চলতি পথে একদিন: মহিলা সিট বিতর্ক
ঢাকার রাস্তায় চলা লোকাল বাসগুলোতে সামনের দিকে ইন্জিনের পাশের কিছু আসন মহিলাদের জন্য নির্ধারণ করে দেয়া আছে। এই নিয়ম বহুকাল ধরেই চলে আসছে। এরপর এলো টিকেট সিস্টেম বাস সার্ভিস। প্রথম দিকে এগুলো ছিল সিটিং সার্ভিস। এরপর ধীরে ধীরে তা লোকাল বাসের মত স্ট্যান্ডিং এ্যালাউড সার্ভিসে পরিণত হয়। মজার ব্যপার হল এতে মহিলাদের জন্য আলাদা কোন আসনের ব্যবস্থা রাখা হলনা, যদিও লোকাল বাসগুলোতে এই ব্যবস্থা ছিল। ইদানিং টিকেট সিস্টেমের বাসগুলোতে ডানদিকের সারির সামনের দিকে তিনটি সিট (যেখানে মোট ৯ জন বসতে পারেন) মহিলাদের জন্য নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে।
এবার আসল গল্পে যাওয়া যাক। সেদিন শাহবাগ থেকে একটি টিকেট বাসে করে রামপুরা যাচ্ছিলাম। বসার জায়গা না পেয়ে দাড়িয়েই যেতে হচ্ছে। কাকরাইল স্টপেজে দুইজন মহিলা বাসে উঠলেন। তাদের মধ্যে একজন ছিলেন বয়স্ক। আনুমানিক ৫০ এর কাছাকাছি বয়স। অপরজন সম্ভবত তাঁর মেয়ে হবেন। তারা বাসের মহিলা সিটগুলোর সামনে গিয়ে দাড়ালেন। তাদের ঠিক সামনেই মহিলা আসনে বসে ছিলেন একজন পুরুষ। তো মেয়েটি তাকে মহিলা সিট ছেড়ে দিয়ে বয়স্ক মহিলাকে বসতে দেয়ার কথা বললেন। কিন্তু তিনি নাছোড়বান্দা। তার অকাট্য যুক্তি, যদি পুরুষ সিটে মহিলারা বসতে পারেন তাহলে মহিলা সিটে কেন পুরুষ বসতে পারবেনা। তার এই যুক্তির কারণ, বাসের অন্য সিট গুলোতে পুরুষদের পাশাপাশি কয়েকজন মহিলাও বসেছিলেন। এরপর বাসের অন্যযাত্রীদের কয়েকজন বয়স্ক মহিলাকে বসতে দেওয়ার অনুরোধ করলেও লোকটির ঐ এক কথা। তাছাড়া ভিড় বাসে দাড়িয়ে যেতে পারবেন না জেনেও ঐ বয়স্ক মহিলা কেন বাসে উঠলেন। অতঃপর তুমুল বিতর্ক।
বিতর্ক যখন চুড়ান্ত পর্যায়ে, এমন সময় একজন যাত্রী সংসদের উদাহরন টেনে আনলেন। বললেন, সংসদে মহিলা আসনগুলোতে কোন পুরুষ প্রার্থি হতে পারেননা। কিন্তু অন্য আসনগুলোতে পুরুষ-মহিলা নির্বিশেষে যে কেউ প্রার্থি হতে পারেন। একথায় বিতর্ক নতুন দিকে মোড় নেয়। তারপর আর লোকটির কোন যুক্তি ধোপে টেকেনি। তাই নিতান্ত বাধ্য হয়ে তিনি মহিলা সিটটি ছেড়ে দেন।
এবার আসল গল্পে যাওয়া যাক। সেদিন শাহবাগ থেকে একটি টিকেট বাসে করে রামপুরা যাচ্ছিলাম। বসার জায়গা না পেয়ে দাড়িয়েই যেতে হচ্ছে। কাকরাইল স্টপেজে দুইজন মহিলা বাসে উঠলেন। তাদের মধ্যে একজন ছিলেন বয়স্ক। আনুমানিক ৫০ এর কাছাকাছি বয়স। অপরজন সম্ভবত তাঁর মেয়ে হবেন। তারা বাসের মহিলা সিটগুলোর সামনে গিয়ে দাড়ালেন। তাদের ঠিক সামনেই মহিলা আসনে বসে ছিলেন একজন পুরুষ। তো মেয়েটি তাকে মহিলা সিট ছেড়ে দিয়ে বয়স্ক মহিলাকে বসতে দেয়ার কথা বললেন। কিন্তু তিনি নাছোড়বান্দা। তার অকাট্য যুক্তি, যদি পুরুষ সিটে মহিলারা বসতে পারেন তাহলে মহিলা সিটে কেন পুরুষ বসতে পারবেনা। তার এই যুক্তির কারণ, বাসের অন্য সিট গুলোতে পুরুষদের পাশাপাশি কয়েকজন মহিলাও বসেছিলেন। এরপর বাসের অন্যযাত্রীদের কয়েকজন বয়স্ক মহিলাকে বসতে দেওয়ার অনুরোধ করলেও লোকটির ঐ এক কথা। তাছাড়া ভিড় বাসে দাড়িয়ে যেতে পারবেন না জেনেও ঐ বয়স্ক মহিলা কেন বাসে উঠলেন। অতঃপর তুমুল বিতর্ক।
বিতর্ক যখন চুড়ান্ত পর্যায়ে, এমন সময় একজন যাত্রী সংসদের উদাহরন টেনে আনলেন। বললেন, সংসদে মহিলা আসনগুলোতে কোন পুরুষ প্রার্থি হতে পারেননা। কিন্তু অন্য আসনগুলোতে পুরুষ-মহিলা নির্বিশেষে যে কেউ প্রার্থি হতে পারেন। একথায় বিতর্ক নতুন দিকে মোড় নেয়। তারপর আর লোকটির কোন যুক্তি ধোপে টেকেনি। তাই নিতান্ত বাধ্য হয়ে তিনি মহিলা সিটটি ছেড়ে দেন।
লেখক মামুনুর রহমান
- মামুনুর রহমান -এর ব্লগ
- ১৭ টি মন্তব্য
- ১৩ মে ২০০৯, ০৬:০২
- বিবিধ
প্রিন্ট করুন
- ১৭ টি মন্তব্য
-
নেহাল হাসনাইন সার্জা১৩ মে ২০০৯, ০৬:১৮
এই রকম একটা ঘটন আমি ও দেখছি, আমি মাঝের একটা সিটে ছিলাম, আমি আমার সিটে বসতে দিয়ে উঠে গেছিলাম। -
আহসান উললাহ সুমন১৩ মে ২০০৯, ০৬:৫০
আসলে মামুন ভাই আমাদের দেশের অধিকাংশ লোকের মাঝেই মা বোনদের প্রতি কোন সম্মানবোধ নেইতো তাই এ অবস্থা। ঐ লোকের বাসায় গিয়ে দেখেন হয় বউকে মারে, মাকে গালাগালি করে ইত্যাদি ইত্যাদি। সে রকম লোকদের কাছ থেকে এর বেশী কি আশা করা যায়।
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক