আজ যতবার দীপ জ্বালী,আলো নয় পাই কালি।

ডিসেম্বর
০৭

মতি মিয়ার মতিভ্রম—

সময় ১১:০৫:৫৫

একদা মতি মিয়ার মতিভ্রম হইয়াছিল।প্রাতে নিদ্রা হইতে জাগড়িত হইয়া ছোট ঘরে যাতায়তের পরিবর্তে বাটী হইতে অদূরে অবস্থিত সিনেমাতে যাইয়া উপস্থিত হইলেন এবং উপভোগ করিলেন সময়ের আলোচিত ও জনপ্রিয় চলচিত্র "আমার প্রাণের স্বামী"। একে তো সকালের অনিয়ম এবং তার উপর এইরূপ গুরুপাক,হজম হইবে কেমনে???

কিঞ্চিত শারিরীক ও মানসিক গোলযোগ শুরু হইতে দেরি হইল না।বড় একখানি বস্ত্রখন্ডে লিখিলেন - 'আমি শপথ করিতেছি যে জীবনের আর কখনো সকাল সকাল ছোট/বড় কোন প্রয়োজন কে অগ্রাহ্য করিব না।' ইহা লিখিয়া সকলের উন্নতিকল্পে তাহা বাটীর সমানে টাঙিয়ে দিলেন।

ঘটনা এইখানে হেচ্‌কি তুলিতে পাড়িত,কিন্তু মহল্লায় কাজে/অকাজে ইতিপূর্বে এইসব প্রাকৃতিক প্রয়োজন কে প্রাধান্য না দিয়ে বিকারগ্রস্থ হওয়া লোকের অভাব ছিল না।তাহারা এইবার পাইয়া বসিল,অথবা বলা চলে পাইয়া শোয়া হইতে দাড়াইয়া উঠিল।এবং অচিরেই বস্ত্রখন্ডটি নানাবিধ শপথ বাক্যে পরিপূর্ণ হইয়া উঠিল।তাহার মধ্যে কতিপয় এইরূপ,

'আমি শপথ করিতেছি যে ঘুমাইতে যাইবার আগে প্রত্যহ দুই লিটার পানি খাইব।'
'আমি শপথ করিতেছি যে বিড়ি খাইবার আগে অবশ্যই উহাতে উত্তমরূপে অগ্নি সংযোগ করিব,কখনো ...

  • ৫টি মন্তব্য

জুলাই
২১

জয়া,মাজদা,সুদীপ আরও ইত্যাদি ইত্যাদি.........

সময় ১২:০৬:০৭

আমি অপেক্ষা করছিলাম, যথারীতি সূদীপের জন্য। অপেক্ষা এমনিতেই বিরক্তিকর ,আর তাও এক ছেলের জন্য।

আমার পাশে জয়া, অথচ তার সাথে কথা বলব তেমন কোন চান্স নেই। আমি কিছু বললে সে কথার জবাব পাব বলে মনে হচ্ছে না। কি চুপচাপ মেয়েরে বাবা। ভাল করে তাকালাম আরেকবার।

হাসিহাসি মুখ।

ফুটপাথে সুন্দর বসার জায়গা করে দিয়েছে কোন কোম্পানী যেন, আমি উঠে দাড়ালাম। পেছনে ধানমন্ডি লেক,কিছুটা সামনে রাইফেল স্কয়ার। রাস্তায় রিকশা,গাড়ি আর বাস,মাঝে সুদীপ কে কোথাও দেখলাম না।

হুশ করে একটা মাজদা আসল সামনে। আটকে রইল একটা রিকশার পেছনে। রিকশার সামনে বাস, তাতে ঝুলন্ত ঢাকাবাসী। পেছনে মাজদাবাসী বিরক্ত হয়, পেছনের জানালা খুলে কেউ উঁকি দেয়। হয়ত বা ঢাকাবাসীদের গালি দেয়, কোলাহলে শুনতে পাই না আমি।

দৃষ্টি খানিকটা তীক্ষ্ণতর করি, কোন এক মাজদা আরোহীনীর খুঁজে। বরাবরের মত হতাশ হই। পুনরাই জয়ার দিকে তাকাই।

তার পাশে গিয়ে বসি। দুজনেই চুপচাপ।

পিলখানার দিকে তাকাই, খান কয়েক সমবয়সী ছেলে দেখি বন্দুক নিয়ে চক্কর দিচ্ছে। তাদের কেউ কেউ জয়ার দিকে তাকায়। বিরক্তিকর।

কল দেই সূদীপ কে। রাত হচ্ছে, ডাইনিং বন্ধ হয়ে ...

  • ৬টি মন্তব্য

জুলাই
২১

রেবেকাহীন সমাপ্তি

সময় ০২:২১:৪৩

কবিতা

অবশেষে সুখকর সমাপ্তি,
এবং প্রায়শ এটাই হয়
কতিপয় ব্যতিক্রম ছাড়া।
আর যারা ব্যতিক্রমী নন
তাদের সকলেই পূর্ণদৈর্ঘ চলচ্চিত্র শেষে
হ্যাপি এন্ডিং এ অভ্যস্ত।

যাদের হয়ত
কতিপয় ব্যতিক্রম ছাড়া
প্রায়শ যা হয়
........আপনারা সকলেই জানেন
গ্রীক ...

  • ২টি মন্তব্য

এপ্রিল
২১

সবাই মিষ্টি খান.............

সময় ২১:৫৬:২২

এসিএম আইসিপিসি আপডেট

বুয়েট-১৯তম
ঢাকা ইউনিভার্সিটি-৫৫তম
নর্থ সাউথ-৭৬তম

বিস্তারিত

বাংলাদেশের জন্য রেকর্ড,এত কিছুর মাঝে ও মাঝে মাঝে এমন খবর শুনলে বুকটা ভরে যায়। ইন্ডিয়ানরা সব মাইর খাইয়া ভূত....হা হা ...

  • ১৭টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
১১

বেঁচে সুখ নেই

সময় ১৫:২৭:৪২


পরীক্ষার দিনটি আমার জন্য বেশ রিস্কি। রাতে না ঘুমালে কিছু লিখতে পারি না। ঘুমানোর আগে প্রায় মনে হয় কাল ঠিক সময় উঠতে পারব তো? দেখ গেল ঘুম ভাঙল ১১টায়, ব্যপারটা ভাবতেই আমার হাত পা ঠান্ডা হয়ে আসে।

তাই একটা এ্যালার্মিং সিস্টেম দাড় করাই। মোবাইলের এ্যালার্মে আমার প্রাতঃকালীন ঘুমের ব্যঘাত ঘটবে এমনটা আশা করি না। তবু মোবাইল এ্যালার্মড থাকে। লোকজনকে ফোন করে বলি আমাকে সকাল এতটায় কল দিও, যতক্ষণ না কথা বলি দিতে থেক। তারপর একরাশ দুঃশ্চিন্তা নিয়ে ঘুমাতে যাই। পুরা সেমিস্টারের চিন্তা একদিন করা লাগলে সেটা দুঃশ্চিন্তা হতে বাধ্য।

কোন রকমে ঘুম থেকে উঠে যে কাজটা করতে হয় তা হল একটা ক্যালকুলেটর আর ঘড়ি জোগাড় করা। আমার ক্যালকুলেটরটা আমার মত কেউ একজন নিয়ে গেছে, ফেরত দেবার প্রয়োজন মনে করে নি আর। আর ঘড়ি ব্যপারটার সাথে আমার ঠিক ম্যাচ হয় না, সময় দেখলেই কেমন যেন দুঃশ্চিন্তা হয়।

লিখতে থাকি, মাঝে ভাবি কিছুক্ষণ ঘুমিয়ে নিলে হয়। ঘুম হয় না, লেখাও হয় না। খাতায় শুধু দুঃশ্চিন্তার ছাঁপ পরে।

একটা একটা ঘন্টা বাজে, দুঃশ্চিন্তাও বাড়ে। নতুন দুঃশ্চিন্তার উৎস তৈরী করে ঘন্টা বাজা শেষ হয়। আমার চোখের সামনে ...

  • ৭টি মন্তব্য

জানুয়ারি
২৮

পূর্ণ অভ্যন্তরীন প্রতিফলন

সময় ১১:১০:৫১

কানে হেড ফোন গুজে রাখি সারাটা সময়,তা গান বাজুক আর নাই বাজুক। একদিন দেখি হেড ফোনের ভলিওম কমালেও সাউন্ড কমছে না। ব্যাপক গবেষণার পর বুঝলাম আমার অবর্তমানে কেউ স্পীকারে কানেকশন দিয়েছিল, আমি ঘন্টা খানেক ধরে হেড ফোন ভেবে স্পীকারে গান শুনছি।
গান খুব দ্রুত পুরনো হয়ে যায়।কোন গান ভাল লাগে তিন চার দিন শুনি,এরপর আর ভাল লাগার কথা না।
সকাল সকাল ঘুমাতে যাই আজকাল,এই সকাল ৫ টা বা ৬টা।সকালের সৌন্দর্য বা নাস্তা কোনটাই সকালে ওঠার পক্ষে কারণ হিসেবে যথেষ্ট নয়।সকালে হলের বারান্দা থেকে ৭ নাম্বার বাস দেখা বা কেন্টিনের তেলতেলে পরটা - কোনটাই খেতেই ভাল লাগে না।
কারও (বা ক্ষেত্র বিশেষে কারও কারও) কথা ভাবতে ভাবতে ঘুম থেকে ওঠি।না ওঠলেও হয়,হলে ডাকা ডাকি করার কেউ নেই।তবু ডাইনিংয়ের দুপুরের খাবার এবং দিনের শুরু - কোনটাই মিস হয় না।

-কাল সারা রাত নেট ছিল না,এই মড(মডারেটর) ব্যাপার কি?
-শালা!স্যার যে কি কোশ্চেন দিল আজকে,সেকশন বি কিছ্ছু কমন পরে নাই।
-অই কাল রাতে বেন্জামিন বাটন ডাউন লোড হইছে,কঠিন মুভি।
শত কন্ঠের সোরগোল, প্লেট চামচ এর টুংটাং, চেয়ার টানার শব্দ ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি.....

হাত মুছতে মুছতে ...

  • ৭টি মন্তব্য

জানুয়ারি
১০

আমার প্রায় ডুবন্ত আত্মার আহাজারি...

সময় ১৩:১০:২০

সাগর অথবা ওশন কিছু একটা পাড়ি দেব
এরকম কোন দূর্লভ চিন্তা নিয়ে ঝাপ দিলাম,
(কারণ) ডুবে যাবার ভয় ছিল না মনে
(কারণ) রাতে কল দিলে দেখি আজরাইলও ফোন ধরে না আজকাল।

হে পৃথীবি চেয়ে দেখ --
আমি ডুবে যাচ্ছি
অথবা
কান দুটি কি বড় আমার(একদা আমার জননী গাধার কানের সাথে তুলনা করেছিল),
যাই দেখনা কেন বাচাঁতে এস না(কারণ এক বিশেষ প্রজাতির প্রাণী পানি ঘোলা করে খায় এবং ছবিতে আপনারা দেখছেন ঘোলা পানি)।

হায় সাগরের পানিও লোনা হয়ে যায়
তবু চোখের তৃষ্ণা মিটে না।
-------------------উৎসর্গ: সুদীপ চাই ...

জানুয়ারি
০৬

নয়া দিগন্ত পড়ে জানতে পারলাম আমাদের হলে ভাংচুর হচ্ছে

সময় ১৬:১৭:২৮

হলের কিছু বাসিন্দা আছে যারা পারলে ঈদের দিনও হলে থাকে।কেমনে কেমনে যেন আমিও তেমন একজন হয়ে গেলাম।হলের কে কি করে,কোথায় কি হয় এগুলো সবই মুটামুটি আমরা জানি।কিন্তু আজকের নয়াদিগন্ত পড়ে জানতে পারলাম হলে এমন অনেক কিছু যা আমরা জানি না।আগে খবরটা পড়ুন
http://www.dailynayadiganta.com/fullnews.asp?News_ID=122521&sec=3

খবর পড়ে জানতে পারলাম ক্যম্পাসে লীগের পুলাপান শিবিরের আর দলের পুলাপানরে ধইরা পিটাইছে।আরও জানতে পারলাম বিভিন্ন হলে ব্যপক ভাংচুর হচ্ছে।এমন কি আমাদের হলের নামও আছে।অবাক হইয়া গেলাম,হায় হায় আমরা কিছু জানলামই না আর এত বড় একটা ঘটনা ঘটে গেল।যারা ঠ্যংগানি খাইছে তার মধ্যে দেখলাম আমাদের ব্যচের কয়েক জনের নাম ও আছে।ফোন দিলাম,ঐ ব্যাটা ঘুম থেকে ওঠে বলে কিছু হয় নাই।

ওদের সূত্র বলে বিভিন্ন রুমে নাকি ব্যপাক ভাংচুর,লুটপাট ইত্যাদি হয়েছে।

বাস্তব ঘটনা শিবিরের কিছু রুমে তালা লাগানো হয়েছে,কোন রকম ভাংচুর বা লুটপাটের ঘটনা ঘটে নি।তবে শিবিরের দু একজন হাল্কা মাইর খাইছে,তাতে অবশ্য সবাই খুশিই হইছে।দলের কেউ মাইর খায় ...

  • ১১টি মন্তব্য

জানুয়ারি
০৬

সাহজ একটা ধাঁধা,পারলে পুরস্কার হিসেবে আছে ..................

সময় ১০:৪৬:৩৮

এই প্রবলেমটা অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির এ্যডমিশনের ইন্টারভিউতে করা হয়েছিল।সলভ্‌ করে বলে দিন আপনারও যোগ্যতা আছে অক্সফোর্ডে পড়ার।

একজনের কাছে ৯টা বল আছে।নয়টা বলই দেখতে একই রকম তবে একটা একটু ভারী।চোখে দেখে বুঝা সম্ভব না কোনটা ভারী।দাঁড়িপাল্লা দিয়ে মেপে বের করতে হবে কোনটা সেই ভারীটা।

তবে শর্ত হল দুই বারের বেশি দাঁড়িপাল্লা ব্যবহার করা যাবে না।মাত্র দুই বার দাঁড়িপাল্লা ব্যবহার করে কোনটা ভারী তা বের করতে হবে।

দেখি ব্লগে কে কে এই সহজ প্রবলেমটা সলভ্‌ করতে পারেন।আর যে সবার আগে পারবে তাকে পুরস্কার হিসেবে বিশেষ ধন্যবাদ দেয়া হবে।

বি:দ্র: প্লিজ দাঁড়িপাল্লা শব্দের অধিক ব্যবহারে আবার অন্য কিছু মনে করবেন ...

  • ৯টি মন্তব্য

ডিসেম্বর
১৯

প্রথম আলো ব্লগে আরও যা যা চাই..........

সময় ১৬:০৮:০১

প্রথম আলো ব্লগের টেকনিকাল দিক আমার কাছে ভালই মনে হয়েছে।তারপরও আরও কিছু অপশন থাকলে মনে হয় ভাল হত।পাঠক আপনার নতুন কিছু দরকার মনে হলে সেটাও লিখে দিন এখানে।

১।নতুন পোস্ট করার সময় ইমোটিকের লিস্ট থাকা উচিত।

২।বোল্ড,ইটালিক,লিংক আরও যেসব অপশন আছে সেগুলো ব্যবহারের পদ্ধতি চেন্জ করলে ভাল হয়।যেমন কোন লেখা বোল্ড করতে চাইলে তা সিলেক্ট করে বোল্ড এ ক্লিক করলে লেখাটি বোল্ড হয়ে যাবে।

৩।আমার পোস্টে করা অদেখা কমেন্ট গুলো কোনভাবে দেখার ব্যবস্থা করা যায়।

৪।সম্প্রতি মন্তব্য করা পোস্টেগুলোর লিংক থাকলে ভাল।

৫।ছবি যোগ করার ক্ষেত্রে আরও নতুন অপশন দেওয়া যেতে পারে।যেমন আমি পোস্টের যে স্থানে খুশি ছবি এ্যড করতে পারব।

৬।জাভাস্ক্রীপ্ট গুলা আমার কাছে অনেক ভারী মনে হয়।তবে এটা আমার লাইনের প্রবলেম ও হতে পারে।

বাকিরাও নিজেদের মতামত ...

  • ১৫টি মন্তব্য

প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা ১২১৫