সালাম সবাইকে

ফেব্রুয়ারি
২১

এসি ডিসি কারেন্ট যুদ্ধ

সময় ১২:২০:২৯

বিদ্যুৎ কথা: এসি না ডিসি?

বিদ্যুতের সাথে আমাদের জীবন পুরোপুরি জড়িয়ে গিয়েছে। আজকের দিনে বিদ্যুৎ না হলে আমাদের এক মুহুর্তও যেন চলেনা। দৈনন্দিন জীবনেই শুধু নয়, সাথে সাথে রাজনীতিতে বিদ্যুৎ নিয়েছে অন্যতম নীতি নির্ধারন ভূমিকা। বাংলাদেশে ২০০১ সালে আওয়ামী লীগের কিংবা ২০০৯ এর নির্বাচনে জোট সরকারের ভরাডুবির পেছনেও ছিল এই বিদ্যুৎ। দিন দিন এমনই গুরুত্ববহ হয়ে উঠেছে এই শক্তিটি।

দুই ধরনের বিদ্যুতের সাথে আমরা পরিচিত - এসি, বা অল্টারনেটিং কারেন্ট । এবং ডিসি, বা ডিরেক্ট কারেন্ট। ডিসি কারেন্ট সোজা সাপ্টা। নিরবিচ্ছিন্ন তার প্রবাহ, সময়ের সাথে এর মানের পরিবর্তন হয় না। টর্চ লাইটে পাচ ভোল্টের ব্যাটারী যে বিদ্যুৎ দিয়ে থাকে তা হল ডিসি কারেন্ট। অন্যদিকে এসি কারেন্ট এর উল্টো। সময়ের সাথে বাড়ে কমে। বাসা বাড়ীতে ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় তা হচ্ছে এসি কারেন্ট।


ধরা যাক আপনার কাছে প্রশ্ন রাখা হল:
আপনি কোন ধরনের বিদ্যুতের সমর্থক? এসি না ডিসি?


বিদ্যুতের পেছনের ইতিহাস জানা না থাকলে আপনি অবাক হবেন। ভাববেন, এ কি কোন প্রশ্ন হল? প্রশ্নকারী কি পাগল নাকি? বিদ্যুত ...

  • ১টি মন্তব্য

ফেব্রুয়ারি
০৩

ভুলে যাও, তারে ভুলে যাও একেবারে

সময় ০৫:১৫:৪০

তোমার সাথে দেখা না হলেই বুঝি ভাল হত।

কিন্তু হল। আমিই উৎসাহ নিয়ে বললাম, "এদিকে এসেছো আর দেখা হবে না, তাও কি হয়?"

"না, হয় না। আসছি তোমার বাসায়।" তুমি জানালে।

আমি ছুটলাম রান্নাঘরে। যদিও ইদানিং সে জায়গাটা বিষময় মনে হয়। আর কত? একটা জীবনের কতটা অংশ রান্নাঘরে থাকা যায়!!! শর্টকাটের উপর দিয়ে কিছু নাস্তা তৈরী করলাম।

তুমি এলে।

তোমাকে দেখে খুশী হলাম।

আড্ডা চলছিল জমজমাট। যদিও তোমার অস্থিরতা আমার চোখকে ফাকি দেয় নি। তুমি বেশ অদ্ভূত আচরন করছিলে। অসংলগ্ন কথা বার্তা, বার বার অন্য মনষ্ক হয়ে যাওয়া। এই সবই কারো নজর এড়াল না।

বলি বলি করে অবশেষে প্রশ্নটা করলাম, "আরিফ কি আবার বিয়ে করেছে?"

"হ্যা। গত সপ্তাহে।"

আমি বুঝলাম তোমার অস্থিরতার পেছনের কারন। হাজারো আইনী ঝামেলা মিটিয়ে যে মানুষটিকে ফেলে এসেছো, তার অদৃশ্য বাধন থেকে তুমি আসলে পুরো মুক্ত নও। অথচ, এক সময় দাবী করেছিলে ওটাই হবে তোমার সবচেয়ে বড় মুক্তি।

ভোলা কঠিন। স্কুলে পড়ার সময় থেকে পরিবারের চোখ রাংগানি অগ্রাহ্য করে বছরের পর বছর ধরে যে মানুষটিকে নিয়ে বিভোর হয়ে থাকতে, যে মানুষটিকে কাছে পেয়ে একসময় তুমি নিজেকে ...

  • ৫টি মন্তব্য

জানুয়ারি
২৪

ইউরোপের মুসলিম অভিবাসীদের সাম্প্রতিক অবস্থা ও প্রেক্ষাপট এবং ইসলাম/মুসলিম বিষয়ে সাংবাদিক ওরিয়ানা ফালাচি

সময় ০৫:৪৬:১০

ইদানিং শেরবিনি হত্যাকান্ডসহ বেশ কিছু ঘটনায় মুসলিম সংখ্যালঘু বিষয়ে ইউরোপের ভাবমূর্তি চ্যালেন্জ্ঞের মুখোমুখি হয়েছে। এ লেখাটিতে ইউরোপের মুসলিম সংখ্যালঘুদের ইমেজ সংকট, বিঘ্নিত নাগরিক অধিকার এবং হুমকিগ্রস্ত জীবনধারাসহ অল্প কিছু বিষয়ে আলোকপাত করছি।

স্ট্যাটিসটিকস বক্স: ইউরোপের মুসলিম জনপদ ও ইসলামোফোবিয়া

ইউরোপিয়ান মনিটরিং সেন্টার অন রেসিজম এন্ড জেনোফোবিয়ার প্রধান বিট উইন্কলার এর মতে ইউরোপ এখন ইসলামোফোবিয়ায় আক্রান্ত। এদের পরিচালিত বিভিন্ন জরিপে বিষয়টি বেশ উদ্বেগজনকভাবে ফুটে উঠেছে। সংক্ষেপে এসব ইসলামোফোবিক কিছু ফ্যাক্ট নীচে উল্লেখ করা হল। স্বল্প পরিসরের লেখায় এর পুরো চিত্র দেয়া সম্ভব নয়, তবে নীচের কয়েকটি স্ট্যাটিসটিকস আপনাকে বর্তমান ইউরোপে মুসলিমদের প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে মোটামুটি ধারনা দেবে।

(ডাটা কৃতজ্ঞতা: [১], [২], [৩], [৪], [১০], [২৪])


১। ইউরোপে বসবাস করে ৫৩ দশমিক ৭ মিলিয়ন মুসলিম। যার মধ্যে ১৫ দশমিক ৯ মিলিয়ন মুসলিম বাস করে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে।

২। জরিপে অংশগ্রহনকারীদের মধ্যে শতকরা ৫০ ভাগ পশ্চিমা ইউরোপিয়ান স্বীকার করেছেন ইউরোপের মুসলিমদের ...

  • ৭টি মন্তব্য

ডিসেম্বর
১৭

স্পেনের মুর মুসলিমদের ইতিহাস এবং পেন্ডিং এপোলোজি

সময় ০২:১১:৫৪

স্পেন। ইউরোপের ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংগ। এখানে একদিকে যেমন হয়েছে ইউরোপের প্রথম সভ্যতার উৎকর্ষ, অন্যদিকে ঘটেছে ইনকুইজিশনের মত বর্বরতা। সব মিলিয়ে স্পেনের ইতিহাস তাই বহুমাত্রিক, যা পাঠকদের আগ্রহী করে তোলে। নিতান্ত উদাসীন হলেও আপনি হারিয়ে যেতে চাইবেন স্পেনের বৈচিত্রময় অতীতে, মিশে যেতে চাইবেন সেখানকার মানুষদের জীবন ধারার সাথে। আমার এই সংক্ষিপ্ত ইতিহাসে পঞ্চম থেকে পঞ্চদশতম শতকের কথাই মূলত স্থান পেয়েছে, যা সবচেয়ে বেশী বৈচিত্রময় বলে আমার বিশ্বাস। ]






পঞ্চম শতকের স্পেন: ভিসিগোথ শাসনে নির্যাতনে পিষ্ট প্রজাকূল

পঞ্চম শতকের কথা।

স্পেন তখন শাসিত ছিল ভিসিগোথদের দ্বারা। ভিসিগোথদের সংক্ষেপে "গোথ" বলা হত, যাদের মূল আবাস স্থল জার্মান। তারা ছিল আরিয়ান ক্রীষ্চান। বেদুইন এই জাতিটি বংশ পরষ্পরায় বিভিন্ন দেশ জয় করে তাতে বসতি স্থাপন করে, যাদের মাঝে স্পেন ছিল একটি। স্পেনে যতদিন আরিয়ান ভিসিগোথদের শাসন ছিল, ততদিন সেখানকার পরিবেশ ছিল ইহুদী অধিবাসীদের প্রতি সহনশীল। কিন্তু পরিস্থিতি পাল্টে যায় যখন ৫৮৯ খ্রীষ্টাব্দে স্পেনের ভিসিগোথ রাজা রেকারেড ক্যাথলিক বিশ্বাস ...

  • ১৭টি মন্তব্য

নভেম্বর
১৯

জাবের ইবনুল হাইয়ানের পরিচয় ও তার সংক্ষিপ্ত জীবনী

সময় ১৯:৩৫:২৩

কিমিয়া থেকে কেমিস্ট্রি:

গুপ্তবিদ্যার প্রতি আগ্রহ মানুষের চিরন্তন। "আল কেমি" হচ্ছে সেই রকম গুপ্তবিদ্যা, যার দ্বারা মানুষ "এলিক্সির" নামে এমন একটি যাদুকরী বস্তু তৈরী করতে পারবে। সে এলিক্সিরের ছোয়ায় লোহা হয়ে যাবে সোনা, তামা হয়ে যাবে রূপা, আর মানুষের আয়ু যাবে বহুগুন বেড়ে!! লোহা থেকে সোনা বানানো কিংবা জীবনকে দীর্ঘায়িত করার বাসনাই ছিল আল কেমী বিদ্যার মূল উদ্দেশ্য।

"আল কেমি" শব্দটি এসেছে আরবী আল কিমিয়া থেকে। "আল" হচ্ছে "the" এর আরবী এবং "কিমিয়া" এসেছে "কেম" থেকে, যার অর্থ "কালো মাটি"। মিশরের নীল নদের তীরের মাটি কালো হওয়ায় এ নাম, কেননা "আল কেমী"র ব্যপক চর্চা মূলত হয়েছে মিশরে। তবে এ নিয়ে বিভিন্ন মত রয়েছে। কেউ কেউ বলেন, গ্রীক "কায়মা" থেকেও "কেমী" শব্দটি আসতে পারে। "কেমী" শব্দের এটিমোলোজি যাই হোক না কেন, "আল কেমি"র ব্যপক চর্চা তৎকালীন মুসলিম সমাজে হবার ফলে, "আল কেমী" শব্দটির আরবীতে আত্তীকরন হয়ে যায়।

আল কেমী বহু আগে থেকে চলে আসা একটি সাবজেক্ট, পৃথিবীর মানুষ লোহা থেকে সোনা বানানোর অসম্ভব চেষ্টা প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই করছে। এরিস্টটলের দর্শন অনুযায়ী, সমস্ত বস্তুই আসলে একই জাতীয় সাবস্ট্যান্স ...

  • ৮টি মন্তব্য

নভেম্বর
১৬

ব্লগিং এর খুটিনাটি নিয়ে

সময় ০১:৫৯:৩২

বাংলা ব্লগ এখনও তার শৈশব কাটায় নি। আমাদের ব্লগারদের সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়ছে। তিন বছর আগের সেই ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম এবং আজকের ব্লগিং প্লাটফর্মের মধ্যে রয়েছে আকাশ পাতাল দূরত্ব। এবং সেটাই নির্দেশ করছে বাংলা ব্লগিং এর সাফল্য।

বাংলা ব্লগকে সাধারন বাংগালীর কাছে জনপ্রিয় করতে যে প্রতিষ্ঠানকে স্বীকৃতি দিতেই হয়, তা হল সামহোয়ার ইন। ব্লগিং প্লাটফর্মের সমস্ত সীমাবদ্ধতাকে ধীরে ধীরে জয় করে সামহোয়ার এখন মোটামুটি স্থায়ীত্ব লাভ করেছে। এছাড়াও প্রথম আলো ব্লগ ও আমার ব্লগও মোটামুটি মানের জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তবে ব্লগ জগতকে একটি বিকল্প মিডিয়া হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে হলে আরো বহু সময় দিতে হবে। কিছুদিন আগে আমি আমার একটি লেখায় ব্লগের এই প্রাথমিক সাফল্যকে স্বীকৃতি জানিয়ে লিখেছিলাম:

"তবে আশার কথা এই যে প্লাটফর্মের সংখ্যা বাড়ছে। চাইলেও কারো কন্ঠরোধ করা আর সম্ভবপর হবে না। ইন্টারনেট এক বিশাল সমুদ্র। সেখানে "যে লড়ে সে টেকে" বা "survival of the fittest" মতবাদের সার্থক রূপ প্রতিফলিত হয়। আর এই "লড়া"টা হতে হবে বুদ্ধিভিত্তিক, নোংরামি ভিত্তিক নয়। প্লাটফর্মের সংখ্যা বেড়ে গেল আপনা আপনিই বুদ্ধি ভিত্তিক প্রতিযোগিতার ...

  • ১৪টি মন্তব্য

নভেম্বর
০৭

শিক্ষা নীতি ব্যবচ্ছেদ - অসারের কিছু প্রলাপ

সময় ০৭:৫৪:২৬

শিক্ষা নীতি নিয়ে বেশ আলোচনা দেখছি। বাংলাদেশে সরকারের পক্ষ থেকে নূতন শিক্ষা নীতি করার তোড় জোড় চলছে। সে বিষয়ে বিভিন্ন জ্ঞানী গুনী বিভিন্ন রকম বক্তব্য রাখছেন। সামহোয়ার ব্লগও তার বাইরের কিছু নয়। তাই এখানেও এ বিষয়ে নানা পোস্ট দেখছি।

আমারও কিছু কথা বলতে ইচ্ছা করে। কম্পিউটারের সামনে বসে থাকলে বার বার ইচ্ছে করে ব্লগ সাইটে উকি দিতে। মাঝে মাঝে অন্যের পোস্টে মন্তব্য করি, তবে সবসময় সে অভিজ্ঞতা সুখকর হয় না। মানুষের সাথে মেলামেশায় আমার খুব সুনাম সমাজে নেই, ব্লগেও এটা ইতিমধ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দুই বছরের উপরে আমার এখানে বিচরন, অথচ শুভাকাংখী ব্লগার বলতে নাহিদ, সোহায়লা, কিংবা পারভেজ ভাই এর মত দুই চারজন হাতে গোনা। আমি তো কোনদিনও কারো আত্ম সম্মানে আঘাত করি না, ডেল কার্নেগীর বন্ধু বিষয়ক বই অনাগ্রহ, বিতৃষ্ণা নিয়ে পড়ি শুধুমাত্র বন্ধুবৎসল হবার জন্যে, কিন্তু তবুও আজতক বন্ধুহীন হয়েই রইলাম। যার নয়ে হয় না, নব্বইতেও সে না হবার দলেই থাকে।

শিক্ষা নীতি নিয়ে কথা বলতে এসে নিজের প্রসংগে এত গুলো কথার অবতারনার কারন একটিই। আমি বাংলাদেশের প্রস্তাবিত শিক্ষা নীতি নিয়ে খুব বেশী কিছু জানি না, অথচ এ নিয়ে ...

  • ৮টি মন্তব্য

অক্টোবর
০৩

১২ই অক্টোবর: কলম্বাস ডে, যেভাবে আমেরিকা আবিষ্কৃত হল

সময় ০০:০৮:৫৩


১৪৯২ সাল। সময়টা ক্যাথলিকদের জন্য অত্যন্ত শুভ। গ্রানাডা বিজয়ের আনন্দে মাতোয়ারা তারা তখন স্পেনে। রানী ইসাবেলা এবং রাজা ফার্ডিনান্ডের নেতৃত্বে ক্যাথলিকরা অবশেষে পরাভূত করতে পেরেছে মুসলিমদের। মুসলিমদের যে অযোগ্য নেতৃত্ব গ্রানাডাতে টিম টিম করে জ্বলছিল, তা সম্পূর্ন নির্বাপিত হয়ে স্পেনে আলোকিত হয়েছে ক্যাথলিকদের বিজয় মশাল।

এই শুভ ক্ষনে একজন ক্যাথলিক নাবিক কলম্বাস দেখা করতে চাইলেন রানী ইসাবেলার সাথে। রানীর সাথে কয়েক বছর আগেও তিনি দেখা করেছিলেন। কিন্তু সেবার রানীকে রাজী করাতে পারেন নি। কিন্তু এখনকার কথা তো আলাদা। এখন তো আমরা বিজয়ী। এখন নিশ্চয়ই রানী রাজী হবেন।

রানী সত্যিই রাজী হলেন কলম্বাসের কথায়। কলম্বাস তাকে আশা দিলেন পশ্চিমের নূতন গতিপথ দিয়ে ভারত আবিষ্কার করতে পারলে প্রচুর সম্পদ পৌছে যাবে রানীর কাছে। পশ্চিমের এ পথ হবে পূবের জ্ঞাত পথের চেয়ে সহজতর। এতে করে ক্যাথলিজম আরো কয়েক গুন বেশী প্রসারিত হবে। রানী যেন এ যাত্রায় সম্মতি দেন। তার যাত্রা পথের খরচ বহন করেন। রানীর পৃষ্ঠপোষকতার যে বড়ই প্রয়োজন।

রানী রাজি হলেন জাহাজের খরচ দিতে। প্রস্তুতি শেষ হল সান্তা ...

  • ৭টি মন্তব্য

আগস্ট
২১

বীজগনিতের জনক আল খাওয়ারিজমী: জীবন যখন কর্মময়

সময় ২২:০৫:৩৪


"হাউস অব উইসডম" এর স্কলার খাওয়ারিজমী:

সপ্তম শতকের শুরুটা মুসলিম সাম্রাজ্যের জন্য ছিল অত্যন্ত শুভ। অপ্রতিরোধ্য গতিতে এশিয়া ও আফ্রিকাতে তখন মুসলিম সাম্রাজ্যের বিস্তৃতি ঘটতে শুরু করেছে। যার ফলাফল হিসেবে আরবরা তখন বিজিত গ্রীসের গনিত বিদ্যা এবং এস্ট্রোনমির সাথে পরিচিত হতে থাকে। মুসলিম বিশ্বে সেসময়টা বিজ্ঞানের সাধনা ছিল সমাদৃত এবং গৌরবময়, যার ফলে বিজ্ঞানের তাত্ত্বিক ও প্রায়োগিক - এই দুটি দিকেই মুসলিমদের অবদান দিন দিন বেড়ে চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় নবম শতকে আব্বাসীয় খলিফা হারুন অর রশিদ এবং তার পুত্র মামুন কর্তৃক বাগদাদে স্থাপিত হয় "হাউস অব উইসডম", বা "বাইতুল হিকমা" নামে একটি গ্রন্থাগার, যা ছিল তৎকালীন বিশ্বের শ্রেষ্ঠতম বিদ্যপীঠ। যা তৎকালীন ক্ষমতাসীন খলিফাদের দ্বারা ব্যপক পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করে। মুসলিম অমুসলিম নির্বিশেষে জ্ঞানী গুনীদের পৃষ্ঠপোষকতায় "বাইতুল হিকমা" হয়ে উঠে অনন্য এক বিদ্যাপীঠ। এমন কি বাইজেনটাইন সাম্রাজ্য থেকে বিতাড়িত জ্ঞানীদের আশ্রয় স্থল হয়ে উঠে এই "বাইতুল হিকমা"। যার ফলে ইউক্লিডিয়ান সহ বিভিন্ন গ্রীক লেখা আরবীতে অনুদিত হয়। এই অনুবাদ গুলো বিজ্ঞানের জন্য ছিল ...

  • ১৩টি মন্তব্য

আগস্ট
০৮

চোরাবালি

সময় ২৩:০০:৪৪

গল্প

বিরক্ত হয়ে সামনের লজিক এনালাইজারটার দিকে চেয়ে আছে লিলি। সেই কখন বিকাল থেকে নব টেপাটেপি করছে কিন্তু কাজের কাজ কিচ্ছু হচ্ছে না। এদিকে ল্যাব কো-অর্ডিনেটরের সামনে কাল সকালে পুরো এক্সপেরিমেন্ট প্রেজেন্ট করতে হবে মনে করতেই রীতিমত আতংক যেন গ্রাস করে লিলিকে। হতাশ হয়ে দেয়ালে ঝোলানো ঘন্টাওয়ালা ঘড়িটার দিকে একবার চেয়ে দেখল। রাত প্রায় বারটা। দীর্ঘ এক নিঃশ্বাস বেরিয়ে এল বুক চিরে। আস্তে আস্তে বিশ্বাস হতে শুরু করল, বিরক্তিকর মিশরীয় ল্যাব কোঅর্ডিনেটর সবার সামনে তাকে একচোট দেখে নেবার সুযোগ মোটেই হাতছাড়া করবে না।

লিলি চলতি সেমিস্টারে বোম্বে থেকে এই ইউনিতে এসেছে মাস্টার্স করতে। ফ্রেশম্যান ডিজিটাল ল্যাবের টিএ করছে। বলা চলে সবচেয়ে সহজ কোর্সের একটি । তবে প্রথম বার বলে অনেক জায়গায় সে আটকে যাচ্ছে। এছাড়া নিজের কোর্সের চাপ তো রয়েছেই। এদিকে ল্যাব কোঅর্ডিনেটর এক কিম্ভূতকিমার্কার মিশরীয় ছাত্র, যে গত দশ বছর ধরে কিনা ধাক্কিয়ে ধাক্কিয়ে পিএইচডি করছে। তার চন্ডাল মার্কা মেজাজের সামনে সমস্ত টিএরা অসহায়। এত বছর ধরে কারো পিএইচ ডি করতে পারার কথা নয় - সে কাকে কাকে ধরে যেন প্রতি বছর এক্সটেন্ড করছে। ...

  • ৮টি মন্তব্য

প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা ১২১৫