নভেম্বর
১২
চাই যৌবনের শেষ সিঁড়ি
![]()
শিশুর মত দোলনায় করে
বৃদ্ধ লোকটিকে নিয়ে যায় দু'জন
দু'কাঁধে বয়ে।
বয়েসের পীড়ায় অবিশ্রান্ত কম্পমান সে।
সত্তুর নাকি বয়ে গেছে তার,
বর্ষ চাপে কুঁজো হয়ে গেছে হৃদয়-শরীর।
অকর্মা পদার্থ বলে পরিচিত
সময়ের কাছে,
তাই নিভুনিভু আলোতেও দু'কর্মাকে
আটকে রাখে।
এভাবেও সে বাঁচতে চায়,
ব্যস্ততম পৃথিবীর কাছে-সংখ্যাহীন
জনস্রোতের গর্ভে।
কখনও ইচ্ছে জাগেনা তার চলে যেতে।
অথচ! পৃথিবী চায়না এমন বেঁচে থাকা,
আমিও চাইনা বর্ষ চাপে কুঁজো হওয়া।.....ও,
অকর্মা জীবন।
আমি চাই যৌবনের শেষ সিঁড়িতে,
নিঃশব্দে চলে যেতে, খোদার কিনারে।
=================



Phonetic
এমনি করে সবাই যাবে যেতে হবে ;
দেহের মাপের মাটির ঘরে শুতে হবে ।
ধন্যবাদ সুর চন্দে মাতিয় শেয়ার করার জন্য
কে কিভাবে যাবে সেটা আমাদের হাতে থাকলে এভাবে বলা যেত ।
তবে ইচ্ছে থাকা ভাল ।
সব ইচ্ছে না হয় পুর্ন নাইবা হল ।
শুভেচ্চছা কবি ।
আপনাকে দেখলে আমার খুব ভাল লাগে..
ধন্যবাদ
আল্লাহ আমাদের মৃত্যু যন্ত্রণা সহজ করুক, আমীন ।
সুম্মা আমিন..
দোয়া করবেন যেন..
আজকের যৌবন কাল সে জীর্ন
তবু মানুষ করে আমার হৃদয় বিধির্ণ
আমারও কামনা। ভাল লাগল।
আসুন ভাই কাপনে কাপড় কিনে রাখি..
আগেকার দিনে মুরব্বীরা কাফনের কাপড় নিজেই কিনে রাখতেন।
ওই রকমটাই শুনেছি
আমি চাই যৌবনের শেষ সিঁড়িতে,

নিঃশব্দে চলে যেতে, খোদার কিনারে।
তাই যেন হয়,কারও বোঝা হয়ে থাকার ইচ্ছে নেই
এমনি এমনি যাব না। কয়েক জন সাথে করে নিয়ে যেতে চাই..
আইরিশ কবি মহমান্য ইয়েটস কহিয়া গিয়াছেন, বৃদ্ধগণের জন্য কোনো দেশ নাই।
'no country for oldmen'. কথাটার ভিতর সারবত্তা রহিয়াছে।
বৃদ্ধাবস্থার কথা ভাবিলে ভয় পাই।
হে খোদা,
কাহারও উপর যেন নির্ভরশীল হইতে না-হয়।
সবাই ছহি _ছালামেত থাকিবেন।
এক কাতারে আসিলেন বলিয়া ধন্যবাদ না দিয়া পারিতেছিনা
দীর্ঘ জীবন চাইনা-তীব্র জীবন চাই।
প্রচন্ড কষ্ট পাবেন
এই দেশে জন্ম লইয়া তীব্র জীবন পাইবার উপায় নাই।
গরীব দেশ গরীব জীবন........................................................................
সংসার করাও কষ্টের