মানুষ মরে গেলে পঁচে যায়, বেঁচে থাকলে বদলায় করণে অকারণে বদলায়।

মার্চ
০৯

কলাপুরী রাত..শেষে নতুন প্রভাত

সময় ১০:০৯:৫১

এভাবে ক্ষয়ে ক্ষয়ে বেঁচে থেকে ক্লান্ত এই প্রান!!
প্রতি দিনের মুদি বাজার আর সুপার শপের লম্বা লিষ্ট
এক ঘেয়ে করে দেয় পথের দু-ধার।
ওয়াসা নিরুপায় বলে, জমিয়ে রাখি পানি, নিত্য রুটিন এক,
বিদ্যুত থাকবেনা জেনে, জমিয়ে রাখি ইলেকট্রন কত
ব্যস্ততায় কেবল খরচ হয়ে যায় ভালোবাসা যত।
একদিন ভালোবাসাহীন কি ভীষন কাঙাল এই মন...

দিন শেষে গভীরতা নিয়ে আসে, কলাপুরী রাত
এলোচুলে বিলি কাটে তোমার নির্ভরতার হাত...
জমে উঠে ভালোবাসা, তানপুরায় উঠে জীবনের তান..

একটি প্রভাত.. সম্মুখে তোমার প্রসারিত হাত
প্রতিদিন নতুন করে জানায়, এইতো জীবন!!!
প্রার্থনায় অবনত হয়ে আমিও মানি, হ্যাঁ এই জীবন
সে কেবল তোমারই ...

  • ৪৮টি মন্তব্য

মার্চ
০৮

আন্তর্জাতিক নারী দিবস

সময় ১০:২৫:২৩

আজ বিশ্ব নারী দিবস। আমি জানি আমার এই কথার সাথে সাথেই কেউ কেউ হেসে উঠবেন। নারী দিবস!!! হা হা হা নরীর আবার বিশেষ দিবস লাগবে কেন? কৈ আমাদের পুরুষদের তো কনো দিবস নেই। ভাই আপনারা যারা এই কথা বলবেন তাদের কাছে আগেই বলে নেই আপনারা প্রয়োজন মনে করলে একটি দিবস গঠন করুন। আমি নিজে সেই দিবসে আপনার পাশে দাড়িয়ে আপনার অধিকারের জন্য লড়াই করবো।
হ্যা প্রয়োজন মনে করলেই একটি দিবসের আবির্ভার ঘটে। যেমন প্রয়োজন ছিলো বলেই একদিন বাঙালি ঝাপিয়ে পরেছিল হানদারের বিরুদ্ধে।
নিপীড়িন, অবহেলা আর বৈশম্য কত দিন সয়ে যাওয়া যায়। দমে থেকে থেকে একদিন বিষ্ফরন ঘটেই।প্রয়োজন হয়ে উঠে নিজের অস্তিত্ব রক্ষার। সেই ১৮৫৭ সালের কথা, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে একটি সুঁই কারখানায় নারী শ্রমিকরা দৈনিক ১২ ঘণ্টা বা তারও বেশি সময় কাজ করেও শিকার হতো নিম্ন-মজুরি এবং মজুরি বৈষম্যের। সেই সাথে অমানুষিক নির্যাতনের। এক সময় এই নিপীড়িত নারীরাই নেমে আসে রাস্তায়। গর্জে উঠে নিজের অধিকার চেয়ে। এখান থেকেই শুরু নারী আন্দোলন।

এই আন্দোলনের পথ ধরেই ১৮৬০ সালে এই নারী শ্রমিকরা নিজস্ব ইউনিয়ন গঠন করেন।

  • ২৫টি মন্তব্য

মার্চ
০৬

""একুশের দুপুরে আমাদের লীনা""

সময় ১১:৩৩:৫৯

আজ দুপুর ১২টায় একুশে টিভিতে দেখুন আমাদের ব্লগার লীনা ফেরদৌসির সাক্ষাতকার..........................

পোগ্রামের নাম ""একুশের ...

  • ২৪টি মন্তব্য

মার্চ
০৪

মাশরাফি বিন মুর্তজা এবং তার দর্জল বৌ

সময় ১৩:০৪:৩১

আমার বাসায় নিচ তলায় থাকে মাশরাফি বিন মুর্তজা। এই বাসায় এসে, যখন জানলাম মাশরাফি আমার নিকট প্রতিবেশী, মেন মেনে বেশ আনন্দিত হয়েছিলাম। যাক দেশের একজন বিখ্যাত লোকের প্রতিবেশি হয়েছি বলে। তবে বিখ্যাত মানেই যে ভদ্রলোক না, মাশরাফির পরিবার আমি আমাদের কাছে প্রমান করে দিলো। বলছি সে কথা।
এই বাসায় আমার পর থেকেই আমরা একটি শব্দ পাই। শব্দটি মনে হয় কোনও ফ্যানের। ফ্যানের বিয়ারিং লুজ থাকলে যেমন শব্দ হয় ঠিক তেমনি শব্দ। মনে হয় হ্যিলিকপটার চলছে। প্রথমে ভাবলাম, ৬তালায় শব্দ হয় ( আমার বাসা ৫তলায়)। বাড়ী-ওয়ালিকে বললাম। তিনি বললেন ৬তলা থেকেও একই কম্লেন এসেছে। বললাম তাহলে ২ ফ্লাট চেক করে দেখেন। তিনি তাই করলো। দেখা গেলো আমাদের কোনও বাসায় শব্দ হয়না। তাহলে ৪ তলা ( মাশরাফির বাসা) চেক করতে হবে। তিনি গেলেন সেখানে। মাশরাফির পরিবার, দরজা সামান্য ফাঁকা করে জানতে চাইলেন কি ব্যাপার। বাড়ীওয়লি সুন্দর করে বললেন আপনাদের কোনও ফ্যানে কি শব্দ হয়? ঠিক ততখানি খারাপ ভাবে মাশরাফির পরিবার বললো না হয়, না। এবং বাড়ীওয়ালিকে মোটামিটি এ্যাভয়েড করে দরজা বন্ধ করে দিলো।
বেচারী মন খারাপ করে বাসায় চলে গেলো। এদিকে গরম ...

  • ৫১টি মন্তব্য

মার্চ
০২

তুমি

সময় ১১:০৭:৪৮

কবিতা

তোমার সুখের চাবি হাতে
বীর দর্পে আমি চলি,
তোমার পথের দিশা হয়ে
তোমার মাঝেই মিশে থাকি।

তোমার আমি স্বপ্ন যানি!
তোমার মনের প্রশান্তি।
তোমার সকাল, সন্ধ্যা আমি
ক্রান্তি কালের বসতি।

আমি তোমার নিশ্বাসে রই
মিশে থাকি বিশ্বাসে।
আড়াল করে দুঃখ যত
বাচিয়ে রাখি প্রশ্বাসে।

তোমার ভুলে, অগ্নি আমি
ভুল আমাকে শুধরাও তুমি।
দিক হারালে, হাতটি ধরে
নতুন আলো দেখাও তুমি।

তোমার আমার এ যে চলা
হোক না আদী অনন্ত,
তুমি আছো, তাইতো হাসি
ভুলে থকি কষ্ট ...

  • ২৬টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
২৭

""জাহিনের ড্রইং শেখা""

সময় ১৯:২৪:১৯

জাহিন কে মা


আজ (১১ই ফেব্রুয়ারি ২০১০) আমার ছেলে প্রথম কোনও স্কুলে যাবে। না না পড়া লিখা শিখতে না, সে যাবো আর্ট শিখতে। সারাদিন খাতায়, কাগজে, কম্পিউটারে সে কেবল ছবি আঁকে। ছবির বিষয় বস্তু বেশির ভাগ সময় থাকে গাড়ী, কার্গো, প্নেন, হেলিকপ্টার ইত্যাদি। ঘর মানুষও আঁকে, মাঝে মাঝে। তার আগ্রহ দেখে দিলাম ভর্তি করে।
আজ তার প্রথম ক্লাস!!! বিশাল প্রিপারেশন আমাদের!!! ছেলের চেয়ে ছেলের বাবা মা বেশি ব্যাস্ত। সকাল থেকেই এই স্কুলে যাওয়া নিয়ে আমাদের কাজের তালিকা শুরু হয়ে যায়। বিকাল ৩ টায় ক্লাস। ভাবলাম প্রথম ক্লাস, প্রথম বেন্চ, টেবিলের সাথে ওর পরিচয় হবে। না যানি কি করবে সে। ক্লাসের ব্যাপারে ইন্টারেস্ট গ্রো করার জন্য কত কথাই বলেছি তাকে। যাক ভয়ে ভয়ে নিয়ে গেলাম তাকে স্কুলে। কাধে ব্যাগ ব্যাগে ড্রইং খাতা, পেন্সিল, মোমকালার, দুধের ফিডার, পানির বোতল। সব নিয়েছি গুছিয়ে। ক্লাসে তখন ১০/১২ জন ছেলে মেয়ে বসা। সবাই আগে কয়েকটি ক্লাস করেছে, আমার ছেলেই আজ নতুন।
দেখলাম সে বেশ আন্দের সাথেই বেন্চে বসলো। সবাইকে ঘুরে দেখলো। কোনও জরতা নেই। এবার টিচার এলো ক্লাসে। মেয়ে টিচার। পরিচয় করিয়ে দিলাম আমার ছেলের সাথে। ভয়ে ভয়ে বললাম " ...

  • ৪৩টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
২০

আন্দোলন এবং নারীর ভূমিকা।

সময় ১৭:২৬:৫১

আমাদের দেশের প্রধান ধর্ম হলো ইসলাম। আর ইসলাম নারীকে সর্বদাই আড়ালে রেখেছে। সুরক্ষিত রাখতে উৎসাহিত করেছে।তবে আমার আজকের লিখার বিষয় বস্তু মোটেই ধর্ম নিয়ে নয়। আমি ধর্মকে শ্রদ্ধা করি।

আমি বলতে চাই আমাদের জাতীগত পরিচয়ের পেছনে যে উজ্বল এবং অহংকারী ইতিহাস আমরা বহন করি, তার প্রতিটি ধাপেই আছে কত জানা অজানা নারীর ভুমিকা। তাদের কাউকে আমরা চিনি, আবার কেউ কেউ নিজেকে আড়াল করে রেখেই চলে গেছেন পৃথিবী ছেড়ে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একটি মেয়ে জন্ম নিলেই তার পরিবার মেয়েটির চার পাশে একটি অদৃশ্য বেড়া তৈরী করে দেন। মেয়েটি তার দৈহাক বৃদ্ধির সাথে সাথে একরাশ ভয় আর অনিশ্চয়তা নিয়ে বড় হতে থাকে। আমাদের দেশে রাত ১০টার পর কোনও মেয়েকে একা দেখলে মানুষ ২বার ফিরে তাকায়। বাড়ি ফিরতে দেরি হলে মেয়ের পরিবার অশংকায় কেঁপে উঠে। ঠিক এমন একটি দেশের নারী সমাজ দেশের জন্য যখন আন্দোলন করে তখন আমাদের মাথায় রাখতে হবে, তারা আরেকটি আন্দলনও করে গোপনে। সেটি হলো তার পরিবার এবং এই সমাজের সাথে। সমাজ বা পরিবার খুব সহজেই একজন নারীকে রাস্তায় মিছিলে দেখতে চায় না। আর তাই আমার মতে আমাদের জাতীগত আন্দলনের সাথে যে সব নারীরা ...

  • ৭৮টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
১৯

""ছড়া""

সময় ২৩:৪৩:৩৭

ডাক ঘুর ঘুর ঘুর
জাহিন সোনা কমোর বাঁধে
এবার, যাবে অনেক দুর!!!
করবে শিকার বাঘ, ভাল্লুক
খরগোস আর কালো উল্লুক।
টাট্টু ঘোরা সাজিয়ে নিয়ে
জাহিন সোনা লাফিয়ে ওঠে!!!
নদী, পাহাড়, বন পেড়িয়ে
তেপান্তরের মাঠে এড়িয়ে
চলেছে জাহিন, টকবগিয়ে।

বাঘ ভাল্লুক চমকে ওঠে
ভয়ে তারা কাঁপে!!!
সিংহ মামা আতঁকে ওঠে
ভাবে, কোথায় ...

  • ৩৫টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
১৮

সু-খবর

সময় ১২:০০:৪০

আপনারা যারা অফিস স্কুল-গামী ভাই ও বোনেরা আছেন তাদের জন্য সু-সংবাদ। আমাদের খালেদা আপা আন্দলনের সুচি তৈরী করছেন। বর্তমান সরকারকে ১০০% ব্যার্থ ঘোষনা করেছেন। এবং এই সরকারের বিরুদ্ধে অচীরেই আন্দলনে যাবেন তিনি।

ফলাফল:----
হরতাল----- অধিক কনভেনস দিয়ে গন্তব্যে গমন ( যদিও অফিস বেতন বাড়াবে না)
অবরোধ........ জনগনের টাকায় কেনা গাড়ী জনগনের হাতেই ভাঙচুর।
ভাঙ গাড়ী...... কার গাড়ী কে ভাঙে?
মৃত্যু .......... কে মরবে? নেতার ছেলে? নেতার মেয়ে? নাকি অভাগীর সম্বল?
ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া........ কার সেন্ডেল ছিরবে? কেই কি সেই সেন্ডেলর ক্ষতি চুরন ...

  • ২৪টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
১৬

আবল-তাবল

সময় ১৩:৩৬:১৭

বলেনতো এটি কোনও কথা হলো?
সমগ্র পৃথিবী কি ভীষন গতিতে এগিয়ে যাচেছ অজানা গন্তব্যের দিকে। কি ভীষন চেলন্জ নিয়ে চলছে সবাই। কাজ কাজ আর কাজ। চাঁদে রকেট যাচেছ..... মঙ্গলে আবাসের চিন্তা করেছে মানুষ। পরমানুর অভ্যন্তরে খুজে চলছে কনিকা। পানি দিয়ে গাড়ী চালিয়ে তাক লাগিয়ে দেবে এবার মানুষ। টাইম মেশিন নিয়ে ঘটছে মানুষ। নাসা ব্যাস্ত মহাকাশ নিয়ে।


আর আমি ঘরে বসে আছি................. ডালের সাথে চাল মিশিয়ে রাধছি।
আমিও ...

  • ৫৭টি মন্তব্য

প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা ১২১৫