নভেম্বর
২৭
প্রতিবেশী দেশ ভারতে ১০০ এর উপর নীরিহ মানুষ খুন হয়েছে
খবর ব্লগিং
![]()
এই ব্লগে ঢুকে আমি আশা করছিলাম এই বিষয়ে কিছু পোষ্ট দেখব। আমাদের মত সাধারণ লোকজন মারা গেছেই বলে নয়, এটার সাথে বাংলাদেশেরও বিষয় জড়িত থাকবে বলে। কিন্তু খুবই আশ্চর্য হলাম প্রথম তিন-চার পাতায় এই নিয়ে কিছুই না দেখে।
নীরিহ লোক গুলোর প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি এবং সম্ভাব্য বাংলাদেশকে জড়িয়ে প্রেস নোট আসার নিন্দা জানাচ্ছি।

Phonetic
নিন্দা দিয়ে কী হবে। কী হলে কী হবে সেইটা বলেন। আমরা আছি আপনার সাথে। জানিনা কেউ এই বিষয়ে লিখেনি কেন। আমি আসলে আল জাজিরায় খবরটা দ্যাখা নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। এটা কৈফিয়ত নয়। আপনাকে ধন্যবাদা।
যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের নিয়ে কিছু বলতে চাই। আমার ব্লগেই তা লিখছি। আবার ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ শামীমা। ভারতে যেকোন ধরনের হামলাতেই বাংলাদেশকে জড়ানোর চেষ্টা করা হয়, আর এটা হলো সাম্প্রতিক সময়ের বড় একটি হামলা (এখন চলছে) এর সাথে বাংলাদেশকে জড়ানোন অপচেষ্টার বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার থাকা উচিত।
এছাড়াও উপমহাদেশের রাজনীতিতে এর প্রভাব থাকার ভালো সম্ভাবনা আছে।
ধন্যবাদ পোষ্টের জন্য
ধিক্কার এসব হামলাকারীদের প্রতি! সমবেদনা রইল হতাহত পরোবারের প্রতি!
এই নির্মম হত্যাকান্ডের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি সেই সাথে সুস্ঠু তদন্ত ব্যতীত বাংলাদেশের নাম আসাটা ও কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় ।
শুধু সমবেদনা নয় আসুন মূল উদঘাটনের জন্য সচেষ্ট হই। ধিক্কার জানাই তাদের যাদের দ্বারা সংঘঠিত হয়েছে সেই অপকর্ম । আর ধিক্কার মন গড়া আমাদের উপর দোষারোপের সেই অপরিনামদর্শি পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রের কর্ণধারদের। সরকার আর একটু সচেষ্ট হলে এই অহেতুক গ্লানি বহন করতে হয় না আমাদের।
সুষ্ঠু তদন্ত ছাড়া এর ব্যাপারে কিছু বলা সমীচীন হবে না। তবে "ডেকান মুজাহিদীন" নামক এক সন্ত্রাসী সংগঠন এর দায়দায়িত্ব স্বীকার করেছে।
ইসলামী এসব মুজাহিদীন সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে একটা আন্তর্জাতিক বয়কট শুরু করতে হবে। যাতে করে সকলে এদেরকে প্রত্যাখ্যান করে। কেউ যেন বিশ্বাস করে না যে, এভাবে মানুষ হত্যা করে মরলে শহীদ আর বাঁচলে গাজী - এই ধারণ মিথ্যা। কোরআন বা কোনো ধর্মীয় গ্রন্থই একথা বলতে পারে না।
২১ শে আগষ্টের হামলাতেও জর্জ মিয়া স্বীকারোক্তি দিয়েছিল, এইগুলো বড় ব্যাপার না
ধন্যবাদ,তবে সকালে এ ধরনের ছবি দেখে মন খারাপ হয়ে গেল,যারা খুন হয়েছিল তাদের কেমন লেগেছে ঐ অবস্থাই,আমি গভীর ভাবে শোকাহত।
এই সব জানোয়ারদের বর্বরতা যে কবে শেষ হবে জানিনা। এদের পৈশাচিক কর্মকান্ডকে ধিক্কার জনাই।
নীরিহ লোক গুলোর প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি এবং সম্ভাব্য বাংলাদেশকে জড়িয়ে প্রেস নোট আসার নিন্দা জানাচ্ছি।
বিভৎস! কেন বিশ্ব এপথে চলছেই? কোথায় যেয়ে থামবে? জঘন্য।
মানব জীবনের বড় গ্লানি হচ্ছে পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ ভাল, কিন্তু তবু বড় বড় খারাপ জিনিস ঘটে। এসব খারাপের জন্য আবার ভালো মানুষদের দায়ী করা হয়।
নিহতদের আত্মা শান্তি পাক। মানবজীবনের গ্লানি কাটুক।
ভালো বলেছেন।
মানুষ স্মৃষ্টির সেরা জীব, ভাবতে লজ্জা লাগে। তবুও সত্য , তবুও এসব কি ????
নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।
ধিক্কার এসব হামলাকারীদের প্রতি!
সবার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ
মুম্বাই বম্বিং এবং বালাকা ভাঙা নিয়ে দুটি কবিতা লিখলাম:
১। ভেঙ্গে ফেল সব শহীদ মিনার!
২। সাত সাগর রক্তে ভাসা বিশ্ব ধ্বংসস্তূপ