আমার এ ঘর ভাঙ্গিয়াছে যেবা, আমি বাধি তার ঘর, আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই যে মোরে করেছে পর।

মার্চ
১৫

আজকের হঠাৎ আড্ডার স্থান পরিবর্তন ঃ সাময়িক পোস্ট

সময় ১৭:৩২:২৯

ক্যানডেল নাইট চাইনিজ রেষ্টুরেন্ট বিশেষ কারনবশতঃ বন্ধ থাকায় আমাদের আড্ডার স্থান পরিবর্তন করতে হচ্ছে। ঠিক তার পাশেই আমরা বসব।

সবার সুবিদার্থে ঠিকানা দিলাম ঃ

চিয়ার্স রেষ্টুরেন্ট

হাইজ # 30/A
রোড # 27 (পুরাতন)
ধানমন্ডি , ঢাকা ১২০৯

ফোন ঃ ৮১৫১৩১৬
মোবঃ ০১৭১২৫৬৬৬৩৮

আমি এবং জিয়া ভাই সঙ্গে মুরুব্বী সেখানে থাকবো সন্ধ্যা ৭ টার পর থেকে।
কোন প্রয়োজনে আমার নাম্বারে ০১৯১৪৮৭৪৭০১ ফোন দেবার জন্য অনুরোধ করছি।

শুভেচ্ছা ...

  • ১৮টি মন্তব্য

মার্চ
১৪

ভুলে যাও সব !

সময় ২৩:৫০:১১



একদিন হঠাৎ করেই
অচেনা গলায় বললে তুমি
কাল থেকে আমাদের আর দেখা হবে না
কথা হবে না
কোন দিন না ।

আমি হতবাক
কেন কি হয়েছে?
বিষন্ন পাথর মুর্তি যেন তুমি
নিশ্চুপ বাকহীন
প্রগাঢ় ভালবাসায় ব্যাথাতুর কপিঞ্জল;

আমাদের যুগল স্বপ্ন
ঐন্দ্রালিক প্রেম
প্রজাপতি ভালবাসা
মোহন প্রতিজ্ঞা
অগুনতি মায়া ভরা দিন
সব পেছনে ফেলে
চলে গেলে ।

বলে গেলে
ভুলে যাও সব ...

  • ৩৫টি মন্তব্য

জানুয়ারি
০১

ব্লগের বর্তমান অবস্থা এবং আমার প্রতিক্রিয়া

সময় ০৬:০০:০০

আমরা যারা নিয়মিত ব্লগিং করি তাদের কাছে গত কয়েকটা দিন কিছুটা বিক্ষিপ্ত যাচ্ছে। এর পেছনে কারন আছে । এতোক্ষনে সেটা সবাই জানেন। এ বিষয়ে অনেক পোস্ট আসছে। অনেক নিক থেকে। কেউবা নিজেদের ব্যান দাবী করছেন। কেউবা আনব্যান চাইছেন। আর রকমারী বাহারী নিকের দেখা পাওয়া যাচ্ছে অহরহ। কেমন গুমোট একটা পরিস্থিতি ।

এ পর্যন্ত যা হয়েছে তাতে অনেকে কষ্ট পেয়েছেন। অনেক ব্লগার মনোবেদনায় ভুগছেন। তার আবার ভিন্ন ভিন্ন কারন। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ঠিক সহজ স্বভাবিক নয় এটা স্পস্ট বোঝা যাচ্ছে। অনেক পোস্ট এসেছে এ বিষয়টির সুরাহা হয়ে যেন ব্লগ সহজ সুন্দর স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে এ কামনা করে।

আমি নিজেও মোটামুটি কিছু ব্যাপার জানি। যদিও শুরু হয়েছে যে রক্তিম এর পোস্ট থেকে সেই পোস্ট দেখিনি। কিন্তু পরে পারিজাত মৌ এর পোস্টে আমি রক্তিম এর পোস্ট এর কিছু অংশ পড়েছি। পরের দিন মানে গতকাল মাহমুদ ভাইয়ের পোস্ট দেখিনি কিন্তু পরে জানলাম সেই সুত্র ধরে মন্তব্য পালটা মন্তব্যের পরে লুবনা আপা, মাহমুদ ভাই, হাফিজ সহ আরো কয়েক জন ব্লগারকে ব্যান করা হয়েছে।

এই পুরো ব্যাপারটি আমাদের সবার জন্য কষ্টের।
যা হয়েছে, সেটা পিকনিক ...

  • ৪৭টি মন্তব্য

মার্চ
১২

মায়াবতী ঘুড়ি

সময় ০১:২৬:৫০

নাগরিক ব্যাস্ততার মাঝে
আজকে হুট করেই
ধুলো মলিন আকাশে দেখেছি রঙ্গীন ঘুড়ি,
পতপত উড়ছিল দু রঙের কাগজে বানানো ঘুড়িটি;

কাঁচা হাতে বানানো,
ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য
ছোট একটি লেজ যোগ করা হয়েছে;
দামাল বাতাসে সেই লেজের কি রঙ ঢং
একবার সে বায়ে যায়
আবার ফিরে আসে ডানে;

বেহিসেবী অনেক সুতো ছেড়ে দিয়ে
তাকে অনেক দূরে যাবার স্বাধীনতা দেয়া হয়েছিল হয়তো
তাইত সে উড়ে উড়ে সরে যাচ্ছিল অনেক দুরের দিগন্তে,

পীচঢালা পথ কিছুটা সাবধানে হেটে পার হয়ে হঠাৎ
আকাশে চোখ গেলে
খুব অবাক হয়ে দেখি সেই ঘুড়িটি আর সুতোই বাধা নেই;

ছিড়ে গেছে বন্ধন
ধীরে ধীরে
যেনোবা কোন অভিমানেই
উড়ে উড়ে
কোন সুদুরে যেন চলে যাচ্ছে
এবং
এক সময় শুন্যে মিলিয়ে গেলো
আমার দেখা সেই মায়াবতী ঘুড়িটি ...

  • ৪৯টি মন্তব্য

মার্চ
০৮

আমার ডর করে

সময় ১৮:০৪:৫০

কিতা অইসে তুমার ?
এমুন কইরা কি দেহ?
আগে দেহ নাই?
মনে অইতাসে পরত্থম দেকতাসো ।

কি যে দেহি
কত যে দেখবার মনে লয়
তুই কি বুজবি?
আমার আসমান জুইড়া একটা বিরাট চাঁন উঠসে
আমি হেই চাঁন দেহি
খালি দেখবার মনে চায় ।

তুমার খালি পাগলা কতা
দেহনের কি আছে
আমি কি হুরপরী?

তুই হুরপরীর চেয়ে আরও বেশি সুন্দর রে
কত সুন্দর তুই জানস না
আমি জানি
হের লাইগাতো খালি দুই চোখ মেইল্লা দেহি আর দেহি
আমার পরানডা ভইরা যায়
বুকের মইধ্যে কেমুন জানি আউলা লাগে
মনে লয় তরে লইয়া ভাইসা যাই চান্দের দেশে ।

তুমি পাগলা হইসো
পিডা খাইবা ?
মায়ে পিডা বানাইসে, পিডা খাও
বালা লাগব ।

আমি তরে খামু
তরে খাইবার মনে লয় ।

দুরো
কি কও পাগলের লাহান?
আমি কি খাওনের জিনিশ?
আমি কি পিডা?

তুই কি
তরে আমি কিমুন বালা পাই
তুই বুজস না?
আমার মনে লয়
হারা দিন তর লগে বইসা থাকি
তর গতরের সুবাস লই
তর সইলের গামে আমার শরীলডা ভিজাই ।

হুনো
মেলা রাইত অইসে
আমি যাইগা ।

না, যাইস না
থাক তুই
আমি একটা চাঁন লইয়া রাইত কাটাইতে চাই।

না আমি যামুগা
তুমার চক্ষের দিকে চাইবার ...

  • ৬২টি মন্তব্য

মার্চ
০৭

হারানো বিজ্ঞপ্তি

সময় ২২:০৯:০৭



এই এক জীবনে
কত কিছু যে হারিয়েছি
তার ইয়ত্তা নেই ।

সেই ছোটবেলায়
প্রিয় খেলনা হারিয়ে কত কেঁদেছি;
রঙ পেন্সিল
বই
ড্রয়িং খাতা হারিয়েছি অনেকবার ।

বাস এর টিকেট হারিয়েছে
টাকা হারিয়েছি
রাস্তা হারিয়ে পথে পথে ঘুরেছি
হারিয়েছি যত্ন করে পুষে রাখা
আমার একলা ময়না ।

বড় হয়েছি
দিনে দিনে হারিয়ে গেছে
শৈশবের শূদ্ধতা
দৈনিক দীনতা গ্রাস করেছে আমায়
প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছি আমি আমার কাছে ।

দুপায়ে মাড়িয়ে গেছি
ভোরের দুর্বা ঘাস
অবলীলায় ছিড়ে নিয়েছি
ফোটে থাকা লাল গোলাপ
হারিয়ে ফেলেছিলাম আমার আমিকেও ।

সব হারানোর যে ব্যাথা
তা অনুভব করিনি কখনো
হারিয়েছি
আবার ভুলেও গেছি ।


# ছবিটি প্রিয় বন্ধু জিয়া ভাইয়ের পোস্ট থেকে নেয়া । কবিতাটি আমার আগের পোস্ট থেকে নেয়া। শুভ ব্লগিং । ভালো থাকুন ...

  • ৫৩টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
২৬

ইদানীং আমি

সময় ২১:০৮:২৯



ইদানীং মাত্রা আর অক্ষরবৃত্ত খুব অচেনা হয়ে গেছে
ভুলে গেছি বাক্যবিন্যাস;
রুপক আর উপমার খেলা
শব্দে শব্দে বাক্যের ঠাস বুনন
ঠিক যুতসই ছন্দে দোলা দেয়না মনে।

খুজিনা অন্তমিল,
মনের গহীনে উকিঁ দেইনা
ভাবিনা ভাবনার কারুকাজ নিয়ে;
জলরঙ্গে আকাঁ হয়না
মনের সুপ্ত বাসনার ছবি,
বেহাগের সুরে বাজে না
না পাওয়ার
অতৃপ্তির ব্যাথাতুর কোন সুর।

উড়ে যাওয়া হলুদ পাখী
ফুটে থাকা নীল বুনো ফুল
টুপটাপ খসে পরা তারা
বসন্তের বাউল বাতাস
আমাকে কেউ ডাকেনা।

নাগরিক জীবনের কোলাহলে
হারিয়ে গেছে ভাবনার কলাপাতা রঙ
আমি শুধুই ব্যাস্ত হয়ে পরি
আটপৌরে নাগরিক জীবনের খেয়ালী ...

  • ৭১টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
২৪

আহ ! বৃস্টি !!

সময় ২২:৪০:১০



আমি বিদেশে যে ব্যাপারটি খুব বেশী মিস করতাম তা হল বৃস্টি। আর আমি ছিলাম এমন এক দেশে যেখানে বৃস্টির নাম গন্ধ ছিলোনা। তাই এই বৃস্টি নিয়ে আফসোসের শেষ ছিলোনা। আহা কবে দেখবো বৃস্টি, কবে ভিজবো। সবসময় এমন মনে হত। তবে সেখানেও বৃস্টি হয়েছে ; সে বৃস্টিকে বড় বেশী ম্রিয়মান মনে হয়েছে । আমাদের দেশের বৃস্টির সঙ্গে কোন মিল নেই। খুব বেশী দৈন্য মনে হত । কোন প্রান বা রোমান্টিসিজম ছিলনা সেই বৃস্টিতে।

আর তাই বুঝি দেশে আসার কদিনের মধ্যেই আজকে আমার জন্য বৈশাখের অনেক আগেই শিলা আর ঝড়ো বাতাস সঙ্গে নিয়ে আঝোর বৃস্টি নেমে এলো। আমিও ভিজলাম। হুড ফেলে দেয়া রিকশায় প্রান ভরে মেখে নিলাম অনেকদিনের না দেখা না পাওয়া বৃস্টিকে।

ব্লগার সারোয়ার ভাই এর অফিসে গিয়েছিলাম বিকালে। উদ্যেশ্য ছিলো চড়ুইভাতির ছবি দেয়া এবং কিছু নিয়ে আসা। ফোন পেয়ে বাইরে এসে দেখি আকাশ কিছুটা মেঘে ঢাকা। আমি কিছুটা অবাক। এই প্রথম ধুলাবালি মাখা বাতাস কে অত খারাপ লাগেনি। আকাশের মেঘ দেখে আমি পুলকিত হয়েছি। শিলা সহ বৃস্টিতে ভিজতে পেরে আমি ব্যাপক খুশী।

অনেকদিন পর ভিজে চুপ সে বাসায় ফিরেছি। আহা কি আনন্দ।
এসব ...

  • ৪০টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
২৩

পাহাড়পুর চড়ুইভাতি

সময় ০০:১৪:১৯



ঠিক ৬টায় এলার্ম দেয়া ছিলো।
ঘুম ভাঙ্গার সঙ্গে সঙ্গে ৬টা ১ মিনিটে বগুড়া থেকে আজাদ ভাই (মুরুব্বী) ফোন দিলেন। ধরার আগেই লাইন কেটে গেলো । বাইরে তাকিয়ে দেখি অন্ধকার। একটু ধীরে ধীরে বাচ্চাদের ঘুম ভাঙ্গিয়ে রেডী হতে শুরু করলাম।

একটু পরে আজাদ ভাই ফোনে জানালেন, নীলদা ঘুম ভেঙ্গেছে?
আমি বললাম জ্বী।
উনি হাসতে হাসতে বললেন আমি এই পর্যন্ত ১৮ জন কে ঘুম থেকে উঠিয়ে বাথরুমে পাঠিয়েছি।
আমি হাসলাম।

জিয়া ভাইয়ের ফোনে পেয়ে বুঝলাম ড্রাইভার গাড়ী নিয়ে অপেক্ষা করছে। তাই দেরী না করে সোজা ব্যাগ নিয়ে বাইরে বের হলাম। হাল্কা কনকনে শীতের বাতাসে বাস স্ট্যান্ডে পৌছে গাড়িতে ১০ মিনিটেই কল্যানপুর। যেখান থেকে আমাদের রওয়ানা দেবার কথা।
গাড়ি থেকে নামার সময় ব্লগারদের এক অংশকে দেখলাম দাঁড়িয়ে খোশ গল্পে মত্ত।

আমি কিছুটা উত্তেজিত। সবাইকে দেখবো।
নেমে সামনে যেতেই পরিচয় পর্ব । জিয়া ভাই সহ এগিয়ে গেলাম। একে একে শামিম রহমান, কারিম ভাই, ই মন, বই পাগল, নীরব পথিক, ধ্রুবো, নিষাদ, রাফেল, ছায়াবাজি, সৈকত, সারোয়ার ভাই সহ সকলের সংগে কুশল বিনিময়, কোলাকুলি পর্ব সারলাম। আমার সঙ্গে ...

  • ৭৯টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
১৬

ফিরে আসার পর আমার স্বদেশ

সময় ০০:১৯:২৯

শীতের শেষ সময়টায় প্রকৃতি কিছুটা মলিন
গাছগুলোতে পাতা নেই
পাতাশুন্য কেমন অসহায় হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে
মনে হয় বিষন্নতা ঘিরে আছে,

শহুরে ধুলাবালুতে মাখামাখি চারিদিক
নোংরা
অন্ধকার
নাগরিক জীবন যেন বিপন্ন ভীষন
অনেক মানুষের ভীড়
রাজপথে হাঁটা দুস্কর
কিছুক্ষন তাকিয়ে থাকলেও ক্লান্তি লাগে,

এতো মানুষ চারিদিকে
সবাই ছুটছে
কি ভাবছে
কি আছে মনে
বোঝার উয়ায় নেই
শুধু আচমকা মনে হল
এই কোলাহল
জন অরণ্যে কি করে পুর্ণ শুদ্ধ হয়ে থাকা
কেমন করে মনের শুদ্ধতা বজায় রেখে
ভাবনার স্ফটিক জলে স্নান করা যায়?
অনেক ভাবনায় নিজের কাছে নিজেকে অচেনা মনে হয়
কিছুটা যেন অপরিচিত লাগে নিজেকেই।

এই নগরে
মাত্র কিছুদিনের অনুপস্থিতে নিজেকে কেমন বেমানান লাগে
অনাহুত মনে হয় ।

সবকিছু ছাপিয়ে
প্রিয় মুখগুলো যখন দেখি
তাদের হাসির অনুরনে অনুভব করি
এই ঘনবসতিপুর্ন নগরী আমার প্রিয় শহর ।


# সেই কবে শেষ কবিতা লিখেছি মনে নেই।
কিছু না লিখে শান্তি পাচ্ছিলাম না। অথচ মনেও কিছু আসছে না।
দেশে ফেরার আনন্দ, সবার সঙ্গে দেখা সাক্ষাত সব মিলিয়ে খুব ভালো কাটছে দিনগুলো। ...

  • ৬৯টি মন্তব্য

প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা ১২১৫