ইন্দ্রিয়যান - ৩
হিজিবিজি
ট্রেনে বসে আছি। যাচ্ছিও না, ফিরছিও না। এক স্টেশন থেকে আর এক স্টেশনে ঘোরাফেরা করছি বলা যেতে পারে। পাশের মেয়েটির নাম অদিতি আর তার পাশেরজন বর্ণালী, ওদের কথাবার্তায় বুঝেছি। অদিতির ঘাড়ে উকুন। দূর থেকে মনে হবে ফর্সা ঘাড়ে সর্ষেদানার মতো তিল, কিন্তু, আমি মনে করতে পারলাম, জয়ন্ত বলেছিল এক মিটার লাফায়। ঘোরাফেরার সিদ্ধান্ত পাণ্টে আমি হাওড়ায় ফিরলাম। অদিতির উকুন কোথাও ফিরল না। কালো ব্যাগ আর উকুন নিয়ে মেয়েদুটো হাওড়ায় নামল। পরে আবার ওদের পাত্তা পাব ভদ্রেশ্বরে। ভাইটু ওদের লাইনের মেয়ে বলবে। অদিতির উকুন খদ্দেরের মাথায় কিলবিলোবে। সে গল্প আলাদা।
এখন, এই মুহূর্তে, আর যা আমি মনে করতে পারছি তা হ'ল রুমালওলার সঙ্গে মেয়েদুটোর ঝগড়া বা ঝগড়াকে আরেকটু মিষ্টি আর নরম করে যা বলা যায়। এক টাকা কম দেওয়া নিয়ে। কথাটা হ'ল, রুমালওলা এত তর্কাতর্কি করল কেন? সে তো রাজী হতেই চেয়েছিল।
তারপরই আমার ভারি জলতেষ্টা পায়।



Phonetic
চলুক।
আর চলুক...চলতে দিলে তো!!!

কী জ্বালা বাবা...এরা নাকি কাগজ করে???
ভাল।