অবিরাম ছুটে চলেছি স্বপ্নপূরণের নেশায়...........

মে
১৭

ছবি ব্লগ - ১

সময় ০৭:১১:১৬

আমার তোলা ছবি


এটি আমার প্রথম ছবি ব্লগ। ফটোগ্রাফিতে শখ ছিল। হাতে প্রচুর সময়ও ছিল। কিন্তু ভাল মানের ক্যামেরার অভাবে ওদিকে আর যাওয়া হয়নি। এখন ক্যামেরা আছে। কিন্তু ছবি তোলার আগের সেই নেশাটা এখন আর নেই। তবু মাঝে মাঝে সাবজেক্ট পেয়ে গেলে ক্যামেরা নিয়ে কাজে লেগে যাই।

বিড়াল দু'টো আমার বাসার পাশের বিল্ডিংয়ের কার্ণিশের উপর। দু'জন আপন মনে দ'দিক থেকে হেটে আসছিল। পথের মাঝে হল দেখা। দেখাটা যে সুখকর হয়নি তা ছবিটায় পরিস্কার। ভাল কোন শিরোনাম মাথায় এলোনা। তাই শিরোনামহীন।

ছবিটা Sony S-750 Cybershot ক্যামেরায় ...

মে
১৩

চলতি পথে একদিন: মহিলা সিট বিতর্ক

সময় ১৮:০২:৩৯

চলতি পথে

ঢাকার রাস্তায় চলা লোকাল বাসগুলোতে সামনের দিকে ইন্জিনের পাশের কিছু আসন মহিলাদের জন্য নির্ধারণ করে দেয়া আছে। এই নিয়ম বহুকাল ধরেই চলে আসছে। এরপর এলো টিকেট সিস্টেম বাস সার্ভিস। প্রথম দিকে এগুলো ছিল সিটিং সার্ভিস। এরপর ধীরে ধীরে তা লোকাল বাসের মত স্ট্যান্ডিং এ্যালাউড সার্ভিসে পরিণত হয়। মজার ব্যপার হল এতে মহিলাদের জন্য আলাদা কোন আসনের ব্যবস্থা রাখা হলনা, যদিও লোকাল বাসগুলোতে এই ব্যবস্থা ছিল। ইদানিং টিকেট সিস্টেমের বাসগুলোতে ডানদিকের সারির সামনের দিকে তিনটি সিট (যেখানে মোট ৯ জন বসতে পারেন) মহিলাদের জন্য নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে।

এবার আসল গল্পে যাওয়া যাক। সেদিন শাহবাগ থেকে একটি টিকেট বাসে করে রামপুরা যাচ্ছিলাম। বসার জায়গা না পেয়ে দাড়িয়েই যেতে হচ্ছে। কাকরাইল স্টপেজে দুইজন মহিলা বাসে উঠলেন। তাদের মধ্যে একজন ছিলেন বয়স্ক। আনুমানিক ৫০ এর কাছাকাছি বয়স। অপরজন সম্ভবত তাঁর মেয়ে হবেন। তারা বাসের মহিলা সিটগুলোর সামনে গিয়ে দাড়ালেন। তাদের ঠিক সামনেই মহিলা আসনে বসে ছিলেন একজন পুরুষ। তো মেয়েটি তাকে মহিলা সিট ছেড়ে দিয়ে বয়স্ক মহিলাকে বসতে দেয়ার কথা বললেন। কিন্তু তিনি নাছোড়বান্দা। ...

মে
০৮

টাই বাঁধার কৌশল-২ : উইন্ডসর

সময় ০৯:৫৬:২৬

টুকিটাকি তথ্য টিউটোরিয়াল



ইতিপূর্বে টাই বাঁধার কৌশল-১ : ফোর-ইন-হ্যান্ড নামে পোস্ট দিয়েছিলাম। এরপর বিশাল বিরতি দিয়ে পরের পোস্ট। এজন্য প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

টাই বাঁধা একটি প্রচলিত ও জনপ্রিয় পদ্ধতি হল উইন্ডসর (Windsor)। এটাকে ফুল উইন্ডসর (Full Windsor) অথবা ডাবল উইন্ডসরও (Double Windsor) বলা হয়। ফোর-ইন-হ্যান্ড পদ্ধতির একটি বড় সমস্যা হল এটির knot প্রতিসম (Symmetric) নয়। তাই যারা সিমেট্রিক (Symmetric) এবং অপেক্ষাকৃত বড় আকারের knot পছন্দ করেন তাদের জন্য এই পদ্ধতিটি আদর্শ। Windsor টাই যেকোন ফরমাল অনুষ্ঠানে পড়ার জন্য পারফেক্ট। বহুকাল আগে ইংল্যান্ডে এটি উদ্ভাবিত হয়। এটির নামকরণ করা হয় তৎকালীন Duke of Windsor এর নামানুসারে।

সাধারণত টাইয়ের দুইপ্রান্তের মধ্যে অপেক্ষাকৃত সরু প্রান্তটি স্থির রেখে শুধুমাত্র মোটা প্রান্তটি বিভিন্নভাবে পেঁচিয়ে টাই বাঁধা হয়। একারণে মোটা প্রান্তটিকে active end এবং সরু প্রান্তটিকে passive end বলা হয়।


ধাপ-১: আপনার কলারের দুইদিকে টাইয়ের দুই অংশ উপরের ছবির মত করে ঘুরিয়ে আনুন। লক্ষ রাখবেন যেন টাইয়ের সরু প্রান্তের দৈর্ঘ্য প্রায় ১ ফুট ...

এপ্রিল
২৭

বুর্জ দুবাই: আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন

সময় ১৮:৫৮:১০

টুকিটাকি তথ্য


বুর্জ দুবাইয়ের বর্তমান অবস্থা

পৃথিবীর সর্বোচ্চ স্থাপনা কোনটি তা নিয়ে বহুকাল ধরেই একটা বিতর্ক চলছিল। এর মধ্যে কোনটি ছিল সর্বোচ্চ কাঠামো, কোনটি সর্বোচ্চ মানুষের বাসযোগ্য কাঠামো (অর্থাৎ রেডিও স্টেশন বা টাওয়ার নয়), কোনটি মুক্তভাবে দাড়িয়ে থাকা সর্বোচ্চ কাঠামো। তাই এককভাবে শীর্ষ স্থপনার দাবীদার ছিলনা কোনটিই। কিন্তু সব বিতর্কের বুঝি অবসান হতে চললো। কারন অচিরেই সবগুলো রেকর্ড নিজের করে নিয়ে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে বুর্জ দুবাই। সন্দেহ নেই যে এটা ছবির মত সাজানো দুবাই শহরের মর্যাদা আরো অনেকখানি বাড়িয়ে দেবে। অবশ্য তাতে বাঙালি হিসেবে আমরা খুশী হবার কোন কারণ খুঁজে না পেলেও মানুষ হিসেবে ব্যপারটা আমাদের জন্য গর্বের। কারণ আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্নটাকে সত্যি করার আরো কাছে চলে গেলাম আমরা।

এক নজরে বুর্জ দুবাই:

নির্মাণ কাজ শুরু: ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০০৪
নির্মান কাজ শেষ হবে: সেপ্টেম্বর, ২০০৯
উচ্চতা: ৮১৮ মিটার (২,৬৮৪ ফিট)
সর্বোচ্চ উচ্চতা অর্জন: ১৭ই জানুয়ারি, ২০০৯
বাসযোগ্য ফ্লোরের সংখ্যা: ...

এপ্রিল
০৩

টাই বাঁধার কৌশল-১ : ফোর-ইন-হ্যান্ড

সময় ১১:৪২:২৬

টুকিটাকি তথ্য টিউটোরিয়াল



টাই বাঁধার বিভিন্ন পদ্ধতির মধ্যে সবচেয়ে সহজ আর জনপ্রিয় হল ফোর-ইন-হ্যান্ড (four-in-hand)। সাধারণত মোটা সুতার এবং বেশী প্রস্থের টাইগুলো এইভাবে বাঁধলে সবচেয়ে ভাল মানায়। ফোর-ইন-হ্যান্ড টাই যেকোন অনুষ্ঠানে কিংবা অফিসে পড়ার জন্য একদম পারফেক্ট। বহুকাল আগে ইংল্যান্ডে এটি উদ্ভাবিত হয়। এত বছর পরেও এটি টাই বাঁধার সবচেয়ে প্রচলিত পদ্ধতি।

সাধারণত টাইয়ের দুইপ্রান্তের মধ্যে অপেক্ষাকৃত সরু প্রান্তটি স্থির রেখে শুধুমাত্র মোটা প্রান্তটি বিভিন্নভাবে পেঁচিয়ে টাই বাঁধা হয়। একারণে মোটা প্রান্তটিকে active end এবং সরু প্রান্তটিকে passive end বলা হয়।


ধাপ-১: আপনার কলারের দুইদিকে টাইয়ের দুই অংশ উপরের ছবির মত করে ঘুরিয়ে আনুন। লক্ষ রাখবেন যেন টাইয়ের মোটা প্রান্ত সরু প্রান্তের চেয়ে প্রায় ১ ফুট লম্বা থাকে।


ধাপ-২: এবার মোটা প্রান্তটি সরু প্রান্তের উপর দিয়ে ঘুরিয়ে নিচে নিয়ে যান।


ধাপ-৩: আবার উপরে নিয়ে আসুন। লক্ষ করুন সব ক্ষেত্রেই সরু প্রান্তটি ঠিক রেখে ...

মার্চ
২৮

বিদেশী সংবাদপত্রে ১৯৭১: সুজন ভাইয়ের ধারাবাহিক পোস্টের সংকলিত ই-বুক (রিপোস্ট)

সময় ২০:৩১:১৯



১৯৭১ এর যুদ্ধ নিজ চোখে দেখেছেন এমন বেশীরভাগ মানুষই হয়ত আর বেঁচে নেই। কিন্তু যারা আছেন তারাও কি নতুন প্রজন্মের কাছে ইতিহাস অবিক্রিতভাবে পৌঁছে দিতে পেরেছেন? যাই হোক এ নিয়ে আর বেশী কিছু বলতে চাইনা। শুধু এইটুকু বলতে চাই নিজেদের প্রাণপ্রিয় মাতৃভূমি কিভাবে স্বাধীন হল, '৭১ এ কি কি ঘটেছিল, কারা দেশের জন্য বুকের তাজা রক্ত হাসিমুখে বিলিয়ে দিল, আর কারাই বা ছিল স্বাধীনতার শত্রু, সেই সময়ে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিই বা কেমন ছিল, বিদেশীরাই বা এই যুদ্ধকে কিভাবে দেখেছিল তা আমাদের সবাইকে জানতে হবে। কারণ নিজেদের ইতিহাস না জানা অত্যন্ত লজ্জার, এর ফলে আমরা দেশের পরিক্ষীত বন্ধু আর শত্রুদের চিনতে পারবনা। নতুন প্রজন্মের কাছে এই ইতিহাস পৌঁছে দেয়ার একটি মাধ্যম হতে পারে একাত্তরে প্রকাশিত বিভিন্ন দেশী-বিদেশী সংবাদপত্র। এ থেকে আমরা '৭১ এর সামগ্রিক চিত্র সম্পর্কে একটা ধারণ লাভ করতে পারি। আমাদের নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস পৌছে দেয়ার একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস এই বইটি।

ব্লগার সুজন ভাই '৭১ এ প্রকাশিত বিভিন্ন বিদেশী সংবাদপত্র নিয়ে প্রথম আলো ...

  • ১৪টি মন্তব্য

মার্চ
২৬

বিদেশী সংবাদপত্রে ১৯৭১: সুজন ভাইয়ের ধারাবাহিক পোস্টের সংকলিত ই-বুক

সময় ১৩:৫৫:৪১

হৃদয়ে '৭১



১৯৭১ এর যুদ্ধ নিজ চোখে দেখেছেন এমন বেশীরভাগ মানুষই হয়ত আর বেঁচে নেই। কিন্তু যারা আছেন তারাও কি নতুন প্রজন্মের কাছে ইতিহাস অবিক্রিতভাবে পৌঁছে দিতে পেরেছেন? যাই হোক এ নিয়ে আর বেশী কিছু বলতে চাইনা। শুধু এইটুকু বলতে চাই নিজেদের প্রাণপ্রিয় মাতৃভূমি কিভাবে স্বাধীন হল, '৭১ এ কি কি ঘটেছিল, কারা দেশের জন্য বুকের তাজা রক্ত হাসিমুখে বিলিয়ে দিল, আর কারাই বা ছিল স্বাধীনতার শত্রু, সেই সময়ে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিই বা কেমন ছিল, বিদেশীরাই বা এই যুদ্ধকে কিভাবে দেখেছিল তা আমাদের সবাইকে জানতে হবে। কারণ নিজেদের ইতিহাস না জানা অত্যন্ত লজ্জার, এর ফলে আমরা দেশের পরিক্ষীত বন্ধু আর শত্রুদের চিনতে পারবনা। নতুন প্রজন্মের কাছে এই ইতিহাস পৌঁছে দেয়ার একটি মাধ্যম হতে পারে একাত্তরে প্রকাশিত বিভিন্ন দেশী-বিদেশী সংবাদপত্র। এ থেকে আমরা '৭১ এর সামগ্রিক চিত্র সম্পর্কে একটা ধারণ লাভ করতে পারি। আমাদের নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস পৌছে দেয়ার একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস এই বইটি।

ব্লগার সুজন ভাই '৭১ এ প্রকাশিত বিভিন্ন বিদেশী সংবাদপত্র নিয়ে প্রথম আলো ...

মার্চ
২২

ইয়াহু মেসেন্জার ইন্সটল করুন অফলাইনে থেকে !!!

সময় ১৩:৪৩:৪০

প্রযুক্তির খুটখাট


ভাইরাস সহ বিভিন্ন সমস্যায় আমাদের প্রায়ই পিসি নতুন করে সেটআপ করতে হয়। নতুন করে সিস্টেম সেটআপ এর সবচেয়ে বিরক্তিকর দিক হল প্রায় সবগুলো সফটওয়্যার আবার নতুন করে ইন্সটল দেয়া। এর মধ্যে আবার কিছু কিছু সফটওয়্যার ইন্সটল করতে হয় অনলাইনে গিয়ে। যেমন, ইয়াহু মেসেন্জার। এটা ইন্সটল করতে চাইলে প্রতিবার নতুন করে ডাউনলোড হয়ে তারপর ইন্সটল হয়। আর এই ডাউনলোড রিজিউম সাপোর্ট করেনা, মানে কোন কারণে একবার ডাউনলোড থেমে গেলে আবার নতুন করে পুরোটা ডাউনলোড করা লাগে, যা খুবই বিরক্তিকর ও সময়সাধ্য।

এই বিপত্তি থেকে উদ্ধারের জন্য আছে ইয়াহুর অফলাইন ইন্সটলার। এটি একবার ডাউনলোড করে কম্পিউটারে সি ছাড়া অন্য কোন ড্রাইভে রেখে দিন। তারপর যেকোন সময় ইন্টারনেটে কানেক্টেড না হয়েও ইন্সটল করুন।

নিচের লিন্কটি থেকে সরাসরি ডাউনলোড করতে পারেন:

http://download.yahoo.com/dl/msgr9/us/ymsgr9us.exe

আর যদি ৯ম ভার্সন ডাউনলোড না করে পুরোনো অন্যকোন ভার্সন ডাউনলোড করতে চান, তাহলে উপরে উল্লিখিত লিন্কে 9 এর জায়গায় অন্য ভার্সনটি লিখতে হবে। যেমন, ...

মার্চ
১৩

বসুন্ধরায় আগুন: আপডেট !!!

সময় ১৭:৫৭:৩৮

আইজিপি, RAB এর মহাপরিচালক এবং এফ বি সি সি আই সভাপতি আনিসুল হক এই মাত্র ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের জানালেন, কোনো নিহত হবার খবর পাওয়া যায়নি। কোন লুটপাটের খবরও নেই। ৮ তলা বিশিষ্ট শপিং কমপ্লেক্সেরও কোনো ক্ষতি হয়নি।

পুরোনো খবর জানতে চাইলে: ক্লিক ...

মার্চ
১৩

বসুন্ধরা সিটিতে আগুন: আসুন সবাই প্রার্থনা করি

সময় ১৬:০১:৩০


২০০৯ সালের শুরুটা আমাদের জন্য এমন হবে তা হ্যাপী নিউ ইয়ার পালনের সময় কেউ কল্পনা করতে পারিনি। ফেব্রুয়ারী গেল বিডিআর বিদ্রোহে, আগামী ১০ বছরেও এর ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারব কিনা জানিনা। যার রেশ না কাটতে মার্চেই আবার আমাদের দেশের গর্ব বৃহত্তম শপিং মল ও অফিস কমপ্লেক্সে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড। জানিনা এদেশে এসব কি হচ্ছে, কেন হচ্ছে।

এখনও বোঝা যাচ্ছেনা কিভাবে এই আগুন নেভানো সম্ভব হবে। এখন পর্যন্ত খবর হল আগুন ১৮/১৯ তলা থেকে শুরু হয়ে ১২ তলা পর্যন্ত চলে এসেছে এবং আরও নেমে আসছে। বাইরের কাঁচের দেয়াল ভেঙ্গে ভেঙ্গে নিচে পড়ছে। আশেপাশের বেশ কিছু ফার্নিচারের দোকানে এই কাঁচের টুকরা থেকে আগুন লেগেছে এবং ভষ্মীভূত হয়ে গেছে। মানুষজন ২০ তলার উপর থেকে দড়ি বেয়ে নিচে নামার চেষ্টা চালাচ্ছেন। উদ্ধার ব্যাবস্থাও অপ্রতুল। নিরাপত্তা কর্মীরা জানান, ভবনের ১৮ ও ১৯ তলার বসুন্ধরা সিটির কর্পোরেট কার্যালয় থেকে এ আগুন লেগেছে। পরে তা অন্যান্য ফ্লোরে ছড়িয়ে পড়েছে। মার্কেটের ভেতরে বহু সংখ্যক মানুষ আটকা পড়েছে। তাদেরকে বিকল্প ব্যবস্থায় বের করে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। জানিনা আরও কত ...

  • ১৭টি মন্তব্য

প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা ১২১৫