মেঘের জানালা

নভেম্বর
০৫

কামার্ত তাঁবুর মধ্যে

আমি আসলে জানিনা কামার্ত তাঁবুর মধ্যে
নীল জোৎস্নায় কাদের মুখের ওপোর নেচে গেছে রাখালেরা
ওদের পায়ের দাগ-চিহ্ন দেখে কালরাতে জানালায়
নিস্তব্ধতা চুয়ে চুয়ে পড়েছে আর আমি রেলভ্রমণে যাদের সঙ্গী হয়েছিলাম
তারাও দেখি মেঝেতে নেচে গেছে
তাদের পায়ের দাগ মেঝেতে পড়েনি, যে অরণ্যে পথ হারিয়ে বাঁশীর সুর
মিশে গেছে পাতাদের স্বরে তাদের পরিবার পরিকল্পনার কোন প্লান নেই শুনেছি
হর্ষ-কামী পেরেক কালকে দেওয়ালে ঝুলিয়ে রেখেছিল স্লিপিং গাউন
যার আসার কথা ছিল সে আসে নাই
তার ছায়া এসে বলে গেছে দরোজার কানে
আজ টিয়ে পাখিরা আকাশে নামবে না
আসলে আমি বৃষ্টির মধ্যে দু'ভাগ হয়ে আছি একভাগে জেব্রাক্রসিং
এবং সমব্যথী বন্ধুদের মুখের উজ্জ্বলতা
অন্যভাগে মাংশের ট্রাক, স্বাভাবিক পথচারিদের উপড়ানো চোখ
একভাগের লুকানো রোদে উড়ে যায় অন্যভাগের নদী
স্থির হয়ে থাকে আপেলের বন, স্নিগ্ধ রেললাইন


২টি মন্তব্য

  • এস এ বাকী বলেছেন ২০০৮/১১/০৫ ১১:৩৪:২৪

    এখনি পড়ে আসলাম । ভালোলাগা জানিয়েছি।

    মুক্তি মন্ডল বলেছেন ২০০৮/১১/১৩ ০৯:৪৮:০৫

    ধন্যবাদ আপনাকে বাকী।



প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা ১২১৫