তাহলে আসুন, চ্যালেঞ্জ!
এই লেখাটা আরো আগেই লিখতাম, কিন্তু সময়ের অভাবে আগে পারিনি। বাংলাদেশে সাম্প্রতিক ঘটনার প্রেক্ষিতে একটা লেখা লিখেছিলাম যাতে সামহোয়্যারইন ব্লগে অনেক কটু ভাষার মন্তব্য পেয়েছি। না মাইন্ড করিনি। কেননা প্রত্যেকেরই স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের অধিকার আছে। কিন্তু সেই লেখা থেকে যেটা অনুধাবন করতে পারলাম সেটা হলো, অনেক বাংলাদেশীই ভারতকে সহ্য করতে পারেন না। যে কোনো অঘটন ঘটলে দোষটা আওয়ামীদের আর তাদের ভারতীয় বন্ধুদের দিকে আঙ্গুল দেখিয়ে বলেন। যে দেশটি বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণকে ঠাঁই দিল পাকিস্তানীদের থেকে বাঁচার জন্য ১৯৭১ সালে তাদেরকে আমরা এখন শত্রু ভাবি? যাদের সহযোগিতায় আমরা মুক্তিযুদ্ধ নয় মাসে জিতে আসতে পেরেছি সেই দেশকে আমরা বিপক্ষ ভাবি? অথচ যে দেশের থেকে আমরা মুক্তির জন্য লড়াই করলাম সেই দেশকে আমরা ঠিকই সমর্থন করছি আজদের দিনে। সেই চিত্র খুবই স্পষ্ট যেকোনো ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচের সময়।
তাই শেষে একটা জিনিস মাথায় আসল, আর সেটা চ্যালেঞ্জের মতো ছুড়ে দিতে চাই তাদেরকে যারা মনে করেন ভারতই আমাদের প্রকৃত শত্রু (অন্যদের নয় কিন্তু)। আপনি যদি ভারতকে শত্রু মনে করেন, তাহলে বর্জন করুন ওদের। ওদের দেশের হিন্দি ছায়াছবি থেকে শুরু করে হিন্দি গান, হিন্দি ভাষা (যা এখন অনেক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নাটকেও ব্যবহৃত হয়), সর্বোপরি ভারতের যেসব জিনিস নিজেদের তা দেখা, শোনা, বলা, পড়া, করা থেকে বিরত রাখুন নিজেকে। শত্রুর কোনো কিছু ব্যবহার করা কি ঠিক, বলুন? হায় রে বাংলাদেশ! রক্ত দিলি বাংলা ভাষার জন্য আর এখন চলে হিন্দি সারা দেশব্যাপী।
তাহলে আসুন, চ্যালেঞ্জ করুন নিজেকে শত্রুর কোনো কিছু ব্যবহার থেকে নিজেকে বিরত তাখবেন। আর যদি না পারেন, তাহলে তো “যেই লাউ, সেই কদু”!
তাই শেষে একটা জিনিস মাথায় আসল, আর সেটা চ্যালেঞ্জের মতো ছুড়ে দিতে চাই তাদেরকে যারা মনে করেন ভারতই আমাদের প্রকৃত শত্রু (অন্যদের নয় কিন্তু)। আপনি যদি ভারতকে শত্রু মনে করেন, তাহলে বর্জন করুন ওদের। ওদের দেশের হিন্দি ছায়াছবি থেকে শুরু করে হিন্দি গান, হিন্দি ভাষা (যা এখন অনেক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নাটকেও ব্যবহৃত হয়), সর্বোপরি ভারতের যেসব জিনিস নিজেদের তা দেখা, শোনা, বলা, পড়া, করা থেকে বিরত রাখুন নিজেকে। শত্রুর কোনো কিছু ব্যবহার করা কি ঠিক, বলুন? হায় রে বাংলাদেশ! রক্ত দিলি বাংলা ভাষার জন্য আর এখন চলে হিন্দি সারা দেশব্যাপী।
তাহলে আসুন, চ্যালেঞ্জ করুন নিজেকে শত্রুর কোনো কিছু ব্যবহার থেকে নিজেকে বিরত তাখবেন। আর যদি না পারেন, তাহলে তো “যেই লাউ, সেই কদু”!
লেখক পাপ্রদজ
- পাপ্রদজ -এর ব্লগ
- ১৩ টি মন্তব্য
- ০৯ মার্চ ২০০৯, ০৭:১০
- বিবিধ
প্রিন্ট করুন
- ১৩ টি মন্তব্য
-
পলাশমিঞা০৯ মার্চ ২০০৯, ০৭:১৭
দেশে দুই দল আছে।
ভারত আমাদের মিত্র। ওরা চাইলে সেই কবে দেশকে তাদের সীমানায় নিতে পারত কেউ কিছু জানতও না। -
সজল শর্মা০৯ মার্চ ২০০৯, ০৭:৪৪
বিশ্বায়নের এই যুগে কাউকেই শত্রুভাবা ঠিক নয়- সমস্যা হলে কূটনৈতিক তৎপরতায় সমাধান আনতে হবে। -
ধ্রূব নিল০৯ মার্চ ২০০৯, ০৭:৫৯
আপনি বললেন ভারত ১৯৭১ সালে আমাদের স্বাধিনতার যুদ্ধে সব রকমের সাহায্য করেছে এমনকি সেসময় তারা আমাদের প্রায় ১ কোটি মানুষকে ৯ মাস আস্রয় দিয়েছে খাবার দিয়েছে। তাই আমাদের উচিৎ তাদের প্রতি কৃতঙ্গ থাকা।
কিন্তু যারা আমাদের স্বাধিনতাকে চায়নি কিংবা যারা এখনো মনে করে আমাদের পাকিস্তানের সাথেই থাকা উচিৎ তাদেরকে কি বলবেন??
তাছাড়া এখনো ভারত তাদের দেশে পালিয়ে থাকা আমাদের বড় বড় সন্ত্রাসিকে ধরে এদেশে ফেরত পাঠায় । আন্দামান দ্বিপে প্রায় মরতে বসা এদেশের মানুষ গুলকে ভালভাবে ফেরত পাঠিয়েছে।
আবার পাকিস্তান যখন তাজ হটেলে হামলা কারিদের সরাসরি বাংলাদেশি নাগরিক বলে মন্তব্য করেছিল তখনো ভারত নাজেনে কোন মন্তব্য করেনি।
তাহলে সবসময় বিভিন্ন কারনে ভারতকে দোষারপ করে আমরা কি অকৃতঙ্গ জাতীর পরিচয় দিচ্ছিনা?? -
নেহাল হাসনাইন সার্জা০৯ মার্চ ২০০৯, ০৮:৩৮
একমত
একমত
একমত
আপনাকে ফেভারেট করলাম।
আপনার লেখা এবং যুক্তি পছন্দ হয়েছে। কৃতজ্ঞ না হই কৃতঘ্ন হতে চাইনা। -
ধ্রূব নিল০৯ মার্চ ২০০৯, ০৯:০৫
বরং আমাদের এক সময়ের রাজাকার সরকার ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের (উলফা গেরিলা) প্রতক্ষ্য মদত দিয়েছে। তাদেরকে অস্ত্র পাচারের জন্য এদেশের ভূখন্ড ব্যাবহার করতে দিয়েছে। এটা কি পারস্পারিক সম্পর্কের বজায় রাখার জন্য সহায়ক ছিল?
একদিন যার সাহায্য নিয়ে এদেশ স্বাধিন হয়েছিল আর আজ তাদেরকেই বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা চালাচ্ছি।
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক
শুভেচ্ছা।