কষ্ট

জানুয়ারি
০৫

আইইউটা(IUTAA)র রিইউনিয়ন ও নির্বাচন ২০১০// নব নির্বাচিত কমিটি

সময় ০৩:১২:৪০

সাধারণ


আইইউটি(IUT) র ইতিহাস খুব বেশী দিনের না হলেও দেখতে দেখতে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারীং কোর্সের ইলকেট্রিক্যাল, মেকানিক্যাল ও কম্পিউটার বিভাগের মোট ১০টি ব্যাচ সফলতার সাথে কৃতকার্য হয়ে প্রফশেনাল জগতে প্রবেশ করেছে। দেশের ভেতরে এবং বাইরে সর্বত্রই আইইউটি হতে পাস আউট ছেলেরা ভাল করে চলেছে।
আইইউটি হতে পাস আউট ছাত্রদের প্রানের সংগঠন আইইউটা এর দ্বিতীয় পুনর্মিলনী ও নির্বাচন অনুষ্টিত হয়ে গেলো গত ১ লা জানুয়ারী, নব বর্ষের প্রথম দিন । ভ্যানু ছিল আইইউটি ক্যাম্পাসের মনোরম পরিবেশ এবং অডিটরিয়াম।বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন]

আইইটা(IUTAA) র নবনির্বাচিত কমিটির রূপটি নিম্নের মতঃ-

প্রেসিডেন্টঃ
মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা ( স্টুডেন্ট আইডি- ৯৬২৪১৬)

ভাইস প্রেসিডেন্টঃ
মারুফ আযম ( অভি) ( ৯৮২৪৪৬)

জেনারেল সেক্রেটারীঃ
মোহাম্মদ রেজাউল করিম রিজভী ( ৯৯২৪৩৮)

এসিটেন্ট জেনারেল সেক্রেটারীঃ
সৈয়দ ফারহান রেজা ( ৯৯২৪৪৬)

পাবলিকেশন সেক্রেটারীঃ
মামুন মঞ্জুরুল আজিজ (৯৮২৪১৮)

ট্রেজারারঃ
মোঃ মাহবুব উল ইসলাম (৯৬২৪৩১)

ওরগানাইজেশন সেক্রেটারীঃ

  • ০টি মন্তব্য

ডিসেম্বর
০৭

সরকারি ল্যান্ড ফোনের ক্ষমতা আরেক কোটি বাড়বে--স্বপ্নে বিভোর হবার মত একটা বুলি / অথবা প্রমিস

সময় ১১:৫৩:৪৭

সমসাময়িক

সরকারি ল্যান্ড ফোনের ক্ষমতা আরেক কোটি বাড়বে
বিডি নিউজের খবরটি পড়ে আর এক দু লাইন না লিখে পারলাম না।
আসলে মুখ আছেই বলার জন্য। যেমন এই হাত , পিসি আর ব্লগ আছে আমার লেখার জন্য , তবে মুখের সাথে পার্থক্য হচ্ছে-এইসব ব্লগের লেখা সেন্সরড হতে পারে, মুছে দিতে পারে কেউ, মুখের কথা মুছবে কে?
তারউপর যদি সর্বোচ্চ পর্যায় এর মুখ থেকে উচ্চারিকত হয় বেদবাক্য ধরা যাবে না, কিন্তু কাছাকাছি তো বটেই । কারন তাহারা মন্ত্রী।অনেক বড় পজিশন।
ল্যান্ড ফোন যাহা সরকারী ঘরানার তাহা প্রদায়ক প্রতিষ্ঠান আজ কোম্পনী হয়েছে যাহার নাম বিটিসিএল।
যে কোম্পনীর ঘরের ভেতর সবই আগোছালো......কারন আনসিস্টেমেটিকএবং আন প্লানড এবং অসম্পর্ণ ট্রান্সফরমেশন।
মাত্র ১০ লাখ ফোন আগামী এক বছরে কি ধরনের আলাদিনের চেরাগ পেয়ে ১ কোটি তে পরিণত হবে তাই ভাবছি।
টেলিকম প্রকৌশলী হিসেবে ভাবনা স্বার্থকতা পাবেই আর না পেলে বুঝতে হবে আমার অজ্ঞতা। কারন মন্ত্রী বলেছেন যখন , নিশ্চয় হবেই, কোন পরিকল্পনা হয়তো থেকে থাকবে, যাহা আমি জানি না।

তবে আমি জানি বিটিসিএল তার আভ্যন্তরীন অর্গানোগ্রাম আর কর্মচারীর ...

  • ৩টি মন্তব্য

সেপ্টেম্বর
১৯

২০৪ জন কয়েদিকে ঈদ উপলক্ষে কারাগার থেকে মুক্তি দেয়া হয়েছে এবং একটি নিছক গল্প।

সময় ০৮:২৩:৪২

সমসাময়িক ভাবনায়-পথিক

একটা নিছক গল্প--- ছেলেটা গোবেচারাও ছিলনা ,উচ্ছৃংখলও ছিলনা। স্বাভাবিক ছিল, তবে মনে মনে অস্থির ছিল, বয়সটাই ওমন। মাত্র অনার্স ফাস্ট ইয়ারে পড়ে ঢাকার কোন এক সেকেন্ড গ্রেড বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে। বয়স কত আর হবে, বড়জোড় আঠারো পেরিয়ে থাকবে। মনে নানান থ্রিলার আর অ্যাডভেঞ্চার ঘুরে ফিরে মুখ থুবড়ে পড়ে তার। তারপর নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের নিম্ন মধ্যবিত্ত বাস্তবতা আর একাকী ঢাকায় মেস জীবনের রূঢ়তার আলিঙ্গনে কেটে যায় সাধারণভাবেই দিন আর পড়াশোনা তার। হঠাৎ কোন এক বিশেষ দাবীদাওয়াতে কলেজের কোন এক অরাজনৈতিক সংগঠন বিক্ষোভ শুরু করে। ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে যারা সেই দাবী যৌক্তিক ভেবে নিয়ে আন্দোলনে জীবনে প্রথম বারের মত হলেও যোগদেয়, সেই ছেলেটিও সেই দলের ছিল। কিন্তু বিষয়টি আর অরাজনৈতিক থাকেনি। ঐতিহ্য অনুযায়ী সেটাও এক সময় রাজনৈতিক আবহর ঘোরটপে পড়ে যায় যদিও সেই ছাত্রদের কাছে তখনও সেটা সেই পরিচয়ে পরিচিত হয় নি। রাস্তায় গাড়ী অবরোধ জাতীয় অপকর্ম টাইপ কর্মসূচির সময় অনেকের সাথে সেই ছেলেটিও পাওড়াও হয় পুলিশের কাছে। জামিন দেয়ার তাৎক্ষণিক কেউ না থাকায় একদিন পরেই কারাগারেও চালান হয়। তারপর ...সেখানে কাটে তার ১৩ টি দিবস। ...

  • ৩টি মন্তব্য

আগস্ট
১০

বাতাস আর সময় ভেতরে আমার

সময় ২৩:৫৫:২০

কবিতা

দুদিন আগে কিংবা দুদিন পরে...
বোঝার দরকার নেই, কেউ কিছূই বোছেনা
ওমন দাবী তো মেঘও করে - বৃষ্টি তার দান,
আসলে ও বৃষ্টি জল আমাদের ধরনীরই তরল।
বিচলতা, উৎকণ্ঠা, আকুলতা, অস্থিরতা কিংবা
অন্য যাই -এই যেমন বেদনা বা অবচেতন যন্ত্রনা-বল
কিছূ না , সে সব কিছূ , সময়ের বাহন ওগুলো সব;
তুমি দাঁড়িয়ে ঠায়, কিংবা আমি নির্ঘুম ...দুবুক চীরে
কষ্টের তীক্ষè সূতো এফোঁর ওফোঁর...ও কিছূ না
ও কেবল সময়ের বর্শা নিক্ষেপ খেলা, মাঝে এসে
পড়েছি দুজন ...সময় বয়ে যাবে, চলে যাব তুমি আমি
সূতো পঁচে যাবে , বাতাস অদৃশ্য হবে তাই
বাতাসে নির্মিলিত নিলম্বিত হরর দৃশ্য কত
বাতাস ধরে ধরে ঝুলে থাকি সময়ের কূপে...
বাতাস পিছলে যায়, আমি পড়ে থাকি অথবা
পড়ে থাকে সময়। বাতাস কিছূ নয়...ভাবনার রেফারেন্স;
তুমি কিছু নয় , তুমি ভালবাসার উল্টো পিঠ আমার...
এ পিঠ ওপিঠ মিলবে তবে সময় যেদিন বাতাস হবে।
বাতাস আর সময় ভেতরে আমার , বাইরে তবে কি?
ঐ যে দুদিন আগে কিংবা দুদিন পরে...
বোঝার দরকারটাই বা কি...
অনিশ্চিত নিশ্চিত দৃশ্যমান অদৃশ্য যে সব।


  • ১টি মন্তব্য

জুলাই
১৪

সময় ০৬:৪৫:০৮

সকালে অফিসে বসের টেবিলে এক নজরে পড়ে ফেলার পর মনে পদ্মাসন দখল করে নিয়েছিল আষাঢ়ে গপ্প খানি। আজকের রস+আলো তে ( প্রথম আলো ফান ম্যাগ.) আষাঢ়ে গল্পের আসরে আরিফ জেবতিকের `যে গল্পটি পুরষ্কার পেয়েছিল' শীর্ষক রম্য রসাত্মক পিন্চ বাক্যালাপের কথাই বলছি। ...
উনি মানে বাংলা ব্লগের মাঝে তোতা মিয়া চরিত্র রূপায়ক, বাস্তবতাকে আষাঢ়ের ছাঁচে ফেলে যে আষাঢ়ে কর্ম টা অনাষাঢ়ে মানে অনাবৃষ্টিতে সংঘটন করেছেন তার তুলনা খুঁজবনা , একটু পড়ে ই দেখুন প্রশংসা ই করা বাঞ্চনিয়া হবে বিধাই তাই করলাম।


আরিফ জেবতিক ভাইজানকে সেলুট উইথ হেটস ...

  • ০টি মন্তব্য

জুন
২১

‘ঘড়ির সময় এক ঘন্টা পরিবর্তন ....ঐ টা আবার কি ..কখন হৈলো?’--ভাবতে থাকুন

সময় ১৪:১৩:৫০

সাধারণ সমসাময়িক ফিচার

অনেক দিন লেখা টেখা হয়না। না ব্লগে না খাতায়, না পাতায়। সময় পাইনা।
সময়কে কি আর আসলে পাওয়া যায়, সময়ের কাছে ধরা দিতে হয়, এই ধরা দেয়ার কাজটি করা সম্ভব , কিন্তু তাও করা সম্ভব হচ্ছে না। পুরাতন শত্র“তা সময়ের মাঝে নির্জন গুঞ্জন তুলে বিগড়ে দিয়েছে তার মন আমার প্রতি বিরূপতায়।
অধুনা ঘড়িতে সময়এক ঘন্টা এগিয়ে দেয়ার মত পুরষ্কার দেয়া হলো সময় কে। তবে মাঝে এক ঘন্টা চিরতরে উধাও হওয়ায় সমযের মাঝে অবোধ্য উচাটন ভাব জেগে উঠতে পারে ...যদিও উঠবে না , কারন সময আপন গতিতে বহমান , কারই বা ধার সে ধারে বলুন?
সময়ের আপন মাঝে কোন তরঙ্গ ঢেউ না খেললেও তার এই এক ঘন্টা অগ্রগামীতার পরিবর্তন আমারে গতকাল বেশ কষ্ট দিয়েছে ...সেই সুদূঢ় ঢাকা হতে মুন্সীগঞ্জ কর্মস্থলে ছুটির দিনেও গাড়ীবিনে আমাকে ছুটে আসতে হলো , সিস্টেমে একটা ছোট কমান্ড দিয়ে সময় এর হিসেবটা এক ঘন্টা আগায়ে দেয়ার জন্য। উহ! ঘন্টা আগানোতে সময়ের উপর রোদের তেজ একটুও কমেনি...ভেবেছিলাম বাপু এক ঘন্টা বেশী আলো আর রোদ দিবি তা রয়ে সয়েই দেবে...বরং তেজ যেন আরও একটু বাড়তিই..
বাসায় ফিরে দুপুরের আর বিকেলের মাঝে সম্বনয় করতে করতেই সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসে এক ঘন্টা এগানোর প্রথম দিনে। এদিকে

  • ৩টি মন্তব্য

জুন
১১

আইসিএল এর নিষিদ্ধ খেলোয়াড়দের মধ্যে মূল ধারার খেলায় প্রথম প্রত্যাবর্তন পাকিস্তানের আবদুর রাজ্জাকের

সময় ০৮:২৩:২১

সমসাময়িক

আইসিএল এর নিষিদ্ধ খেলোয়াড়েদের মধ্যে মূল ধারার খেলায় মানে এখন চালু টি২০ বিশ্বকাপে খেলার মধ্য দিয়ে প্রথম প্রত্যাবর্তন হতে যাচ্ছে পাকিস্তানের আবদুর রাজ্জাকের

পাকিস্তানের দুজন টি২০এর দলের খেলোয়াড় ( ইয়াসির আরাফাত এবং সোহেল) আহত হওয়ায় তাদের পরিবর্তিত খেলোয়াড় হিসবে একজনের মধ্যে আব্দুর রাজ্জাককে নেয়ার অনুমিত চেয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড আইসিসিকে অনুরোধ জানানোর পর আইসিসির চীফ এক্সিকিউটিভ হারুন লরগাট বিষয়টি অনুমোদন করে দেয়।

ঐতিহাসিক এই ঘটনার মধ্য দিয়ে আইসিসির অচ্ছুৎ কিকেটার রা আবার ফিরে আসার সুযোগ পেলে মূল ধারার খেলায়।

এইজন্যই ওরা এগিয়ে...তড়িৎ সিদ্ধান্ত নিতে পারল প্রয়োজনে। আমরা কিন্তু পারতাম , পারি না। আমারা দেখে দেখে শিখি, আমরা কোন দৃষ্টান্ত গড়তে পারি না। কেনো?

আশা করি শীঘ্রই শুভবুদ্ধির উদয় হবে এবং আমাদের আইসিএল থেকে ফিরতে চাওয়া ও ক্ষমা প্রার্থী খেলোয়াড়দের যোগ্যতা অনুযায়ী সুযোগ দেয়া হবে এবং সেটা দেশের বৃহত্তর স্বার্থে...........

জিমি সিডন্স সম্ভবত সেই রকম একট ইঙ্গিত ও ...

  • ১টি মন্তব্য

জুন
০৮

আমাদের লজ্জাকে আকাশচুম্বী করে দিল .........

সময় ২২:৪৬:২২

সমসাময়িক

ভারতের সাথে মিডল ওর্ডারে বাজে দক্ষতা প্রদর্শনের পর অনেক মানুষের মুখে হা হুতাশ ছিল- দেখো আয়ারল্যান্ডের সাথে ঠিকই হাইরা বইবো...
সেই সব মানুষগুলারে জ্যোতিষ ভাবার কোন দরকার নেই, তারা কেবল পূর্ব ইতিহাস থেকে ভয়ের আশংকা করেছিল মাত্র। আমাদের সোনার টুকরো আশরাফুল বাহিনীর নাদান বালক গুলা আশংকাকে বাস্তবতায় নিমজ্জিত করে বুক চেতিয়ে সাঁতার কাটলো আজ অকুল পাথারে।
সেদিনই কিছু লেখার বাসনা উচ্চকিত হৈছিল মনে, সেদিন মানে ভারতের সাথে হারার পর। আশায় ছিলাম..আয়ারল্যান্ড কে তো গুড়িয়ে দেবেই।

কিন্তু হতাশ আমরা ১৫ কোটি বাংগালী। আর সামান্য সংখ্যাক মানুষের দেশ আয়ারল্যান্ডের অনেক নাগরিকই হয়তো এই জেতার খবরে কোন আগ্রই রাখেনা। তবুও ওরা যেতে , বারবার বিশ্বকাপে আমাদের লজ্জাকে আকাশচুম্বি করে দিয়ে।

আসলে বলতে গেলে বেশী বলা হয়ে যাবে, তবুও বলব আমাদের এই টীম টা ২০-২০ এর কোন আদর্শ টীম হয়নি। পুরো দলে মাত্র ফুলফেজ অলরাউন্ডার একমাত্র সাকিব আর মাহমুদউল্লাহ।
তাও মাহমুদউল্লাহার হাতে নেই বাউন্ডারী পার করানোর মত কব্জির জোড়, নেই মুশফিকের হাতে, নেই রকিবুলের হাতে, ব্যটিং পারে না রুবেল...
অন্যদেশের দল গুলোর ...

  • ৮টি মন্তব্য

জুন
০৬

কলা শার্ট, বাঁশের ফাইবার, কম্পন হতে বিদ্যুৎ এবং ছাদে বাগান করে ঠান্ডা ঘর...জাপানের নতুন প্রযুক্তি

সময় ১৩:৩৬:২১

ভাবনায়-পথিক অনুবাদ

গ্লোবাল ভয়েস অনলাইনের একটি প্রতিবেদন বাংলা অনুবাদ করার সময় উক্ত পোষ্টের থেকে জ্ঞাত জাপানের কিছু ব্যতিক্রমী এবং কার্যকরী উদ্ভাবনার প্রতি সবার দৃষ্টি নিবন্ধন করার উদ্দেশ্যে সেই পোষ্ট থেকে হুবুহ বাংলা করা কয়েকটি প‌্যারা তুলে দেয়ার ইচ্ছায় এই পোষ্টের অবতারণা করা হচ্ছে।

একটু ভূমিকা নিতে গেলে বলতে হয়...বর্ধিষ্ণু জনসংখ্যার এই পৃথিবীর বুকে টিকে থাকতে হলে বর্তমানে মানুষকে অনেক নব প্রযুক্তির উদ্ভব ঘটিয়ে চলতেই হবে...এই গেড়াকলে আটকে গেছে সভ্য মানুষ।
প্রযুক্তির এই উদ্ভাবন দৌড়ে পিছিয়ে পড়াই অনুন্নয়নের বর্তমান কারন।
এই যেমন দেখুন বাংলাদেশে কয়েকদিন আগে পত্র পত্রিকায় ব্লগসমূহে একটা খবর বেশ চাউর হয়েছিল: পাথড়কূচি পাতা দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন , কিন্তু খবরের পরেই সেটা থেমে গেছে ..হয়তো এর আর কোন অগ্রগতি আমরা কোন দিন শূনবোও না আর। হতে পারে ঐ প্রযুক্তি ভায়াবল নয় তথাপি গবেষণা এগিয়ে নিতে হয়...তাহলে নতুন দিক উন্মোচন হয়....
কিন্তু সম্ভব নয়---কারন উই আর পুয়র বিকস উই আর পুয়র।

গ্লোবাল ভয়েস অনলাইনের সেই পোষ্টটির মূল ইংরেজী ...

জুন
০৫

ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে নিয়ে গেলে ...কি হবে ভাবছি

সময় ১৫:০০:২৬

সমসাময়িক ভাবনায়-পথিক

দেশের আলোচিত খবর : আগামী ১৯ জুন রাত হতে বিদ্যুত সাশ্রয়ে ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে আনা হবে।
ঘটনাটা তেমন জটিল না হলেও ভাবতে গেলে সরল সোজা মাথায়একটু
জট খেলে যায়। (না গেলে বুঝবেন আপনি সরল না)।

আসলে এই উদ্ভট( এখনো পর্যন্ত বাংগালীর কাছে অন্তত) পরিবর্তন দ্বারা কি এমন লাভ হবে জাতির উন্নয়নের ভাগ্যাকাশে?
আসলেই কত টা বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে এই ঘড়ির কাটা আগানোর খেলায় ?

এই প্রশ্নগুলোর স্পষ্ট নির্দেশনা জাতির জানার অধিকার আছে , তাই নয় কি?

অনেক ভেবে আমি কি বুঝলাম বলি,

এখন গ্রীষ্মকালে সূর্য উঠছে মোটামুটি ভোর ৫.০০ টায় ,
ঐ দিন মানে ১৯ তারিখ রাতে ১১টাকে পরবর্তি দিনের ১২টা করে পরিবর্তন করে নেয়ার পর. সেই সকালে সূর্য উঠবে তাইলে ..৬.০০ টায়।
এটাই তো পরিবর্তন স্টাইলটা, না কি?

প্রতিদিন যেখানে আমাকে অফিসে পৌঁছানোর কথা ৯.০০ টায় সেইটা পরিবর্তিত অবস্থায় ৯.০০ মানে হবে আগের অবস্থার ৮.০০ টা হবে।
আলটিমেটলি এভাবে ১ ঘন্টা অফিসে আগে যেতে হচ্ছে।


এবার দেখা যাক দিন শেষের হিসাব। সূর্য ডুবছে, ৬:৪৫ মিনিটের আগে পরে। ঘড়ি এগিয়ে দিয়ে এটাকে ৭টা ৪৫ মিনিট করা হলে দেখা যাচ্ছে ...

প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা ১২১৫