একটা বিষয় জানতে চাই
আসলে এ বিষয়টা বহুদিন ধরে মনের মধ্যে ছিল। কিন্তু কাকে যে জিজ্ঞেস করব সেটাই আসলে ভেবে উঠতে পারছিলাম না। অবশেষে চিন্তা করলাম ফোরামিক/ব্লগার ভাই-বোনদেরকেই জিজ্ঞাসা করি। হয়ত এ বিষয়ে কোনো অভিজ্ঞ লোককে জিজ্ঞেস করলে ভালো উত্তর পাওয়া যেত, কিন্তু আপাতত চেনা-জানা মানুষগুলোর কাছেই প্রশ্নটা রাখি না।
যা হোক, আর ভূমিকা না বাড়িয়ে জানতে চাচ্ছি প্রশ্নটা। প্রশ্নটা হলো মূলত মুসলিম ভাই-বোনদের কাছে। যেহেতু আমি একজন অমুসলিম তাই প্রশ্নটা জেগেছে। প্রশ্নটি হলো, যেকোনো মিলাদ মাহফিল, ঈদ, শব-এ-বরাত ইত্যাদি মুসলিম উৎসবগুলোতে বা যেকোনো মুসলিত অনুষ্ঠানের শেষে প্রার্থনা করা হয় আল্লাহর কাছে যেন বিশ্বের সকল মুসলিম ভালো থাকে, কল্যাণ হয়, মঙ্গল হয়। আমার প্রশ্নটা হলো, কোরআন বা হাদিসে কি উল্লেখ আছে যেকোনো অনুষ্ঠান শেষে আল্লাহর কাছে সকল মুসলিমদের কল্যাণের জন্য প্রার্থনা করার জন্য? এই মঙ্গল কামনার মধ্যে কি অমুসলিম, পশু-পাখি, তথা সকল জীবসমূহ স্থাণ পায় না?
প্রশ্নটা জেগেছে যে মূল কারণে তা হলো, সেদিন বড়দিনের উৎসবের পরেও দেখলাম একজন আর্চবিশপ বিশ্বের সকল প্রাণী তথা সকল জীবসমূহের কল্যাণের কথা বলেছেন। হিন্দুদের যেকোনো পূজা-পার্বণেও দেখা যায় পুরোহিত বা সাধু-সন্তজন সকল মানবজাতি তথা সকল জীবের মঙ্গলের কথা বলেন। তাহলে কি ধরে নেব অন্যান্য সকল ধর্ম (মুসলিম বাদে) সকল জীবের কল্যাণ চায় আর মুসলিমরা চায় না? নাকি অন্য কিছু? যদি কোনো সাধারণ মুসলিম এই প্রার্থনা করত, তাহলে এ বিষয়ে প্রশ্ন জাগ্রত হতো না। কিন্তু ঈদ বা এ ধরনের মুসলিম অনুষ্ঠানে আলেম, মোল্লা বা হুজুররাই এই প্রার্থনা করেন যে, বিশ্বের সকল মুসলিম উম্মাহ যেন শান্তি পায়।
[বি.দ্র. - আমি কোনো ধর্মীয় তর্কে যেতে চাই না, শুধু বিষয়টুকু কোরআন বা হাদীসের মতো মুসলিম ধর্মগ্রন্থে কি বলেছে সে বিষয়ে জানতে চাই। সাথে যদি আপনারা মুসলিম হিসেবে এ বিষয়টিকে কিভাবে দেখেন সেটিও যদি বলেন, তাহলে খুশী হব।]

Phonetic
আমি আমার অজ্ঞানতার প্রান্তসীমা থেকে বলছি--
কোরআনের শেষ যে বাক্যটি স্রষ্টা প্রেরণ করেন সেখানে বলা হয়েছে " আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণ করিয়া দিলাম।" কোরাআনের কোথাও নির্দিষ্ট করে মুসলমানদের জন্য কথাটা নেই। সমগ্র বিশ্বের জন্য এই মানবতার ধর্ম। বরং এটি এমন একটি ধর্ম যেখানে বিধর্মী মুসলমানদের অধিকারের কথা বলা হয়েছে।
যে কোনো দুসংবাদ শোনার পর ইন্নালিল্লাহ পাঠ করতে বলা হয়েছে-- সমস্ত বস্তুর জন্য। কিন্তু মুসলমানরা এটি করেন না।
আমি উমরের জীবনি পড়েছিলাম - তিনি বলেছিলেন ফোরাতের তীরে যদি একটি কুকুর ও না খেয়ে মারা যায় , তার জন্য আমি উমর দায়ী থাকবো। ফোরাতের তীরের কুকুরটির নিশ্চয় কোনো ধর্ম ছিল না।
এগুলো সবগুলো আমার এক মুসলিম বন্ধুর থেকে জানা। আজ পর্যন্ত কোনো উৎসব সে আমাকে ছাড়া পালন করেনি।
স্রষ্টা সবাইকে সঠিক জ্ঞান দান করুন।
আমার জানাতে কোন ভুল থাকলে একটু শুধরে দিবেন দয়া করে।
** আর একটি কথা না বললেই নয়- কোরআন কোন মুসলিম ধর্মগ্রন্থ নয়। কোরআনকে বলা হয় মানবজাতির জন্য জীবন বিধান। ----এটি কোন সঠিক তথ্য কিনা ,বা কোন কিছু ভুল বললাম কিনা?, কোনো ভুল হলে জানাবেন।
আপনার ব্যাখ্যাটুকু পড়ে ভালো লাগলো। অন্য যেকোনো জায়গার চেয়ে ভালো একটা ব্যাখ্যা পেলাম। কিন্তু প্রশ্ন তো আরেকটা উদয় হলো, এই যদি শিক্ষা দেয় আলেম-হুজুরেরা, তাহলে তাদেরকে কেন মানা হয় যদি তারা মূল ধর্মগ্রন্থের বিপরীতমুখী কথাই বলে থাকেন?
জানিনা
আমি এখন আর এই ব্লগে লগিন করিনা, কিন্তু আপনার পোস্ট পড়ে বাধ্যাতামুলক লগিন করলাম কারণ জানের চেয়ে ধর্ম বড়।
) বদরা বদমাশি করে এবং অসহায়রা মাইর খায়।
আপনি ঠিক ধরেছেন, এটা করা হয় কিন্তু আল্লাহ সবার এবং কোরআনের প্রথম আয়তেই বলা হয়েছে রাববিল আল আমিন।
আল্লাহ সবার যেকোনো জনে ইসলাম গ্রহণ করতে পারবেন।
আরেকটা কথা বলতে চাই (অন্যরাতো সবার জন্য দোয়া করে কিন্তু খালি মোসলমান দেখে মারে সে দিকে কারু খেয়াল নেই
ইয়া আল্লাহ আমাদেরকে হেদায়য়াত দাও।
ভাই আমি যখন অন্তর থেকে দোয়া করি তখন কুলমাখলুকের জন্য দোয়া করি। আমার জন্যও দোয়া করবেন।
সদা সুখে থাকবেন।
আপনার মন্তব্য পড়ে ভালো লাগলো ভাই।
আসলে ব্যক্তিগত দিক থেকে দেখলে মুসলিমরা নিজেরা কতটা ভিন্ন। কিন্তু ওইসব হুজুর-আলেমরা (যাদেরকে মুসলিমগণ সম্মান করেন) তাদের শিক্ষা কতটাই আকাশ-পাতাল পার্থক্য কোরআন থেকে ... ভাবতেই অবাক লাগে।
আমার দুক্কের কথা হুনবেন, খালি হাসবেন্না, আমি নামাজ শুরু করার পর থেকেই সবাই আমারে পাগল ডাকা শুরু করল।
কারণ আছে, আমি ১৮ বয়সেই অর্ধেক মিলিয়ান পাউন্ডের রেস্টুরেন্টের ২০ আনার মালিক চিলাম। যখন জানলাম, আমিত হারাম রুজি করছি, তখন টাকা ছাড়াই চাচাকে দিয়া দিলাম। এখন আমি বেকার, সব গেছে। তয় চিন্তা করিনা, আমার মাওলা আমার অন্তরে আছেন।
কয় বছর আগে ডনার কাবাব খাচ্ছিলাম, এক হিন্দু সহকর্মি আমার সাথে খেয়েছিলেন। আমি কিছু বলিনি এবং উনিও আনন্দে খেয়েছিলেন।
এখানে একটা বিষয় জানা দরকার তা হল, আমরা সাধারণ জনগণ কতটুকু জানতে চাই?? আমরাতো কিছু হলেই দয়াল বাবাদের দোয়ারে চলে যাই। কিন্তু দয়ালবাবা কতটুকু কামেল তা কি জানি? আমি পিরাকি লাইলে ছিলাম কিছু দিন, হাসতাম এবং কাঁদতাম। দরগার ইমাম সাহেবের কথাতো জানেন উনার কাছে হিন্দু মুসলমানের ভেদ ছিলনা। উনি নিজেই বলতেন, বাবারা আমার কাছে সব ধর্মের লোক আসে দয়া করে মাথায় টুপি দিয়ে আসবে এতে বুঝতে পারব কে কি। এই কথাটা বলার কারণ আমি জানিনা এবং উনি অনেক কামেল লোক তা আমি জানি আমার বাসায় দুইবার উনাকে দাওয়াত খাওয়িছিলাম এবং আমাকে ড্রাইভার ডাকতেন। উনাকে নিয়ে এখানে ওখানে যেতাম।
অজ্ঞতা হল অভিশাপ এবং অজ্ঞরা অভিশপ্ত। এটা আমার মাহা উপন্যাসে লেখা।
ভাই, ৭২ জাতের মুসলামন হবে। মাত্র শুরু হল, শুনেন মুসলমান না গুনে শদ্ধ অনুবাদের কোরআন হাদিস পড়েন সব জেনে যাবেন।
শুভ কামনা
ভালো লাগলো আপনার অভিজ্ঞতার ঝুলি থেকে যে কিছু বললেন।
আসলেই বিশ্বে নানান কিসিমের মানুষজন। এই নানান তালে না পড়ে আসলে জিনিস জানতে হলে আসল গ্রন্থটাই বোধহয় পড়ে জানতে হবে।
ধন্যবাদ আপনাকে।
জি দাদাভাই কষ্ট না করলে মন তুষ্ট হয়না।
শেষ কথা বলি, ''সৃষ্টিকর্তা একজনই এবং লক্ষ নামে আমরা উনাকেই ডাকি।'' (কবিআব্দুল)
আাপনার জন্য শুভ কামনা।।
এখন এখান থেকে ভাগি নতুবা বদ মডুগুলা আমার পিছে লাগবে। দোয়া কইরেন, আর হুনেন কই আছেন আমি ই ২ তে থাকি। ব্রিকলেনের এক মাথায়।
@পলাশমিঞা
পলাআঁশ ভাই,
'আমি এখন আর এই ব্লগে লগিন করিনা' এটার মানেকি?
ইঙ্গিতে বুঝাতে চাইছেন?
আপনারে ছাড়া এই বলগ ছলবোনা বুঝে থাকলে ভুল কইচ্ছেন।
আপনের মতন কতপুলা এলগেল এইবলগের কিচ্ছুই হলনা।
ওসব কথা নাকয়ে ভালই ভাল নিয়মিত ও নিয়মমত বলগে আহেন।
সরি পলাশ ভাই মনে কিছু নিয়েন না।
আপনারে কিছু কইনি নিজেরে নিজে বাঁশ দিলাম।
বোনডু পোলাছ কিমুন আছেন ? আপনেরে মিসাই
আমান জানা মত এই ব্লগে আপনার প্রশ্নের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য জবাব দিতে পারবেন ব্লগার ইঊসুফ ভাই। আপনি যদি সত্যি জানার উদ্দেশ্যে এই পোস্ট দিয়ে থাকেন, উনাকে ব্লগ এর ব্যাক্তগত মেসেজে আপনার পোস্টটা পড়ে উম্মুক্ত মতামত জানাতে বলেন। উনার সাথে আমি যোগাযোগ করছি।
আর যদি আপনি তা না করেন ধরে নিতে হবে আপনি একটি বিতর্ক তৈরীর চেষ্টা করছেন। ধন্যবাদ।
সহমত
ধন্যবাদ ছবিঘর। আমরা নিজেরা যা জানি না, তা আরেকজনকে বুঝাতে যাওয়া বোধ হয় ঠিক হবে না।
আমরা নিজেরা যা জানি না, তা আরেকজনকে বুঝাতে যাওয়া বোধ হয় ঠিক হবে না।
একারনেই এতসময় মন্তব্য করিনি। গত শুক্রবার কোরআন শরীফের কলম সুরাটি পড়তেছিলাম...এটাতে অনেক কথাই বলা আছে, যা আমরা জানি না....
আশাকরি ব্লগার ইঊসুফ ভাই ভালো ব্যাখ্যা দিবেন....
তা ইউসুফ ভাই কই? আমি তো ঠিক জানিনা কি করে ব্লগ পোস্ট একজন সদস্যের কাছে বার্তা হিসেবে পাঠাতে হয়। আপনারা যারা তাকে জানেন তারা যদি উনাকে এই পোস্টে মতামত জানাতে অনুরোধ করেন তাহলে ব্যাপারটা জানা যেত।
ধন্যবাদ
ইঊসূফ ভাইকে আমি মেসেজ দিয়েছি।
@ বাহাদুর ভাই। আপনে ঠিক বলেছেন। আমি এখানে শুধু একটা কথা যোগ করব আমাদের জানার মাঝেও কিছু পার্থক্য রয়েছে। একটা হল কোর'আন হাদিসের আলোকে,রেফেরেন্স সহ,আর আরেকটা হল কারো মুখ থেকে কোন রেফেরেন্স ছাড়াই শুনার মাধ্যমে। উনার প্রশ্নটা কিন্তু রেফেরেন্সের দাবি রাখে।
বেয়াদবি হলে মাফ করবেন।
ইউসুফ ভাই জানিয়েছেন তিনি আপনার প্রশ্নের জবাব দেবেন, কাজের ব্যস্ততা শেষ হলেই।
আমার প্রশ্নটা হলো, কোরআন বা হাদিসে কি উল্লেখ আছে যেকোনো অনুষ্ঠান শেষে আল্লাহর কাছে সকল মুসলিমদের কল্যাণের জন্য প্রার্থনা করার জন্য?
...............................................................।
আপনার এই প্রশ্নের উত্তর কোর'আন হাদিসের রেফেরেন্স দাবি করে।তাই জানা থাকলেও রেফেরেন্স ছাড়া উত্তর দেওয়া ঠিক হবে না বলে আমি মনে করি।
আপনাকেও অনুরোধ করব,রেফেরেন্স ছাড়া কোন উত্তর আপনে গ্রহন করবেন না। আপনে জানার ইচ্ছা নিয়ে যখন প্রশ্ন করেছেন,তখন সঠিক ভাবেই জানার চেষ্টা করবেন।অনেক সময় দেখা যায় কিছু কিছু মুসলিম নিজের অজ্ঞতার কারনে ইসলামকে ভুল ভাবে রিপ্রেজেন্ট করছেন।
আমি আশা বাদী আপনার প্রশ্নের উত্তর আপনে রেফেরেন্স সহ পেয়ে যাবেন।
পলাশমিঞা বলেছেন ঃ আপনি ঠিক ধরেছেন, এটা করা হয় কিন্তু আল্লাহ সবার এবং কোরআনের প্রথম আয়তেই বলা হয়েছে রাববিল আল আমিন।
আল্লাহ সবার যেকোনো জনে ইসলাম গ্রহণ করতে পারবেন।
আরেকটা কথা বলতে চাই (অন্যরাতো সবার জন্য দোয়া করে কিন্তু খালি মোসলমান দেখে মারে সে দিকে কারু খেয়াল নেই ) বদরা বদমাশি করে এবং অসহায়রা মাইর খায়।
..............................................।
@ পলাশ ভাই।বেয়াদবি নিবেন না প্লিজ।
উনি ইসলাম গ্রহণ করার ব্যাপারে প্রশ্ন করেন নাই। আর প্রশ্নের উত্তর প্রশ্ন দিয়ে দেওয়াটাও ঠিক মনে হয় না।
উনি সুন্দর একটা প্রশ্ন করেছেন রেফেরেন্স সহ উত্তর জানা থাকলে দিয়ে সাহায্য করুন আমাকে।
জানার আগ্রহ অবশ্যই ভাল। আপনার এ জানার আগ্রহে আমরাও অনেকটা জেনে নিলাম। আপনি তো কোন বিতর্ক তৈরি করতে এই পোস্ট দেননি। সেটা আপনি পরিস্কার করেই বলে দিয়েছেন:
"আমি কোনো ধর্মীয় তর্কে যেতে চাই না, শুধু বিষয়টুকু কোরআন বা হাদীসের মতো মুসলিম ধর্মগ্রন্থে কি বলেছে সে বিষয়ে জানতে চাই। সাথে যদি আপনারা মুসলিম হিসেবে এ বিষয়টিকে কিভাবে দেখেন সেটিও যদি বলেন, তাহলে খুশী হব।"
শুধু ইঊসুফ ভাই কেন, অন্য যে-কোন ভাই বা বোন যারা ধর্ম সম্পর্কে যথেষ্ট ওয়াকিবহাল, তারাও এ বিষয়ে কথা বলতে পারেন এখানে, সবার জানার জন্য।
অনেক ধন্যবাদ ভাই আমার বিষয়টুকু সঠিকভাবে বোঝার জন্য। এখানে তাও ভালো আপনারা যতটুকু জানেন তার আলোকে কথা বলছেন বা অন্তত সাহস পাচ্ছেন। কিন্তু সামহোয়্যারইনে এই বিষয়ে জানতে চেয়ে মানুষজন ভয়েই উত্তর তো দূরের কথা কমেন্টই করছে না।
সঠিকভাবে বিষয়টা জানার কৌতুহল কিন্তু এখনো রয়েই গেলো।
কেউ এগিয়ে এসে বিষয়টা ধর্মীয় গ্রন্থসমূহে কি বলেছে তা জানাতে খুশী হতাম।
শামান সাত্ত্বিক ভাই
সত্যিকার অর্থে এখানে ইউসুফ ভাই ছাড়া ইসলামের ওপর ভাল জ্ঞানসম্পন্ন আর কাউকে চোখে পড়েনি। ধর্ম নিয়ে অন্য যারা বলেন অধিকাংশই অজ্ঞতায় পূর্ণ।
ইউসুফ ভাই জানিয়েছেন তিনি আপনার প্রশ্নের জবাব দেবেন, কাজের ব্যস্ততা শেষ হলেই
আপনার পোষ্টের উত্তর দেয়া হয়েছে। দয়া করে পড়ে নিবেন। উত্তরের আকার বড় হওয়ায় মন্তব্যের ঘরে না দিয়ে পোষ্ট করেছি। http://prothom-aloblog.com/users/base/myousufs/117
ভালো থাকুন।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।