ব্লগ লিখার এই উৎসাহটা হারিয়ে যাচ্ছে...

সময় ১৯:০৯:০৯
নুতনা বলগ এলে পোষ্টানোর জন্য দু'দিন ধরে কষ্ট করে একটি লিখা তৈরী করছিলাম। না পোষ্টিয়ে চলে গেলাগ....
ব্লগ লিখার এই উৎসাহটা হারিয়ে ...
নুতনা বলগ এলে পোষ্টানোর জন্য দু'দিন ধরে কষ্ট করে একটি লিখা তৈরী করছিলাম। না পোষ্টিয়ে চলে গেলাগ....
ব্লগ লিখার এই উৎসাহটা হারিয়ে ...
কষ্টের কথাকি মুখে বলা যায়? যে কষ্ট সভ্যতাকে হার মানায়। লজ্জিত হই ...
আমি কি করব সিদ্ধান্ত নিতে পারছিনা। সঠিক নিকে থাকবো নাকি ফেক নিকে? ব্লগে যা শুরু হয়েছে কেমন যেন হেজিটেইশন লাগছে। নুতুন ব্লগ আসার আগেই সিদ্ধান্ত নিতে চাই। পরামর্শ ...
ডুপিডিএফ দিয়ে পিডিএফ তৈরী করলে পিডিএফ এর ওজন বেড়ে যায়। কোন সফটওয়ারে পিডিএফ বানালে ওজন কম হবে? সফওয়ারটি কোথায় পাবো? কেউ জানালে উপকার ...
কথা বলতে রাজি না হওয়ায় এক তরুণীর সঙ্গীরাসহ পাঁচজনকে রোববার পিটিয়ে আহত করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগকর্মীরা।
জসীম উদ্দিন হল ছাত্রলীগ সভাপতি আব্দুর রহমান জীবনের পক্ষের কর্মীরা রোববার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে এ মারপিটের ঘটনা ঘটায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ওই উপাচার্যের বাসভবনের সামনে দিয়ে সঙ্গীদের নিয়ে ফিরছিলেন পুরান ঢাকার ওই তরুণী। এসময় তাকে উত্যক্ত করেন জীবনের পক্ষের কর্মী সেতু। এক পর্যায়ে তিনি মেয়েটির সঙ্গে কথা বলতে চান।
এতে রাজি না হয়ে চলে যেতে চাইলে তিনি তরুণীর ওড়না ধরে টানাটানি করেন। বেশ কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এ সময় তরুণীর চিৎকারে আশেপাশের লোকজন ও তার সঙ্গীরা এগিয়ে আসে। তাদের সঙ্গে সংঘর্ষে জাড়িয়ে পড়েন সেতু, শামস, সোহান, বিপ্লবসহ উপস্থিত ছাত্রলীগকর্মীরা।
তারা জসীম উদ্দিন হল, বঙ্গবন্ধু হল, এসএম হল ও মুহসীন হলের আবাসিক ছাত্র।
পরে হল থেকে আরো ছাত্রলীগকর্মী এসে তরুণীর সঙ্গীরাসহ পাঁচজনকে পিটিয়ে আহত করে।
এ সময় তরুণী ও তার সঙ্গীরা দ্রুত ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন। পরে জসীম উদ্দিন হল, মুহসীন হল ও ...
ইতিপূর্বে ঘোষিত কর্মসূচী অনুযায়ী ফেব্র“য়ারী ঢাকা শহরের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মঘট পালিত হয় এবং ধর্মঘটের পর ছাত্ররা মিছিল সহকারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমবেত হয়। সেখানে গাজিউল হকের সভাপতিত্বে একটি ছাত্র সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আবদুল
মতিন, গোলাম মাহবুব প্রমুখ ছাত্র নেতা। বক্তাগণ নাজিম উদ্দীনের বক্তব্যের তীব্র বিরোধীতা করে ১৯৪৮সালে স্বাক্ষরিত চুক্তি বাস্তবায়নের দাবী জানান। সভার এক প্রস্তাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংগ্রাম পরিষদকে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের একটি অঙ্গ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ইতোমধ্যে ২০ ফেব্র“য়ারী পূর্ব বাংলার আইন সভার পরবর্তী অধিবেশন শুরু হবার কথা সরকারী ভাবে ঘোষণা করা হয়। আইন সভার অধিবেশন বিবেচনায় রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের উক্ত সভায় ২১ ফেব্র“য়ারী রাষ্ট্রভাষার বাংলার দাবীতে সমগ্র পূর্ব বাংলায় এক সাধারণ ধর্মঘট আহ্বান করা হয়। এ দিনেই সর্বদলীয় রাষ্ট্র ভাষা সংগ্রাম পরিষদের একটি সভায় ২১ফেব্র“য়ারী সমগ্র পূর্ব বাংলায় এক সাধারণ ধর্মঘট আহ্বান করা হয়। এই সভায় মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, আবুল হাশিম সহ সর্বদলীয় ...



ইতিপূর্বে সংবিধানের কাঠামো ও মূলনীতি নির্ধারণের জন্য গণপরিষদ কর্তৃক গঠিত মূলনীতি কমিটি ১৯৫০ সালের ৭ সেপ্টেম্বর রিপোর্ট প্রদান করলে দেখা যায় যে, তারা উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উল্লেখ করেছে। উর্দুর বিরুদ্ধে ১৯৪৭ সাল থেকে পূর্ব বাংলার জনগণের প্রতিবাদ চলতে থাকলেও জিন্নাহর মৃত্যুর পরে পূর্ব বাংলাসহ পাকিস্তানের রাজনীতির মোড় ঘুরে যায়। এসময় শহীদ সোহরাওয়ার্দী ভারত থেকে পাকিস্তানে আসেন। তার পৃষ্ঠপোষকতায় জন্ম নেয় নতুন রাজনৈতিক দল পূর্ব বাংলা আওয়ামী মুসলিম লীগ। অনুরূপ তার নেতৃত্বে পাকিস্তান ভিত্তিক রাজনৈতিক দল “জিন্নাহ আওয়ামী লীগ” গঠিত হয়। মুসলিম লীগের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠিত এটাই ছিল প্রথম রাজনৈতিক দল। কেন্দ্রীয় জিন্নাহ আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন সোহরাওয়ার্দী এবং পূর্ব বাংলার সভাপতি হন মাওলানা ভাসানী। এর পরেই ১৯৫১ সালের মার্চে জন্ম নেয় “পূর্ব বাংলা যুবলীগ”। এর সভাপতি ও সম্পাদক ছিলেন যথাক্রমে মাহমুদ আলী ও অলী আহাদ (জম্ম ১৯২৯)। একই বছরের অক্টোবর মাসে লেয়াকত আলী খানের মৃত্যু হলে পাকিস্তান রাজনীতিতে বিরোধীদের অবস্থান আরো শক্তিশালী হয়ে উঠে। অন্যদিকে পাকিস্তানী ...
১৯৪৭ সালের ১৪ আগষ্ট স্বাধীনতা অর্জনের আগেই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা কী হবে তা নিয়ে দেশের শিক্ষিত বুদ্ধিজীবি শ্রেণীর মধ্যে আলোচনা হয়। ভাষা আন্দোলন বিচ্ছিন্ন কোন ঘটনা নয়। ভিন্ন চেহারায় হলেও এর সূচনা হয় মূল আন্দোলন শুরু হওয়ার কয়েক দশক আগেই বাঙ্গালী মুসলমানের জাতীয়তাবোধ এর পেছনে কাজ করেছে। বাঙ্গালী মুসলমানদের জাতিসত্বার প্রয়োজনে মাতৃভাষা বাংলার গুরুত্ব এবং সেক্ষেত্রে বাংলার পরিবর্তে অন্য কোন ভাষা চাপিয়ে দেয়ার বিষ্ময় পরিণতি সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর(১৮৬১-১৯৪১) স্পষ্ট ভাষায় হুশিয়ারী উচ্চারণ করছিলেন অবশ্যই একটু ভিন্ন প্রেক্ষাপটে, “বাংলাদেশের শতকরা নিরানব্বইয়েরও অধিক সংখ্যক মুসলমানের ভাষা বাংলা। সে ভাষাকে কোনটাসা করিয়া তাহাদের উপর যদি উর্দু চাপানো হয় তাহা হইলে তাহাদের জিহ্বার আধখানা কাটিয়া দেয়ার মত হইবেনা কি? চীন দেশের মুসলমানের সংখ্যা অল্প নহে, সেখানে কেহ বলেনা যে চীনা ভাষা ত্যাগ না করিলে তাহাদের মুসলমানির খর্বতা ঘটিবে।” দেখা গেছে বাংলা উর্দু ঘিরে বাঙ্গালী মুসলমানের ভাষার সমস্যার বিষয়টি একটু ভিন্নভাবে হলেও দীর্ঘদিন ধরেই উপস্থিত এবং রবীন্দ্রনাথ সঙ্গত কারণেই এ ...
একুশে মানে মাথা নত না করা, একুশ মানে দুরন্ত মনে শহীদের প্রতি ভালোবাসা, প্রেম। একুশ আমাদের চেতনা। আমাদের দেশ, জাতির প্রতি চরম দায়িত্ব বোধের কথা একুশ স্মরণ করিয়ে দেয়। কিছু প্রাণের বিনিময়ে যে ভাষা, প্রাণের ভাষা তার মর্যাদা রক্ষায় সবার সচেতনতা এবং প্রাণের গভীরের ভালোবাসা প্রয়োজন। শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থেকে এবং বাংলাদেশের জাতিসত্তার বিকাশে আমাদের স্বশিক্ষিত সচেতন জাতি হতে হবে।
প্রথম শহীদ
একুশের প্রথম শহীদ রফিকউদ্দিন আহমেদ। তিনি ছিলেন মানিকগঞ্জের আবদুল লতিফের বড় ছেলে। তার মায়ের নাম লতিফা খাতুন। সিঙ্গাইর থানার পারিল গ্রামে তাদের বাড়ি ছিল সে সময় তার বয়স হয়েছিল ২৬ বছর। পুলিশের লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাসের কারণে ছাত্ররা বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ব্যারাকে আশ্রয় নেয়ার সময় তাদের সাথে ছিলেন রফিক। গুলিতে তার মাথার খুলি উড়ে যায়। মাটিতে লুটিয়ে পড়ে তৎক্ষণাৎ মারা যান তিনি। আজিমপুর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
প্রথম লিফলেট
একুশে ফেব্রুয়ারি রক্তাক্ত ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় একটা কিছু করার তাগিদে ওই দিনই সন্ধ্যায় আলাউদ্দিন আল আজাদ, মুস্তাফা ...
Phonetic
Probhat
Inscript
Unijoy
Bijoy
English
Virtual