এই সুন্দর ফুল, সুন্দর ফল... মিঠা নদীর পানি.......... খোদা তোমার মেহেরবানী..

ফেব্রুয়ারি
০৯

সালাতের আহকাম ও পদ্ধতি (শেষ পর্ব)

সময় ১০:৪৪:৫০


সুন্নত সালাত
রাতদিনে মোট দশ রাকা‘আত সালাতের পাবন্দী করা সুন্নাত। রাসূল নিজেও এসব সালাতের বিশেষ পাবন্দী করতেন।
অর্থাৎ যোহরের সালাতের পূর্বে দুই রাকা‘আত এবং পরে দুই রাকা‘আত মাগরিবের সালাতের পরে দুই রাকা‘আত এবং ফযরের সালাতের পূর্বে দুই রাকা‘আত।
প্রমাণ :
عن ابن عمر رضي الله عنه أنه قال حفظت من النبي صلي الله عليه وسلم عشر ركعات ركعتين قبل الظهر وركعتين بعدها وركعتين بعد المغرب في بيته وركعتين بعد العشاء في بيته وركعتين قبل صلاة الصبح. (رواه مسلم:১১০৯)
ইবনে উমার রা.-এর হাদীস তিনি বলেন : আমি রাসূল সা. হতে দশ রাকা‘আত সালাত সংরণ করি—যোহরের পূর্বে দুই রাকা‘আত এবং পরে দুই রাকা‘আত। মাগরিবের সালাতের পর দুই রাকা‘আত এশার সালাতের পর নিজ গৃহে দুই রাকা‘আত। আর ফযরের সালাতের পূর্বে দুই রাকা‘আত। (মুসলিম:১১০৯)
যোহরের সালাতের পূর্বে চার রাকা‘আত এবং পরে দুই রাকা‘আতের কথাও হাদীস দ্বারা প্রমাণিত।
তখন দিবারাত্রে মোট সালাত হবে বার রাকা‘আত। রাসূল সা. বলেন:
ما من عبد مسلم يصلي لله كل يوم ثنتي عشرة ركعة تطوعا غير فريضة إلا بنى الله له بيتاً في الجنة (رواه مسلم:১১১৯)
‘কোন মুসলমান যদি ফরয সালাত ছাড়া প্রতিদিন বার রাকা‘আত সালাত আদায় করে আল্লাহ তা‘আলা তার জন্য বেহেস্তের মধ্যে ...

  • ১৩টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
০৮

বিদায় হজের ভাষণ

সময় ১০:৩২:২১


শুক্রবার, ৯ জিলহজ, ১০ হিজরী সনে আরাফার দিন দুপুরের পর রাসূল সাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লক্ষাধিক সাহাবির সমাবেশে হজের সময় এই বিখ্যাত ভাষণ দেন। হাম্‌দ ও সানার পর স্বীয় ভাষণে ইরশাদ করেনঃ আল্লাহ ছাড়া আর কোনো মা’বুদ নেই। তাঁর সমকক্ষ কেউ নেই।
আল্লাহ তাঁর ওয়াদা পূর্ণ করেছেন। তিনি তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন। আর তিনি একাই বাতিল শক্তিগুলো পরাভূত করেছেন।
হে আল্লাহর বান্দারা! আমি তোমাদের আল্লাহর ইবাদত ও তাঁর বন্দেগির ওসিয়ত করছি এবং এর নির্দেশ দিচ্ছি।
হেল লোক সকল! তোমরা আমার কথা শোন। এরপর এই স্থানে তোমাদের সাথে আর একত্রিত হতে পারব কি না জানি না।
হে লোক সকল! আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেছেন, হে মানবজাতি! তোমাদের আমি একজন পুরুষ ও একজন নারী থেকে পয়দা করেছি এবং তোমাদের সমাজ ও গোত্রে ভাগ করে দিয়েছি যেন তোমরা পরস্পরের পরিচয় জানতে পারো। তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই আল্লাহর দরবারে অধিকতর সম্মান ও মর্যাদার অধিকারী, যে তোমাদের মধ্যে অধিক তাকওয়া অবলম্বন করে, সব বিষয়ে আল্লাহর কথা অধিক খেয়াল রাখে। ইসলামে জাতি, শ্রেণীভেদ ও বর্ণবৈষম্য নেই। আরবের ওপর কোনো আজমের, ...

  • ২০টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
০৭

সালাতের আহকাম ও পদ্ধতি (৫)

সময় ১০:১৯:৪৮


সালাতের ওয়াজিবসমূহ
সালাতের ওয়ািজব নয়টি
১. তাকবীরে এহরাম ছাড়া অন্যান্য তাকবীর বলা।
২. রুকুতে سبحان ربي العظيم বলা।
৩. ইমাম ও মুনফারেদ (একা সালাত আদায়কারী) এর জন্য রুকু হতে উঠার সময় سمع الله لمن حمده বলা।
৪. ইমাম মুক্তাদি ও একা সালাত আদায়কারীর জন্য ربنا ولك الحمد বলা।
৫. সেজদায়سبحان ربي الأعلى বলা।
৬. দুই সেজদার মাঝে رب اغفرلي বলা।
৭. প্রথম বৈঠক।
৮. প্রথম বৈঠকে তাশাহুদ পড়া।
৯. শেষ বৈঠকে দুরুদ শরীফ পড়া।

রুকন ও ওয়াজিবের মধ্যে প্রার্থক্য
রুকন আদায় না করলে সালাত হয় না। যদি কোন মুসাল্লি ইচ্ছা করে কোন রুকন ছাড়ে তবে তার সালাত বাতিল হয়ে যায়, আর অনিচ্ছায় ছাড়লে তা স্মরণ করার পর আদায় করতে হবে এবং সালাতের বাকী কার্যাদি সম্পন্ন করে সেজদা সাহু করবে। আর যদি মুসল্লি ইচ্ছা করে ওয়াজিব ছেড়ে দেয়, তার সালাত বাতিল হয়ে যাবে। আর যদি ভুলে ছেড়ে দেয় সেজদা সাহুর মাধ্যমে তি পুরণ দিবে।

সালাতের সুন্নাতসমূহ
সালাতের ওয়াজিব ও আরকান ছাড়া বাকী অন্যান্য র্কাযাবলী সুন্নাতের অর্ন্তভুক্ত।
সুন্নাত দুই প্রকার :
এক : কথ্য সুন্নাত
যেমন, সালাত শুরুর দু‘আ বা সানা পড়া
আমীন বলা। সকল সালাতে প্রথম দুই রাকা‘আতে ...

  • ৬টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
০৬

সালাতের আহকাম ও পদ্ধতি (৪)

সময় ১১:০৯:৩৬


সালাতের রুকুন সমূহ
সালাতে অনেকগুলো রুকুন আছে যেগুলো আদায় করা ছাড়া সালাত শুদ্ধ হয় না।
১. সম ব্যক্তির জন্য ফরয সালাত দাঁড়িয়ে আদায় করা
অর্থাৎ-ফরয সালাত দাঁড়ানোর মতা থাকা অবস্থায় দাঁড়ানোর স্থানে দাঁড়িয়ে আদায় করা ফরয।
প্রমাণ, আল্লাহ বলেন :
وَقُومُوا لِلَّهِ قَانِتِينَ. (سورة البقرة : ২৩৮)
‘তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে বিনয়ের সাথে দাঁড়িয়ে থাক।’
২. তাকবীরে ইহরাম
সালাতের প্রারম্ভে আল্লাহু আকবার বলবে। প্রমাণ :
تحريمها التكبير وتحليلها التسليم. (رواه الترمذي:৩০৬)
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, সালাতের শুরু হল তাকবীর আর শেষ হল সালাম।’ (তিরমিযি:৩০৬)
৩. সুরা ফাতেহা পড়া
ইমাম ও মুক্তাদি সকলের জন্য প্রতি রাকা‘আতে সুরা ফাতিহা পড়া ওয়াজিব।
প্রমাণ : রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন
لا صلوة لمن لا يقرأ بفاتحة الكتاب. (رواه البخاري:৭১৪)
‘যে ব্যক্তি সুরা ফাতেহা পড়েনা তার সালাত হয় না।’ (বুখারী:৭১৪)
৪. রুকু করা।
৫. রুকু হতে উঠা।
৬. প্রতি রাকা‘আতে দুইবার সেজদা করা,
৭. দুই সেজদার মাঝে বসা। প্রমাণ—আল্লাহর বাণী :
يا أيها الذين آمنوا اركعوا واسجدوا. (سورة الحج:৭৭)
‘হে ঈমানদারগণ ! তোমরা রুকু কর এবং সেজদা ...

  • ৮টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
০৪

সালাতের আহকাম ও পদ্ধতি (৩)

সময় ১৩:২১:৩৬


সালাতের বিধানাবলী




আল্লহ তা‘আলা কুরানে করীমে সালাতের আদেশ দিলেও এর পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেননি। তবে হাদীসে এর বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
আল্লাহ বলেন :
وَأَنْزَلْنَا إِلَيْكَ الذِّكْرَ لِتُبَيِّنَ لِلنَّاسِ مَا نُزِّلَ إِلَيْهِمْ وَلَعَلَّهُمْ يَتَفَكَّرُونَ. (النحل:৪৪)
‘আর তোমার প্রতি কুরআন অবতীর্ণ করেছি মানুষকে বুঝিয়ে দেয়ার জন্য।’
আর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:
صلوا كما رأيتموني أصلي. (رواه البخاري:৫৯৫)
‘তোমরা আমাকে যেভাবে সালাত পড়তে দেখ ঠিক সেভাবে সালাত আদায় কর।’ (বুখারী:৫৯৫ )
একজন মুসলমান যখন সালাতে দাঁড়ায় তখন তার অন্তরে এমন একটি অনুভূতি থাকা উচিত যে, সে এখন মহান আল্লহর সম্মুখে দণ্ডায়মান, তিনি তার চোখের ইশারা অন্তরের অন্ত¯থলের বিরাজমান সব কিছুই জানেন। মনের চিন্তা চেতনা আকুতি-মিনতি সবই তার জ্ঞাত। যদি মানুষের মধ্যে এ ধরনের অনুভূতি জাগ্রত থাকে তবেই তার অন্তর সালাতে একমাত্র আল্লাহর দিকেই নিমগ্ন থাকবে। যেমনিভাবে তার দেহ-শরীর ক্বিবলার দিকে থাকে অনুরূপভাবে তার মনও ক্বিবলামুখী থাকবে। একজন নামাযির কর্তব্য হল, যখনই সে সালাতে দাঁড়াবে, তাকে বিশ্বাস ...

  • ১০টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
০৩

সালাতের আহকাম ও পদ্ধতি (২)

সময় ১১:৪০:৪৬


সালাতের শর্তাবলি
সালাতের শর্ত নয়টি :


ছয় : সতর ঢাকা :

পুরুষের সতর নাভি হতে হাটুর নীচ পর্যন্ত।
আর মেয়েদের েেত্র শুধু চেহারা ও দু-হাতের কবজি ছাড়া সবই সতর। তবে অপরিচিত লোকের সামনে পড়লে চেহারা ও হাতের কবজিও ঢেকে রাখতে হবে।
আল্লহ বলেন :
يَا بَنِي آَدَمَ خُذُوا زِينَتَكُمْ عِنْدَ كُلِّ مَسْجِدٍ. (الأعراف:৩১)
‘হে আদম সন্তান ! তোমরা প্রত্যেক সালাতের সময় তোমাদের পোশাক-পরিচ্ছেদ গ্রহণ কর কর।’ (আ’রাফ:৩১)

সাত : সময় হওয়া:

দিবারাত্রের মধ্যে পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের সময় নির্ধারিত আছে। এবং সময়ের শুরু আছে এবং শেষও আছে।
সময়ের বিস্তারিত আলোচনা নিম্নরূপ :
ফযরের সালাতের সময় : সুবহে সাদেক হতে সূর্যোদয় পর্যন্ত।
যোহরের ওয়াক্ত : সূর্য পশ্চিম আকাশে ঢলা থেকে আরম্ভ করে প্রতিটি বস্তুর ছায়া দ্বিগুণ হওয়া পর্যন্ত।
আছরের সালাতের সময় : প্রতিটি বস্তুর ছায়া তার সমপরিমাণ হওয়া থেকে আরম্ভ করে দ্বিগুণ হওয়া পর্যন্ত।
মাগরিবের সময় : সূর্যাস্ত থেকে আরম্ভ করে পশ্চিম আকাশের লালিমা অদৃশ্য হওয়া পর্যন্ত।
এশার সালাতের সময় : লালিমা অদৃশ্য হওয়ার পর অর্ধরাত্রি পর্যন্ত।
ওয়াক্ত শর্ত হওয়ার প্রমাণ, আল্লাহ বলেন ...

  • ১৬টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
০২

সালাতের আহকাম ও পদ্ধতি (১)

সময় ১৪:১৬:৫৫


সালাতের শর্তাবলি

সালাতের শর্ত নয়টি :

এক : মুসলমান হওয়া :

সালাত ছাড়াও অন্যান্য যে কোন ইবাদতের েেত্রই মুসলমান হওয়া পূর্বশর্ত। মুসলমান বলতে উদ্দেশ্য হল, যে ব্যক্তি আল্লাহকে রব হিসেবে বিশ্বাস করে এবং মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -কে রাসূল বলে স্বীকৃতি প্রদান, আর ইসলামকে একমাত্র দ্বীন বলে মনে-প্রাণে গ্রহণ করে। অবিশ্বাসীর যাবতীয় ইবাদত প্রত্যাখ্যাত । অবিশ্বাসীদের কোন ইবাদতই আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য নয়, যদিও তারা জমিনভর স্বর্ণ কল্যাণকর কাজে ব্যয় করে।
আল্লাহ তাআলা বলেন :
وَقَدِمْنَا إِلَى مَا عَمِلُوا مِنْ عَمَلٍ فَجَعَلْنَاهُ هَبَاءً مَنْثُورًا. (الفرقان :২৩)
‘আমি তাদের কৃতকর্মগুলো বিবেচনা করব, অতঃপর সেগুলোকে বিপ্তি ধুলি-কণায় পরিণত করব।’ (সূরা আল-ফুরকান : ২৩)

দুই : বুঝার বয়সে উপনীত হওয়া :

বুঝার মত বয়সে উপনীত হওয়া হল শরীয়তের বিধানাবলী উপলব্ধি ও গ্রহণ করার একমাত্র উপায়। জ্ঞানহীন ব্যক্তির উপর শরীয়তের কোন বিধানই ওয়াজিব নয়।
প্রমাণ : রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
رفع القلم عن ثلاثة: النائم حتى يستيقظ، والمجنون حتى يفيق، والصغير حتى يكبر.
(رواه الترمذي:১৩৪৩)
তিন ব্যক্তি ...

  • ১৪টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
০১

নামাজে আমরা কি পড়ি

সময় ১২:২৭:২০


#
তাকবিরে তাহরিমা :
আল্লাহু আকবার।(আল্লাহ তা’য়ালা সর্বশ্রেষ্ট্) ।
**********************
#
সানা :
সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারাকাস্’মুকা ওয়া তায়া’লা জাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গাইরুকা।.
অর্থ : হে আল্লাহ ! তুমি পাক্ , তোমারই জন্য সমস্ত্ প্রশংসা, তোমার নাম পবিত্র এবং বরকতময়, তোমার গৌরব অতি উচ্চ্ , তুমি ছাড়া অন্য কেহ উপাস্য নাই ।
*******************
#
তাআউয (আউযুবিল্লাহ):
আউযু বিল্লাহি মিনাশ্ শাইত্বোনির রাজীম।
অর্থ: বিতারিত শয়তান হইতে, আল্লাহ তা’য়ালার আশ্রয় প্রার্থনা করিতেছি ।
*******************
#
তাসমিয়াহ্ (বিসমিল্লাহ্):
বিসমিল্লাহির রহ্’মানির রহিম
[ শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুনাময়, অসীম দয়ালু]।
*******************
#
রুকুর তাসবীহ্:
সুবহানা রব্বিয়াল আযীম ।( আমার মহান প্রভু পবিত্র)।
************************************
#
রুকু হইতে উঠিবার তাসবিহ্
সামিআল্লাহু লিমান হামিদা (যে আল্লাহর প্রশংশা করে, আল্লাহ তা শোনেন)।
******************************
#
রুকু হইতে উঠে সোজা হয়ে দাড়িয়ে পড়ার তাসবিহ্
রব্বানা লাকাল হাম্’দ্ (হে আমাদের রব ! তোমার জন্যই সকল প্রশংশা)।
******************************
#
সিজদার তাসবিহ্
সুবহানা ...

  • ৩৪টি মন্তব্য

জানুয়ারি
২৭

ফ্রান্সে বোরখা নিষিদ্ধে সংসদীয় সুপারিশ ------ এর নাম কি ধর্মনিরপেক্ষতা ..??????

সময় ১৪:২১:২১


ফ্রান্সের একটি সংসদীয় দল সে দেশের মুসলিম মহিলারা কর্মক্ষেত্রে বোরখা পরতে পারবে না বলে সুপারিশ করেছে। প্রায় দুইশ’ পৃষ্ঠার ওই সুপারিশে কমিটির সদস্যরা সে দেশের হাসপাতাল, স্কুল, সরকারি অফিস-আদালত এবং পাবলিক পরিবহনগুলোতে মুসলিম মহিলাদের যাতে বোরখা পরতে অনুমতি না দেয়া হয় সে ব্যাপারে দাবি জানান। সুপারিশে বলা হয়, কারও পোশাকে দেশের মূল্যবোধের পরিপন্থী কিছু ঘটলে তাকে ফ্রান্সে বসবাসের অধিকার এবং নাগরিকত্ব দেয়া যাবে না । এতে বলা হয়েছে, মহিলাদের এই মুখ ঢেকে রাখা প্রথা সে দেশের ধর্মনিরপেক্ষতা ও নারী-পুরুষের সমান অধিকারের বিষয়ে ফরাসি মূল্যবোধের পরিপন্থী।
রিপোর্টে সংসদীয় দলের সদস্যরা উল্লেখ করেন, ফরাসি প্রজাতন্ত্রে যে ধর্মনিরপেক্ষতা ও সাম্যের নীতি আছে, মুখ ঢেকে রাখাটা সেই আদর্শের পরিপন্থী।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজিও মুসলিম মহিলাদের নেকাব বা বোরখা পরা সমর্থন করেন না। এর আগেও কয়েকবার তিনি বোরখা পরাকে নিজ দেশের সংস্কৃতির পরিপন্থী বলেছিলেন। তিনি বলেন, মুসলিম মহিলাদের এ প্রথার প্রতি ফ্রান্সবাসীর তেমন কোনো সমর্থন নেই। তাছাড়া এ প্রথা সমর্থনযোগ্য বা নিষিদ্ধ করা উচিত ...

  • ৮৩টি মন্তব্য

জানুয়ারি
১৭

সমুচিৎ জবাব

সময় ১৬:০৬:৫৫


ভারতীয় সহ অধিনায়কের কথার সমুচিত জবাব দিচ্ছ বাংলাদেশ ক্রিকেট টীম।
বিশেষ করে সাকিব এবং সাহাদাত।
ভারত ১৯০/৭


শুভকামনা বাংলাদেশ ক্রিকেট টীম এর ...

  • ৩০টি মন্তব্য

প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা ১২১৫