...পলাশ ফুটেছে, শিমুল ফুটেছে...

নভেম্বর
১১

সিডরের একশ দিন পর: পুর্নবাসন ও বাসস্থান নির্মাণে অগ্রগতি সামান্য

খবর রাজনীতি


বাংলাদেশে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় সিডরে ক্ষতিগ্রস্ত শরণখোলার মানুষ বলছেন ঝড়ের ১০০দিন পরেও পুর্নবাসন ও বাড়িঘর তৈরীর কাজে ‌উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি।

ত্রাণ বিতরণের কাজে সম্বন্য়ের অভাবের অভিযোগও তুলেছেন স্থানীয় মানুষজন।

গত ১৫ই নভেম্বর বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলে আঘাত হেনেছিল এই ঘূর্ণিঝড়। সরকারী হিসাবে এই ঝড়ে ৩০ লক্ষেরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন।

ঝড়ে অন্যতম সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা বাগেরহাটের শরণখোলায় ঝড়ের পরপরই গিয়ে ধ্বংসের চেহারা দেখেছিলেন বিবিসির সংবাদদাতা আকবর হোসেন।

সেখানে পুর্নবাসনের কাজ কতটা এগিয়েছে, বিধ্বংসী ঐ ঘূর্ণিঝড়ের তান্ডবের পর সেখানকার মানুষ কতখানি ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছেন তা নিয়ে শুক্রবার ২২শে ফেব্রুয়ারী বিবিসির এক আয়োজনে শরণখোলার মানুষজনের সঙ্গে কথা বলেছেন আকবর হোসেন


৪টি মন্তব্য

  • কৌশিক.বিশ্বাস বলেছেন ২০০৮/১১/১১ ১৩:০১:৪১

    ধন্যবাদ, আপনি খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় তুলে ধরেছেন। আমি সিডারের মধ্যে পরিনি, আমি সেখানে ছিলাম না, তবে সিডার আমার জীবন থেকেও অনেক কিছু নিয়ে গিয়েছে। আপনার লেখা পড়ে খুব ভালো লাগলো, বিদ্ধ্বস্ত মানুষগুলোর জন্য যতো তাড়াতাড়ি কিছু ব্যাবস্থা হয় ততোই ভালো।

    পলাশ বলেছেন ২০০৮/১১/১৪ ০৬:০৪:১৬

    ধন্যবাদ

  • ফারহান দাউদ বলেছেন ২০০৮/১১/১২ ০৩:২২:৫৮

    এত সাহায্য তাইলে গেল কই?

    পলাশ বলেছেন ২০০৮/১১/১৪ ০৬:০৪:০২

    সাহায্য দেয়ই নি অনেকে। বাকীটা বারোভূতের পেটে।



প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা ১২১৫