ভ্রমণ
অস্পষ্ট তিলের দিকে যতবার গেছি
আকাশের দিকে উড়ে গেছে ডানা মেলে পাখিদের ঝাঁক
প্রগাঢ় সম্পর্কের সেতু ভেঙে পড়েছে রুমালের কোনা থেকে
নদীর কাছে গিয়েই ডুবে গেছে চাঁদ
আয়নামহলে চূড়ি-হাসির পায়রাগুলো উড়ে উড়ে
কোথাও বসেনি গাছেদের কাছে
এগিয়ে এসেছে দূরের কেউ তাকে কেউই চেনে নাই
হরেকরকম ঝুমঝুমির ভেতর হারিয়ে গেছে যেসব
ডালে বসা সবুজ দাগের চিহ্ন
তাদের বুকের পাশে শুকনো নদীদের মেলা বসেছে
ঘর ছেড়ে পালিয়ে ইচ্ছের বংশীবাদকের সাথে
কাঁধ বিনিময় করে তোমাদের বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে আছি
তাঁর যাদুকরী সুখ-দু:খের ঝোলায় তোমার গোপনে
খোপাবাধারদৃশ্যগুলো লুকিয়ে রেখেছি
পথের দিকে তাকিয়ে থেকে থেকে চোখের সড়ক থেকে
উপড়িয়ে রেখেছি মাইলপোস্টের ছায়া
নাইটকোচভর্তি মালিনীদের লাল টিপেরা ছেড়ে গেছে
বাসস্টপেজ তাদের মলিন মুখে তোমার হাসি
দেখে আমি আর কোথাও যাই নাই
ছিকেইঝোলানো নি:শব্দের সুগন্ধী স্পর্শরা আমাকে চেনেনি
বাসনার পিঠে মালমাল উঠিয়ে নাও ছেড়ে দিয়েছে
বিরহপাড়ার বণিকেরা – তাদের বন্দর ছেড়ে যাওয়া দৃশ্যের দিকে
তাকিয়ে থেকে ভেবেছি – এবার গভীর গাঙে ছেড়ে দেবো
শ্লোকের বিষণ্ন ভেলা
জলের শব্দে আকাশের হাতছানিতে আর বাড়িতে ফিরবো না

Phonetic
~~তোমার গোপনে
খোপাবাধারদৃশ্যগুলো লুকিয়ে রেখেছি~~
বেলী ফুলের মালা পরাবো বলে ভেবেছি অনেকবার !
স্বাগতম আপনাকে। বেলী ফুলের মালা পরায়ে দেন। ভাবা ভাবির কী আছে! ভাল থাকবেন।
বাহ বেশ। গভীর গাঙে ছেড়ে দিন শ্লোকের বিষণ্ন ভেলা
মুজিব ভাই আপনাকে দেখে ভাল লাগছে। ভাসাবো ভেলা।
যে খোপাবাধারদৃশ্যগুলো লুকিয়ে রেখেছে সেইতো পরাবে !
সেই কেন পারবে? অন্য কেন পারবে না। অন্যরাও পারুক।
ছিকেইঝোলানো নি:শব্দের সুগন্ধী স্পর্শরা আমাকে চেনেনি
বাসনার পিঠে মালমাল উঠিয়ে নাও ছেড়ে দিয়েছে
বিরহপাড়ার বণিকেরা – তাদের বন্দর ছেড়ে যাওয়া দৃশ্যের দিকে
তাকিয়ে থেকে ভেবেছি – এবার গভীর গাঙে ছেড়ে দেবো
শ্লোকের বিষণ্ন ভেলা
জলের শব্দে আকাশের হাতছানিতে আর বাড়িতে ফিরবো না ............
মন খারাপ হয়ে গেলো।
কেউ কি কারো জন্য আর এভাবে অপেক্ষা করে?
খুব ভালো লাগলো/
শুভেচ্ছা।
না তা যে একেবারে করে না তা কিন্তু ঠিক না, এখনো অনেকেই করেন। আপনাকে শুভেচ্ছা।
ভাবছিলাম ট্রাভেল ব্লগ। হতাশ হইলাম
কিসের জন্য হতাশ? এইটা বুঝি নাই।