শুক্রবার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১০, ১৯ ভাদ্র, ১৪১৭ সাইনইন | রেজিস্টার |bangla font problem

আত্মপক্ষ সমর্থনের মাত্রাতিরিক্ত সুযোগ থাকাটাই স্ব-মূল্যায়নের সবচে’ বড়ো সীমাবদ্ধতা

বয়সানুপাতে এক্সপোজড কাজবাজ এত কম কেন ? এ কথা ভাবতে গেলেই বাইশ সংখ্যাটা খুব মনে পড়ে, আসলে একুশ, লোকজন কেন যে একুশ-আঙুলেদের মিছে বাইশ-আঙুলে বলে ডাকে, আগে কখনো তা ভেবেও দেখি নি, বলতেন তিনি, শুয়ে কখনো অঙ্ক কষবি না দোহাই, অথচ তাঁর প্রিয় ছাত্রদের একজন হয়েও, শুয়ে শুয়ে ভেবে, তুচ্ছ এ কবিজীবনের আমি, ১১টা ৫৮ প্রায় বাজিয়ে ফেলেছি, এবার আমার, কী বলো, নিশ্চয়ই ফেরা দরকার কোনো টেবিলের দিকে

‘বয়স কেবল সময় দিয়েই বাড়ে’-- এরকম এক বিকলাঙ্গ সত্যের সাথে আমরা বিনাবাক্যব্যয়ে বহুদিন সংসার করে যাচ্ছি, এবার ওকে জানান দেয়া দরকার যে ভ্যালিড আরো ফ্যাক্টর আছে, বয়স কত হলে এক্সপোজার কত চাই, এরও অবশ্য কোনো মানদণ্ড নেই, সর্বজনগ্রাহ্য, নানা মত ও ভাবকে আমলে নিয়ে আমরা গণতন্ত্রের ঢেকুর সামলাতে ভিতর দিক থেকে এত ব্যস্ত হয়ে পড়ি যে শিল্পসুনাম প্রযোজিত মানুষ এবং মানুষ প্রযোজিত শিল্পসুনামের মধ্যে কোনটি বেশি অর্থবহ শিল্পীর জীবনে, মত স্থির করতে করতে সে সিদ্ধান্তে, বেলা বেশ বেড়ে যায়

ভাষাটাই বড়ো ব্যর্থতা ব্যর্থ লেখকের, সব বলবার কথা ধরা দেয় না সব ভাষায়, এ কথা যে যত আগে বোঝে, সে তত পথ হাঁটে দাপটের সাথে, বেশি মশলায় কষানো অখাদ্যের সামনে একবারও পড়ে নি, এমন মানুষের সাথে আমার মোলাকাত এখনো বাকিই রয়ে গেল, আভরণের অতি ঘটা নারীকে প্রায়ই খুব কৃত্রিম ও অসুন্দর করে তোলে, কবিতাকেও, জনৈক নারী-কলিগের বিয়ের দাওয়াতে গিয়ে একবার ঢুকে পড়েছিলাম আমি ভুল কমিউনে, উদ্ভট সব সাজগোজের ভিতর থেকে ওকে খুঁজে-পেতে শেষে একটি রোস্টাহারের সময়ও আর বাঁচাতে পারি নি, আমাদের মধ্যে যারা ভেবেছে যে এক কলমে সারাজীবন লিখে যাবে, তাদের সঙ্গে মদীয় অভিজ্ঞতার খুব একটা মিল নেই, কলমকে প্রায়শই বদলানো লাগে, ভিন্ন শৈলীর দিকে মুখ করা, তাইজন্যে চমৎকার দেখতে এক কলমদানিও লাগে, অসংখ্য অপশনের একটি প্রতীকী উৎসরূপে

আমার লেখার ইচ্ছেগুলো, জানাবোঝার ইচ্ছের কাছে হারতে হারতে, মাঝে মাঝে সশব্দে দাঁত কিড়মিড় করে, বুঝেও সব আমি বলি না কিছুই, জানি যে কাউকে ধমক দিয়ে থামিয়ে দেয়া তার অধিকারে বাঁ’হাত, দেখার ইচ্ছেটা যেদিন হাঁসফাঁস করবে ক্লান্তিতে, কব্জিতে জোর থাকলে সেদিন, লেখার ইচ্ছেটা করতে পারে যা খুশি তাই, দু’য়ে মিলে এক হয়ে থাকাটাই সঙ্গত, এটাও এক দাম্পত্য ধরন, তবে প্রচলিত জায়া-পতি ধারণা এখানে নেই, একের খবর অন্যে নেয়া জরুরি খুব, বাট ডমিনেশন নট এলাউড, গৃহ-সহিংসতার কোনো বালাই নেই, একত্রবাস ফুটফুটে সব পোলাপান দেয়, দেয়ও না কখনো, এক বা দু’পক্ষেরই যদি সমস্যা থাকে, নিষেকোচিত

ফের যেদিন শুরু করলাম, সেটা বহুদিন পরে ভিতরের টানে, বাইরের চাপ ছিল বদার করি নি, যেসব বন্ধু ব্রাহ্মণের পৈতা পরে বাঁশের মাচাঙে বসে গ্রহদের উত্থান-পতন দেখছে খালিচোখে এবং যেসব বন্ধু খ্যাতির দুয়ারে দাঁড়িয়ে গোঁফে তা দিতে দিতে একটা তীর্যক দৃষ্টি রাখছে লুপ্তপ্রায় বিরল প্রাণীদের ওপর, তাদের কারোর সাথেই আমার প্রতিযোগিতায় যাবার ইচ্ছে নেই, দরকারও নেই, কেউ কেউ ভাবে, পথ একটাই ওপরে ওঠার, স্বর্গে যাবার তারা একটা মার্গই মাত্র চেনে, অথচ জানা কথা যে অজস্র পথ আছে নানাদিকে ছড়ানো ছিটানো, ‘ভিন্নপথে যাত্রা করে শাস্ত্র মেলে একস্থান’, এইকথা বাংলার লোকধর্মও বলে, অবশ্য পতনের পথ একটাই, নিষিদ্ধ ফলভক্ষণ, বর্ণে-গন্ধে লোভনীয় সে ফলের দিকে রসনাপূজারীদের বেপরোয়া গতিবিধি দেখে, সঙ্গত হাসিটা থামাতে আমি দাঁত দিয়ে ঠোঁট কামড়ে থাকি, অস্পৃশ্যতাবাদী ব্রাহ্মণ ও নিষ্ঠাবান লোভীদের সাথে একত্রে পথচলা বড়ো ঝামেলার, এদের একদল মাথার ওপর দিয়ে চিল উড়ে গেলে ভাবে জঙ্গিবিমান, আরেকদল শূকরের মতো নাক ডুবিয়ে ড্রেন থেকে উঠিয়ে আনে বর্জ্যবাহার, এদের কারোর সাথেই, জেনেশুনে, চা-পানকালীন খণ্ড কোনো বচসায়ও আমি আর রাজি নই, ওরা ওদের মতো থাকুক, একটা পিঁপড়েও কেননা সমান দরকারি এই ইকোসিস্টেমে

‘যাহা সত্য, তাহা সুন্দর, তারেই বাসো ভালো’, এই মন্ত্র আমি বরাবরই জানি, তবে মঞ্চে চরিত্রমুখে বিশেষ পরিবেশে এ কথা শুনলে পরে নারী হলেও তাকে ‘প্রেরিত পুরুষ’ বলে মনে হয় আমার, সমাজেতিহাস বিষয়ে যৎপরোনাস্তি জানাশোনা, ‘প্রেরিত নারী’র স্থলে ‘প্রেরিত পুরুষ’-বন্ধটিই এখানে অনুমোদন করে কিঞ্চিৎ সমালোচনাসহ, বন্ধটি হরিচরণে নেই, কোনো পয়দাদেশই কেননা বর্ণিত নয় নারী পয়গম্বরের মুখে, ঈশ্বরও অঙ্কিত নানা পুরুষের রূপে, যেহেতু ধর্মপুরাণ বড়োবেশি পুরুষতান্ত্রিক, তবে কথা সেখানে নয়, আমি ‘বিনোদিনী’ দেখতে গেছি মানে কিন্তু নয় শুধু নটী বিনোদিনী, আমার কলাবেচার অধিকারের প্রতি করা উপেক্ষাপ্রয়াসটুকু মনে থেকে যাবে, গিফট মানে শুধু শুধু বস্তুভাবই নয়, বিনা মনোত্তাপে ওটা বোরো ধানের চিটা

মাসোহারা একটা বাতিঘর, কর্মজীবীদের, ওদিকে তাকিয়ে সংসার সমুদ্রে ভাসা নাবিকেরা, বুকে সাহস নিয়ে এগিয়ে ভি চলে, দায় ও মাল কীভাবে খালাস হবে তার নকশাপত্র আঁকে, আমার মতোদের ঠিক মাঠে মারা যেতে হবে, হঠাৎ সুনামি এসে ভেঙে গেলে বাতিঘর, ঘটিবাটি নিয়ে ঠিক ভেসে যেতে হবে, ভাসাটা চিরকালই মজাদার বটে, ভয় যত মোহনার পাকচক্রটিকে, যে দায়গুলো আমার পড়ে আছে নিজের ও অন্যের কাছে, সেসবের প্রেক্ষিত মনে এলে হঠাৎই নিজেকে খুব হিজড়া হিজড়া লাগে, ভাবি যে যতদূর নাগাল মেলে ওইদিকে, ততবড়ো ক্রসচিহ্ন এঁকে এক, চোখ দু’টো মুদে রাখি চুপে, কিন্তু ‘অন্ধ হলেও প্রলয় বন্ধ থাকে না’ মনে হয়ে যাওয়ায়, ক্রসচিহ্নজনিত ডিজেস্টারের থেকে এ যাত্রা প্রাণে রক্ষা পাই, এসব হলো গিয়ে লোকশিক্ষা, প্রয়োজনীয় খুব, তৃতীয় শ্রেণির অঙ্ক শিক্ষকের মতো, রামধনু দেখে বেড়াবার বেলায়ও, বিকেলে, আঙিনায় পেয়ে বলে বসে, হারে, তেরর কোঠার নামতাটা শিখেছিস বাছা! স্থানকালপাত্র সম্পর্কিত সাপেক্ষ জ্ঞানে খানিকটা ঘাটতি আছে মনে হলেও, লোকশিক্ষা প্রায়শই কাজে দেয়, ইনস্ট্যান্ট

সবাই ঘুমিয়ে গেলে রাতে আমি আনন্দে জাগি, লিখিপড়ি, পেছনে বাজতে থাকে মৃদুসুর, ভোরকোমলা, ফিল্মে বুঁদ হয়ে থাকি, কখনো বা বন্ধুদের কল দেই, এ আনন্দের হাত-পা কেমন যারা বুঝতে পারে, তাদের সংখ্যা দেখি ক্রমশই বাড়ছে, অথচ আমার ডি-জুস প্যাকেজ নেই, দুরু দুরু বুকে তাই কনভারসেসন পিছলে যায় রঙ ইন্টারপ্রিটেশনের দিকে, গাঁটের পয়সা খুইয়ে যেদিকে যাওয়া একেবারে অর্থহীন, মনোমতো প্রতিমা নেই, নতুন ছবিটবি খেলে না সে তীর্থে, জাগে না ছবিকল্পও, ঘুমার্দ্র যারা স্কুল ছেড়ে গেছে, কণ্ঠে ক্লান্তিভার, তাদের মায়া কাটিয়ে উঠি ডিফেন্সি বাঁশিতে, অন্ধকারকে ওরা থরথর কাঁপিয়ে দেয়, মনে হয় সবাই কখনো যায় না ছেড়ে চলে, হাইবারনেশন থেকে জেগে উঠে কেউ কেউ খোঁজ নেয়, খবরও তো, কাচ্চাবাচ্চা হলো কি না কোনো, কিংবা, এবারে ওইদিকে এডিসের ধারাওড়া কেমন, পাঁচতলায় খুব একটা মশা নেই বলে আমরা শঙ্কামুক্ত বেশ, আনন্দিতও, তবু এডিস কী এডিস নয়, তা আমরা কেমনে বুঝব গো, যদি দুয়েকটা থাকেও, নিরাপদে থাকতে আমরা লেবু বা বেলির টবে খুব একটা জমতে দেই না পানি, ডেঙ্গু কী ভয়ানক চিজ সেটা সুচাঘাত খেতে খেতে বছর চারেক থেকে খানিকটা বুঝি, ওটারই এক স্বচ্ছ স্মারক, তুমি তো জান, বহন করছি আজো বেদনাভিঘাতী

ভররাতে সহসা ফুরালে সিগারেট, তড়িঘড়ি ছাদে যাই, গিয়ে হাতেকলমে, আসলে চোখেকানে, আমাকে বোঝাই যে মুদি দোকানগুলো সব বন্ধ হয়ে গেছে আজকের মতো, রাস্তাঘাট অন্ধকার, পাঁচতলা থেকে নামাওঠার শব্দে এখন, গোটাবাড়ি, বালিশ থেকে মাথা তুলে খরগোশের মতো উৎকর্ণ হয়ে যাবে, তাতে মন বুঝ মানে, মনে মনে মনকলা খেতে মন রাজি হয়, খুশি হয়ে ওকে আমি নিয়ে আসি ঘরে, ফ্রিজ খুলে বলি, পানি ঢালো যত পার গলায়, বস্তু বদলে হয় মানুষ বদল, কিন্তু তোমার মনের বদল আমি কিছুতে পারি নি ঘটাতে বন্ধু, আমাকে যদি একদলা বস্তুই ভাবো, আমার বদলে তবে মনের বদল তোমার হতে পারে ভাবি, এটি হলে মনে হয় নানাদিকে এই আমার এক্সপোজার বেড়ে যাবে আরো
১৬ টি মন্তব্য
lenin lenin০৬ ডিসেম্বর ২০০৮, ০৫:১৪
দারুণ একটি লেখা। পড়তে পড়তে পাঠককে নিজ সম্পর্কে ভাবায়। অন্তত আমাকে ভাবিয়েছে।
muzibmehdy মুজিব মেহদী০৬ ডিসেম্বর ২০০৮, ১১:১৭
এটি ছিল নিজের দিকে তাকানোরই প্রয়াস, পাঠককেও যদি তাকাবার ইন্ধন দিতে পারে, তবে তো আশার কথাই।
chintavabnakoreidur চিন্তা ভাবনা করে ইদুর০৬ ডিসেম্বর ২০০৮, ০৬:১০
sʞuɐɥʇ ˙ʇsod pooƃ
muzibmehdy মুজিব মেহদী০৬ ডিসেম্বর ২০০৮, ১১:১৯
যেহেতু উলটো করে লিখলেন, সেহেতু বাক্যটার উলটো অর্থ বুঝবার ইঙ্গিতটাও কি রাখতে চাইলেন এখানে?

উলটো করে কেমনে লেখা যায়?
lenin lenin০৬ ডিসেম্বর ২০০৮, ১১:৩৬
ইউনিকোড এ নানান চেহারার বর্ণ বিদ্যমান।
muzibmehdy মুজিব মেহদী০৬ ডিসেম্বর ২০০৮, ১১:৪৭
ধন্যবাদ, জানা ছিল না এটা।
sharmabangla সজল শর্মা০৬ ডিসেম্বর ২০০৮, ০৬:২৬
ভাল লাগলো।
muzibmehdy মুজিব মেহদী০৬ ডিসেম্বর ২০০৮, ১১:২০
ধন্যবাদ আপনাকে।
serendipity মাভেরিক০৭ ডিসেম্বর ২০০৮, ১২:০১
খালি ভাবায়, বড় সহজ নয় এই লেখা, এই ভালো লেখা!
muzibmehdy মুজিব মেহদী০৭ ডিসেম্বর ২০০৮, ১২:২০
কেমন কেমন যেন বললেন!
sadid_hasan না বলা কথা০৭ ডিসেম্বর ২০০৮, ১২:২৪
মুজিব ভাইয়া, আপনি কি সেই যিনি প্রথম আলোতে লেখেন? আপনাকে অজস্র সালাম।
ঈদ মুবারাক।
muzibmehdy মুজিব মেহদী০৭ ডিসেম্বর ২০০৮, ০২:০৩
আমি কোনো বড়ো লেখক নই। বিশ বছর ধরে লিখলেই কেউ বড়ো লেখক হন না। আর পত্রিকায় নাম ছাপা হওয়াও বড়ো লেখক হবার কোনো শর্ত নয়।
muzibmehdy মুজিব মেহদী০৭ ডিসেম্বর ২০০৮, ১২:৩৫
দৈনিক প্রথম আলোতে লেখেন এমন কোনো মুজিব মেহদী কোথাও নেই। প্রথমআলোব্লগে একজন মুজিব মেহদী লিখেন, যার সঙ্গে আমার আত্মিক যোগ আছে।

জনাব সাদিদ হাসান, সেক্ষেত্রে কি আপনার সালাম আমার ভাগে পড়ে?
sadid_hasan না বলা কথা০৭ ডিসেম্বর ২০০৮, ১২:৪৩
অবশ্যই ভাইয়া। ছিঃ ছিঃ আমাকে লজ্জা দেবেন না প্লিজ। আপনার লেখা পড়ে আমার কেন যেন মনে হল এমন ধাঁচের লেখা আগে পড়েছি, নামটাও কেমন যেন মনে হল আগে কোথাও দেখেছি, তাই ওই প্রশ্নটি করেছিলাম। আপনি প্রথম আলোতে লেখেন না বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে, অবশ্য পরিচয় গোপন করতে চাইলে অন্য কথা। কিংবা, কে জানে? স্মৃতি মনে হয় আজকে আমার সাথে শত্রুতা করছে!! তবে যাই হোক না কেন, আপনার জন্য আমার প্রাণঢালা অভিবাদন।
muzibmehdy মুজিব মেহদী০৭ ডিসেম্বর ২০০৮, ১২:৫১
আমার লেখালেখির বয়স কুড়ি বছর, অনেকগুলো বইও আছে বাজারে। কাজেই নামটা কোথাও দেখা তো আশ্চর্যের কিছু নয়। প্রথম আলো পত্রিকায়ও নাম পড়ে থাকতে পারেন। বিভিন্ন উপলক্ষে অনেকবারই নাম ছেপেছে ওরা।

এই লেখাটাও আমার 'বৃষ্টিগাছের তলায়' গ্রন্থভুক্ত।
নারে ভাই, লজ্জার কিছু নয় এটা। এরকম কত ভুল করি আমরা!
sadid_hasan না বলা কথা০৭ ডিসেম্বর ২০০৮, ১২:৫৬
এইতো দেখেছেন ভাইয়া। আমি ঠিক ধরেছিলাম। আপনার নাম আমি প্রথম আলোতেই দেখেছি। আপনাকে আবারো সালাম। এমন একজন লেখক আমার মত মানুষের কথার জবাব দিচ্ছেন, ভাবতেই বুকের মধ্যে ভালো লাগার স্রোত বয়ে যাচ্ছে। অশেষ ধন্যবাদ।

সাম্প্রতিক পোস্ট Star

সাম্প্রতিক মন্তব্যComment