একুশে বই মেলায় যাইতেছি ১২/১৩ বছর ধইরা। যাইতে যাইতে কিছু জিনিশ খেয়াল করলাম। আগে খেয়াল করি নাই। এইবার নিজের জন্য কিছু নিয়ম চালু করছি অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে। সেইগুলা এইখানে শেয়ার করতেছি।
১. বই মেলায় বই কেনা লাভজনক। এমনিতে ১৫-২০% ছাড় পাওয়া গেলেও বই মেলায় ২৫-৩০% ছাড় পাওয়া যায়। অনেকে আছেন যাদের বই কেনার বাজেট থাকে। বাজেটটা বই মেলায় খরচ করা ভাল। আমার বই কেনার বাজেট থাকে না। বই দরকার লাগলে কিনতে হয়। ফলে, দরকারি বইয়ের লিস্ট তৈরির খাটনিটা কইরা মেলা থেকে বইগুলা কিনে ফেলবো বলে ভাবতেছি।
২. গত বছর বা তার আগের বছর মেলায় বের হওয়া কয়টা গুরুত্বপূর্ণ বই গত একবছর ধরে খুঁজতেছি। কিন্তু পাইতেছি না। কারণ, আমাদের এখানে বিপণন ব্যবস্থা খারাপ। দোকানগুলা সব বই পর্যাপ্ত পরিমাণে রাখে না। এমনকি বই শেষ হয়ে গেলে আনেও না। ফলে, মেলাতেই দরকারি বইগুলা পাওয়া যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
৩. মেলার ডিসপ্লে ভাল। বই দেখতে সুবিধা বেশি। দরকারি বই সহজে চোখে পড়ে।
৪. আমি প্রায় প্রতিদিন মেলায় যাই। আমি প্লান করছি, প্রতিদিন কিছু কিছু বই কিনে দরকারি বইগুলা কেনা শেষ করবো। এজন্য সবার আগে প্রকাশকদের কাছ থেকে নতুন বইয়ের লিস্ট ...
১.
প্রথম আলো ব্লগের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বইটি হলো, ব্লগারদের সমবেত অংশগ্রহণে লেখা উপন্যাস নির্বর্ষ শ্রাবণ।
লিখেছেন : সারোয়ার হোসেন, সাঈদ সৌম্য, পথে-প্রান্তরে, নিমফুল, আশরাফুল কবির রনি, ফাতেমা আবেদীন নাজলা, উজ্জ্বল ধর, মোঃ খায়রুল হাসান রিমন, মুহাম্মদ হাবিব উল্লাহ সৌরভ, সুজন, নীলাম্বরের নীল, শেরিফ আল সায়ার, শামিম রহমান, আফরোজ, নাসরীন জুবায়ের, তটিনী, রেজাউল করিম নোমান, নীল সাধু, একরামুল হক শামীম, শেখ নজরুল।
প্রকাশনী : পাঠসূত্র
পাঠসূত্রের স্টল : .......
বইয়ের মূল্য : ১২০টাকা
বইমেলার প্রথম সপ্তাহে বাজারে আসবে উপন্যাসটি।
২.
সরসিজ আলীমের কাব্যগ্রন্থ। বইয়ের নাম: বাঙালি আর বাউল পরান থৈথৈ জল
প্রকাশনী: অগ্রদূত।
স্টল কোথায় :........
মেলায় পাওয়া যাবে : ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে।
লিংক: http://prothom-aloblog.com/users/base/sorosijalim/48
সরসিজ আলীমের আরেকটি কাব্যগ্রন্থ আসবে দ্বিতীয় সপ্তাহে।
নাম: এক ঝাঁক পাখি ডাকাডাকি
প্রকাশনী: অগ্রদূত
৩.
রোদেলা নীলার কবিতার বই ফাগুনঝরা রোদ্দুর। আসিতেছে। একুশের বইমেলায়। ১০ তারিখের মধ্যে।
প্রকাশক : ভাষাচিত্র।
স্টল নম্বর : ২৫০। মেলা ...
![]()
উপন্যাসের তথ্য :
বইয়ের নাম : ফেস বাই ফেস
প্রচ্ছদ : সব্যসাচী হাজরা
পৃষ্ঠা : ১২০
গায়ের দাম : ১৭৫ টাকা
(২৫% কমিশন দিয়ে মেলায় দাম পড়বে ১৩০টাকা)
প্রকাশক : ভাষাচিত্র
প্রকাশকাল : ফেব্রুয়ারি, ২০১০
স্টল নম্বর ২৫০
(অমর একুশে ভাস্কর্যের পেছনে)
বইয়ের ফ্ল্যাপের লেখা :
বলতে গেলে কিছুটা গোপনে এই উপন্যাস লিখেছি। উপন্যাস লিখছি, বললেও বন্ধুদের কিছুতেই বলিনি- উপন্যাসটা কী নিয়ে। জিজ্ঞেস করলেই বলেছি, বইটা সম্পর্ক নিয়ে। কীসের সম্পর্ক? মানুষে মানুষে সম্পর্ক। এ তো খুব পুরনো জিনিশ। এ নিয়ে লেখা সহজ, আবার এটি সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয়ও বটে। কারণ সম্পর্কের সকল রহস্য এখনও মানুষ ভেদ করতে পারেনি। শহরবাসী মধ্যবিত্তের সম্পর্ক বিষয়ক যোগাযোগ জটিলতা আমার প্রিয় বিষয়। এই নিয়ে লিখতে গিয়ে উপন্যাসে ফেসবুক ঢুকে পড়েছে। লক্ষ করলাম, শেষ পর্যন্ত ফেসবুক একটা বড় চরিত্র হয়ে এক জটাজালে উপন্যাসটাকে বেঁধে ফেললো। আমার কিছু করার থাকলো না। আমরা যারা ফেসবুকের বাসিন্দা তারা খুব ভাল করেই জানি- কত উপন্যাসের মধ্য দিয়ে যেতে হয় এই সামাজিক নেটওয়ার্কে। এখানে যে কত সম্পর্ক আর কত তার মাত্রা ! সে সব থেকে অল্প কিছু ব্যাপার ...
১.
প্রথম আলো ব্লগের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বইটি হলো, ব্লগারদের সমবেত অংশগ্রহণে লেখা উপন্যাস নির্বর্ষ শ্রাবণ।
লিখেছেন : সারোয়ার হোসেন, সাঈদ সৌম্য, পথে-প্রান্তরে, নিমফুল, আশরাফুল কবির রনি, ফাতেমা আবেদীন নাজলা, উজ্জ্বল ধর, মোঃ খায়রুল হাসান রিমন, মুহাম্মদ হাবিব উল্লাহ সৌরভ, সুজন, নীলাম্বরের নীল, শেরিফ আল সায়ার, শামিম রহমান, আফরোজ, নাসরীন জুবায়ের, তটিনী, রেজাউল করিম নোমান, নীল সাধু, একরামুল হক শামীম, শেখ নজরুল।
প্রকাশনী : পাঠসূত্র
পাঠসূত্রের স্টল : ........
বইয়ের মূল্য : এখনো ঠিক হয়নি
বইমেলার প্রথম সপ্তাহে বাজারে আসবে উপন্যাসটি।
২.
সরসিজ আলীমের কাব্যগ্রন্থ। বইয়ের নাম: বাঙালি আর বাউল পরান থৈথৈ জল
প্রকাশনী: অগ্রদূত।
স্টল কোথায় :........
মেলায় পাওয়া যাবে : ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে।
লিংক: http://prothom-aloblog.com/users/base/sorosijalim/48
সরসিজ আলীমের আরেকটি কাব্যগ্রন্থ আসবে দ্বিতীয় সপ্তাহে।
নাম: এক ঝাঁক পাখি ডাকাডাকি
প্রকাশনী: অগ্রদূত
৩.
রোদেলা নীলার কবিতার বই ফাগুনঝরা রোদ্দুর। আসিতেছে। একুশের বইমেলায়। ১৫ তারিখের মধ্যে।
প্রকাশক : ভাষাচিত্র।
স্টল নম্বর : ২৫০। ...
আমাদের প্রখ্যাত লেখক হুমায়ূন আহমেদের একটা লেখা পড়তেছিলাম কালের কণ্ঠ পত্রিকায়। ১৯ জানুয়ারি ২০১০ তারিখে। লেখাটা পড়তে গিয়া একটু আহত বোধ করলাম। এমনিতে হুমায়ুন আহমেদের রাজনৈতিক বিশ্লেষণের ওপর আমার আস্থা নাই। যখন যে সরকার তখন তার দিকে ছাতা ধইরা হুমায়ূন আহমেদ নিজেকে বাঁচান অথবা সরকারটির পক্ষে গুনগান করেন। তার মতো জনপ্রিয় লেখকের এইগুলা কোন কামে লাগে বুঝি না। তবে এইটুকু বুঝি, তার বিপুল জনপ্রিয়তার লেখকের দিকে সবার কুদৃষ্টি থাকে। সবাই চায় তাদের পক্ষে হুমায়ূন আহমেদ দু কলম লিখুন। উনি লেখেনও। শুনছি, জেনারেল মইন উ আহমেদকেও মহাপুরুষ আখ্যায়িত করছিলেন উনি। এইরকম সুবিধাবাদী যার রাজনৈতিক বিবেচনা তার রাজনৈতিক বিশ্লেষণ বা বক্তব্য নিয়া আশাবাদী হওয়া কঠিন। অবশ্য হুমায়ূন আহমেদ যা কিছু লেখেন তা নিয়া আমার বিশেষ আগ্রহ থাকে। এই কারণে না যে দেশের লাখ লাখ মানুষ ওনার লেখা লাইক করে। এই কারণে যে, লাখ লাখ মাইনষের লগে আমিও ওনার লেখা লাইক করি। ওনার গদ্য আমার অনুসরণীয় মনে হয়। গল্প বলায় ওনার ক্ষমতা আমারে আপ্লুত করে। বাংলাদেশ-ভারত ...
বলতে গেলে কিছুটা গোপনে এই উপন্যাস লিখেছি। উপন্যাস লিখছি, বললেও বন্ধুদের কিছুতেই বলিনি- উপন্যাসটা কী নিয়ে। জিজ্ঞেস করলেই বলেছি, বইটা সম্পর্ক নিয়ে। কীসের সম্পর্ক? মানুষে মানুষে সম্পর্ক। এ তো খুব পুরনো জিনিশ। এ নিয়ে লেখা সহজ, আবার এটি সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয়ও বটে। কারণ সম্পর্কের সকল রহস্য এখনও মানুষ ভেদ করতে পারেনি। শহরবাসী মধ্যবিত্তের সম্পর্ক বিষয়ক যোগাযোগ জটিলতা আমার প্রিয় বিষয়। এই নিয়ে লিখতে গিয়ে উপন্যাসে ফেসবুক ঢুকে পড়েছে। লক্ষ করলাম, শেষ পর্যন্ত ফেসবুক একটা বড় চরিত্র হয়ে এক জটাজালে উপন্যাসটাকে বেঁধে ফেললো। আমার কিছু করার থাকলো না। আমরা যারা ফেসবুকের বাসিন্দা তারা খুব ভাল করেই জানি- কত উপন্যাসের মধ্য দিয়ে যেতে হয় এই সামাজিক নেটওয়ার্কে। এখানে যে কত সম্পর্ক আর কত তার মাত্রা ! সে সব থেকে অল্প কিছু ব্যাপার নিয়ে কল্পনাকে গতি দেবার চেষ্টা করতে গিয়ে ধীরে ধীরে এই সামান্য উপন্যাস লেখা হলো। ভেবেছিলাম উপন্যাসের নাম দেবো 'লিভিং ফেসবুক'। ভাবতে ভাবতেই বাতিল হয়ে গেল নামটা। পরে ভাবলাম নাম দেই 'জীবনযাপন ফেসবুক'। সেটাও বাদ গেল। শেষ পর্যন্ত 'ফেস বাই ফেস' নামটা দিলাম। আমরা যখন বই পড়ি তখন পেজ ...
![]()
ভারতের মোবাইল অপারেটর হলেও 'আইডিয়া সেলুলারে'র সঙ্গে বাংলাদেশে অনেকেই কমবেশি পরিচিত। ঢাকায় ক'দিন আগে যে আইডিয়া কাপ ত্রিদেশীয় ক্রিকেট হলো বাংলাদেশ-ভারত-শ্রীলংকার মধ্যে, সেটির স্পন্সর ছিল আইডিয়া সেলুলার। ভারতের বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে আইডিয়ার বিজ্ঞাপনগুলো অভিনবত্বের জন্য বিশেষ আলোচিত ও প্রশংসিত হয়েছে। সম্প্রতি 'ওয়াক হোয়েন ইউ টক' স্লোগানটি ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করেছিল। মোবাইল বা সেলফোনে কথা বলার সময় হাঁটুন এই ছিল ওই বিজ্ঞাপনের মর্মবাণী। সুস্বাস্থ্যের জন্য হাঁটতে হবে। কিন্তু হাঁটার সময় কোথায়? তাই ফোনে কথা বলার সময় হাঁটুন, হাঁটতে হাঁটতে কথা বলুন। আইডিয়ার এই বিজ্ঞাপন ফোনে কথা বলতে অভ্যস্ত মানুষেরা কতটা অনুসরণ করেছিলেন জানা ভার। কিন্তু বিজ্ঞাপনের আইডিয়া হিসেবে যে খুব অভিনব ছিল সেটা সবাই স্বীকার করেছেন। 'ওয়াক হোয়েন ইউ টক'কে টেক্কা দিয়ে আইডিয়া এখন নতুন স্লোগান নিয়ে বাজারে এসেছে। নতুন এই স্লোগানটি হলো_ 'ইউজ মোবাইল, সেভ পেপার।' টিভিতে মোবাইল ব্যবহার করে গাছ বাঁচানোর এই অভিনব বিজ্ঞাপন দেখে বলতে হয়, 'হোয়াট অ্যান আইডিয়া স্যারজি!' বলতে হয়, এভাবে তো ভেবে দেখিনি। বিজ্ঞাপন বিষয়ে একটু ...
Phonetic
Probhat
Inscript
Unijoy
Bijoy
English
Virtual