এই সুন্দর ফুল, সুন্দর ফল... মিঠা নদীর পানি.......... খোদা তোমার মেহেরবানী..

ফেব্রুয়ারি
০৪

সালাতের আহকাম ও পদ্ধতি (৩)


সালাতের বিধানাবলী




আল্লহ তা‘আলা কুরানে করীমে সালাতের আদেশ দিলেও এর পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেননি। তবে হাদীসে এর বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
আল্লাহ বলেন :
وَأَنْزَلْنَا إِلَيْكَ الذِّكْرَ لِتُبَيِّنَ لِلنَّاسِ مَا نُزِّلَ إِلَيْهِمْ وَلَعَلَّهُمْ يَتَفَكَّرُونَ. (النحل:৪৪)
‘আর তোমার প্রতি কুরআন অবতীর্ণ করেছি মানুষকে বুঝিয়ে দেয়ার জন্য।’
আর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:
صلوا كما رأيتموني أصلي. (رواه البخاري:৫৯৫)
‘তোমরা আমাকে যেভাবে সালাত পড়তে দেখ ঠিক সেভাবে সালাত আদায় কর।’ (বুখারী:৫৯৫ )
একজন মুসলমান যখন সালাতে দাঁড়ায় তখন তার অন্তরে এমন একটি অনুভূতি থাকা উচিত যে, সে এখন মহান আল্লহর সম্মুখে দণ্ডায়মান, তিনি তার চোখের ইশারা অন্তরের অন্ত¯থলের বিরাজমান সব কিছুই জানেন। মনের চিন্তা চেতনা আকুতি-মিনতি সবই তার জ্ঞাত। যদি মানুষের মধ্যে এ ধরনের অনুভূতি জাগ্রত থাকে তবেই তার অন্তর সালাতে একমাত্র আল্লাহর দিকেই নিমগ্ন থাকবে। যেমনিভাবে তার দেহ-শরীর ক্বিবলার দিকে থাকে অনুরূপভাবে তার মনও ক্বিবলামুখী থাকবে। একজন নামাযির কর্তব্য হল, যখনই সে সালাতে দাঁড়াবে, তাকে বিশ্বাস করতে হবে যে, সে এখন আল্লাহর সম্মুখে উপস্থিত, আর যখন সালাত আরম্ভ করে তখন বিশ্বাস করবে যে, এখন সে আল্লাহর সাথেই কথোপকথন করছে।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন :
إذا قام أحدكم يصلي فإنه يناجي ربه. )رواه البخاري:৩৯০ )
‘যখন কেউ সালাতে দাড়ায় সে আল্লাহর সাথেই নিভৃতে আলাপ করে।’ (বুখারী:৩৯০)
অতঃপর সালাতে যখন বলে, ‘আল্লাহু আকবর’ তখন সে বিশ্বাস করে যে আল্লাহই সব বড়র বড়, তার উপর আর কোন বড় নেই।
আর জাগতিক সবকিছুই তার নিকট তুচ্ছ। কারণ, সে দুনিয়াকে পশ্চাতে ফেলে সালাতে নিমগ্ন হয়। তাকবীর বলার সাথে সাথে দুই হাত কাঁধ বরাবর উঠায়, ডান হাতকে বাম হাতের বাহুর উপর রাখে, মাথাকে অবনত করে, উপরের দিকে চু উঠায় না এবং ডানে বামে তাকায় না। অতঃপর সে সালাত শুরুর দ‘ুআ পড়বে আর বলবে সুবহানাকা আল্লাহুম্মা
)سبحانك اللهم وبحمدك وتبارك اسمك وتعالي جدك ولاإله غيرك(
এছাড়া ও আরো যে সব দ‘ুআ বিশুদ্ধ হাদীস দ্বারা প্রমানিত, সেগুলোও পাঠ করা যেতে পারে।
তারপর আউজু বিল্লাহ (أعوذ بالله من الشيطان الرجيم) ও বিছমিল্লাহ (بسم الله الرحمن الرحيم ) পড়বে।
তারপর সুরা ফাতেহা পড়বে আর সুরা ফাতেহার অর্থের মধ্যে গভীরভাবে চিন্তা করবে।
হাদীসে কুদসীতে বর্ণিত আল্লাহ তাআ‘লা বলেন, আমি সালাতকে আমার ও বান্দার মাঝে দুই ভাগ করি, এক অর্ধেক আমার জন্য, আর অর্ধেক আমার বান্দার, আর বান্দা আমার নিকট যা চায় তাই সে পায়। যখন সে বলে, ‘আলহামদু লিল্লাহ’ আল্লাহ বলেন : (আমার বান্দা আমার প্রশংসা করছে। আর যখন বলে ‘আররাহমানিররাহীম’الرحمن) الرحيم ) আল্লাহ বলেন আমার বান্দা আমার গুনগান করছে এবং আমার মহত্বের র্বণনা দিচ্ছে। আর যখন বলবে,مالك يوم الدين) ) আল্লাহ বলেন : مجدني عبدي অর্থাৎ আমার বান্দা আমার মহত্বের বর্ণনা দিচ্ছে। আর যখন বলে إياك نعبد وإياك نستعين )) আল্লাহ বলেন : ইহা আমার এবং আমার বান্দার মাঝে সীমাবদ্ধ আর বান্দা লাভ করে যা সে প্রার্থনা করে। আবার যখন সে বলে إهدنا الصراط المستقيم )) আল্লাহ বলেন: এ শুধু আমার বান্দার এবং সে লাভ করে যা সে প্রার্থনা করে। (মুসলিম:৫৮৯ )
আর সুরা ফাতেহা শেষ করে সে آمين) ) বলবে। অর্থাৎ, হে আল্লাহ ! আপনি আমার দু‘আ কবুল করুন।
সুরা ফাতেহা শেষ করার পর কুরআনের যে কোন অংশ থেকে সহজ কয়েকটি আয়াত তিলাওয়াত করবে। তারপর দু’হাত তুলে আল্লাহ আকবর বলে রুকু করবে। রুকুতে দু’হাত হাঁটুর উপর রাখবে। আঙ্গুলগুলো খোলা থাকবে আর দুই বাহুকে দুই পার্শ্ব থেকে দূরে রাখবে। মাথা ও পিঠ সমান রাখবে, বাঁকা করবেনা। রুকুতে গিয়ে কমপে তিনবার سبحان ربي العظيم বলবে। এবং বেশী বেশী করে আল্লাহর মহত্ব বর্ণনা করবে।যেমন, বলবে—
( سبحانك اللهم ربنا وبحمدك اللهم اغفرلي) (বুখারী)
অতঃপর ‘আল্লাহু আকবর’ বলে মাথা উঁচু করবে এবং দু’হাত কাঁধ পর্যন্ত অথবা দু কানের লতী পর্যন্ত উঠাবে, ডান হাত বাম হাতের বাহুর উপর রাখবে এবং বলবে, ربنا ولك الحمد অথবা ربنا لك الحمد অথবা اللهم ربنا لك الحمد উল্লেখিত দ‘ুআগুলি এক এক সময় এক একটি করে পড়া উত্তম। আর যদি নামাযি মুক্তাদি হয় তবে তাকে سمع الله لمن حمده বলতে হবে না, বরং সে উঠার সময় শুধু উল্লেখিত দু‘আগুলি পড়বে। এছাড়া সে এ দু‘আও পড়তে পারে ربنا ولك الحمد (বুখারী )
তারপর সেজদায় যাওয়ার জন্য তাকবীর বলবে। সেজদায় যাওয়ার সময় দুই হাত উঠানোর কোন প্রয়োজন নেই। সেজদায় যাওয়ার সময় হাত উঠানো বিশুদ্ধ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত নয়। প্রথমে দু হাঁটু জমিনে রাখবে তারপর দুই হাত তারপর কপাল তারপর নাক। মোটকথা, সাতটি অঙ্গের উপর সেজদা করবে কপাল নাক দুই ক্ববজি দুই হাঁটু দুই পায়ের আঙ্গুলি। আর বাহুদ্বয়কে খাড়া করে রাখবে, মাটির সাথে মেশাবে না এবং হাঁটুর উপরেও রাখবে না, আর দুই বাহুকে দুই পার্শ্ব হতে এবং পেটকে দুই উরু হতে আলাদা রাখবে। পিঠ উঁচু করে রাখবে, বিছিয়ে দিবে না। সেজদারত অবস্থায় তিনবার বলবে : سبحان ربي الأعلي এবং سبوح قدوس বলারও বিধান রয়েছে। (মুসলিম:৭৫২ )
আর সেজদায় বেশী বেশী করে আল্লাহর নিকট র্প্রাথনা করবে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো বলেন :
أقرب ما يكون العبد من ربه وهو ساجد، فأكثروا الدعاء ( رواه مسلم:৫৭৯)
‘বান্দা আল্লাহর সবচেয়ে নৈকট্য লাভ করে যখন সে সেজদারত থাকে। সুতরাং, তোমরা সেজদারত অবস্থায় বেশী বেশী প্রার্থনা কর।’ (মুসলিম:৫৭৯)
কিন্ত মুক্তাদির জন্য দীর্ঘ দু‘আ করার অজুহাতে ইমামের চেয়ে বেশী দেরী করা : কোন ক্রমেই তা ঠিক নয়। কারণ, ইমামের অনুকরণ করা করা ওয়াজিব ও অধিক গুরুত্বর্পূণ বিষয়। তারপর তাকবীর বলে সেজদা হতে উঠবে এবং দুই সেজাদার মাঝে ‘মুফতারেশ’ বসবে।
এর নিয়ম হল, বাম পা বিছিয়ে দিবে আর ডান পা ডান পার্শ্বে খাড়া করে রাখবে। আর দুই হাতের মধ্যে ডান হাত ডান উরুর উপর অথবা হাঁটুর মাথায় এবং বাম হাত বাম উরুর উপর অথবা হাঁটুকে মুষ্টি করে আঁকড়ে ধরবে। ডান হাতের কনিষ্ট, অনামিকা ও মধ্যমা অঙ্গুলীগুলো মিলিয়ে রাখবে। তর্জণী খোলা রাখবে শুধু দ‘ুআর সময় নড়া চড়া করতে থাকবে যেমন, رب اغفرلي বলার সময় উঠাবে এবং وارحمني বলার সময় উঠাবে। দুই সেজদার মাঝে বসা অবস্থায় এ দু‘আ পড়বে
رب اغفرلي وارحمني واجبرني وارفعني واهدني وعافني وارزقني.
তারপর প্রথম সেজদার মতই দ্বিতীয় সেজদা করবে এবং প্রথম সেজদায় যা যা পড়েছে দ্বিতীয় সেজদাতেও তাই পড়বে। তারপর দুই হাঁটুর উপর ভর করে দ্বিতীয় রাকা‘আতের জন্য দাঁড়াবে।
প্রথম রাকাতে যা যা করেছে দ্বিতীয় রাকা‘আতেও তাই করবে। তবে দ্বিতীয় রাকতে دعاء الاستفتاح পড়তে হবে না। দ্বিতীয় রাকা‘আত আদায় করা শেষ হলে তাশাহুদ পড়ার জন্য দুই সেজদার মাঝে যেভাবে দুই হাত ও পা রেখেছিল ঠিক একইভাবে হাত পা রেখে বসবে। তার পর তাশাহুদ পড়বে
(التحيات لله والصلوات والطيبات السلام عليك أيها النبي ورحمة الله وبركاته السلام علينا وعلى عباد الله الصالحين أشهد أن لا إله إلا الله وأشهد أن محمداً عبده ورسوله)
(বুখারী:৭৮৮)
তাশাহুদের অর্থ :যাবতীয ইবাদত ও অর্চনা মৌখিক শারীরিক ও আর্থিক সমস্তই আল্লাহর জন্য হে নবী আপনার উপর আল্লাহর শান্তি রহমত ও বরকত অবর্তীণ হোক আমাদের উপর এবং নেক বান্দাদের উপর শান্তি অবর্তীণ হোক আমি স্যা দিচ্ছ যে আল্লাহ ছাড়া ইবাদতের যোগ্য কোন মাবুদ নেই এবং আরো স্যা দিচ্ছি যে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও রাসুল।
আর যদি সালাত তিন রাকা‘আত অথবা চার রাকা‘আত বিশিষ্ট হয় তা’হলে তাশাহুদ পড়ার পর তাকবীরে এহরামের সময় যেভাবে হাত ইঠায় সে ভাবে হাত উঠিয়ে দাঁড়িয়ে যাবে এবং বাকী সালাত আদায় করবে। তবে দ্বিতীয় ও তৃতীয় রাকা‘আতে শুধু সুরা ফাতেহা পড়বে।
তারপর তিন রাকা‘আত অথবা চার রাকা‘আতের পর শেষ তাশাহুদের জন্য বসবে। এবং ‘তাওয়াররুক’ করে বসবে। অর্থাৎ ডান পা খাড়া করে রাখবে এবং বাম পা নলার নিচ দিয়ে বের দিবে এবং নিতম্ভদ্বয় জমিনে বিছিয়ে দিবে। অতঃপর শেষ তাশাহুদ পড়বে এবং দুরূদ শরীফ পড়বে
اللهم صل على محمد وعلى آل محمد كما صليت على إبراهيم وعلى آل إبراهيم إنك حميد مجيد اللهم بارك على محمد وعلى آل محمد كما باركت على إبراهيم وعلى آل إبراهيم إنك حميد مجيد. (رواه البخاري:৬১৩)
হে আল্লাহ তুমি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও তার বংশধরদের প্রতি রহমত নাযিল কর যেমনটি করেছিলে ইব্রাহীম আলাইহিসসালাম ও তার বংশধরদের প্রতি নিশ্চয় তুমি প্রশংসনীয় ও সম্মানী
এ দুরূদ শরীফকে শেষ তাশাহুদের সাথে যোগ করবে। (বুখরী মুসলিম )
এছাড়াও যে কোন দুরূদ, যা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণিত, পড়তে পারবে।
তারপর এ দু‘আটি পড়বে :
اللهم إني ظلمت نفسي ظلماً كثيراً، ولا يغفر الذنوب إلا أنت، فاغفرلي مغفرة من عندك، وارحمني، إنك أنت التواب الرحيم. (رواه البخاري:৫৮৫১)
অর্থ ঃ হে আল্লাহ আমি আমার নিজের উপর অনেক বেশী যুলুম করেছি আর তুমি ছাড়া কেহই আমার গুনাহসমূহ আর কেহই মাফ করতে পারেনা সুতরাং তুমি তোমার নিজ গুনে আমাকে মার্জনা করে দাও এবং আমার প্রতি রহম কর তুমিতো র্মাজনা কারী ও দয়ালু।
এ দুআটিও পড়বে :
اللهم إني أعوذ بك من عذاب جهنم، ومن عذاب القبر، ومن فتنة المحيا والممات، ومن شر فتنة المسيح الدجال. رواه مسلم :৫৮৯০
অর্থ ঃ হে আল্লাহ ! আমি তোমার আশ্রয় চাচ্ছি জাহান্নাম থেকে, আশ্রয় চাচ্ছি কবর আযাব থেকে, আশ্রয় চাচ্ছি জীবন ও মৃত্যুর ফিতনা থেতে এবং মাসীহে দাজ্জালের ফিতনা হতে
(মুসলিম :৫৮৯০)
এর পর দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যানের জন্য দু‘আ করবে।
যেমন, হাদীসে বর্ণিত :
ثم يدعوا لنفسه بما بدا له. (رواه مسلم:১২৯৩)
‘তার পর তার কল্যানের জন্য যে কোন দু‘আ করবে।’ (মুসলিম:১২৯৩)
সালামের পূর্বে বেশী বেশী করে দু‘আ করা উচিত। বিশেষ করে পুর্বোক্ত হাদীসে উল্লেখিত চারটি বিষয়ে আল্লাহর নিকট বেশী করে প্রার্থনা করবে। তার পর তার হাদীসে উল্লেখিত অন্যান্য দুআ করতে পারে। অতঃপর السلام عليكم বলে ডানে ও বামে সালাম ফিরাবে।
উল্লেখিত র্কাযাবলী সুন্নাতানুসারে সম্পাদনের পর গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল অন্তরকে হাজির রাখা। এবং শয়তানের প্রবঞ্চণা, যা দ্বারা ছাওয়াব বিনষ্ট হয়, তা হতে অন্তরকে মুক্ত রাখা। কারণ, শয়তানের সাথে তার যুদ্ধ ততণ পর্যন্ত শেষ হবে না যতণ পর্যন্ত তার মৃত্যু হবে না। আল্লাহর নিকট আমরা আমাদের সুন্দর পরিণতি কামনা করি।



মূল : গবেষণা পরিষদ, আল-মুনতাদা আল-ইসলামী
অনুবাদ : জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
সম্পাদনা : আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
ইসলাম প্রচার ব্যুরো, রাবওয়া, রিয়াদ


১০টি মন্তব্য

  • আলরাহিম বলেছেন ২০১০/০২/০৪ ১৩:৩৪:১৯

    শিবলী ভাই ধন্যবাদ একটি সুন্দর পোস্টের জন্য।
    অনেক অজানা বিষয় জানলাম আপনার পোস্ট থেকে

    সাইক্লোন বলেছেন ২০১০/০২/০৪ ১৪:০৭:৩৬

    অনেক ধন্যবাদ রাহিম ভাই

  • সাইদুর রহমান চৌধুরী বলেছেন ২০১০/০২/০৪ ১৪:২৮:৩৬

    পোস্টগুলোর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ দিলে কম হবে।
    খুবই জরুরী এবং তথ্যপূর্ণ পোস্ট।
    ভালো থাকুন।

    সাইক্লোন বলেছেন ২০১০/০২/০৪ ১৪:৩২:৫৪

    ধন্যবাদ সাইদ ভাই

  • রাজিন বলেছেন ২০১০/০২/০৪ ১৪:৩৮:৩৬

    আবার ভাল লাগা, আবার ধন্যবাদ

    সাইক্লোন বলেছেন ২০১০/০২/০৪ ১৪:৫৩:২৬

    আপনাকেও ধন্যবাদ রাজিন ভাই

  • হাসান মাহমুদ বলেছেন ২০১০/০২/০৪ ১৪:৪৫:০৩

    কাজের পোস্ট সাইক্লোন ভাই।
    আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিক, আমীন।

    সাইক্লোন বলেছেন ২০১০/০২/০৪ ১৪:৫৪:০৬

    ধন্যবাদ হাসান ভাই

  • নীলপাখি বলেছেন ২০১০/০২/০৪ ১৬:৪৩:৪৪

    ধন্যবাদ রাজিন ভাই। কার্যকরী পোষ্ট , অতি উত্তম।

    সাইক্লোন বলেছেন ২০১০/০২/০৪ ১৭:৪৮:৩০

    ধন্যবাদ



প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা ১২১৫