছো? আছো তো সুখে?
তোমার কথা শুনে
আমি তাকাই পেছন ফিরে,
ভাঙা কাঁচের মতো স্মৃতির ভীড়ে
যেখানে শুধুই তোমার বিচরণ।
অক্টোপাসের মতো জড়িয়ে আমায়,
তবে কি তোমাকে ভুলতে পারি নি আজও?
এতদিন ধরে সবই ছিল ভান?
সাপের মতো খোলস বদল।
নিজেকে আজ বড় নগ্ন লাগছে
পুরোনো ছবিগুলো রং পাচ্ছে আবার,
কত ছবি কত গান ছিল তোমায় ঘিরে
কিন্তু তুমি চলে গিয়েছিলে মেনকার মতো,
সব বাঁধন ছিঁড়ে।
সেসব এখন রঙজ্বলা নেগেটিভ,
তবে আজ কেন ঘুম ভাঙল তোমার?
নাকি এ আমার অবচেতন মনের ষড়যন্ত্র
তোমাকে যে আবার ঘুম পাড়াতে হবে,
নইলে যে আমাকে জেগে থাকতে হয়
ঐ ল্যাম্প পোস্টের মত,
কোথায় রাখিব তোমায়
ঐ হিমালয়ের উপর?
নাকি মারিয়ানা ট্রেঞ্চে?
কিনতু হায় সবই তো আমার মনের ভিতর!
জীবনটা জুল ভার্ন কিংবা
আসিমভের কল্প কাহিনী নয়
যে তোমাকে পাঠিয়ে দেব
স্পেস শিপে করে গ্রহ-গ্রহান্তরে।
তুমি রবি ঠাকুর,জীবনানন্দ
তাইতো তুমি থাক
আমার মনের খাতায়,
পাতায় পাতায়
প্রতিটা পৃষ্ঠা ...

  • ১০টি মন্তব্য

প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা ১২১৫