সাধারণ ক্ষমা কাদের জন্য ???
সাধারণ ক্ষমা কাদের জন্যে ? যারা দেশের বড় বড় সেনা অফিসার হত্যা করে সুয়ারেজের মাধ্যমে নদীতে ভাসিয়ে দিল তাদের জন্য ? যারা নিরিহ পথচারী কিংবা চায়ের দোকানের কিশোর কর্মচারীকে হত্যা করল তাদের জন্য ? এটা তো কোন সাধারণ অপরাধ নয় যে সাধারণ ক্ষমার আওতায় তাদের ক্ষমা করে দেওয়া যায় !
তাদের দাবি-দাওয়া আদায়ের আরো অনেক তো পথ খোলা ছিল, তারা আমরণ অনশন করতে পারতো, তারা মিডিয়ার শ্বরণাপন্ন হতে পারতো । দেশের মানুষের ট্যাক্সের পয়সা খেয়ে তাদের টাকায় কেনা অস্র দিয়ে তাদেরকে নির্মমভাবে হত্যাকারীদেরকে কখনো সাধারণ ক্ষমার আওতায় আনা যায় না । তাদের অপরাধ কোন সাধারণ অপরাধ নয় । এর সাথে জরিতদের কঠোর শাস্তি হওয়া উচিৎ বলেই আমি মনে করি । অন্যথায় ভবিষ্যতে আবারো কোন সাধারণ দাবী-দাওয়া আদায়ের জন্য ওরা মানুষ হত্যা করে আবারো এমনিভাবে কাউকে জিম্মি করে সাধারণ ক্ষমা আদায় করে নিবে ।
আবার কেউ ভেবে বসবেন না আমি তাদের ন্যায্য কোন দাবি-দাওয়ার বিপক্ষে, আমি শুধু তাদের এই সিস্টেমটার জন্যই বিডিআরদের সমালোচনা করছি । ধন্যবাদ সবাইকে ।
তাদের দাবি-দাওয়া আদায়ের আরো অনেক তো পথ খোলা ছিল, তারা আমরণ অনশন করতে পারতো, তারা মিডিয়ার শ্বরণাপন্ন হতে পারতো । দেশের মানুষের ট্যাক্সের পয়সা খেয়ে তাদের টাকায় কেনা অস্র দিয়ে তাদেরকে নির্মমভাবে হত্যাকারীদেরকে কখনো সাধারণ ক্ষমার আওতায় আনা যায় না । তাদের অপরাধ কোন সাধারণ অপরাধ নয় । এর সাথে জরিতদের কঠোর শাস্তি হওয়া উচিৎ বলেই আমি মনে করি । অন্যথায় ভবিষ্যতে আবারো কোন সাধারণ দাবী-দাওয়া আদায়ের জন্য ওরা মানুষ হত্যা করে আবারো এমনিভাবে কাউকে জিম্মি করে সাধারণ ক্ষমা আদায় করে নিবে ।
আবার কেউ ভেবে বসবেন না আমি তাদের ন্যায্য কোন দাবি-দাওয়ার বিপক্ষে, আমি শুধু তাদের এই সিস্টেমটার জন্যই বিডিআরদের সমালোচনা করছি । ধন্যবাদ সবাইকে ।
লেখক কামাল উদ্দিন
- কামাল উদ্দিন -এর ব্লগ
- ২৬ টি মন্তব্য
- ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৯, ০৭:২৭
- বিবিধ
প্রিন্ট করুন
- ২৬ টি মন্তব্য
-
আ,শ,ম,এরশাদ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৯, ০৭:৫৪
পরিস্তিতি সামাল দিতে বা আরো প্রানহানী রোধে সাধরন ক্ষমা।পরে হয়ত বিভাগীয় ব্যাবস্তা নিবে। -
শামান সাত্ত্বিক২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৯, ০৮:১২
সবার আগে দরকার এ ঘটনার পেছনের কারণ অনুসন্ধান করা। এটা যদি কোন ষড়যন্ত্র বা পূর্বপরিকল্পিত হয়, তাহলে জানা দরকার কারা এর পেছনে - কারা উস্কানি দিয়েছে আর আসল উদ্দেশ্যই বা কি? -
হাসান মাহমুদ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৯, ০৮:৫৫
গুরু পাপে লঘু দন্ড হয়। তাই বলে একেবারে সাধারন ক্ষমা!!! হায়!!!
নিহতের পরিবারগুলোর কি কুছুই চাওয়ার নেই??? -
সুজন২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৯, ০৮:৫৮
হাসান মাহমুদ বলেছেন:
গুরু পাপে লঘু দন্ড হয়। তাই বলে একেবারে সাধারন ক্ষমা!!! হায়!!!
নিহতের পরিবারগুলোর কি কিছুই চাওয়ার নেই???
সহমত তার সাথে। -
সুজন২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৯, ০৯:২৪
আরে ভাই ইমোটিকনে ভুল হইছিল। সেটা আমি পরে বলেছি। Man is mortal .......মানুষ মাত্রই ভুল হয়। -
তুষার কন্যা২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৯, ০৮:৫৮
সাধারন ক্ষমা এর আগেও আমাদের ভুগিয়েছে,এবারো ভোগাবে কি না কে জানে।তবে কোন পরিস্হিতি আর হুমকির মুখে যে সাধারন ক্ষমা দেয়া হয়-বুঝলাম।এটা না হলে হয়তো যে ৩৩জন কে জীবিত পাওয়া গেছে,তাদের ও অস্তিত্ব থাকতো না।ওদের সব দাবী যৌক্তিক,কিন্তু মানুষ মারা কোনো পরিস্হিতিতেই যৌক্তিক নয়।এরা যদি শুধু দরবার হল ঘেরাও করে জিম্মি করতো তাহলেও আমি হয়তো মেনে নিতাম।এদের সব দাবী যৌক্তিক ছিলো,তাদের এসব সমস্যার কথা সাধারন মানুষ এতো ভালো করে জানতো না এর আগে।এখন সাধারন মানুষের সাপোর্ট টা ওরা পেত,দাবী আদায় ও হতো।কিন্তু প্রতিবাদের ভাষা টা ঠিক থাকতে হবে।একটা অন্যায়ের প্রতিবাদে আর একটা অন্যায় কখনো সমর্থন যোগ্য নয়। -
আইরিন সুলতানা২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৯, ১০:৪৭
তুষার কন্যা,
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে মন্তব্যগুলো্তেও ধৈর্য্য পরিচয় দিতে হয়। প্রকৃত ইতিহাস পড়ে দেখলে মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তী সময়কালের সাধারণ ক্ষমার প্রেক্ষাপট বোঝা যাবে... সাধারণ ক্ষমার জন্য যে ভোগান্তির কথা বলছেন তা কিন্তু ভুল প্রচারণার অংশ ছিল...
এখন দেশের পরিস্থিতি ভিন্ন..সবাই চাইছে আগে পরিস্থিতি শান্ত হোক । তাই ভিন্ন কোন প্রসংগ নিয়ে এই মুহূর্তের আর দীর্ঘ কোন মন্তব্য করতে চাইনা। -
উম্মু২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৯, ০৯:১৬
সাধারন ক্ষমা কোন সুনির্দিষ্ট ক্রাইমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে না। লাশে আগুন ধরানো, বেসামরিক ব্যক্তির উপর হামলা - এমন কি নিরস্ত্র, শান্তিকামী কোন সামরিক ব্যক্তির উপর গুলি বর্ষনও সাধারন ক্ষমার আওতায় থাকা ঠিক নয়।
তবে এখন বিডিআর আত্ম সমর্পন করেছে। আর চারিদিকে ইচ্ছামত বিডিআরদের বিরুদ্ধে কাহিনী বানানো হচ্ছে। সত্য মিথ্যার কোন বালাই নেই।
কারো দুর্বল অবস্থার সুযোগ নেয়া ঠিক নয়। এখন বিদ্রোহী বিডিআররা যাতে প্রতিহিংসার শিকার না হয় - তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। আর্মির শক্তি আছে, তাদের ভিত মজবুত। তাদের উপর অন্যায় করে কেউ পার পাবে না। বিডিআরের অবস্থা সেরকম নয়। এসব জওয়ানরা তৃতীয়, চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারী। তাই নিরিহ বিডিআর সহ যারা পরিস্থিতির চাপে বাধ্য হয়ে অস্ত্র তুলে নিয়েছিলো, আসুন তাদের প্রতি সমর্থন অব্যহত রাখি। -
আইরিন সুলতানা২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৯, ১০:৫৫
সবাইকে একটা ব্যাপার বুঝতে হবে ...ভেতরে তখন কতটা ক্ষতি হয়ে গিয়েছিল তা বাইরে থেকে বোঝা সম্ভব ছিল না...অনেক ধরনের গুজবই ছিল কেবল ...
আর বিদ্রোহীরা স্বসস্ত্র ছিল..তাদের কাছে জিম্মি ছিল অনেক...এটা বুঝতে পারি, আজকে এতো লাশ দেখে সবার মনে বেদনা জেগে উঠেছে...কিন্তু তখন বিদ্রোহীদের যুদ্ধ থামাতে নিবৃত করাটাই মুখ্য ছিল। সাধারণ ক্ষমার দাবি বিদ্রোহীদের কাছ থেকে উঠেছিল...এই দাবিকে উপেক্ষা করলে তারা নিশ্চয়ই যুদ্ধ থামিয়ে অস্ত্র জমা দিতে চাইতো না..
তখন কি মনে হয় আপনার, বিডিআর দের যুদ্ধ থেকে নিবৃত করতে আরেক বাহিনীকে নামিয়ে দিয়ে পুরো রণক্ষেত্র রক্তাক্ত করা সমীচিন হতো !
তাতে লাশের সংখ্যা বাড়তো কেবল ..
একটি সংকটময় মুহূর্তে একটি পরিস্থিতিতে শান্ত করতে একটি তড়িৎ সমঝোতাকে বুঝতে চেষ্টা করতে পারি আমরা।
তবে সরকার অবশ্যই বিচার কাজ শুরু করতে পারে।
কিন্তু এই বিচার কার্যে প্রহসন হওয়াও যাবে না... জোর-পূর্বক বিচাও হওয়া যাবে না ...জনগণকে জানতে দিতে হবে..কি হয়েছিল, কি মূল কারণ...এবং কি হতে যাচ্ছে...
এই ইতিহাস ভুল ভাবে লেখা হোক তা চাইনা ... -
আইরিন সুলতানা২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৯, ১০:৪২
পরিস্থিতি সামাল দেয়াটা জরুরী ছিল; হত্যা, রক্তারক্তি, যুদ্ধ ঠেকানো এবং জনগণের আতঙ্ক কমানোই উদ্দেশ্য ছিল । এক্ষেত্রে কারো বিদ্রোহ নিয়ন্ত্রণে আনতে অবশ্যই তাদের সাথে ঠাণ্ডা মাথায় আলোচনা করা প্রয়োজন।
ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে খুন কাম্য নয়...
তাই এখন তদন্ত হওয়া জরুরী, তবে সেই তদন্তেও স্বচ্ছতা থাকতে হবে ।
ক্ষতি যা হয়েছে তা সবারই হয়েছে ...পক্ষ-বিপক্ষ তৈরী করতে গেলে এই ক্ষোভের রেশ থেকেই যাবে।
-
সাম্প্রতিক পোস্ট
-
সাম্প্রতিক মন্তব্য





নীতিমালা
ব্লগ বই
অভিযোগ
সাম্প্রতিক পোস্ট

ফনেটিক