"""আপনাকে স্বাগতম রনির ছন্দছাড়া ব্লগে"""

মার্চ
১৩

আমার বাংলাদেশ ভ্রমনঃ-- পর্ব ১

সময় ২১:৩৯:২৭

অবশেষে ঘুরে এলাম বাংলাদেশ। বেশ মজা করলাম কয়েকদিন। আনন্দ মুখরিত দিন গুলো,ফেরার সময় চোখের সামনে ভেসে উঠছিল প্রতিনিয়ত। অনেকদিন আগে (প্রায় ১৮ বছর) একবার গিয়েছিলাম বেড়াতে। তখন আমার বয়স ছিল মাত্র ৬ বছর। তখন এত কিছু অনুভূতি সৃষ্টি হয়নি, আজ যে ভাবে আমাকে ছুয়ে গেছে। ব্লগিয় সুত্রে অনেক ধারনার সৃষ্টি হয়েছিল ওপার বাংলার সম্পর্কে। কিন্তু যখন ওপারের মাটিতে পা রাখলাম, তখন সে সব ধারনা মুর্হতের মধ্যে একের পর এক ভুল প্রমানিত হতে থাকল। ওপার বাংলার মানুষেরা কতটা অতিথী বৎসল তার প্রমান পেতে থাকলাম প্রতি মুহর্তে। আমি এক কথায় অভিভূত। শুধু একটা কথায় মুখ থেকে বেরিয়ে এল, " আমি তোমাদের মনে রাখব চিরদিন"।

২৭শে ফেব্রুয়ারি ঢাকা পৌছায়। ওখানে আমার বড় চাচার বাসায় (গুলশান) উঠি। সামু ব্লগের এক অনাকাংক্ষিত ঘটনার জন্য, ইচ্ছা থাকলেও কাওকে জানাতে পারিনি বা চাইনি আমার এই যাওয়ার কথা। ব্লগিয় সুত্রে আমার অনেক ভাল বন্ধু, পরিচিত আছে ওপারে কিন্তু দূর্ভাগ্য বশত তাদেরকেও জানাতে পারিনি। ওখানে যাওয়ার ২ দিন পর আমার এক খুব ক্লোজ বন্ধুকে জানায় আমার বাংলাদেশে উপস্থিতির কথা, একিই সঙ্গে লোটাকম্বল ব্লগের আর এক ব্লগারকেও ...

  • ১০টি মন্তব্য

মার্চ
০৬

আসলে প্রতিবন্ধী কে?

সময় ১৯:২৯:১৮

“ইস! আবার আজকে অফিসে দেরি হয়ে যাবে। সি টি সি বাসটা আর একটু আগে এলে পেয়ে যেতাম। বস এই নিয়ে ইদানিং খুব প্যাচাল পাড়ছে”। নিজের মনেই কথা গুলো বলছিল অরিন্দম। কুড়ি পচিশ মিনিট পরে একটি সরকারি বাসে উঠে পড়ল। অন্য কোনো সিট ফাকা না থাকায় একজন প্রতিবন্ধীর পাশে প্রতিবন্ধী সিটেই বসে পড়ল অরিন্দম। লোকটার গায়ের জামা ও তার অবস্থা দেখে সুটেট-বুটেট, স্মার্ট অফিসযাত্রী অরিন্দমের বসতে ইচ্ছা করছিল না। কিন্তু অনেকখানি পথ যেতে হবে বলে বসেই পড়ল। “এখানে বসাও জ্বালা। ও দাদা, জায়গা আছে তো একটু সরুন না,” বেশ ক্রুদ্ধ স্বরেই বলল অরিন্দম। এক পা নিয়েও তাকে সরতে হল। প্রতিবন্ধী মানুষটির বয়স পঞ্চাশের কাছাকাছি। বি বা দি বাগে এসে দুজনেই বাস থেকে নেমে পড়ল। অরিন্দম ওর মোবাইলে তাড়াতাড়ি গানটা দিয়ে কানে হেডসেট লাগিয়ে এগিয়ে গেল। বাসে আসার সময় লোকাটার পাশে বসেছিল বলে একদম ভুলেই গিয়েছিল গানের ব্যাপারে। ওইপারেই অফিস। কানে ওর প্রিয় গানটা শুনতে শুনতে একটু তাড়াহুড়ো করেই এগিয়ে যাচ্ছিল। বেশ কিছুটা গিয়েই হঠাৎই কেউ ওকে ঠেলল আর ও এক ঝটকায় কিছুটা দূরে গিয়ে পড়ল। ওর পাশেই পড়ল বাসের সেই প্রতিবন্ধীটি। দুজনের পায়েই খুব লেগেছে। ...

  • ৩টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
২৫

:::কয়েকটি সন্ত্রাসের খন্ডচিত্র:::

সময় ১৩:৪০:৫১

মেক্সিকোর মরুপ্রান্তর। প্রায় দশ কিলোমিটার ব্যাসের একটি বৃত্তের পরিধি জুড়ে রয়েছে পনেরটি ওয়াচ টাওয়ার। তাতে রয়েছেন বিশ্ববরেন্য বৈজ্ঞানিকেরা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম সারির কর্তাব্যাক্তিরা। এত দিনের ঈপ্সিত পারমানবিক বোমা তৈ্রি - পরীক্ষার জন্য। বৈজ্ঞানিকদের আশ্বাস- বোমাটি যুদ্ধে ব্যবহৃত সাধারন বোমাগুলির থেকে বেশ কয়েকগুন শক্তিশালী হবে। বোমাটি ফাটল কিন্তু তাদের আশ্বাস মিথ্যা হয়ে গেল কারন সেটি কয়েকগুন নয়, কয়েক হাজার গুন বেশি শক্তিধর। বিজ্ঞান মাতৃকার ক্রোড়ে জন্ম নিল আর এক ফ্রাঙ্কেন্সটাইন.........।।

বিশ্বজোড়া দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের অন্তিমপর্ব। জাপান অস্ত্র সমর্পন করেছে। তার দিন পাচেক পর। এয়ারবেসের অদূরে আমার ফ্যাল্টে ভোরের নিস্তব্ধতাকে বিদীর্ন করে কর্কশ স্বরে বেজে উঠল টেলিফোনটা। ওপারে স্বয়ং এয়ার মার্শাল। " পল, আমি জন। পনেরো মিনিটের মধ্যে আমার অফিসে রিপোর্ট কর।" সামরিক উর্দির উপর ওভারকোটটা চাপিয়ে, বেল্টটা কোমরে লাগাতে লাগাতে ছুটতে শুরু করলাম মার্শালের অফিসের দিকে। গিয়ে দেখি আমার ৮২ নম্বর যুদ্ধবিমানের বাকি ক্রুরাও হাজির। মার্শাল বললেন, "লস অ্যালমোস থেকে ফ্যাট ...

  • ১টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
২০

পশ্চিমবঙ্গ বাংলা একাড্যামির আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস পালন।

সময় ২১:৫২:১৫


কিছুদিন আগে ছবির মাধ্যমে আপনাদের সামনে তুলে ধরেছিলাম কোলকাতার ভাষা শহিদ উদ্যান এর সেজে ওঠার ঘটনা। আজ আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি "পশ্চিমবঙ্গ বাংলা একাড্যামির" আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস পালনের উদ্যেশে বিভিন্ন কর্মসুচির এক ক্ষুদ্র প্রয়াসের খন্ডচিত্র। এই প্রয়াস এক্যাডেমি শুরু করেছিল ১৪ই ফেব্রুয়ারী থেকে চলবে ১লা মার্চ পর্যন্ত। প্রবেশ অবাধ।


























  • ৬টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
১৮

প্রতিবন্ধী কে?

সময় ২২:৫৫:৪৭

প্রতিবন্ধীর সংজ্ঞা কী? প্রতিবন্ধী বলতে আমরা কাদের বুঝি? এই প্রশ্নের উত্তর তাত্ত্বিকভাবে দেওয়া গেলেও বাস্তবসন্মত যুক্তিনিষ্ঠ কোনো সংজ্ঞা দেওয়া যায় কিনা, সেই ক্ষেত্রে সংশয়ের অবকাশ থেকেই যায়। অভিধানিক অর্থে বা সাধারন বুদ্ধিতে শারীরিকভাবে কোনো অঙ্গহানিজনিত প্রতিকুলতা, অথবা মানসিকভাবে বুদ্ধি বিকাশের কোনো অক্ষমতা প্রতিবন্ধকতার কারন। তাহলে কি অন্ধ, মূক, বধির ব্যক্তিরাই প্রতিবন্ধী? তারাই যদি প্রতিবন্ধী হয়, তাহলে "প্রতিবন্ধীর" বিপরীত শব্দ কী, যার মানদন্ডে আমরা নিজেদের অভিহিত করি? এই প্রশ্নের উত্তর আজও খুজে পাওয়া যায় নি। কারন "প্রতিবন্ধী" শব্দটিই বড়ো ঘোলাটে, বড়োই অস্পষ্ট। প্রতিবন্ধী হিসাবে বিচারের মানদন্ড কী হবে তা নির্নয় করা বড়োই কঠিন।

কোলাজ একঃ
মহানগরীর জনবহুল রাস্তা, যানবাহন ও জনস্রোতের সমুদ্রের এক কোনে ফুটপাথের ধারে এক অন্ধ, অসহায়, রুগ্ন, জীর্নবসন পরিহিতা বৃদ্ধা কাতর কন্ঠে সামান্য সাহায্য পার্থনা করে চলেছে। কিন্তু তার স্বর বড়ো করুন, সাগরের গর্জন ছাপিয়ে যেতে পারে না। এদিকে স্যুট-বুট-টাই পরিহিত হেড অফিসের বড়বাবু তাড়াহুড়োর মাঝে "ভুল" বশত বৃদ্ধার ডান হাত নির্মম ভাবে ...

  • ৩টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
১৭

আ-মরি বাংলা ভাষা!!

সময় ১৮:৫৪:৪৬




বিশ্ব বইয়ের দরবার ছেড়ে
এসো না আজ বাংলা পড়ি,
জগতের মাঝে ঠাই দিয়েছেন
রবি ঠাকুরে প্রনাম করি।
টেনিদা, ফেলুদা, ঘনাদা, কত-দা
করেছে সরস কিশোর মনকে,
ভ্রমন, শিকার, রোমাঞ্চরসে
টেনেছে কত বাঙ্গালিজনকে।
নোবেল, জ্ঞানপীঠ কি নেই আজ এখানেতে?
বাংলা শিখতে
আজও চাই বিদ্যাসাগরের পানেতে।
(তবু কেন যে?)
'potterrnania'য় ম্লান হয়েছে মা-ঠাকুমার গল্পের ঝুড়ি,
'বাংলা গল্প পড়ি' বলতে বন্ধুর কাছে লজ্জায় মরি।
এ লজ্জা হায় তোমার, আমার,
এসো হাতে ধরি হাত
করি এর ...

  • ১৪টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
১৭

পৃথিবী! ওরা কাঁদছে! এখোনো কাঁদছে!

সময় ১৪:১০:২৫


আজ ১৬ ই অক্টোবর’ ০৯। ২ বছর আগে নিউজিল্যান্ড এসেছিলাম এক নামী কোম্পানীর মার্কেটিং ম্যানেজার হিসাবে। এয়ারপোর্টের লাউঞ্জে বসে কথাগুলো মেগাধারাবাহিকের মতো মনের মনি কোঠায় ভীড় করছিল। মুর্শিদাবাদ জেলার ছেলে আমি, রাকিব। বাপ-ঠাকুর্দার জমিদারীতে বেড়ে উঠেছি, বাবা-মার এক মাত্র ছেলে হিসাবে কোনদিন অসহায়তা, দারিদ্র্য, অনাহারের মুখোমুখি হতে হয়নি। পড়াশুনার পর্ব শেষ করার পর, বলতে গেলে পরিবারের সবার অমতেই এই নামী কোম্পানীর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে আমার বিদেশ যাত্রা। নিউজিল্যান্ডের বিপুল বিলাসিতার মাঝে নিজের জায়গা করে নেওয়া।

হঠাৎ কানে-ভেসে-আসা শব্দগুলো সব চিন্তাগুলোকে এলোমেলো করে দিল-“প্যাসেঞ্জারস অফ ফ্লাইট নম্বর AL 3069 গেট রেডি ফর বোর্ডিং......।” সবাই তাদের হ্যান্ডব্যাগ নিয়ে উঠে পড়েছেন। আমিও এগিয়ে গেলাম, চেকিং এর পর উঠে পড়লাম ফ্লাইটে। পুরনো স্বপ্নগুলো, পুরনো মানুষেরা আমার সবকিছু, সবকিছু আজ বড্ড ঝাপসা হয়ে গেলেও ভীষনভাবে ওরা ডাকছে আমাকে...... “ওই তো ওরা, ওই তো, তোমার জন্য সবাই অপেক্ষা করছে”। দীর্ঘ অপেক্ষার পর, জীবনের মাঝসমুদ্রে দাঁড়িয়ে অনেক ওপর থেকে, অনেক অনেক ওপর থেকে দেখলাম আমার দেশকে, আমার ...

  • ৬টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
১৫

সেজে উঠছে নতুন করে কোলকাতার ভাষা শহিদ উদ্দ্যান।

সময় ২২:৫৫:২০


আজ সকালে হঠাৎ কানে এলো আই পি এল এর টিকিট দেওয়া শুরু হয়েছে আজ থেকে। টিকিট দেওয়া হচ্ছে ইডেনের উলটো দিকে মোহনবাগান ক্লাবের টিকিট কাউন্টার থেকে। তড়িঘড়ি করে অফিস থেকে বেরিয়ে চলে এলাম যথাস্থানে, সংগ্রহ করলাম নাইট রাইডার্সের সবকটি খেলার টিকিট। তারপর ফুটপাথ ধরে হাটতে হাটতে হঠাৎ চোখে পড়ল "ভাষা শহিদ উদ্দ্যান" নতুন করে সেজে উঠছে। ধূলিধূসরিত এই উদ্দ্যান এখোন পুরোদস্তুর সেজে উঠতে পারেনি। তবে ভাষা দিবসের আগেই নতুন সাজে আমাদের সামনে ধরা দেবে এই উদ্দ্যান তা আশা রাখা যেতেই পারে। সু্যোগ পেয়ে পটাপট অনেক ছবি তুলে ফেললাম এই আগোছালো উদ্দ্যানটির। আশাকরি সবার ভাল লাগবে।


















আগের ছবিটির বর্ননা এই শীলমোহরে করা হয়েছে।



  • ১০টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
১২

স্মৃতি থেকে কিছু কথাঃ (রিপোষ্ট)

সময় ২৩:৩৮:৫০


সেদিন ফেব্রুয়ারীর ২ তারিখ, রাত্রী ৯টা। আমি আর আমার ৭ বছরের ভাগ্নে জিদান ধর্মতলায় এক রকেট সার্ভিস বাসের আরামদায়ক কোচে হেলান দিয়ে অপেক্ষায় আছি কখোন ছাড়বে বাস। অবশেষে রাত্রী ৯টা ২০ মিনিটে বাস ছাড়ল গন্ত্যবের উদ্দেশ্যে। গন্তব্য আমাদের গ্রামের বাড়ি মুর্শিদাবাদ জেলার একটি ছোট্ট গ্রাম নায়েকপুর। বাংলাদেশ সীমান্তের ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত এই গ্রাম।

খুব মনে পড়ে ছোটবেলায় যে মাঠে ক্রিকেট খেলতে যেতাম সেটা ছিল নো-ম্যান্সল্যান্ডে। ফলে খুব জোরে হিট হলে বল গিয়ে পড়ত সীমানার ওপারে। বি ডি আর এর প্রহরারত কর্মী বল ফেরত পাঠাত এপারে। প্রসঙ্গত সে সেময় সীমান্তে কাটাতারের বেড়া ছিল না। মাঝে সাঝে আমাদের সাথে খেলায় মেতে উঠত বি এস এফ এবং বি ডি আর এর কর্মীরাও। খুব মজায় কাটতো সে সব দিনগুলি। এমন কি আমরা ক্রিকেটের কোন টুর্নামেন্টের আয়োজন করলে স্পনসর করত কখোনো বি ডি আর কখোনো বি এস এফ। ওদেরও টিম যোগদান করত এই টুর্নামেন্টে। পরিস্থিতিটা পাল্টিয়ে গেল বিগত ১০ বছরে। এখন আর সে মাঠে খেলার অনুমতি দেওয়া হয় না। সীমান্তে পড়েছে কাটাতারের বেড়া। ওখানে যেতে গেলে কাছে রাখতে হয় সবসময় ভোটার আই ডি কার্ড। খুব মন ...

  • ১টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
১২

স্মৃতি থেকে কিছু কথাঃ

সময় ১৭:২৯:১৬

সেদিন ফেব্রুয়ারীর ২ তারিখ, রাত্রী ৯টা। আমি আর আমার ৭ বছরের ভাগ্নে জিদান ধর্মতলায় এক রকেট সার্ভিস বাসের আরামদায়ক কোচে হেলান দিয়ে অপেক্ষায় আছি কখোন ছাড়বে বাস। অবশেষে রাত্রী ৯টা ২০ মিনিটে বাস ছাড়ল গন্ত্যবের উদ্দেশ্যে। গন্তব্য আমাদের গ্রামের বাড়ি মুর্শিদাবাদ জেলার একটি ছোট্ট গ্রাম নায়েকপুর। বাংলাদেশ সীমান্তের ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত এই গ্রাম।

খুব মনে পড়ে ছোটবেলায় যে মাঠে ক্রিকেট খেলতে যেতাম সেটা ছিল নো-ম্যান্সল্যান্ডে। ফলে খুব জোরে হিট হলে বল গিয়ে পড়ত সীমানার ওপারে। বি ডি আর এর প্রহরারত কর্মী বল ফেরত পাঠাত এপারে। প্রসঙ্গত সে সেময় সীমান্তে কাটাতারের বেড়া ছিল না। মাঝে সাঝে আমাদের সাথে খেলায় মেতে উঠত বি এস এফ এবং বি ডি আর এর কর্মীরাও। খুব মজায় কাটতো সে সব দিনগুলি। এমন কি আমরা ক্রিকেটের কোন টুর্নামেন্টের আয়োজন করলে স্পনসর করত কখোনো বি ডি আর কখোনো বি এস এফ। ওদেরও টিম যোগদান করত এই টুর্নামেন্টে। পরিস্থিতিটা পাল্টিয়ে গেল বিগত ১০ বছরে। এখন আর সে মাঠে খেলার অনুমতি দেওয়া হয় না। সীমান্তে পড়েছে কাটাতারের বেড়া। ওখানে যেতে গেলে কাছে রাখতে হয় সবসময় ভোটার আই ডি কার্ড। খুব মন ...

  • ৯টি মন্তব্য

প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা ১২১৫