সূর্যগ্রহণে ইবাদত এবং কুসংস্কার : ধর্মীয় ও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি আছে কি?
আজ সূর্যগ্রগণ। সকালে গ্রহণের সময়টাতে রুমা নামাজে দাড়িয়ে গেলো। এ সময় নাকি বেশী বেশী ইবাদত করার নিয়ম। এ ধরনের কোন ধর্মীয় নির্দেশনা আছে কি? জানালে কৃতজ্ঞ থাকবো।
আর আমার পাশের বাসার এক ভাবী (ডাক্তার) নুতন মা হতে চলেছেন। শুনলাম তার মা নাকি গ্রহনের ২-৩ ঘন্টার মধ্যে কোন কিছু খেতে দেননি, শুতে দেননি এমনকি কাত হতেও দেননি যদি অনাগত সন্তানের ক্ষতি হয়!
জানি এর কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই তবু এ ধরনের কুসংষ্কার কখন থেকে শুরু হলো জানতে ইচ্ছে করছে।
আর আমার পাশের বাসার এক ভাবী (ডাক্তার) নুতন মা হতে চলেছেন। শুনলাম তার মা নাকি গ্রহনের ২-৩ ঘন্টার মধ্যে কোন কিছু খেতে দেননি, শুতে দেননি এমনকি কাত হতেও দেননি যদি অনাগত সন্তানের ক্ষতি হয়!
জানি এর কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই তবু এ ধরনের কুসংষ্কার কখন থেকে শুরু হলো জানতে ইচ্ছে করছে।
লেখক মাহমুদ
- মাহমুদ -এর ব্লগ
- ৬৯ টি মন্তব্য
- ২২ জুলাই ২০০৯, ১০:৩১
- বিবিধ
প্রিন্ট করুন
- ৬৯ টি মন্তব্য
-
মাভেরিক২২ জুলাই ২০০৯, ০১:১৪
চন্দ্রগ্রহণ এবং সূর্যগ্রহণ মানুষের জন্য মহান আল্লাহর দুটি নিদর্শন। একটি বর্ণনায় আছে, পবিত্র রাসুল মুহম্মদ (সঃ) এর সময়ে, তাঁর পুত্র ইব্রাহীম যেদিন ইন্তেকাল করেন, সেদিন সূর্যগ্রহণ হয়েছিল। কিছু কুসংস্কারাচ্ছান্ন লোক বলতে লাগল, শিশুপুত্রের মৃত্য এবং রাসুলের বিষণ্ণতার কারণে গ্রহণটি হয়েছিল।
রাসুল (সঃ) তাদের সংশোধন করে দিলেন এই বলে, চন্দ্র ও সূর্যের গ্রহণ কারো মৃত্যু কিংবা জীবনের জন্য ঘটে না; তারা মহান আল্লাহর দুটি নিদর্শন। তোমরা যখন তা অবলোকন করবে, দাঁড়িয়ে যেও এবং প্রার্থনা করো।
উম্মুল মুমেনীন আয়েশা (রাঃ) রাসুলের কথা বর্ণনা করেন, "সূর্য ও চন্দ্র আল্লাহর নিদর্শনসমূহের মধ্যে দুটি নিদর্শন। কারো মৃত্যু কিংবা জীবনের জন্য তাদের গ্রহণ ঘটে না। তোমরা যখন গ্রহণ দেখবে, আল্লাহকে স্মরণ করো, তাকবীর বলো, প্রার্থনা করো এবং সাদকা দাও"।
ইসলামে কুসংস্কারের স্থান নেই। আল্লাহর নিদর্শনে মুগ্ধ হয়ে আল্লাহকে স্মরণ করা, মানুষকে অহংবোধ থেকে রক্ষা করে এবং পরোপকারে ধাবিত করে। -
জেড এইচ সৈকত২২ জুলাই ২০০৯, ০১:১৪
আমি কোথায় যেন পড়েছি দেখি যদি খুঁজে বের করতে পারি দলিল সহ পোস্ট দিব।ধর্মে ইবাদতের কথা বলা আছে। -
সৌম্য২২ জুলাই ২০০৯, ০২:৪৯
ধর্মের ব্যাপারটা বিশ্বাসের। এর গুরুত্ব মানুষের জন্যে অপরিসীম। আর বিজ্ঞানটা হলো যুক্তি তর্কের। এটার গুরুত্বও অপরিসীম।
ধর্ম রিলেটেড পোস্টে কখনো কমেন্ট করি না। আজকে করলাম।
-
পথে-প্রান্তরে২২ জুলাই ২০০৯, ০৬:৩৭
এখানে দেখছি কুসংস্কার ধর্ম এবং বিজ্ঞান মিলেমিশে একাকার । আমি ভালো রেফারেন্স এর অপেক্ষায় রইলাম । এরকম একটা পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ মাহমুদ ভাই । -
এইচ এম মোশাররফ২২ জুলাই ২০০৯, ১০:৪৫
আমি কোনো পত্রিকা তে পড়েছিলাম, অধিকাংশ বিজ্ঞাণীরা গর্ভবতী নারীদের সমস্যা টা বিশ্বাস করে। -
ইঊসুফ২২ জুলাই ২০০৯, ০৪:৩৮
বুখারী ও মুসলিম শরীফে আছে যে নবীজী স. সূর্য্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণকে আল্লাহর নিদর্শন বলেছেন এবং এ সময়ে নামায পড়তে ও আল্লাহর কাছে দোয়া করতে বলেছেন।
নবীজীর স. জীবনে একদিনই সূর্য্রগ্রহণ হয়, যেদিন নবীজীর স. পূত্র ইবরাহীম রা. ইন্তেকাল করেন। আর এ কারণেই সেদিন মানুষের মাঝে নানা রকম কুসংস্কার ছড়িয়ে পড়ে, যা নবীজী স. অত্যন্ত দক্ষভাবে নির্মূল করেন।
তবে হাদীসে যেরকম ভয়াবহ সূর্য্যগ্রহণের বর্ণনা পাই, আজকেরটা সেরকম না। সেই গ্রহণটি ঘন্টাব্যপী বা তার চেয়েও বেশি স্থায়ী ছিল। অথচ আজকের এটির স্থায়িত্ব ছিল মাত্র তিন মিনিটের মতো, তদুপরি অধিকংশ জায়গা থেকেই তা দেখা যায় নি।
ক'দিন আগে এক ইসলামিক প্রশ্নোত্তর সাইটে এক ব্যক্তি প্রশ্ন করেন যে, "আমাদের এখানে গত এক মাস আগে থেকে বিজ্ঞানীরা বলছেন যে, অমুক দিন সূর্য্যগ্রহণ হবে। আমরা সে মতে প্রস্তুতি নিয়ে রাখি এবং যথাসময়ে ইমাম সাহেব আমাদের নিয়ে নামাজে দাঁড়িয়ে যান। কিন্তু, বাস্তবতা হলো, সেদিন আমাদের এখানে আকাশ সম্পূর্ণ ফর্সা ছিল। এমতাবস্থায় (চোখে না দেখে) শুধু বিজ্ঞানীদের কথানুসারে সময় মতো সূর্য্যগ্রহণের নামাজ পড়াটা কি সহীহ হয়েছে?" তারা উত্তর দিলেন, না।
আমার ব্যক্তিগত অনুভূতি হলো, সূর্য্যগ্রহণ -যেটা বছরে কয়েকবার হয়, যেটা ত্রিভুজ ভাই অন্য পোষ্টে উল্লেখ করেছেন- সেটা সকাল বিকালের ন্যায় এত সাধারণ যে মানুষ তার ভয়াবহতা উপলব্ধিই করতে পারে না। কিন্তু হাদীসে যেটার সম্পর্কে বিবরণ এসেছে সেটা এমন যে, তা শতবর্ষে একবার বা দু বার হয়। আবার এত ভয়াবহ হয় যে মানুষ দিশেহারা হয়ে যায়। কাজেই নবীজী স. সবাইকে নামায পড়ার ও দোয়া করার নির্দেশ দেন।
নতুবা দেখুন, হাদীসে সূর্য্যগ্রহণের নামাজে প্রথম রাকাতে সূরা বাকারা পড়তে বলা হয়েছে। রুকুতে, সিজদাতে ১০০ তাসবীহ পড়তে বলা হয়েছে। আবার দ্বিতীয় রাকাতে সূরা ইমরান/নিসা পড়তে বলা হয়েছে। এগুলোতে কমপক্ষে এক ঘন্টা সময় নিবে। এরপর আবার লম্বা দোয়া রয়েছে, যতক্ষণ না আকাশ পরিষ্কার হয়, ততক্ষণ।
তো.. এগুলো এই তিন মিনিটের সূর্য্যগ্রহণের নয়। আবার যা অনেক জায়গায় দেখাও যায় নি.. যাও কিছুটা দেখা গেছে, কোনো ভয়ই লাগে নি..
যাহোক, আল্লাহ ভালো জানেন। শুধু শুধু এখানে ধর্মকে বিজ্ঞান দিয়ে যাচাই উচিৎ হবে না। ধর্ম যে আঙ্গিকে বলেছে, আমাদের জ্ঞান হয়ত সে আঙ্গিকটাকে এখনও ধরতে পারে নি। -
সুজন২২ জুলাই ২০০৯, ০৪:৫৮
আসি আসলে সকাল থেকে ইউসুফ ভাইয়ের মন্তব্য দেখার অপেক্ষায় ছিলাম। ধন্যবাদ ইউসুফ ভাই।
-
অরণ্য কায়সার২২ জুলাই ২০০৯, ১০:৪৯
প্রশিদ্ধ লেখক গোলাম মোস্তফা সাহেব তার বিখ্যাত গ্রন্থ বিশ্বনবী তে লিখেছেন জেমস নামক বিজ্ঞানী বলেছেন "আমরা বিজ্ঞানীরা কিছু দিন পর পর কনফারেন্স ডেকে বলি আমরা নতুন সুত্র আবিস্কার করেছি আর আমাদের আগের সুত্র ভুল ছিল । এখন আর এসব ভাল লাগে না কারন এটা দ্বারা প্রমান হয় আমাদের আগের সিদ্ধান্ত ভুল ছিল আর যাদের সিদ্ধান্ত বার বার ভুল হয় তাদের উপর কিভাবে আস্থা রাখতে পারে মানুষ "
অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায় এক জন বিজ্ঞানী একটা কথা বললো তার ৫০ বা ১০০ বছর পর বললো তার ঐ সিদ্ধান্ত ভুল ছিল যেমন বিজ্ঞান এক সময় বলত সূর্য স্থীর কিন্তু কোরআনে স্পষ্ট আছে সূর্য স্থীর নয় গতিসিল । ঐ সময় অনেকে বিজ্ঞানীদের এই কথার উপর ভিত্তি করে কোরআনের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল কিন্তু বিজ্ঞান এখন বলছে সূর্য স্থীর নয়। কিন্তু যে লোক বিজ্ঞানের উপর ভিত্তি করে কোরআনের উপর সন্দেহ নিয়ে মারা গেল তার কি হবে ? সে কি সংশোধনের সুযোগ পেল ?
আমিও এক সময় বিজ্ঞানের কথা কে ধর্মীয় বানীর উপর প্রধান্য দিতাম কিন্তু গোলাম মোস্তফা সাহেবের বই পড়ার পর আমার ভুল ভেঙ্গেছে। আল্লাহ আমাদের সকলকে মঙ্গলময় পথের দিশা দিন। -
সাইফুজ্জামান খালেদ২২ জুলাই ২০০৯, ১০:৫০
http://prothom-aloblog.com/users/base/saifuzzamankhaled/142
পোষ্টটি দেখবেন মাহমুদ ভাই -
আনোয়ারুল আলম২২ জুলাই ২০০৯, ১০:৫১
অনেকজন মিলে খিচুরি রান্না করছেন এখানে কিন্তু লবণ আর কাঁচা মরিচ দিতে ভুলে গেছেন !
চেখে দেখুন আমার মরিচের ঝাল আছে কিনা আর লবণ টা আসলে নোনতা কিনা ? ツ
আপনি যদি Chaos Theory র মাধ্যমে ঘটনাটার ব্যাখ্যা খুঁজেন, কোন কিছুই আর অসম্ভব মনে হবে না । এখানে অবশ্য সে জন্য টেনে আনতে হবে Butterfly effect কে । গুগল করে জেনে নিতে পারেন আমি কিসের কথা বলছি ।
যাই হোক, বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে দেখলে, কি জানতে পারছি আমরা? হঠাত্ড় করে একটি এলাকার স্বাভাবিক জীবনে ছন্দপতন ঘটছে । ঐ এলাকায় সুর্যের যে পরিমাণ শক্তি পড়ার কথা ছিল তা পড়ছে না । অনেক পশু পাখি উদ্ভট আচরণ করেছে, কারণ (এবারের ক্ষেত্রে সকাল না হতেই সন্ধ্যা) অস্বাভাবিক একটা পরিবেশের তৈরি হয় । Butterfly effect এর তত্ব অনুযায়ী যেকোন জটিল ডাইনামিক সিস্টেমের যেকোন পর্যায়ে ছোট্ট একটি ঘটনা দূর ভবিষ্যতে সেই সিস্টেমটার উপর অনেক প্রভাব ফেলতে পারে । এখন দিনের বেলা দুই মিনিটের জন্য সূর্য আকাশ থেকে নাই হয়ে যাচ্ছে এটা ছোটখাট কোন ঘটনা না । এটার প্রভাব ভবিষ্যতে কিভাবে যে হবে তাতো জানা সম্ভব না, তবে বিষয়টি যে গুরুত্বপূর্ণ তা পৃথিবীর সব সমাজেই স্বীকার করে নেয়া হয়েছে । কোন সমাজে সেটাকে ধর্মের সাথে যুক্ত করে প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দেয়া হয়েছে, অন্য সমাজে জ্ঞানীরা এটা নিয়ে নতুন কোন প্রবাদ বাক্য তৈরি করেছে । সংস্কারের কোন ভেদ নেই , সু বা কু, এর আগে না বসানোই ভালো ।
ছোট্ট আরেকটি ঘটনা বলি, ছোটবেলায় আমার নানীর কাছ থেকে অনেক ভূত-পেত্নীর গল্প শুনতাম । আমি ভয় পেয়ে আমার মাকে জিজ্ঞাসা করতাম এগুলো সত্যি কিনা ? মা বলতো, না ভূত-পেত্নী বলে দুনিয়া তে কিছু নাই, মানুষকে ছাড়া আর অন্য কাইকে ভয় পাবার কোন কারণ নাই। যাইহোক, আমি এরপর থেকে নানীর কথা অত বিশ্বাস করতাম না । নানী গল্প শুনাতো ঝড়ের সময় নাকি নদীর পানি ঘুরতে ঘুরতে আকাশে উঠে যায়, আর ঝড়ের সময় বৃষ্টির সাথে আকাশ থেকে মাছ পড়তো । নানী এটাকে বলতো হাতিশুঁড়া, তিনি ছোটবেলায় তাঁর নিজের চোখে নাকি এমন ঝড় দেখেছেন । আমি কিন্তু এগুলো একটাও বিশ্বাস করতাম না । ভাবতাম, পানি কিভাবে আকাশে উঠবে কোন পাইপ ছাড়া ।
পরে বিশ্বাস করতে বাধ্য হয়েছি, টর্নেডো কি জিনিস, তা জানার পর । কোন শক্তিশালী টর্নেডোর পথে যদি কোন পুকুর বা নদী পড়ে, টর্নেডো সেই পুকুরের পানি ভ্যাকুয়াম পাম্পের মতো টেনে আকাশে তুলে নিবে সাথে মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণী ।
কাহিনীটা থেকে কি শিখলাম, কোন ঘটনা এখন ঘটছেনা বলে ঐ ঘটনা কখনো যে ঘটবে না সেটা ভাবা ভূল ।

http://en.wikipedia.org/wiki/Waterspout
http://en.wikipedia.org/wiki/Butterfly_effect
http://en.wikipedia.org/wiki/Chaos_theory -
হাফিজ২২ জুলাই ২০০৯, ১০:৫২
সময় নাকি বেশী বেশী ইবাদত করার নিয়ম।
এটা মনে হয় হাদিসে আছে ।ইবাদত করতে বলা হয়েছে বতে বেশি বেশি বলছে কিনা বলতে পারবো না -
দেবদাস২২ জুলাই ২০০৯, ১০:৫২
প্রথমটা ধর্মের ব্যাপার। হাদীসে শরীফে এর উল্লেখ আছে। ইসলাম ধর্মের অনেক বিষয়ই এখনও বিজ্ঞান দ্বারা প্রমাণীত হয়নি। এটা কিন্ত ইসলামের ব্যর্থতা নয় আমাদের বিজ্ঞান আজও সে পর্যন্ত পৌছতে পারেনি মনে হয়। খালী চোখে বিজ্ঞানের জয় জয়কার দেখা গেলেও বিজ্ঞান কিন্তু আজও একটা সরিষার ধানা আবিস্কার করতে পারেনি। হাইব্রিড আবিস্কার করে উৎপাদন বাড়াতে পারলেও উৎপাদিত দ্রব্য কিন্ত বিজ্ঞানের আবিস্কার নয়।
দ্বিতীয়টা অনেকেই মানে। সকল ধর্মের অনুসারীগন এই সময়টায় অনেক কিছু মেনে চলে। আমি একটা গবেষনার ফলাফল পড়েছিলাম। লেখক সবকিছুর উর্ধে উঠে এটাই বলতে চেয়েছেন যে, বিজ্ঞান দ্বারা এটা প্রমানীত না হলেও তাদের জরীপের ফলাফল কুসংস্কারের পক্ষেই রায় দেয়। চন্দ্রগ্রহণ এবং সুর্যগ্রহণের সময় বিশেষ কিছু নিয়ম কানুন মেনে না চললে অনাগত সন্তানের কিছু অমংগলের আশংকা আছে। এক্ষেত্রে প্রতিবন্ধিত্ব একটা। এক্ষেত্রে গবেষক দল কিছু বিশেষ ধর্মাবলম্বি এবং উপজাতিদের কিছু বিশেষ গোত্রের উপর জরীপ চালায়। যারা যগ যুগযুগান্তর ধরে সুর্যগ্রহণ এবং চন্দ্রগ্রহণের সময় বিভিন্ন নিয়মকানুন মেনে চলে আর যারা না মেনে চলে তাদের বিপরীতমুখী ফলাফল পরিলক্ষিত হয়।
আমার মনে হয় দ্বিতীয়টার কারন হিসেবে জ্বীনগত বৈশষ্ট্য থাকতে পারে। -
ত্রিমাত্রিক২২ জুলাই ২০০৯, ১১:০৩
অনেকেই বলছে হাদিস শরীফে উল্লেখ আছে কিন্তু কেউ তো বললেন না কোন হাদিসে আছে।
বিশ্বাস আর অবিশ্বাসের মাঝে পড়ে গেলাম তো। -
দেবদাস২২ জুলাই ২০০৯, ১১:১১
@ত্রিমাত্রিক ভাই, যেহেতু আমি আলেম বা শায়খুল হাদীস নই তাই ইন্সট্যান্ট রেফারেন্স দিতে পারলামনা। আমি আমার পরিচিত ধর্মীয় ব্যাক্তিত্বের অধীকারীদের জিজ্ঞাসা করে রেফারেন্স দিয়ে দেব। বিষয়টা আমার মাথায় রইলো। আপাদতঃ টেনশন মুক্ত থাকি তাইনা! এটা তো আমাদের উপর কেউ চাপিয়ে দিচ্ছেনা। যে শিশু জন্ম গ্রহণ করেই ডলার ডলার ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে মায়ের কোলে দুধ পান করছে এটা তো তার চাইতেও সহজ বোঝা।
আমি অবশ্যই এর সত্যিকার রেফারেন্স খুজব। -
হাজারি২২ জুলাই ২০০৯, ১০:৫২
খুব আশ্চয্যের ব্যাপার কী জানেন !
ক্ষেত্র বিশেষে ' ধর্ম থেকে ও সংষ্কার বড় হয়ে দাড়ায়' । -
েহাসাইন২২ জুলাই ২০০৯, ০১:০৫
তবে একটা জিনিস বলব, ধর্ম কোন কুসংক্সকারের নাম নয়। বরং ধর্ম বিশেষ করে ইসলাম এ ব্যাপারে চুড়ান্ত বৈরিতা দেখায়। তাই বলব যে কোন জিনিস না জেনে মেনে চলা ঠিক নয় চাই তা ধর্মী ব্যাপার হোক। যা জেনে মেনে চলা থেকেই তো কুসংস্কার এর সৃষ্টি। -
সিমি২২ জুলাই ২০০৯, ১১:২০
নতুন মা হতে চলেছেন তাদেরকে এ সময় সাবধানে থাকতে হয় এ কথাটা আমি ও শুনেছি আমার খালার কাছ থেকে । -
জেড এইচ সৈকত২২ জুলাই ২০০৯, ০১:০৬
করলা দিয়ে নাকি গরুর মাংস পাকিয়ে খায়। ফালতু ও বাজে কাজ করার চাইতে েসটা ঢের ভাল। -
জেড এইচ সৈকত২২ জুলাই ২০০৯, ০১:২১
সরি আমি বোঝাতে পারিনি। বলছিলাম,মাহমুদ ভাই জনপ্রিয় ব্লগার,আমাদের সবার গুরুজন বটে। তাঁর জনপ্রিয়তার রেশ ধরে তার নামের সাথে মিলিয়ে নাম রাখা কিংবা তাঁর নাম বিকৃত করা এই জিনিসটা আমার কাছে খুব বাজে কাজ মনে হয়েছে। ইদানিং নতুন ব্লগারদের নিক দেখে ও বিষ্মিত হচ্ছি। অবশ্য তারা বলতে পারেন আমার নাম আমি ইচ্ছে মত রাখব তাতে কার কী। আমি বলি ভাই ছিক আছে । প্রথম আলো যেহেতু একটি পরিচ্ছন্ন ব্লগ,এখানে নামটাও সুন্দর এবং পরিচ্ছন্ন হোক। -
জেড এইচ সৈকত২২ জুলাই ২০০৯, ০১:২৯
মাহমুদ ভাই,প্রথম মন্তব্যটা মুছে ফেলুন। বলতে চেয়ছিলাম,বাজে ও নোংরা কাজ করার চাইতে করলা দিয়ে মাংস রান্না করে খাওয়াও ঢের ভাল। আরে ও দেবু দা, ভাবি রান্না জানেন কেমন? একদিন বলুন করলা দিয়ে মাংস রান্না করার জন্য আর আপনি আমাদেরকে দাওয়াত দেন। -
জেড এইচ সৈকত২২ জুলাই ২০০৯, ০১:৫৮
আমি ভুলেই গিয়েছিলাম আপনি ভাল রান্না জানেন। তবে ভাবী যেন না জানে শেষে আবার রান্নার দায়িত্ব আপনার ঘাড়ে বর্তাবে। -
দেবদাস২২ জুলাই ২০০৯, ১১:২৭
মানুষের রুচি এখন মারাত্তক হারে বেড়ে গেছে। করলা দিয়ে নাকি গরুর মাংস পাকিয়ে খায়।
-
সাইফুজ্জামান খালেদ২২ জুলাই ২০০৯, ১১:৫১
মাহমুদ, এখানে আমার একটা কথা আছে। ধর্মীয় বিষয়গুলোকে বিজ্ঞানের ভিত্তিতে যাচাই করাটা ঠিক কতটা যুক্তিযোক্ত? বিজ্ঞান কি পৌঁছে গেছে একেবারে সর্বোচ্চ স্থানে? সে কি নিজেই নির্ভুল সর্বক্ষেত্রে? উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, ব্লাক-হোলের কথা। প্রায় ১৫০০বছ্র আগেই কোরানে এর কথা বলা হয়েছে। কিন্তু ৭০-৮০ বছর আগেও বিজ্ঞান একে আজগুবি বলে ঊড়িয়ে দিয়েছে, অনেক বিজ্ঞানিকে পাগল বলে অবিহিত করেছে এর সম্ভাবনার কথা বলার জন্য। বিজ্ঞানের দৌড় আর কতটুকু? আমাদের সৌরজগৎ মহাশুন্যের তুলনায় বিরাট সাগরের বুকে একটি ছোট ডিঙ্গি নৌকার মতোই। অথচ বিজ্ঞান আজোও কি পেরেছে এই সামন্য সৌরজগৎ এর সম্পুর্ণ রহস্য ভেদ করতে - মহাশুন্যের কথা না-হয় বাদই দিলাম? বিজ্ঞানের তথ্যগুলো নিয়তই পরিবর্তশীল। আজ হয়তো যাকে বিজ্ঞান বলছে সত্য, ৫০-১০০ বছর বলেই বলবে মিথ্যা। -
সাইফুজ্জামান খালেদ২২ জুলাই ২০০৯, ১১:২৪
"তবে আপনি নিশ্চই স্বীকার করবেন যে বিজ্ঞান এমন একটা পর্যায়ে পৌছেছে যে সে কুসংষ্কার মিথ্যা প্রমাণ করতে পারে।"
প্রত্যেক যুগের মানুষেরই ধরণা এটি আজ থেকে ১০০ বছর আগের মানুষেরাও মনে করত তারা উৎকর্ষতার চরমে পৌঁছে গেছে আজ যেমন আমরা মনে করি।
এ গ্রহে জীবনের উন্মেষ ঘটেছে অতিশয় দ্রুত - জীবনের সমাপ্তি তার চাইতে বহু বহু গুণ দ্রুত সম্পন্ন হতে পারে, এবং কতটা দ্রুতটায় তা ঘটতে পারে, আমরা তার কোনো জ্ঞানই রাখি না। আমরা পৃথিবীতে বসবাস করছি আর দুর্দান্ত প্রতাপে বেঁচে রয়েছি - এ যেন আমাদের জন্মগত আধিকার। এ অধিকারে হাত যেন দেবার সাধ্য কারো নেই। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আমাদের এ ভাবনা দুরন্ত নির্লজ্জ বুদ্ধিবৃত্তি ছাড়া আর কিছু নয়। মানুষ জানে না যে সে কতটা বৈরী পরিবেশে, কতটা শঙ্কাময় অবস্থানে, কতটা স্বাচ্ছন্দে ও নির্বিঘ্নে কালাতিপাত করছে! এ শুধু মহান স্রষ্টার দয়ার ফল। সূর্যগ্রহণ কালে এ পরিবেশটা আরো বৈরী হয়ে যায়। সূর্যগ্রহণের সময় সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী লাইন সৃষ্টি হয়, যার আকর্ষক শক্তি তীরের গতিমুখ সূর্যের দিকে আর এই ত্রয়ীশক্তি লাইনের উন্মুক্ত দিকে পৃথিবী অবস্থান করে। এ ব্যবস্থাটি একটি অতিশয় নাজুক পরিস্থিতিরই নামান্তর, যা পরিণামে সর্বৈব ধ্বংসের কারণ হতে পারে। এটা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত সত্য। তারপরও আমরা এত এত সূর্যগ্রহণ স্বত্তেও অক্ষত আছি। এ অক্ষত থাকাই আমাদের নিজেদের কোনো কৃতিত্ব নেই। আছে আল্লাহর দয়া। তাই নবীজি (দঃ) এ সময়ে আল্লাহকে তাঁর দয়ার জন্য স্মরণ করতে বলেছেন, বলেছেন পানাহ্ চাওয়ার জন্য। কিন্তু আমরা তা না করে উল্টোটা করি। -
পুরাতন২২ জুলাই ২০০৯, ১২:৪৬
একটু কষ্ট করে আমার পোষ্টে দেখুন
http://prothom-aloblog.com/users/base/puraton/45 -
মোজাম্মেল কবির২২ জুলাই ২০০৯, ১২:৫৫
বিজ্ঞান কিছুটা সতর্ক থাকতে বলে এর সাথে ধর্মীয় ব্যাখ্যাটা আমার জানা নেই মাহমুদ ভাই। -
আনন্দময়ী২২ জুলাই ২০০৯, ১২:৫৬
একটা সুন্দর প্রশ্ন তুলেছেন। সত্য আলোচনার মধ্য দিয়ে বেরিয়ে আসবে। ধন্যবাদ মাহমুদ ভাই -
নাসরীন জুবায়ের২৩ জুলাই ২০০৯, ১০:৫৬
ধন্রবাদ মাহমুদ ভাই, একটি মেয়ে যখন মা হতে চলে, তখন সে অনাগত সন্তানের মংগল কামনায় কোন রিক্স নিযে চায় না। এমনি তখন মেয়েরা আনেক কমপ্লেক্সে ভোগে। ব্যাপার হলো খানিকটা সময় না খেয়ে সাবধানে থাকলে তো কোন ক্ষতি নেই। কে যাবে পরিক্ষা করতে? কে সন্তানকে নিয়ে পরিক্ষা নিরিক্ষা করতে চা্য় বলুন? -
ই-মন২৩ জুলাই ২০০৯, ১১:৪৮
মাভেরিক ভাইয়ের মন্তব্যের কয়েকটা লাইন আমি এখানে কোট করলামঃ
-------------------------------------------------------------------------------------
"রাসুল (সঃ) তাদের সংশোধন করে দিলেন এই বলে, চন্দ্র ও সূর্যের গ্রহণ কারো মৃত্যু কিংবা জীবনের জন্য ঘটে না; তারা মহান আল্লাহর দুটি নিদর্শন। তোমরা যখন তা অবলোকন করবে, দাঁড়িয়ে যেও এবং প্রার্থনা করো।
-------------------------------------------------------------------------------------
"তোমরা যখন তা অবলোকন করবে, দাঁড়িয়ে যেও এবং প্রার্থনা করো।" - এখানে কিন্তু স্পষ্টতই বলা আছে দাড়িয়ে যেও। সুতরাং কোন গর্ভবতী মহিলা যদি কেউ চন্দ্র বা সূর্য গ্রহণের সময় শুয়ে বসে না থেকে দাড়িয়ে থাকে তাহলে এটাকে কুসংস্কার বলবেন কিভাবে?





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক
২য় টা কুসংস্কার হওয়ার সম্ভাবনা বেশী