আমার মিউজিকবেলা -২
আমার মিউজিকবেলা -১
২
দেশের মধ্যে- জাহান, কমলের সলোগুলো ভালো লাগতো। ব্ল্যাক, ওয়ারফেজ, আর্টসেল এর একটা ক্রেজ আছে বলে না- ওদের লিডের মধ্যে একটা নিজস্ব স্বকীয়তা আছে তাই। আইয়্যুব চাচ্চু আনডাউটেডলি এই সাব কন্টিনেন্ট এর মধ্যে একজন বেস্ট। বাট, সে পুরোপুরি জোই সাট্রিয়ানির নকল। মাথার হ্যাট থেকে শুরু করে বডি ল্যাংগুয়েজ সবটুকুই। আমার তো মনে হয় সে বরং আনপ্লাগড এই অনেক বেশী জেনুইন। ফামী ভাইয়ের (বাংলা ব্যান্ডের কার্তিক ) হাত শুনেছিলাম গুলির মতো ছুটে । সামনা সামনি আর দেখা হয়ে উঠেনি। দীপন ভাইয়ের ক্লোজড ফ্রেন্ড। দুজনই ইস্পাহানীর। অবশ্য মিউজিক জ্ঞান হওয়ার পর থেকেই ফাস্ট আর মেলোডি দুইটা দুই টার্মসে দেখি। দীপন ভাই, মাশফিক ভাইদের গানগুলার দু একটা তো জোশ!!
Renaissance (রেঁনেসা) খালি আমাদের গ্রামের বাড়ি সম্পৃক্ত সেজন্য না মেলোডী বিচারে সময়ই আলাদা। তাই বরাবরি পছন্দ। দেশের বাইরে স্ল্যাশ এর সলোগুলো ভালো লাগতো। তবে রবীন্দ্র- নজরুল সং এখনো মাস্টারপিস। এরকম সেকেন্ড আর কেও বানাতে পারবেনা... একরকম সিলসিলা বলতে পারেন। লিরিক্সের বস নিঃসন্দেহে- সুমন চ্যাটার্জী। সবশেষে ওস্তাদের ওস্তাদ- জন ডেনভার।
দেশের ইয়ং জেনারেশন মিউজিশিয়ানদের মধ্যে আরেকটা জিনিস দেখলাম- আগা থেকে গোড়া সব গাঞ্জুবেবী (গাঞ্জাখোর) !! OMG!! কি পরিমাণ এগুলো বলে বুঝানোর মতো না। ‘মাদককে না বলুন’ প্রোগ্রামে অনেক মাদকসেবী সেলিব্রিটিকে বিশেষ অতিথির আসনে দেখলে তো মেজাজই নষ্ট হয়ে যায়। তবে ব্যতিক্রম যে নাই তাও বলছিনা।
= = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = =
মিউজিক যে সবসময় ভালো লাগে... তাও না। মাম্মি-ড্যাডি’র কিছু পোলাপান আছে রাস্তা দিয়ে বিশাল সাউন্ড ছেড়ে গাড়ি নিয়ে যাবে অথবা কানে এয়ারফোন লাগিয়ে মাথা ঝাঁকাতে থাকে সমানে যা দশ হাত দূর থেকেও শুনা যায়...... দেখলে মনে হয় থাবড়ায় কাপড় খুইল্যা নীল ডাউন করিয়ে রাখি। আজকালকার পোলাপানও এমন... তিনটা পোলা এক জায়গায় মানেই একটা ব্যান্ডদল ফর্ম হয়ে যায়। আর হিন্দি গানে কেনো যেনো আমার এ্যালার্জীটা বরাবরই। শুনলেই অটোম্যাটিক গা চুলকাতে থাকে। (এ.আর. রহমান এর কয়েকটা গান ছাড়া) আর লিম্প-বিজকিট, লিঙ্কিন পার্কের গান শুনলে তো আধা ঘন্টা পরে মাথার স্ক্রু চেঞ্জ করে আসতে হয়। হার্ড রক ব্যান্ডের ছবিওয়ালা টি শার্ট পরা, মাথা চুল রাঙ্গানো, হাতে চুরিওয়ালা বাঙ্গালী মিউজিশিয়ান গুলারে দেখলে বলতে ইচ্ছা হয়- “ভাই, কাউয়্যা (কাক) হয়ে ময়ূর হতে চান ক্যান??”
গান শুনার চেয়ে বরং কিছু গানের লিরিকসগুলো ভালো লাগতো। মজার কথা মনে পড়লো। বাংলা ২য় পত্রে তো প্রায় সময়ই ‘জনৈক মনীষী ওস্তাদের ওস্তাদ (আমার রিয়েল নামটা) বলেছেন’ বলে গানের লাইন চাঁপাঁ মেরে দিতাম। স্যার-ম্যাডামদের থেকে কেনো যেনো বরাবরই একটা আলাদা প্রশ্রয় পেয়ে এসেছি সবসময়। হাসি মুখে এক আধটু বকে দিতেন- এই যা!
ভার্সিটির প্রথম দিকেও আমার বেশ ইন্টারেস্ট ছিলো। নিউ মার্কেটের পাশে ‘মেলোডি’-র দোকানে দুদিন পরপর ঢুঁ মারতাম আর একস্টিক, ক্লাসিকাল গিটারের সাথে প্রসেসরের প্রাইজটা দেখতাম। মানিব্যাগে Peavey-র একটা পিক রাখতাম সবসময়। এই তো কদিন আগে বিকেলবেলা- নেটওয়ার্কিং ল্যাব ফাইনাল দিয়ে ৮তলার বারান্দায় দাঁড়িয়েছিলাম। নিচে দেখি এক ছেলে সিভিল/ টেক্সটাইল ডে-র প্রোগ্রামে স্টেজে বাজাচ্ছে ফগার মেশিনের ছাড়া ধোঁয়ার ভিতর- আইবানেজ মনে হলো দূর থেকে- সুইট চাইল্ড ও’ মাইন!!... গানস এন্ড রোজেস!! সামনে Rag day-র রঙ কালি মেখে ভূত কয়েকজন নাচানাচি করছে। পরে তাড়াতাড়ি দোতালার রেম্পে এসে দেখলাম। আইবানেজটা বাঁ উরুতে রাখা, ট্রিমোলোটা মুঠোতে রেখে, প্রসেসরের প্যাডেল থেকে কন্ট্রোল করছিলো। পুরোটাই বাজালো ছেলেটা, একটাও মিসটোন হয়নি! ওয়াও! আরে!! এসব বুঝার সমঝদার এখানে আছে?? রক অন!!
= = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = =
মিউজিক ইম্পেক্টটা আসলে অসাধারণ! মনে হয় যেনো- আই যাস্ট কাম অফ নাউ, ইয়েস! আই অ্যাম ইন মাইসেলফ!!
তবে এরকম অবসেসড হয়ে থাকাটা ইসলাম সাপোর্ট করে না। আমার বরাবরই মনে হতো এই একটা কাজ যার কোন ধরণের goal নাই। সারাক্ষণ মনে হতো – আরে! সব পোলাপান এসব করে সিম্পলি ক্যাম্পাসে কিছু বাক-বাকুম পায়রা অর চিকি থাকে, ওদের সামনে একটা পার্ট নেয়ার জন্য। আর না হয় বড়জোর বিয়ে বাড়িতে বাজিয়ে টু পিস কামানো। আরো হয়তো কারণ থাকতে পারে। আই ওয়াজ নেভার ইন্টারেস্টেড। টাইম পাসিং এর জন্য আরো অনেক বহুত জিনিস আছে। গিভ ইট আপ!! এনরিক ইগলিয়াস –এর ‘হিরো’ অর মেটালিকা-র ‘হিরো অফ দ্য ডে’ হওয়ার কোন দরকার নেই আমার। কিন্তু একেবারে ছেড়ে দেয়া আর হয়নি।
রাজী বলতো – ‘দোস্ত, তুই খালি নিজের জন্য মিউজক করবি। এই মিউজিক সেন্সটা সবার মধ্যে থাকে না। ইউ স্যুড কেরি ইট আপ’।
আমি বলতাম- নোপ, আই স্যুড পে দিস টাইম সামহোয়ার এলস্।’‘
বাংগী- ম্যান, উই নিড টু ডু সামথিং ডিফারেন্ট!
মি- হ্যাঁ কর, সবাই তো ‘তুমি-তুমি’ করে গান গায়, ওগুলোর জায়গায় ‘আপনি-আপনি’ বসায় গান গাইলেই হলো! যা ফোট! বাক বাকুম টাইপের কোন লিরিক্স আমি লিখতে পারুম না।
ডিফারেন্ট কিছু যদি করতেই হয় তবে গ্রামের বাড়ি- চুনতী-র ঐতিহ্যবাহী গানগুলাই নতুন করে কম্পোজ করতাম। ফামী ভাইরাও (বাংলা ব্যান্ড) তো লালনের গানগুলাকেই নতুন মাত্রা দিয়েছেন। রাজীকেও বললাম, সেও খুব ইন্টারেস্টেড। কিন্তু আসল সমস্যা গানগুলার আগা মাথা সুর কিসুই জানিনা। আর ফোক গানগুলার সাথে এই জেনারেশন তেমন ইউজড টু না
অবশ্য এক্সপেরিমেন্টাল কিছু করা যেতে পারতো।
[চলবে]
২
দেশের মধ্যে- জাহান, কমলের সলোগুলো ভালো লাগতো। ব্ল্যাক, ওয়ারফেজ, আর্টসেল এর একটা ক্রেজ আছে বলে না- ওদের লিডের মধ্যে একটা নিজস্ব স্বকীয়তা আছে তাই। আইয়্যুব চাচ্চু আনডাউটেডলি এই সাব কন্টিনেন্ট এর মধ্যে একজন বেস্ট। বাট, সে পুরোপুরি জোই সাট্রিয়ানির নকল। মাথার হ্যাট থেকে শুরু করে বডি ল্যাংগুয়েজ সবটুকুই। আমার তো মনে হয় সে বরং আনপ্লাগড এই অনেক বেশী জেনুইন। ফামী ভাইয়ের (বাংলা ব্যান্ডের কার্তিক ) হাত শুনেছিলাম গুলির মতো ছুটে । সামনা সামনি আর দেখা হয়ে উঠেনি। দীপন ভাইয়ের ক্লোজড ফ্রেন্ড। দুজনই ইস্পাহানীর। অবশ্য মিউজিক জ্ঞান হওয়ার পর থেকেই ফাস্ট আর মেলোডি দুইটা দুই টার্মসে দেখি। দীপন ভাই, মাশফিক ভাইদের গানগুলার দু একটা তো জোশ!!
Renaissance (রেঁনেসা) খালি আমাদের গ্রামের বাড়ি সম্পৃক্ত সেজন্য না মেলোডী বিচারে সময়ই আলাদা। তাই বরাবরি পছন্দ। দেশের বাইরে স্ল্যাশ এর সলোগুলো ভালো লাগতো। তবে রবীন্দ্র- নজরুল সং এখনো মাস্টারপিস। এরকম সেকেন্ড আর কেও বানাতে পারবেনা... একরকম সিলসিলা বলতে পারেন। লিরিক্সের বস নিঃসন্দেহে- সুমন চ্যাটার্জী। সবশেষে ওস্তাদের ওস্তাদ- জন ডেনভার।
দেশের ইয়ং জেনারেশন মিউজিশিয়ানদের মধ্যে আরেকটা জিনিস দেখলাম- আগা থেকে গোড়া সব গাঞ্জুবেবী (গাঞ্জাখোর) !! OMG!! কি পরিমাণ এগুলো বলে বুঝানোর মতো না। ‘মাদককে না বলুন’ প্রোগ্রামে অনেক মাদকসেবী সেলিব্রিটিকে বিশেষ অতিথির আসনে দেখলে তো মেজাজই নষ্ট হয়ে যায়। তবে ব্যতিক্রম যে নাই তাও বলছিনা।
= = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = =
মিউজিক যে সবসময় ভালো লাগে... তাও না। মাম্মি-ড্যাডি’র কিছু পোলাপান আছে রাস্তা দিয়ে বিশাল সাউন্ড ছেড়ে গাড়ি নিয়ে যাবে অথবা কানে এয়ারফোন লাগিয়ে মাথা ঝাঁকাতে থাকে সমানে যা দশ হাত দূর থেকেও শুনা যায়...... দেখলে মনে হয় থাবড়ায় কাপড় খুইল্যা নীল ডাউন করিয়ে রাখি। আজকালকার পোলাপানও এমন... তিনটা পোলা এক জায়গায় মানেই একটা ব্যান্ডদল ফর্ম হয়ে যায়। আর হিন্দি গানে কেনো যেনো আমার এ্যালার্জীটা বরাবরই। শুনলেই অটোম্যাটিক গা চুলকাতে থাকে। (এ.আর. রহমান এর কয়েকটা গান ছাড়া) আর লিম্প-বিজকিট, লিঙ্কিন পার্কের গান শুনলে তো আধা ঘন্টা পরে মাথার স্ক্রু চেঞ্জ করে আসতে হয়। হার্ড রক ব্যান্ডের ছবিওয়ালা টি শার্ট পরা, মাথা চুল রাঙ্গানো, হাতে চুরিওয়ালা বাঙ্গালী মিউজিশিয়ান গুলারে দেখলে বলতে ইচ্ছা হয়- “ভাই, কাউয়্যা (কাক) হয়ে ময়ূর হতে চান ক্যান??”
গান শুনার চেয়ে বরং কিছু গানের লিরিকসগুলো ভালো লাগতো। মজার কথা মনে পড়লো। বাংলা ২য় পত্রে তো প্রায় সময়ই ‘জনৈক মনীষী ওস্তাদের ওস্তাদ (আমার রিয়েল নামটা) বলেছেন’ বলে গানের লাইন চাঁপাঁ মেরে দিতাম। স্যার-ম্যাডামদের থেকে কেনো যেনো বরাবরই একটা আলাদা প্রশ্রয় পেয়ে এসেছি সবসময়। হাসি মুখে এক আধটু বকে দিতেন- এই যা!
ভার্সিটির প্রথম দিকেও আমার বেশ ইন্টারেস্ট ছিলো। নিউ মার্কেটের পাশে ‘মেলোডি’-র দোকানে দুদিন পরপর ঢুঁ মারতাম আর একস্টিক, ক্লাসিকাল গিটারের সাথে প্রসেসরের প্রাইজটা দেখতাম। মানিব্যাগে Peavey-র একটা পিক রাখতাম সবসময়। এই তো কদিন আগে বিকেলবেলা- নেটওয়ার্কিং ল্যাব ফাইনাল দিয়ে ৮তলার বারান্দায় দাঁড়িয়েছিলাম। নিচে দেখি এক ছেলে সিভিল/ টেক্সটাইল ডে-র প্রোগ্রামে স্টেজে বাজাচ্ছে ফগার মেশিনের ছাড়া ধোঁয়ার ভিতর- আইবানেজ মনে হলো দূর থেকে- সুইট চাইল্ড ও’ মাইন!!... গানস এন্ড রোজেস!! সামনে Rag day-র রঙ কালি মেখে ভূত কয়েকজন নাচানাচি করছে। পরে তাড়াতাড়ি দোতালার রেম্পে এসে দেখলাম। আইবানেজটা বাঁ উরুতে রাখা, ট্রিমোলোটা মুঠোতে রেখে, প্রসেসরের প্যাডেল থেকে কন্ট্রোল করছিলো। পুরোটাই বাজালো ছেলেটা, একটাও মিসটোন হয়নি! ওয়াও! আরে!! এসব বুঝার সমঝদার এখানে আছে?? রক অন!!
= = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = = =
মিউজিক ইম্পেক্টটা আসলে অসাধারণ! মনে হয় যেনো- আই যাস্ট কাম অফ নাউ, ইয়েস! আই অ্যাম ইন মাইসেলফ!!
তবে এরকম অবসেসড হয়ে থাকাটা ইসলাম সাপোর্ট করে না। আমার বরাবরই মনে হতো এই একটা কাজ যার কোন ধরণের goal নাই। সারাক্ষণ মনে হতো – আরে! সব পোলাপান এসব করে সিম্পলি ক্যাম্পাসে কিছু বাক-বাকুম পায়রা অর চিকি থাকে, ওদের সামনে একটা পার্ট নেয়ার জন্য। আর না হয় বড়জোর বিয়ে বাড়িতে বাজিয়ে টু পিস কামানো। আরো হয়তো কারণ থাকতে পারে। আই ওয়াজ নেভার ইন্টারেস্টেড। টাইম পাসিং এর জন্য আরো অনেক বহুত জিনিস আছে। গিভ ইট আপ!! এনরিক ইগলিয়াস –এর ‘হিরো’ অর মেটালিকা-র ‘হিরো অফ দ্য ডে’ হওয়ার কোন দরকার নেই আমার। কিন্তু একেবারে ছেড়ে দেয়া আর হয়নি।
রাজী বলতো – ‘দোস্ত, তুই খালি নিজের জন্য মিউজক করবি। এই মিউজিক সেন্সটা সবার মধ্যে থাকে না। ইউ স্যুড কেরি ইট আপ’।
আমি বলতাম- নোপ, আই স্যুড পে দিস টাইম সামহোয়ার এলস্।’‘
বাংগী- ম্যান, উই নিড টু ডু সামথিং ডিফারেন্ট!
মি- হ্যাঁ কর, সবাই তো ‘তুমি-তুমি’ করে গান গায়, ওগুলোর জায়গায় ‘আপনি-আপনি’ বসায় গান গাইলেই হলো! যা ফোট! বাক বাকুম টাইপের কোন লিরিক্স আমি লিখতে পারুম না।
ডিফারেন্ট কিছু যদি করতেই হয় তবে গ্রামের বাড়ি- চুনতী-র ঐতিহ্যবাহী গানগুলাই নতুন করে কম্পোজ করতাম। ফামী ভাইরাও (বাংলা ব্যান্ড) তো লালনের গানগুলাকেই নতুন মাত্রা দিয়েছেন। রাজীকেও বললাম, সেও খুব ইন্টারেস্টেড। কিন্তু আসল সমস্যা গানগুলার আগা মাথা সুর কিসুই জানিনা। আর ফোক গানগুলার সাথে এই জেনারেশন তেমন ইউজড টু না
অবশ্য এক্সপেরিমেন্টাল কিছু করা যেতে পারতো।
[চলবে]
লেখক ওস্তাদের ওস্তাদ
- ওস্তাদের ওস্তাদ -এর ব্লগ
- ২৬ টি মন্তব্য
- ১১ এপ্রিল ২০০৯, ১০:১৬
- বিবিধ
প্রিন্ট করুন
- ২৬ টি মন্তব্য
-
টোকাই সিকদার১১ এপ্রিল ২০০৯, ১০:৫১
জোই সাট্রিয়ানির নকল--একথা সত্য যারা জোই সাট্রিয়ানির গিটার শুনেছে তারা সকলেই স্বীকার করবে -
টোকাই সিকদার১১ এপ্রিল ২০০৯, ১১:০৮
মেহেদী বাগে একটা রেকডিং সেন্টার আছে মোস্তাফিজ ভাই দারুন কালেকসন ওনার -
টোকাই সিকদার১১ এপ্রিল ২০০৯, ১১:৩৫
আয়রনমেইডেন
মেটালিকা
গানস্ রোজেস
ত্রাস মেটাল আমার অনেক ানেক তখন রেকডিং চার্য ছির ২০০ টাকা করে আমরা ানেক আগের কুতুব -
টোকাই সিকদার১১ এপ্রিল ২০০৯, ১২:২৩
থখন আমরা ডেমনস এর প্রগ্রাম গুলো বাদ দিতাম না নভেম্বর ১১ ছিল খুব ভাল ব্যান্ড -
তুষার কন্যা১১ এপ্রিল ২০০৯, ১০:৫৮
বাহ।এ সিরিজ টা আগে পড়িনাই,ভালো লাগছিলো পড়তে।দীপন-বুয়েটের?আমি এক দীপন কে জানি খুব ভালো কিছু গান করেছে।শুনেছি ৩/৪ টা।আমার বহু দূর কি রিস্তাদার।ওরা কি এলবাম বের করেছে কিনা খবর পাই নি।
ওস্তাদের ওস্তাদ- জন ডেনভার।এটা আমার মনের কথা বলছেন
-
তুষার কন্যা১১ এপ্রিল ২০০৯, ১১:০৯
সময় তুমি বলে দাও, কিভাবে কাটাবে সময়................
আমার বন্ধুর বন্ধু।ওদের কম্পোজিশন ভালো লাগে খুব।ওরা কি এলবাম বের করবে না নাকি? -
আজব ঢাকা১৬ এপ্রিল ২০০৯, ০৩:১৩
আমি গান অত বুঝি না......তবে আমিও গানের কথাকেই গুরুত্ব দেই......আর হিন্দি গানের কথা নাই বললাম.......
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক