রুচিশীল নোংরা ছবির নাম উঠলেই ফারুকীর নামটা চলে আসতে পারে. . “আজব ঢাকা’র” প্রশ্নের উত্তর এবং পাল্টা প্রশ্ন. . . আপনার সৎসাহস থাকলে উত্তরগুলো আশাকরি পাবো. .
প্রিয় আজব ঢাকা,
শুরুতেই বলে নেই আপনার নামটা অনেক সুন্দর এবং আমার পোষ্টটা থার্ড পার্সন এর রিভিউ ছিলো না। থার্ড পার্সনের রিভিউ পড়তে চাইলে নিচের লিংকের পোষ্টগুলো পড়েন, ভালো রিভিউ পাবেন। তারা ছবিটা দেখেই রিভিউ দিয়েছিলেন। আর আগ্রহ থাকলে সেখানের মন্তব্যগুলোও পড়তে পারেন।
মুভি রিভিউ: থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার
"থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার" এর মত ছবি সেন্সর থেকে ছাড়া পাইলো কেমন?(১৮+)
এটা আমার পোষ্টের লিংক
এটা আজব ঢাকার পোষ্টের লিংক
আপনার পোষ্টের উত্তরে বলিঃ
এইম? কাউকে এইম করা আমার টার্গেট ছিলো না। আর পিস্তল নিয়ে খেলা করার ইচ্ছে নেই, তাই গুলি নষ্ট হওয়ারও আশংকা কম। আমার লেখাটাই আপনি বুঝতে পারেন নি! আমার লেখার এতোগুলো প্যারা রেখে আপনি থার্ড পার্সনের প্যারাটাকে টার্গেট করলেন কেনো? তাও আবার প্রশ্ন করেছেন যে আমি কি রিভিও ছবিটা দেখে দিয়েছি নাকি না দেখে? ঐ পোষ্টটা কি থার্ড পার্সনের রিভিউ ছিলো?
গুলি সব কানের পাশ দিয়ে গেলো কেনো? দেখেন দু'একটা বুকে লাগে কিনা!ঃ
প্রথম প্যারার মূলকথাঃ বাংলাদেশে যারা নিজ নিজ সেক্টরে ক্ষমতায় থাকেন তাদেরকে কোনো কাজের জন্য জবাবদিহিতা করতে হয় না! সেটা রাজনৈতিক সেক্টরই হোক অথবা সাংস্কৃতিক সেক্টরই হোক, প্রায় সব সেক্টরেই এই একই অবস্থা।
দ্বিতীয় প্যারাঃ আমরা আমাদের সেইসব ক্ষমতাবান ব্যাক্তিদের করা কুকর্ম ভুলে যাই এবং তা তুলে ধরি না, ফলে তাদের শাস্তিও হয় না।
তৃতীয় প্যারাঃ দেশীয় চলচিত্রের অবন্নয়ন এবং চলচিত্র অঙ্গনে ত্বত্তাবধায়ক সরকারের প্রশংসা।
৪র্থ প্যারাঃ ফারুকীর নাটক নিয়ে সমালোচনা।
৫ম প্যারাঃ স্পার্টাকাস ৭১ নিয়ে ছোটো পরিসরে সমালোচনা।
৬ষ্ঠ প্যারাঃ থার্ড পার্সন নিয়ে কিছু কথা এবং ফারুকী ভাইকে একটু সতর্ক হতে বলা।
বিঃ দ্রঃ অবশ্যই খেয়াল করবেন এই প্যারাটা একটা ছবির রিভিউ হতে পারে না।
৭ম প্যারাঃ পাশ্চাত্যের নোংরা ছবির নোংরা কমেডি এবং আশঙ্কা যে আমাদের দেশীয় ছবিতেও কি সেরকমটা ঘটতে পারে কিনা।
৮ম প্যারাঃ দীর্ঘশ্বাস। যারা মেধাবী তারাও টাকার কাছে নিজের সফলতাকে বিক্রি করে।
এবং পরিশেষে শিরোনামের কথা বলি, শিরোনামটা একটা শতর্ক বাণী মাত্র. .
- - - - - - - - - - - -- - - - - - - - - - -
- - - - - - - - - - - -- - - - - - - - - - -
আপনাকে একটা কথা বলি, আমাকে যদি কেউ খারাপ বলে আমি কিন্তু তা কখনই বিশ্বাস করবো না। কেনোনা, খারাপ বৈশিষ্ট আমার থাকতে পারে তবে আমার এই আত্ববিশ্বাসটা আছে যে আমি টোটালি খারাপ না। সুতরাং ফারুকী যদি মনে করে যে সে খারাপ কিছু করে নি এবং তার যদি সেই আত্ববিশ্বাসটা থাকে তবে কে কি বললো তাতে তার কান না দেয়াই ভালো। তবে আমার মনে হয় তার সেরকম আত্ববিশ্বাসটা নেই এবং তাকে বলে দিবেন যে যদি তিনি খারাপ কিছু করেই থাকেন তবে তিনি হয়তো এর শাস্তি একদিন না একদিন পাবেন।
উপস্থাপনা ব্যাপারটা কি আপনার কাছে পরিস্কার? আপনি কি জানেন যে ভালো উপস্থাপনার মাধ্যমে একটা খারাপ কিছুও ভালোভাবে তুলে ধরা সম্ভব, যা দেখে মানুষ মুগ্ধ হতে পারে। ভালোভাবে উপস্থাপনা করার জন্য সময় দিতে হয়, হুট করেই কোনোরকম চালিয়ে দিলে উপস্থাপনাটা কখনই ভালো হয় না। একই জিনিস ভিন্ন উপস্থাপনার কারনে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করতে পারে।
একটা জোকস বলি আপনাকে, আমি তখন ক্লাস টেন এ। আমি আর আমার বন্ধু রিয়াদ ক্লাসে বসে ছিলাম। হঠাৎ রিয়াদ দাঁত কাচুমাচু করে বললো “মেডামের বাচ্চা আইসক্রিম খাচ্ছে”। আমিতো ওর দিকে তাকি ভাবলাম ও মনে হয় মেডামের উপর রাগ করে কথাটা বললো, এবং বুঝালো যে মেডাম নিজেই আইসক্রিম খাচ্ছে। পরে বাইরে তাকিয়ে দেখি মেডামের ফুটফুটে বাচ্চাটা আইসক্রিম খাচ্ছে। কিছু বুঝতে পারলেন? নাকি গুলি সব কানের পাশ দিয়ে গেলো? ঐসময় রিয়াদ যদি না রেগে সুন্দর করে বলতো ”মেডামের বাচ্চাটা আইসক্রিম খাচ্ছে” তাহলে কিন্তু আমি ভুলেও মনে করতাম না যে মেডামের উপর রাগ করে কথাটা বলা হয়েছে এবং আইসক্রিমটা মেডাম খাচ্ছে। প্রকাশভঙ্গিটা অনেক বেশী গুরুত্বপূর্ন। একই কথা দুইভাবে প্রকাশ করলে দু’রকম অর্থ প্রকাশ পাবে। নাটকে বা ছবিতে ফারুকীর প্রকাশের ইঙ্গিতগুলো খুব খারাপ থাকে অথবা সে কিভাবে উপস্থাপন করতে হয় তাই জানেননা!
যে প্রশ্নের উত্তর আপনি দিতে বাধ্য নন, তবে সৎ সাহস থাকলে উত্তর দিনঃ
আপনার পোষ্টে ’আমি তোমাকে ভালোবাসি‘ এ লাইনটা দিয়ে একটা উদাহরণ দিয়েছেন। কিন্তু আপনি কি উদাহরণ দিলেন ঠিক বুঝতে পারলাম না!! “আমি তোমাকে ভালোবাসি” এই কথাটা দ্বারা কোনো মেয়ের অঙ্গের প্রশংসা করা হয় নাকি? আশ্চর্য!!! আপনি কি বলতে চাচ্ছেন আমি তোমাকে ভালোবাসি লাইনটা আমি তোমার শরীরকে ভালোবাসি বোঝায়? অদ্ভুদ!!
আপনার পোষ্টের পরের প্যারাটা, লিভ টুগ্যেদার নিয়ে ছিলো।
আচ্ছা. . . থার্ড পার্সন ছবিটাতে লিভ টুগেদারের কোনো ছিন দেয়নি, তাইনা? তো দিতো কয়েকটা ছিন!! যাদের ছবিটা ভালো লেগেছে তাদের হয়তো আরও ভালো লাগতো। তপুকে দিয়ে যখন কনডম কেনালো তখন একটা কড়া দৃশ্যও ওকে দিয়ে করাতো। অন্তত তপু সন্তুষ্ট থাকতো। আর আমার মনে হয় এরকম দু-একটা দৃশ্য করতে তিশারও আপত্তি থাকতো না। ইঙ্গিতে তপু তিশাকে কি করতে চেয়েছিলো তাতো স্পষ্টই। দু-একটা কড়া ছিন থাকলে গায়ক তপুর অথবা নায়ক তপুর শরীরে হয়তো আরও একটু সুড়সুড়ি ভর করতো। এখনতো শীতকাল, মাঝে মাঝে দৃশ্যটা মনে করে যদি একটু তাপ পাওয়া যায়!!! হা হা হা. . . তপুর জন্যতো লিভটুগেদারের রগরগে একটা দৃশ্য মেঘ না চাইতেই বৃষ্টির মতো হতো।
৮/৯ বছর আগের একটা নাটকে রগরগে লিভটুগেদারের দৃশ্য দেখেছিলেন, সুতরাং ফারুকীর নাটকে বা ছবিতে লিভ টুগেদার দেখাতে আপত্তি কোথায়? ব্যাপারটা তাইতো? প্রতিদিনতো পত্রিকায় কতো ধর্ষনের খবর আসে, তো ধর্ষন করে ধর্ষক বলবে প্রতিদিনই তো কতো ধর্ষন হয়, তো সমস্যা কি? তাইনা?
কত জায়গায় তো কতকিছুই হয়, কতমানুষ কতো কিছু করে, কিন্তু সবাই ফারুকী হতে পারে না। আর থার্ডপার্সন নিয়ে ওনার অনেক ভক্তরাই ওনার বিপক্ষে গিয়েছেন ।
আপনি আপনার পোষ্টের শেষে প্রশ্ন করেছেন থার্ড পার্সন এর মতো ঘটনা যদি আমার মা বোনের জীবনে হতো তাহলে আমি কি করতাম?
উত্তরঃ আপনি আপনার পোষ্টের একজায়গায় মন্তব্য করেছেন যে আপনার পরিচিতো কয়েকজন নারীভোগে ফিফটি করতে যাইতেছে। সুতরাং বুঝে নিন তিশার মতো মেয়েরা অথবা আমার মা-বোনেরা যখন বিপদে পড়বে তখন আপনার সেই পরিচিতো কয়েকজন তিশার মতো মেয়েকে ভোগ করার আকাঙ্কায় থেকে নারী ভোগে ফিফটি পূরণ করবে। আসেন জোরে একটা হাত তালি দেই. . . ফিফটি. . .
আপনাকে একটা প্রশ্ন করি,
আপনি কি কোনোদিন তুলে ধরেছেন সেইসব মুখ, যারা কিনা ভদ্রবেশী মুখোশ পড়ে নারীকে ভোগ করছে, যারা আপনার পরিচিতো। ঐযে ঐসব পরিচিতো ব্যাক্তিরা! যারা নারীকে অধিকার দেয়ার কথা বলে রাত বারোটার পর বের করে নিয়ে যায় তাদের ফ্লাটে। আর ফায়দা লুটে নারী স্বাধীনতার! তারা ঢাকঢোল পিটিয়ে বলে নারীকে রাত বারোটার পর বের হতে দেয়া হোক, যদি বের হতে না দেয়া হয় তবে নারীকে তার স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত করা হবে। অবুঝ নারীরাও তাদেরকে সমর্থন করে। নারীরা এতই অবুঝ যে তারা ঘুনাক্ষরেও বুঝতে পারে না যে তাকে রাত বারোটার পর ঘর থেকে বের করার স্বাধীনতা কেনো দেয়া হচ্ছে, তাকে বারোটার পর বের করে কোথায় নিয়ে যেতে চায় সেইসব পুরুষ!? আপনার ফিফটি পূরণ করা নারীভোগী পুরুষ!!
আরও একটা প্রশ্ন, যারা ফিফটি পূরণ করতে যাচ্ছে তাদের কি বিবাহিত স্ত্রী আছে? যদি বিবাহিত স্ত্রী থাকে তবে তাদের ছেলে-মেয়ে নিশ্চয়ই আছে। তাদের মেয়েকে অন্যদের হাতে ভোগ করতে দিলে কেমন হয়? নিজের মেয়েকে যখন অন্য কেউ ভোগ করবে তখন যদি তার টনক নড়ে! তখন যদি তার উপলব্ধিটা জাগ্রত হয় যে আমি ৫০ জন মেয়ের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করলাম, আর আমার মেয়েকে এখন ৫০ জন ভোগ করবে!! তার নিশ্চয়ই খারাপ লাগবে। এভাবেই হয়তো তার বোধটাকে জাগ্রত করা যাবে। কিন্তু এই কাজটা মানবিক না হয়ে অমানবিক কাজ হবে। এটা আমরা বুঝি, এটা তারা হয়তো বুঝবেন না! কেনোনা তাদের বোধগুলো হয়তো কাজ করেনা. . .!
তাদেরকে চিনিয়ে দিন যাতে করে আমাদের মা-বোনেরা যখন তিশার মতো পরিস্থিতিতে পড়বে তখন যেনো তাদের কাছে আমাদের মা-বোনদেরকে যেতে না হয়।
আমিতো আমার চেনাজানা কাউকেই দেখাতে পাচ্ছি না যে কিনা ২-৪ জন নারীর সাথে শারিরিক সম্পর্ক করেছে। অথচ আপনার চেনাজানা অনেকেই নারীভোগে ৫০ করতে যাচ্ছে. . আপনার নামটা কি ভাই? আপনি থাকেন কোথায়? আর আপনার পরিচিতো জন কারা? এদের নাম এই ব্লগে পোষ্ট করুন, সবাই জানুক তাদের নাম, এবং তিশাকে তাদের নামের লিষ্টটাও দেয়া হোক, দেয়া হোক সকল নারীকে, দেয়া হোক প্রতিটা ঘরে ঘরে, সবাই চিনুক তাদেরকে। তাদেরকে চেনা উচিৎ. . .
শুরুতেই বলে নেই আপনার নামটা অনেক সুন্দর এবং আমার পোষ্টটা থার্ড পার্সন এর রিভিউ ছিলো না। থার্ড পার্সনের রিভিউ পড়তে চাইলে নিচের লিংকের পোষ্টগুলো পড়েন, ভালো রিভিউ পাবেন। তারা ছবিটা দেখেই রিভিউ দিয়েছিলেন। আর আগ্রহ থাকলে সেখানের মন্তব্যগুলোও পড়তে পারেন।
মুভি রিভিউ: থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার
"থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার" এর মত ছবি সেন্সর থেকে ছাড়া পাইলো কেমন?(১৮+)
এটা আমার পোষ্টের লিংক
এটা আজব ঢাকার পোষ্টের লিংক
আপনার পোষ্টের উত্তরে বলিঃ
এইম? কাউকে এইম করা আমার টার্গেট ছিলো না। আর পিস্তল নিয়ে খেলা করার ইচ্ছে নেই, তাই গুলি নষ্ট হওয়ারও আশংকা কম। আমার লেখাটাই আপনি বুঝতে পারেন নি! আমার লেখার এতোগুলো প্যারা রেখে আপনি থার্ড পার্সনের প্যারাটাকে টার্গেট করলেন কেনো? তাও আবার প্রশ্ন করেছেন যে আমি কি রিভিও ছবিটা দেখে দিয়েছি নাকি না দেখে? ঐ পোষ্টটা কি থার্ড পার্সনের রিভিউ ছিলো?
গুলি সব কানের পাশ দিয়ে গেলো কেনো? দেখেন দু'একটা বুকে লাগে কিনা!ঃ
প্রথম প্যারার মূলকথাঃ বাংলাদেশে যারা নিজ নিজ সেক্টরে ক্ষমতায় থাকেন তাদেরকে কোনো কাজের জন্য জবাবদিহিতা করতে হয় না! সেটা রাজনৈতিক সেক্টরই হোক অথবা সাংস্কৃতিক সেক্টরই হোক, প্রায় সব সেক্টরেই এই একই অবস্থা।
দ্বিতীয় প্যারাঃ আমরা আমাদের সেইসব ক্ষমতাবান ব্যাক্তিদের করা কুকর্ম ভুলে যাই এবং তা তুলে ধরি না, ফলে তাদের শাস্তিও হয় না।
তৃতীয় প্যারাঃ দেশীয় চলচিত্রের অবন্নয়ন এবং চলচিত্র অঙ্গনে ত্বত্তাবধায়ক সরকারের প্রশংসা।
৪র্থ প্যারাঃ ফারুকীর নাটক নিয়ে সমালোচনা।
৫ম প্যারাঃ স্পার্টাকাস ৭১ নিয়ে ছোটো পরিসরে সমালোচনা।
৬ষ্ঠ প্যারাঃ থার্ড পার্সন নিয়ে কিছু কথা এবং ফারুকী ভাইকে একটু সতর্ক হতে বলা।
বিঃ দ্রঃ অবশ্যই খেয়াল করবেন এই প্যারাটা একটা ছবির রিভিউ হতে পারে না।
৭ম প্যারাঃ পাশ্চাত্যের নোংরা ছবির নোংরা কমেডি এবং আশঙ্কা যে আমাদের দেশীয় ছবিতেও কি সেরকমটা ঘটতে পারে কিনা।
৮ম প্যারাঃ দীর্ঘশ্বাস। যারা মেধাবী তারাও টাকার কাছে নিজের সফলতাকে বিক্রি করে।
এবং পরিশেষে শিরোনামের কথা বলি, শিরোনামটা একটা শতর্ক বাণী মাত্র. .
- - - - - - - - - - - -- - - - - - - - - - -
- - - - - - - - - - - -- - - - - - - - - - -
আপনাকে একটা কথা বলি, আমাকে যদি কেউ খারাপ বলে আমি কিন্তু তা কখনই বিশ্বাস করবো না। কেনোনা, খারাপ বৈশিষ্ট আমার থাকতে পারে তবে আমার এই আত্ববিশ্বাসটা আছে যে আমি টোটালি খারাপ না। সুতরাং ফারুকী যদি মনে করে যে সে খারাপ কিছু করে নি এবং তার যদি সেই আত্ববিশ্বাসটা থাকে তবে কে কি বললো তাতে তার কান না দেয়াই ভালো। তবে আমার মনে হয় তার সেরকম আত্ববিশ্বাসটা নেই এবং তাকে বলে দিবেন যে যদি তিনি খারাপ কিছু করেই থাকেন তবে তিনি হয়তো এর শাস্তি একদিন না একদিন পাবেন।
উপস্থাপনা ব্যাপারটা কি আপনার কাছে পরিস্কার? আপনি কি জানেন যে ভালো উপস্থাপনার মাধ্যমে একটা খারাপ কিছুও ভালোভাবে তুলে ধরা সম্ভব, যা দেখে মানুষ মুগ্ধ হতে পারে। ভালোভাবে উপস্থাপনা করার জন্য সময় দিতে হয়, হুট করেই কোনোরকম চালিয়ে দিলে উপস্থাপনাটা কখনই ভালো হয় না। একই জিনিস ভিন্ন উপস্থাপনার কারনে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করতে পারে।
একটা জোকস বলি আপনাকে, আমি তখন ক্লাস টেন এ। আমি আর আমার বন্ধু রিয়াদ ক্লাসে বসে ছিলাম। হঠাৎ রিয়াদ দাঁত কাচুমাচু করে বললো “মেডামের বাচ্চা আইসক্রিম খাচ্ছে”। আমিতো ওর দিকে তাকি ভাবলাম ও মনে হয় মেডামের উপর রাগ করে কথাটা বললো, এবং বুঝালো যে মেডাম নিজেই আইসক্রিম খাচ্ছে। পরে বাইরে তাকিয়ে দেখি মেডামের ফুটফুটে বাচ্চাটা আইসক্রিম খাচ্ছে। কিছু বুঝতে পারলেন? নাকি গুলি সব কানের পাশ দিয়ে গেলো? ঐসময় রিয়াদ যদি না রেগে সুন্দর করে বলতো ”মেডামের বাচ্চাটা আইসক্রিম খাচ্ছে” তাহলে কিন্তু আমি ভুলেও মনে করতাম না যে মেডামের উপর রাগ করে কথাটা বলা হয়েছে এবং আইসক্রিমটা মেডাম খাচ্ছে। প্রকাশভঙ্গিটা অনেক বেশী গুরুত্বপূর্ন। একই কথা দুইভাবে প্রকাশ করলে দু’রকম অর্থ প্রকাশ পাবে। নাটকে বা ছবিতে ফারুকীর প্রকাশের ইঙ্গিতগুলো খুব খারাপ থাকে অথবা সে কিভাবে উপস্থাপন করতে হয় তাই জানেননা!
যে প্রশ্নের উত্তর আপনি দিতে বাধ্য নন, তবে সৎ সাহস থাকলে উত্তর দিনঃ
আপনার পোষ্টে ’আমি তোমাকে ভালোবাসি‘ এ লাইনটা দিয়ে একটা উদাহরণ দিয়েছেন। কিন্তু আপনি কি উদাহরণ দিলেন ঠিক বুঝতে পারলাম না!! “আমি তোমাকে ভালোবাসি” এই কথাটা দ্বারা কোনো মেয়ের অঙ্গের প্রশংসা করা হয় নাকি? আশ্চর্য!!! আপনি কি বলতে চাচ্ছেন আমি তোমাকে ভালোবাসি লাইনটা আমি তোমার শরীরকে ভালোবাসি বোঝায়? অদ্ভুদ!!
আপনার পোষ্টের পরের প্যারাটা, লিভ টুগ্যেদার নিয়ে ছিলো।
আচ্ছা. . . থার্ড পার্সন ছবিটাতে লিভ টুগেদারের কোনো ছিন দেয়নি, তাইনা? তো দিতো কয়েকটা ছিন!! যাদের ছবিটা ভালো লেগেছে তাদের হয়তো আরও ভালো লাগতো। তপুকে দিয়ে যখন কনডম কেনালো তখন একটা কড়া দৃশ্যও ওকে দিয়ে করাতো। অন্তত তপু সন্তুষ্ট থাকতো। আর আমার মনে হয় এরকম দু-একটা দৃশ্য করতে তিশারও আপত্তি থাকতো না। ইঙ্গিতে তপু তিশাকে কি করতে চেয়েছিলো তাতো স্পষ্টই। দু-একটা কড়া ছিন থাকলে গায়ক তপুর অথবা নায়ক তপুর শরীরে হয়তো আরও একটু সুড়সুড়ি ভর করতো। এখনতো শীতকাল, মাঝে মাঝে দৃশ্যটা মনে করে যদি একটু তাপ পাওয়া যায়!!! হা হা হা. . . তপুর জন্যতো লিভটুগেদারের রগরগে একটা দৃশ্য মেঘ না চাইতেই বৃষ্টির মতো হতো।
৮/৯ বছর আগের একটা নাটকে রগরগে লিভটুগেদারের দৃশ্য দেখেছিলেন, সুতরাং ফারুকীর নাটকে বা ছবিতে লিভ টুগেদার দেখাতে আপত্তি কোথায়? ব্যাপারটা তাইতো? প্রতিদিনতো পত্রিকায় কতো ধর্ষনের খবর আসে, তো ধর্ষন করে ধর্ষক বলবে প্রতিদিনই তো কতো ধর্ষন হয়, তো সমস্যা কি? তাইনা?
কত জায়গায় তো কতকিছুই হয়, কতমানুষ কতো কিছু করে, কিন্তু সবাই ফারুকী হতে পারে না। আর থার্ডপার্সন নিয়ে ওনার অনেক ভক্তরাই ওনার বিপক্ষে গিয়েছেন ।
আপনি আপনার পোষ্টের শেষে প্রশ্ন করেছেন থার্ড পার্সন এর মতো ঘটনা যদি আমার মা বোনের জীবনে হতো তাহলে আমি কি করতাম?
উত্তরঃ আপনি আপনার পোষ্টের একজায়গায় মন্তব্য করেছেন যে আপনার পরিচিতো কয়েকজন নারীভোগে ফিফটি করতে যাইতেছে। সুতরাং বুঝে নিন তিশার মতো মেয়েরা অথবা আমার মা-বোনেরা যখন বিপদে পড়বে তখন আপনার সেই পরিচিতো কয়েকজন তিশার মতো মেয়েকে ভোগ করার আকাঙ্কায় থেকে নারী ভোগে ফিফটি পূরণ করবে। আসেন জোরে একটা হাত তালি দেই. . . ফিফটি. . .
আপনাকে একটা প্রশ্ন করি,
আপনি কি কোনোদিন তুলে ধরেছেন সেইসব মুখ, যারা কিনা ভদ্রবেশী মুখোশ পড়ে নারীকে ভোগ করছে, যারা আপনার পরিচিতো। ঐযে ঐসব পরিচিতো ব্যাক্তিরা! যারা নারীকে অধিকার দেয়ার কথা বলে রাত বারোটার পর বের করে নিয়ে যায় তাদের ফ্লাটে। আর ফায়দা লুটে নারী স্বাধীনতার! তারা ঢাকঢোল পিটিয়ে বলে নারীকে রাত বারোটার পর বের হতে দেয়া হোক, যদি বের হতে না দেয়া হয় তবে নারীকে তার স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত করা হবে। অবুঝ নারীরাও তাদেরকে সমর্থন করে। নারীরা এতই অবুঝ যে তারা ঘুনাক্ষরেও বুঝতে পারে না যে তাকে রাত বারোটার পর ঘর থেকে বের করার স্বাধীনতা কেনো দেয়া হচ্ছে, তাকে বারোটার পর বের করে কোথায় নিয়ে যেতে চায় সেইসব পুরুষ!? আপনার ফিফটি পূরণ করা নারীভোগী পুরুষ!!
আরও একটা প্রশ্ন, যারা ফিফটি পূরণ করতে যাচ্ছে তাদের কি বিবাহিত স্ত্রী আছে? যদি বিবাহিত স্ত্রী থাকে তবে তাদের ছেলে-মেয়ে নিশ্চয়ই আছে। তাদের মেয়েকে অন্যদের হাতে ভোগ করতে দিলে কেমন হয়? নিজের মেয়েকে যখন অন্য কেউ ভোগ করবে তখন যদি তার টনক নড়ে! তখন যদি তার উপলব্ধিটা জাগ্রত হয় যে আমি ৫০ জন মেয়ের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করলাম, আর আমার মেয়েকে এখন ৫০ জন ভোগ করবে!! তার নিশ্চয়ই খারাপ লাগবে। এভাবেই হয়তো তার বোধটাকে জাগ্রত করা যাবে। কিন্তু এই কাজটা মানবিক না হয়ে অমানবিক কাজ হবে। এটা আমরা বুঝি, এটা তারা হয়তো বুঝবেন না! কেনোনা তাদের বোধগুলো হয়তো কাজ করেনা. . .!
তাদেরকে চিনিয়ে দিন যাতে করে আমাদের মা-বোনেরা যখন তিশার মতো পরিস্থিতিতে পড়বে তখন যেনো তাদের কাছে আমাদের মা-বোনদেরকে যেতে না হয়।
আমিতো আমার চেনাজানা কাউকেই দেখাতে পাচ্ছি না যে কিনা ২-৪ জন নারীর সাথে শারিরিক সম্পর্ক করেছে। অথচ আপনার চেনাজানা অনেকেই নারীভোগে ৫০ করতে যাচ্ছে. . আপনার নামটা কি ভাই? আপনি থাকেন কোথায়? আর আপনার পরিচিতো জন কারা? এদের নাম এই ব্লগে পোষ্ট করুন, সবাই জানুক তাদের নাম, এবং তিশাকে তাদের নামের লিষ্টটাও দেয়া হোক, দেয়া হোক সকল নারীকে, দেয়া হোক প্রতিটা ঘরে ঘরে, সবাই চিনুক তাদেরকে। তাদেরকে চেনা উচিৎ. . .
লেখক সুমন অহেমদ
- সুমন অহেমদ -এর ব্লগ
- ৩২ টি মন্তব্য
- ২২ জানুয়ারি ২০১০, ০৪:২৭
- বিবিধ
প্রিন্ট করুন
- ৩২ টি মন্তব্য
-
দখিনো হাওয়া২২ জানুয়ারি ২০১০, ০৫:২৭
পোস্টের বিষয় বস্তু জটিল। পড়ে মজা পাচ্ছি(সামুর বড় জি্হবা ইমো টা হবে)।
হুমম--একজনমুভি বানিয়ে বড়লোক হয়ে গেল, আর ম্যাংগো পিপল পোস্ট নির্বাচিত করে ইট ছুড়াছুড়ি করে। আপনাদের নির্বাচিত পোস্ট দ্বয় আরো ৫০ জনকে মিনিম্যাম ছবিটি দেখতে উৎসাহিত করেছে, আমিও একজন। বুঝতে পারলাম ''সমালোচনার আরেক নামও জনপ্রিয়তা'' -
ফারুক২২ জানুয়ারি ২০১০, ০৫:৪৩
যাক আপনাদের প্রচার ভালই হচ্ছে ---
আমি দেখেছিলাম আমার কাছে খারাপ লাগে নাই । -
কোহিন২২ জানুয়ারি ২০১০, ০৬:৫৩
আমাদের ব্লগে ফারুকি নাই বটে তাহাতে দুঃখ তেমন নাই।
আমাদের ফারুকি নাই তবে ''ফারুক'' রহিয়াছে।
আসসালামু আলাইকুম,
শ্রদ্ধেয় ফারুক ভাই, একটু মজা করিলাম।
কিছু মনে করিবেন না।
ভ্রাতা সুমন আহমেদ,
আমি ফিল্মখানা দেখি নাই। সেই কারণে কোনো মন্তব্য করিতেছি না।
সকলে ছহি-ছালামতে থাকুন। -
আ,শ,ম,এরশাদ২২ জানুয়ারি ২০১০, ০৭:১৭

বিনোদন শিল্পের সব কিছুকে সামাজিক দায়বদ্ধতার বিষয় বন্দী করা যায় না---
হ্যাঁ তাই বলে তাহারা বেপরোয়া হবেন তাও নয় --- কারন বিনোদন শিল্প একটা জাতির প্রজন্মের মানস তৈরীতে উল্লেখ যোগ্য ভুমিকা রাখে---
এখন এই বিষয় গুলো নিয়ে সমাজ বিজ্ঞানীরা কিছু ভাবছে কিনা তাহা বোধগম্য নয়---
তবে দেশের নীতি মালা যদি এই হয় যে মুক্ত বাজার অর্থনীতির যুগে বেচে নাও তুমি কি খাবে --- তুমি চাইলে ভাল ও হইতে পার--- চাইলে স্বাধীন ভাবে চলতে পার---
এখন ফারুকী সাহেব এমন সময় এসেছেন ,এমন ভাবে এসেছেন যখন এই শিল্পের
স্থবির অবস্তা বিরাজমান ছিল এবং বিনোদন শিল্পটা টাইপড হয়ে এসেছিল--গতবাঁধা মুখস্ত ডায়লগ আউড়ানো সুশীল সুশীল একটা ইমেজ নিয়ে। যেটাকে গতির যুগে স্লোই মনে হত।
সেখানে ফারুকী যখন আনিসুল হকের হাত ধরে নানা বৈচিত্রে এই মঞ্চে আসলেন তখন প্রজন্মের হাহাকার গুলো তুমুল করতালি দিয়ে তাকে বরন করে।
এখন এই বেলায় তার সৃষ্টি কৌশল কতটা ইফেক্টিভ তাহা অল্প কথায় বিচার্য্য বিষয় নয়। এখন বিচার্য্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে ব্যাপক দর্শক শ্রেনী এটা গ্রহন করছে কিনা বা করে ফেলেছে কিনা।
এই স্বল্প পরিসের এই ব্যাপারে ব্যাপক আলোচনা বা ব্যখ্যার পুর্নাঙ্গতা দেয়া সম্ভব হয়ে উঠতেছেনা । তবে আমার কাছে মুল্যবোধ জিনিসটা স্থায়ী কোন জিনিস নয় বলিয়া মনে হয়।
তবে ব্লগে এটা নিয়ে অনেক হয়ে গেছে বলে বোধ করি এং এটার সঠিক সিদ্ধান্ত আরো ১০০ পোষ্ট আসলেও আসবে না বলে মনে হয়।
ধন্যবাদ আপনাকে। -
আ,শ,ম,এরশাদ২২ জানুয়ারি ২০১০, ০৮:২০
তো এবার আসা যাক ছোট খাট একটা টিপসে --- লিখার এমন নব্য হাল মানে ফিল কালারের তরিকাটা কোথায় পেলেন কানে কানে বললে ও সমস্যা নেই--
-
হাফিজ২২ জানুয়ারি ২০১০, ১১:০০
আজব ঢাকা লগইন থাকা অবস্থায় পোস্ট টি দিলে ভাল হত ,
আপনি আজব ঢাকার পোস্টে এই পোস্টের লিঙ্ক দিয়েছেন দেখে ভাল লাগল , আশা করি আজব ঢাকা আপনার প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর দিবেন , ধন্যবাদ -
সাইদুর রহমান চৌধুরী২৩ জানুয়ারি ২০১০, ১২:৫৭
হুমম
সামান্য একটা ছবিই তো, মানুষের জীবন তো না।
তার জন্য এত বাদ-প্রতিবাদ আমার কাছে হাস্যকর লেগেছে।






নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক