শুরু করি নির্বাচন নিয়ে
এটি আমার প্রথম পোস্ট। আসলে বলার তো অনেক কিছুই আছে, কিন্তু ভেবে দেখলাম নির্বাচনকে ঘিরেই প্রথম পোস্টটা করি।
২০০৮ একটা পটপরিবর্তনের বছর। নির্বাচনের বছর। যেমনভাবে বিশ্বের সর্বশক্তিশালী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন হলো রাষ্ট্রপতি নির্ধারণের, তেমনি করে বাংলাদেশের মতো একটি ছোট দেশেরও নির্বাচন হতে যাচ্ছে এই বছরই। আমি অনেক মিল-অমিল খুঁজে পেলাম এই দুটি দেশের নির্বাচনকে ঘিরে।
আটটি বছর "লেইম ডাক" বুশের শাসনে দিন কাটাল আমেরিকাবাসী। এতে দেশের তো উন্নতি তো হলোই না বরং অবনতিই বেশী। বিশ্ব আজ এক অর্থনৈতিক দুরবস্থা পার করছে, যখন এই মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার সৈন্য পাঠিয়ে রেখেছেন দুটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশে। নিউক্লিয়ার, বায়োলজিক্যাল ও কেমিক্যাল অস্ত্রের সন্ধানে নেমে কিছুই তো পেলো না আর মারতে লাগল নিরীহ মানুষজন। এমন ক্রান্তিলগ্নে এলেন বারাক ওবামা, রিপাবলিকান প্রার্থী জন ম্যাককেইনকে পরাজিত করে। পরিবর্তনের সুর নিয়ে বিপুল ভোটে জয় পেয়ে মার্কিন ইতিহাসে ২১৬ বছরের শ্বেতাঙ্গ শাসনের অবসান ঘটিয়ে আসছেন বারাক ওবামা আগামী জানুয়ারীতে হোয়াইট হাউজে। সকলের মাঝে কেমন যেন স্বস্তির নিঃশ্বাস। যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম।
তেমন ধরনেরই আরেক পরিবর্তনের সময় এসেছে বাংলাদেশেও। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো এই গণতান্ত্রিক দেশেও গত দুই বছর যাবৎ সামরিক বাহিনী সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার শাসন করছে। মানুষ দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতির সাথে আর পাল্লা দিয়ে পারছে না। গরীব লোকজন না খেয়েও দিনাতিপাত করছে। দুর্নীতিবাজদের ধরার জন্য সরকারের ব্যাপক প্রচেষ্টা কেমন যেন ক্ষীণ হয়ে এসেছে, যার ফলে পুরোনো সেই নেতা-নেত্রীদের এখন মাঠে দেখা যাচ্ছে। পরিবর্তনের প্রয়োজন বাংলাদেশেও। প্রত্যেকটি ক্ষেত্রেই। সরকারের নানা ক্ষেত্র থেকে শুরু করে, রাজনৈতিক দলগুলোর মতাদর্শের-সকল বিভাগেই পরিবর্তন বাঞ্ছনীয়। আর এই পরিবর্তনের জন্যই নির্বাচন। জনগণ ভোট দিয়ে তাদের প্রতিনিধি নির্ধারণ করবে।
আমি মূলত যেটা বলতে চাই সেটা হলো, গত কিছুদিন আগে হয়ে যাওয়া মার্কিন নির্বাচন থেকে বাংলাদেশের অনেক কিছুই শেখার আছে। যেভাবে বিপুল ভোটে পরাজিত ম্যাককেইন তার পরাজয় স্বীকার করে নিয়ে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ওবামার সাথে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, বাংলাদেশের আগামী নির্বাচনের পরাজিত শক্তিরও পরাজয় মেনে নিয়ে বিজয়ীদের সাথে একযোগে দেশের মঙ্গলের জন্য কাজ করা উচিত। নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি বলে পরাজিতরা যেমনভাবে দেশে অরাজকতার সৃষ্টি করে নির্বাচন পরবর্তী সময়ে, সেটা থেকে বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক দলেরই সরে আসা উচিত। দেশ ও দশের স্বার্থে একটি নির্বাচনী পরাজয় মেনে নেয়া তেমন কঠিন না।
আসলে এর জন্য প্রয়োজন মতাদর্শের পরিবর্তন। রাজনৈতিক দলগুলোর তাদের দেশের মঙ্গলের জন্য সকল স্বার্থ বিসর্জন করা এখন সময়ের দাবী। লোকজন এখন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। রাজনৈতিক দলগুলোর আমুল পরিবর্তন না হলে জনগণের এবার "না" ভোটের সুবিধা আছে। সময়ই এখন বলবে আসলেই কী ঘটে!
২০০৮ একটা পটপরিবর্তনের বছর। নির্বাচনের বছর। যেমনভাবে বিশ্বের সর্বশক্তিশালী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন হলো রাষ্ট্রপতি নির্ধারণের, তেমনি করে বাংলাদেশের মতো একটি ছোট দেশেরও নির্বাচন হতে যাচ্ছে এই বছরই। আমি অনেক মিল-অমিল খুঁজে পেলাম এই দুটি দেশের নির্বাচনকে ঘিরে।
আটটি বছর "লেইম ডাক" বুশের শাসনে দিন কাটাল আমেরিকাবাসী। এতে দেশের তো উন্নতি তো হলোই না বরং অবনতিই বেশী। বিশ্ব আজ এক অর্থনৈতিক দুরবস্থা পার করছে, যখন এই মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার সৈন্য পাঠিয়ে রেখেছেন দুটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশে। নিউক্লিয়ার, বায়োলজিক্যাল ও কেমিক্যাল অস্ত্রের সন্ধানে নেমে কিছুই তো পেলো না আর মারতে লাগল নিরীহ মানুষজন। এমন ক্রান্তিলগ্নে এলেন বারাক ওবামা, রিপাবলিকান প্রার্থী জন ম্যাককেইনকে পরাজিত করে। পরিবর্তনের সুর নিয়ে বিপুল ভোটে জয় পেয়ে মার্কিন ইতিহাসে ২১৬ বছরের শ্বেতাঙ্গ শাসনের অবসান ঘটিয়ে আসছেন বারাক ওবামা আগামী জানুয়ারীতে হোয়াইট হাউজে। সকলের মাঝে কেমন যেন স্বস্তির নিঃশ্বাস। যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম।
তেমন ধরনেরই আরেক পরিবর্তনের সময় এসেছে বাংলাদেশেও। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো এই গণতান্ত্রিক দেশেও গত দুই বছর যাবৎ সামরিক বাহিনী সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার শাসন করছে। মানুষ দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতির সাথে আর পাল্লা দিয়ে পারছে না। গরীব লোকজন না খেয়েও দিনাতিপাত করছে। দুর্নীতিবাজদের ধরার জন্য সরকারের ব্যাপক প্রচেষ্টা কেমন যেন ক্ষীণ হয়ে এসেছে, যার ফলে পুরোনো সেই নেতা-নেত্রীদের এখন মাঠে দেখা যাচ্ছে। পরিবর্তনের প্রয়োজন বাংলাদেশেও। প্রত্যেকটি ক্ষেত্রেই। সরকারের নানা ক্ষেত্র থেকে শুরু করে, রাজনৈতিক দলগুলোর মতাদর্শের-সকল বিভাগেই পরিবর্তন বাঞ্ছনীয়। আর এই পরিবর্তনের জন্যই নির্বাচন। জনগণ ভোট দিয়ে তাদের প্রতিনিধি নির্ধারণ করবে।
আমি মূলত যেটা বলতে চাই সেটা হলো, গত কিছুদিন আগে হয়ে যাওয়া মার্কিন নির্বাচন থেকে বাংলাদেশের অনেক কিছুই শেখার আছে। যেভাবে বিপুল ভোটে পরাজিত ম্যাককেইন তার পরাজয় স্বীকার করে নিয়ে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ওবামার সাথে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, বাংলাদেশের আগামী নির্বাচনের পরাজিত শক্তিরও পরাজয় মেনে নিয়ে বিজয়ীদের সাথে একযোগে দেশের মঙ্গলের জন্য কাজ করা উচিত। নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি বলে পরাজিতরা যেমনভাবে দেশে অরাজকতার সৃষ্টি করে নির্বাচন পরবর্তী সময়ে, সেটা থেকে বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক দলেরই সরে আসা উচিত। দেশ ও দশের স্বার্থে একটি নির্বাচনী পরাজয় মেনে নেয়া তেমন কঠিন না।
আসলে এর জন্য প্রয়োজন মতাদর্শের পরিবর্তন। রাজনৈতিক দলগুলোর তাদের দেশের মঙ্গলের জন্য সকল স্বার্থ বিসর্জন করা এখন সময়ের দাবী। লোকজন এখন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। রাজনৈতিক দলগুলোর আমুল পরিবর্তন না হলে জনগণের এবার "না" ভোটের সুবিধা আছে। সময়ই এখন বলবে আসলেই কী ঘটে!
লেখক পাপ্রদজ
- পাপ্রদজ -এর ব্লগ
- ৬ টি মন্তব্য
- ০৯ নভেম্বর ২০০৮, ১২:৫২
- বিবিধ
প্রিন্ট করুন
- ৬ টি মন্তব্য
-
বহুরুপি০৮ নভেম্বর ২০০৮, ১০:২২
কথা আমরা সবাই জানি, কিনতু মানি কয়জনা ? বিড়ালের গলায় কে ঘনটা বাধবে - এই টেনশনে দিন পার করলে কি আর চলবে
। -
মাইক্রোকাতার০৮ নভেম্বর ২০০৮, ১১:৫১
মার্কিন যুক্তরাস্ট্রে হয়তো একটা পরিবর্তন এসেছে, তা শুধূ মাত্র ব্যাক্তির, তাতে করে কি ওদের পররাষ্ট্রনীতির কোন পরিবর্তন হবে? আমার জবাব না হবে না।
আর বাকি রইল বাংলাদেশ, বি এন পি গেলে আওয়ামী লীগ আসবে, যেই আসে না কেন , এসেই সেই পুরনো ক্রিয়া কর্ম শুরু করে দিবে।
দত্ত ভাই দেশে নিয়ে চিন্তা করেন দেখে ভালোই লাগলো। -
ফারহান দাউদ০৯ নভেম্বর ২০০৮, ১২:৫৬
হ্যাঁ,চেন্ঞ্জ উই নিড। কিন্তু মার্কিন জনতা বদলটা নিজেরা ঘটিয়েছে একজন কৃষ্ঞাঙ্গকে নির্বাচিত করে,আর আমরা আবার সেই চোরদেরই নির্বাচিত করতে যাচ্ছি মনে হয়
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক