মার্চ
০৯

এক আকাশ অন্ধকার...

প্রেমেন্দ্র মিত্র স্মরণে।

সময় ২০:২২:৪৩


একটি মানুষের মধ্যে আমি
এক আকাশ অন্ধকার দেখেছিলাম।

কতজনের সঙ্গেই ত মিশি,
ভালবাসি, ঘৃণা করি, থাকি উদাসীন।
তারা সব টুকরো টুকরো আলো
উজ্জল কি স্তিমিত।

তাদের চেনা যায়, পড়া যায়
মানেও পাওয়া যায় ছাড়াছাড়া।
তাদের সঙ্গে পরিচয় দিয়েই
জীবনের প্রাঞ্জল পুঁথি প্রতিদিন লেখা।
কিন্তু মন নিজের অগোচরে
খোঁজে সেই অনাদি আশ্চর্য অন্ধকার
সব অভিধান যেখানে অচল, সব নামতা নিরর্থক।

সেই এক আকাশ অন্ধকার
আমি পেয়েছিলাম একবার
পথে যেতে কোন এক স্টেশনের প্লাটফর্মে
দুপুর রোদে গাড়ির জন্য দাঁড়িয়ে
দুটি অতল চোখের মধ্যে।

সে পুরুষ কি নারী
কেউ যেন জানতে না চায়,
জানতে না চায় কী তার বয়স।
সে সময়ের অতীত, যৌনতার উর্দ্ধে।
তার অন্ধকার ত না-এর শূন্যতা নয়,
নিহারীকা-গর্ভ এক রহস্য-নিবিড়তা।

সত্তার গহনে এই অন্ধকার যদি লুপ্ত হয়,
আমাদের সাজানো শহর
আর সফল জীবন ত শুধু
পরিসংখ্যানের অন্ক।

এত খন্ড খন্ড আলোর জটলায়,
এত মাপজোকের দুনিয়ায়
সেই অন্ধকার বয়ে বেড়াবার মানুষ
কি সব ফুরিয়ে গেল!

মার্চ
০৭

আবার হরতাল

সময় ১৩:৩৩:১০


আজ আমি মিছিলে যাবো
আগামীকাল দাবী আদায়ের হরতাল।

সবুজ ঘেরা নির্জনে কাল এসোনা তুমি প্রিয়,
টি.এস.সি কিম্বা পাবলিক লাইব্রেরী কোথাও
আমাকে খুঁজে পাবেনা তুমি, কারণ
আজ আমি মিছিলে যাবো
আগামীকাল দাবী আদায়ের হরতাল।

জানি খুঁজে খুঁজে ক্লান্ত হবে তুমি
ক্লান্ত হবে তোমার দু'টি পা
তবু বলতে পারছিনা আমার ঠিকানা।

যদি আগামীকাল আমাকে পেতে চাও
যদি আমার কাছে আসতেই চাও- তবে,
তবে জেনে নিও আমার অবস্থান
চলন্ত ট্রাক, সশস্ত্র পুলিশ কিম্বা গোপন অস্ত্রের কাছে
ওরাই শুধু বলতে পারে- আগামীকাল
আমি কোথায় কেমন থাকবো কিম্বা আদৌ থাকবো কিনা।

যদি তাদের খুঁজে না পাও
যদি চিনতে না পারো মুখোশে ঢাকা মুখ
তাহলে খোঁজ নিও হাসপাতালে
সেখানে আমার আহত দেহ পাবে,
খোঁজ নিও জেল- হাজতে
সেখানে আমার অবরুদ্ধ বাহু পাবে।

তারপরেও যদি খুঁজে না পাও, তবে
শেষ খোঁজটুকু নিও লাশ কাটা ঘরে
সেখানে আমার প্রাণহীন শীতল দেহ পাবে।

তুমি যদি আমার কাছে আসতেই চাও
তবে আর একটি নতুন হরতালের জন্ম দিয়ে
ফিরে এসো আমার পাশে
হাসপাতালে জেল- হাজতে কিম্বা লাশকাটা ...

মার্চ
০১

শেষের কবিতা...

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

সময় ১৯:১৯:২৬


রবীন্দ্রনাথ তার লেখনীতে বাঙালির জীবন যাপন, সংস্কৃতিকে যেমন তুলে ধরেছেন, তেমনি বাঙালির চিরদিনের হাসিকান্না, আনন্দ-বেদনারও রূপকার তিনি। জগতের সকল বিষয়কে তিনি তাঁর লেখায় ধারণ করেছেন। মানুষের এমন কোনো মানবিক অনুভূতি নেই যা রবীন্দ্রনাথের লেখায় পাওয়া যায় না। তাঁর সম্পর্কে কবি দীনেশ দাশ বলেছেন, ‘তোমার পায়ের পাতা সবখানে পাতা’। সভ্যতার সকল সংকটে রবীন্দ্রনাথ এক বিশাল সমাধান। অন্ধকারে এক বিরাট আলোর প্রদীপ।

কালের যাত্রার ধ্বনি শুনিতে কি পাও।
তারি রথ নিত্যই উধাও
জাগাইছে অন্তরীক্ষে হৃদয়স্পন্দন,
চক্রে-পিষ্ট আঁধারের বক্ষফাটা তারার ক্রন্দন।

ওগো বন্ধু,
সেই ধাবমান কাল
জড়ায়ে ধরিল মোরে ফেলি তার জাল–
তুলে নিল দ্রুতরথে
দুঃসাহসী ভ্রমণের পথে
তোমা হতে বহু দূরে।
মনে হয়, অজস্র মৃত্যুরে
পার হয়ে আসিলাম
আজি নবপ্রভাতের শিখরচূড়ায়–
রথের চঞ্চল বেগ হাওয়ায় উড়ায়
আমার পুরানো নাম।
ফিরিবার পথ নাহি;
দূর হতে যদি দেখ চাহি
পারিবে না চিনিতে আমায়।
হে বন্ধু, বিদায়।

কোনোদিন কর্মহীন পূর্ণ অবকাশে
বসন্তবাতাসে

  • ৫৬টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
২৬

গদ্য মন

সময় ২০:৩৭:১৭


স্বপ্নের বীজ বপন করলাম ভালোবাসার মৃত্তিকায়।
বপন করে টের পেলাম ভুল মাটি স্পর্শ করেছি আমি;
প্রত্যাখ্যান করলো মৃত্তিকা।

মনের দু'কূল ভেসে যাচ্ছে কান্নার শব্দে।
মনে হলো এই জীবনটাই মনে হয় শেষ বিন্দুতে এসে ঠেকেছে;
এই বুঝি আয়োজন করতে হলো অনন্তে যাত্রার।

না, কদিন পর টের পেলাম সব সফেদ।
মনে বেজে ওঠেনা কান্নার শব্দ;
প্রথম টের পাওয়া নীলকষ্টের উর্মিমালা।

এক সময় কোথায় যেন মিলিয়ে গেলো।
শুধু একটা গন্ধ রয়ে গেলো;
ভুল মৃত্তিকার ...

  • ৫৮টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
২৩

প্রথম আলো ব্লগঃ

দূরকে করেছে আপন।

...চুড়ইভাতি।

সময় ১৫:৪৭:৩৭



বন্ধু বরণঃ

নিষাদ, নীলসাধু (স্বপরিবার) কারিম ভাই, হাফিজ, মহসীন, সারওয়ার হোসেন (স্বপরিবার), নুসরাত জাহান তৃষা, জেড এইচ সৈকত, আমার কবিতা, রাফিউল রাজী রিটন, কবিরনি, ধ্রুবো, আব্দুল হান্নান, রাফেল, ছায়াবাজী, হলি হক, পাশা, সেতু ঢাকা, নীরব পথিক, রাতের পাখি, শামিম রহমান, বই পাগল, কবির য়াহমদ, রাইসা, সোনিয়া আলম (স্বপরিবার), কাজলাদিদি, জিয়া রায়হান।

যখন বুকে জড়িয়ে ধরলাম, মনে হয়নি কেউ আমার পর। এঁরা সবাই আমার আত্মার আত্মীয়। আমার আমি। আমার ভেতর অনেক। মনটা আমার কি এক ভাললাগায় ভরে গেল। কে জানে নামহীন সে সম্পর্কের অবয়ব !!




বন্ধু বিদায়ঃ

বুকের মাঝখানটায় কেমন ঢেউ খেলে যায়, গলায় কি যেন বেঁধে যায়, অদম্য একটা দীর্ঘশ্বাস বুক তোলপাড় করে আমাকে ছিন্নভিন্ন করে ফেলে। বাঁধ ভাঙ্গা কান্নার আলোড়ন তৈরী হয়। আমি, আমি বোঝাতে পারবনা...।
বারবার বুকের মাঝখানটায় ক্যামন এক স্বজন হারানোর অনুভূতি। সাগরের ঢেউয়ের মতো কান্নার স্রোত আছড়ে পড়ছিলো। গলার কাছে গুটি পাকিয়ে আসছিলো হৃদয় নিঃসরিত বাস্প হয়ে উড়ে যাওয়া ...

  • ১১৬টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
১৯

চড়ুই-ভাতি-র পথে

প্রথম আলো ব্লগের ব্লগাররা।

সময় ০৯:২৮:০৩


প্রথম আলো ব্লগের ব্লগার বন্ধুরা
চড়ুই- ভাতি'র উদ্দ্যেশে ঢাকা ছাড়লেন এবং ছাড়ছেন যাঁরা-
তাঁদের সবাইকে জানাই প্রীতি এবং শুভেচ্ছা।

ব্লগারঃ সুজন
ব্লগারঃ নিষাদ
ব্লগারঃ নীলসাধু ( সংগে স্ত্রী এবং ছেলে ও মেয়ে )
ব্লগারঃ কারিম ভাই
ব্লগারঃ হাফিজ
ব্লগারঃ মহসীন
ব্লগারঃ সারওয়ার হোসেন ( সংগে মিসেস সারোয়ার হোসেন এবং এশা )
ব্লগারঃ নুসরাত জাহান তৃষা
ব্লগারঃ জেড এইচ সৈকত
ব্লগারঃ আমার কবিতা
ব্লগারঃ রাফিউল রাজী রিটন।
ব্লগারঃ কবিরনি
ব্লগারঃ ধ্রুবো
ব্লগারঃ আব্দুল হান্নান
ব্লগারঃ রাফেল
ব্লগারঃ ছায়াবাজী
ব্লগারঃ হলি হক
ব্লগারঃ পাশা
ব্লগারঃ শুভ বসাক
ব্লগারঃ সেতু ঢাকা
ব্লগারঃ নীরব পথিক
ব্লগারঃ রাতের পাখি
ব্লগারঃ আবু তৈয়ব
ব্লগারঃ শামিম রহমান
ব্লগারঃ বই পাগল
ব্লগারঃ কবির য়াহমদ
ব্লগারঃ রাইসা
ব্লগারঃ সোনিয়া আলম ( স্বামী মিঃ রকিব এবং ৩ বছরের মেয়ে লিরা )
ব্লগারঃ ই-মন
ব্লগারঃ কাজলাদিদি
ব্লগারঃ জিয়া রায়হান
ব্লগারঃ মুরুব্বী ( আজাদ কাশ্মীর জামান )

আমরা সবাই বাকী সকল বন্ধুদের দোয়া কামনা করছি।
যেনো নিরাপদে আমরা আমাদের ...

  • ১৪টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
১৭

বর্ণপরিচয়

সময় ১৮:২৩:১৪



ঘুড়ে গেলেই একটা ফাঁকা। আমি ফাঁকার মধ্যে দাঁড়িয়ে
মুঠো থেকে 'প' ছুঁড়ে দিই। 'প' থেকে পৃথিবী এবং প্রশ্ন
প্রতিবাদ প্রতিশোধ এবং প্রেম ছড়িয়ে পড়ে- পড়তে পড়তে
প্রহর চলে যায়-

প্রেম শব্দে প্রভুর চেয়ে প্রেমিকা সহজ- যেহেতু প্রেম
সহজাত কবচকুন্ডল সহজাত মৃত্যুবোধের সমান
যাকে চেনার ঢের আগে আমাকে 'ম' নামক অক্ষর
শিখতে হয়েছে
'ম' থেকে মধু - মধু বাতা ঋতায়তে
মধুরক্ষিত মৃত্য- আমি মৃত্যুকে দেখি কিন্তু চিনতে পারিনা-

ছেলেবেলায় 'চ' অক্ষর শিখতে শিখতে কেউ চাঁদ হয় কেউ চন্দন
আমি চাতক হয়ে উড়ে যেতাম চিহ্ন থেকে চিহ্নহীন একা-

'জ'-এর উপর জাহাজ ভাসতো নদী পেড়িয়ে সমুদ্রে
আমি জল চিনতাম
জল চিনতে চিনতে জন্ম
জন্ম চিনতে চিনতে
আমি মৃত্যুর কাছে দাঁড়িয়ে থাকি- দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে
বিন্দুর মতো চিহ্ন থেকে চিহ্নহীন-


কবি রত্নেশ্বর হাজরাঃ
প্রতিটি একুশের মাস এলেই আমার হৃদয় জুড়ে থাকে তাঁর এই লিখাটি।
আজ আপনাদের সবার সাথে শেয়ার করলাম। ...

  • ৬২টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
১৬

চড়ুই ভাতির

চূড়ান্ত তালিকা।

সময় ০৭:২০:৩৪


সুসংবাদ !!
আমাদের সহযাত্রী বন্ধুদের তালিকা আমরা চূড়ান্ত করতে পেরেছি।


পাহাড়পুর এ প্রথম আলো ব্লগারদের চড়ুই-ভাতি... পথে মহাস্থান গড়। এইখানে ক্লিক করুন।


তারিখঃ ১৯-০২-২০১০ইং রোজ শুক্রবার এবং ২০-০২-২০১০ইং রোজ শনিবার।


চলে আসুনঃ-
১৯-০২-২০১০ইং রোজ শুক্রবার সকাল ৭ (সাত) টায় ঢাকা কল্যাণপুর শ্যামলী বাস ষ্ট্যান্ড।


খরচ জনপ্রতি:- ৫০০/- (পাঁচ শত ) টাকা।


যোগাযোগ রাখুন-


মুরুব্বী ( আজাদ কাশ্মীর জামান )
01914 - 958575


জিয়া রায়হান
01819 - 227030


আশা করি আপনাদের ভ্রমন অনেক মজার এবং আনন্দের হবে।
আমরা সন্মানিত বোধ করবো
আমরা যাচ্ছি।
আমরা একত্রিত হচ্ছি
আমরা হচ্ছি একাত্মা।


আমাদের সংগে এ পর্যন্ত যাঁরা অংশ গ্রহণ নিশ্চিত করেছেন তাঁরা হলেন-


ব্লগারঃ নিষাদ
ব্লগারঃ নীলসাধু
ব্লগারঃ কারিম ভাই
ব্লগারঃ হাফিজ
ব্লগারঃ মহসীন
ব্লগারঃ সারওয়ার হোসেন
ব্লগারঃ নুসরাত জাহান তৃষা

  • ১৩৭টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
১৫

পাহাড়পুর এ প্রথম আলো ব্লগারদের চড়ুই-ভাতি...

আমরা যাচ্ছি। আপনি কি আসছেন...!!! ( আপডেট )

সময় ০৯:২১:২৪


প্রিয় ব্লগার বন্ধুরা-
ভ্রমন পরিকল্পনা..
এবং সিদ্ধান্ত আমাদের চূড়ান্ত।

পাহাড়পুর এ প্রথম আলো ব্লগারদের চড়ুই-ভাতি... পথে মহাস্থান গড়।


বিস্তারিত দেখতে এবং জানতে এইখানে ক্লিক করুন।



তারিখঃ ১৯-০২-২০১০ইং রোজ শুক্রবার এবং ২০-০২-২০১০ইং রোজ শনিবার


১৯-০২-২০১০ইং রোজ শুক্রবার সকাল ৭ (সাত) টায় ঢাকা কল্যাণপুর শ্যামলী বাস ষ্ট্যান্ড যাত্রা শুরু।


খরচ জনপ্রতি:- ৫০০/- (পাঁচ শত ) টাকা।


আপনারা যাঁরা হতে চান সহযাত্রী, তাঁরা এই পোষ্টের মন্তব্যরে ঘরে আপনার অংশগ্রহন-
আগামী ১৫ই ফেব্রুয়ারী ২০১০ইং তারিখের মধ্যে নিশ্চিত করবেন।


অথবা যোগাযোগ করতে পারেন-

মুরুব্বী ( আজাদ কাশ্মীর জামান )
০১৯১৪ - ৯৫৮৫৭৫

জিয়া রায়হান
০১৮১৯ - ২২৭০৩০


আশা করি আপনাদের ভ্রমন অনেক মজার এবং আনন্দের হবে।

আমরা সন্মানতি বোধ করবো
আমরা যাচ্ছি।
আমরা একত্রিত হচ্ছি
আমরা হচ্ছি একাত্মা।



আমাদের সংগে এ পর্যন্ত যাঁরা অংশ গ্রহণ ...

  • ৩৬টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
১৪

পাহাড়পুর এ প্রথম আলো ব্লগারদের চড়ুই-ভাতি...

আমরা যাচ্ছি। আপনি কি আসছেন...!!!

সময় ১৫:০৩:১৩


প্রিয় ব্লগার বন্ধুরা-
ভ্রমন পরিকল্পনা..
এবং সিদ্ধান্ত আমাদের চূড়ান্ত।

পাহাড়পুর এ প্রথম আলো ব্লগারদের চড়ুই-ভাতি... পথে মহাস্থান গড়।


বিস্তারিত দেখতে এবং জানতে এই খানে ক্লিক করুন।



তারিখঃ ১৯-০২-২০১০ইং রোজ শুক্রবার এবং ২০-০২-২০১০ইং রোজ শনিবার


১৯-০২-২০১০ইং রোজ শুক্রবার সকাল ৭ (সাত) টায় ঢাকা কল্যাণপুর শ্যামলী বাস ষ্ট্যান্ড যাত্রা শুরু।


খরচ জনপ্রতি:- ৫০০/- (পাঁচ শত ) টাকা।


আপনারা যাঁরা হতে চান সহযাত্রী, তাঁরা এই পোষ্টের মন্তব্যরে ঘরে আপনার অংশগ্রহন-
আগামী ১৫ই ফেব্রুয়ারী ২০১০ইং তারিখের মধ্যে নিশ্চিত করবেন।


অথবা যোগাযোগ করতে পারেন-

মুরুব্বী ( আজাদ কাশ্মীর জামান )
০১৯১৪ - ৯৫৮৫৭৫

জিয়া রায়হান
০১৮১৯ - ২২৭০৩০


আশা করি আপনাদের ভ্রমন অনেক মজার এবং আনন্দের হবে।

আমরা সন্মানতি বোধ করবো
আমরা যাচ্ছি।
আমরা একত্রিত হচ্ছি
আমরা হচ্ছি একাত্মা।

আমাদের সংগে এ পর্যন্ত যাঁরা অংশ গ্রহণ ...

  • ৬৮টি মন্তব্য